King of BD

King of BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from King of BD, Sharjah.

15/03/2026

একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ হযরত ওমর (রা.)-কে সাথে নিয়ে নাবত নামক বাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় একজন নারী তাঁর সামনে এসে আরজি পেশ করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার স্বামীর সাথে ঘরে এমনভাবে থাকি যেন আমরা দুজনই নারী (অর্থাৎ তাদের মধ্যে কোনো দাম্পত্য সম্পর্ক বা ভালোবাসা নেই)।

অথচ আমি একজন মুসলিম নারী হিসেবে সেটাই কামনা করি যা অন্য মুসলিম নারীরা কামনা করে।"

নবীজী ﷺ বললেন, "তাকে (স্বামীকে) আমার কাছে নিয়ে এসো।"

লোকটি আসলে নবীজী ﷺ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার স্ত্রী যা বলছে সে বিষয়ে তোমার বক্তব্য কী?"

লোকটি কসম খেয়ে বলল, "হে আল্লাহর রাসূল! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, তাঁর সাথে মিলিত হওয়ার পর আমার মাথার গোসলের পানি এখনো শুকায়নি (অর্থাৎ আমি তো তাকে সময় দিই)।"

তখন স্ত্রী বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! মাসে কি একবার মিলনই যথেষ্ট?" নবীজী ﷺ মহিলাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি তাকে ঘৃণা করো?" মহিলা বললেন, "হ্যাঁ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন তাঁর কসম (আমি তাকে ঘৃণা করি )।"

নবীজী ﷺ বললেন, "তোমাদের দুজনের মাথা আমার কাছাকাছি করো।" এরপর তিনি তাদের দুজনের কপাল তাঁর পবিত্র চেহারার কাছে রাখলেন এবং দোয়া করলেন:

"হে আল্লাহ! তাদের দুজনের মধ্যে মিল মহব্বত সৃষ্টি করে দিন এবং একজনকে অন্যজনের কাছে প্রিয় করে দিন।"

এর কয়েকদিন পর নবীজী ﷺ পুনরায় সেই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। দেখলেন সেই নারীটি তাঁর স্বামীর চামড়ার ব্যবসার কাজে সাহায্য করার জন্য ঘাড়ে করে চামড়া বহন করছেন। নবীজী ﷺ ওমর (রা.)-কে বললেন, "হে ওমর! এটি কি সেই নারী নয়, যে সেদিন অভিযোগ করেছিল?"

নারীটি নবীজীর কণ্ঠস্বর শুনে চামড়া ফেলে দৌড়ে এসে নবীজীর পা মোবারক চুম্বন করতে লাগলেন। নবীজী ﷺ জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার ও তোমার স্বামীর এখন কী অবস্থা?"

নারীটি আবেগাপ্লুত হয়ে বললেন,
"যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন তাঁর কসম! এখন দুনিয়াতে আমার সন্তান ও পিতা-মাতার চেয়েও আমার স্বামী আমার কাছে বেশি প্রিয়!"

এই দৃশ্য দেখে নবীজী ﷺ বললেন, "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল।" হযরত ওমর (রা.)-ও বলে উঠলেন, "আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি আল্লাহর রাসূল।"

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

© Salman Farsi
সূত্র: দালাইলুন নবুওয়্যাহ

08/03/2026

একদিন প্রসিদ্ধ আল্লাহভীরু আলেম মুহাম্মদ ইবন সিরীন (রহ.) বসরার মসজিদে বসে ছিলেন। মানুষ তার কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে আসত—কেউ স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে, কেউ দুনিয়ার সমস্যা নিয়ে, আবার কেউ অন্তরের অশান্তি নিয়ে।

তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান, কিন্তু তার চেয়েও বেশি ছিলেন আত্মসমালোচনাকারী মানুষ।

সেদিন এক ব্যক্তি এসে বলল,
“হে ইমাম, মানুষ আপনার খুব প্রশংসা করে। আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে অনেক মর্যাদাবান।”

ইবন সিরীন (রহ.) সঙ্গে সঙ্গে মাথা নিচু করে ফেললেন। তার চোখে ভয় স্পষ্ট হয়ে উঠল। তিনি বললেন,

“মানুষ যদি আমার সেই গুনাহগুলো জানত, যা আমি জানি—তাহলে কেউ আমার পাশে বসত না।”

লোকটি বিস্মিত হয়ে বলল,
“আপনি তো নেককার মানুষ! তাহলে আপনি এত ভয় পান কেন?”

তিনি কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন,

“কারণ আমি জানি আমার নিয়ত প্রতিদিন বদলায়, কিন্তু মানুষ শুধু আমার বাহ্যিক আমল দেখে।”

এরপর তিনি একটি ঘটনা বললেন।

তিনি বললেন, একবার তিনি বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে একজন মানুষ তাকে দেখে সম্মান করে রাস্তা ছেড়ে দাঁড়াল। লোকটি বলল,
“এই মানুষটি খুব পরহেজগার।”

এই কথা শুনে ইবন সিরীন (রহ.) বাড়ি ফিরে দীর্ঘ সময় কান্না করলেন। তিনি দোয়া করছিলেন—

“হে আল্লাহ, তারা আমাকে যা মনে করে, আমাকে তার চেয়ে উত্তম বানিয়ে দিন; আর যা জানে না, তা ক্ষমা করে দিন।”

পরদিন তিনি ছাত্রদের বললেন,

“প্রশংসা মানুষের জন্য পরীক্ষা। যদি হৃদয় তা গ্রহণ করে, তবে তা বিষ হয়ে যায়; আর যদি ভয় সৃষ্টি করে, তবে তা রহমত হয়ে যায়।”

এক ছাত্র জিজ্ঞেস করল,
“আমরা কীভাবে নিজেকে নিরাপদ রাখব?”

তিনি বললেন,
“নিজের গোপন আমল এমন রাখো, যা শুধু তুমি আর আল্লাহ জানো। তখন মানুষের প্রশংসা তোমাকে বদলাতে পারবে না।”

তিনি আরও বলতেন,
“মু’মিন নিজের হিসাব নিজেই নেয়, তাই কিয়ামতের হিসাব তার জন্য সহজ হয়।”

মানুষ পরে বলত, মুহাম্মদ ইবন সিরীন (রহ.) মানুষের স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিতেন, কিন্তু আসলে তিনি মানুষকে নিজের অন্তরের বাস্তবতা বুঝতে শিখাতেন।

সূত্র: হিলইয়াতুল আউলিয়া — ইমাম আবু নু‘আইম আল-ইসফাহানী (রহ.)।

27/02/2026

একবার একজন সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ! কোন আমলটি সবচেয়ে উত্তম? নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "أَنْ تَمُوتَ وَلِسَانُكَ رَطْبٌ مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ" - তুমি এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে যে তোমার জিহ্বা আল্লাহর জিকিরে সিক্ত থাকবে।

নবীজির এই কথাটি আমাদের একটি গভীর বার্তা দেয়। আমরা অনেক সময় ভাবি—বড় বড় ইবাদত করতে হবে, অনেক কিছু অর্জন করতে হবে। কিন্তু নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সবচেয়ে ভালো হলো—তোমার জিহ্বা সবসময় আল্লাহর স্মরণে থাকুক।

জিকির কোনো বিশাল আয়োজনের বিষয় নয়। এটা সবসময় করা যায়। হাঁটতে হাঁটতে, কাজ করতে করতে, বাসে বসে, রাস্তায় চলতে চলতে। শুধু মনে রাখতে হয় আল্লাহকে। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার—এই ছোট্ট শব্দগুলো যেন জিহ্বায় লেগে থাকে।

আর দেখুন, নবীজি বলেননি "যখন তুমি মসজিদে থাকবে" বা "যখন তুমি নামাজে থাকবে।" তিনি বললেন, "যখন তুমি মৃত্যুবরণ করবে।" মানে, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। তার মানে হলো—জিকির শুধু একটা সময়ের ইবাদত নয়; এটা জীবনযাপনের পদ্ধতি।

এছাড়া, যার জিহ্বা সারাদিন আল্লাহর জিকিরে সিক্ত থাকে, তার হৃদয়ও আল্লাহর কাছাকাছি থাকে। আর যার হৃদয় আল্লাহর কাছে, তার জীবনে শান্তি আসে, পথ সহজ হয়, এবং মৃত্যুও হয় সুন্দর।

26/02/2026

বিয়ে করেছি আজ ১ মাস হলো😍
প্রায়ই রাতে ঘুম ভেঙে দেখি উনি আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছেন। একদিন কথায় কথায় জানতে চাইলাম আপনি রাত্রের বেলা না ঘুমিয়ে আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকেন কেন? জবাবে আমার উনি বললেন আমাদের অনেক দেরি করে পরিচয় হলো তাইনা? আরো আগে পরিচয় হলে আরো বেশি তোমাকে দেখতে পারতাম। এতোদিন তো দেখা দাওনি এখন তাকিয়ে থেকে থেকে আগের না দেখাগুলো পূরন করি।

কথাটা শুনে সত্যি সত্যি ই চোখে পানি চলে আসলো আমার। এতোটা ভালোবাসা পাবো স্বপ্নেও ভাবিনি আমি। আল্লাহর কাছে হাজার হাজার শুকরিয়া।

আসলে বিয়ে টিয়ে কিছু হয়নি।😐সব ভন্ডামি! কোন কাজ নেই😒তাই শুয়ে শুয়ে এসব চিন্তাভাবনা করছি😍তাতে কি আবেগে তো ঠিক ই কান্না করে দিয়েছি😭 এরকম চিন্তা ভাবনা করতে ভালোই লাগে!🥹🤧,, আনা মিসকিন
©️

26/02/2026

বউ হবে বউয়ের মতো!♡︎
তার স্বভাব থাকবে বাচ্চামি। সে রাগ করবে, ঝগড়া করবে, রায়না ধরবে এটা লাগবে, ওটা লাগবে, না দিলে কান্না করবে। আবার সেই জড়িয়ে ধরে বলবে ভালোবাসি।

কর্মরত অবস্থায় ফোন দিবে, জিজ্ঞেস করবে খেয়েছো কিনা? মজার ছলে বলবো খাইনি; সে কথা শুনে সে আচ্ছা মতো বকুনি দিবে, কাজ শেষে বাসায় যাওয়ার পর হাতে নিয়ে আসবে ঠান্ডা পানি, খুলে দিবে শার্ট/পাঞ্জাবি/জুব্বা, কপালে চুমু খাবে, শান্ত করে জড়িয়ে ধরে বলবে ভালোবাসি।

মানুষ কিভাবে বউকে পিঠায় ভাই, এত্তো শখের জিনিসকে!?

♡︎ Guidelines to Jannah এর এডমিন বলে—
বউকে না পিটিয়ে গুঁড়া মাছ এনে দিলেও তো হয়।

ভালোবাসার মানুষকে কেউ পিটায়?
সন্তানের মাঁ’কে কেউ পিটায়?
অর্ধাঙ্গিনীকে কেউ পিটায়?
হৃদয়ের মানুষকে কেউ পিটায়?
দেহ ও মানুষিক প্রশান্তির মানুষকে কেউ পিটায়?
আপনার জান্নাতের হুরদের সর্দারনীকে কেউ পিটায়?

বলেন না ভাই!?

24/02/2026

ইমাম শুরাইহ رحمه الله তাঁর স্ত্রী যায়নাব সম্পর্কে বলেছেন:

رَأَيْتُ رِجَالًا يَضْرِبُونَ نِسَاءَهُم فَشَلَّتْ يَمِينِي حِينَ أَضْرِبُ زَيْنَبَا
وَزَيْنَبُ شَمْسٌ وَالنِّسَاءُ كَوَاكِبٌ إِذَا طَلَعَتْ لَمْ تُبْقِ مِنْهُنَّ كَوْكَبَا

❝আমি এমন পুরুষদের দেখেছি, যারা তাদের স্ত্রীদের মারধর করে। আল্লাহ আমার ডান হাত অকেজো করে দিন যদি আমি যায়নাবকে কখনো মারি। যায়নাব সূর্যের মতো, আর অন্যান্য নারীরা নক্ষত্রের মতো। সূর্য উঠলে নক্ষত্রদের আর আলো থাকে না।❞

সিয়ার আলাম আন-নুবালা (৫/৫২)

23/02/2026

উহুদের যু/*''দ্ধ শেষে যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ মদিনার দিকে ফিরে আসছিলেন, তখন পথিমধ্যে সাক্ষাৎ হলো সাহাবিয়াহ হামনাহ বিনতে জাহাশ (রাঃ) এর সাথে।

তাকে একের পর এক শোক সংবাদ দেওয়া হচ্ছিলো। প্রথমে বলা হলো, তাঁর ভাই আবদুল্লাহ ইবনে জাহাশ (রাঃ) শহী/-দ হয়েছেন।
তিনি বললেন: إنا لله وإنا إليه راجعون
এবং তার জন্য দোয়া করলেন।

তারপর জানানো হলো, তাঁর মামা হামযা ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) শহী/-দ হয়েছেন।
তিনি আবারও ধৈর্য ধারণ করলেন এবং ইস্তিরজা পড়লেন।

কিন্তু যখন বলা হলো, তাঁর স্বামী জালিলুল ক্বদর সাহাবী মুস‘আব ইবনে উমাইর (রাঃ) শহী/-দ হয়েছেন…তখন তিনি আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। চিৎকার করে উঠলেন এবং হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলেন।

এই দৃশ্য দেখে রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন:
إنَّ زوجَ المرأةِ منها لَبِمَكانٍ
“নিশ্চয়ই স্ত্রীর কাছে তার স্বামীর এক বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।”

- সীরাত ইবনে হিশাম (২/৯৯ পৃষ্ঠা)

-শাহরিয়ার মুহাম্মদ

25/01/2026

আপনার বোনকে ভালোবাসুন। শুধু ভালোবাসা নয়, তাকে সম্মান করুন, আগলে রাখুন, নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠুন। কারণ বোন শুধু র-ক্তের সম্পর্ক নয়, বোন মানে আপনার ঘরের নীরব রানী, যার একটুখানি হাসিতে ঘর ভরে ওঠে আলোয়, আর যার চোখের আড়ালে লুকিয়ে থাকে অগণিত নিঃশব্দ ত্যা-গ।

আজ সে আপনার ঘরের আদরের মেয়ে, কাল সে চলে যাবে অন্য এক ঘরে। সেই ঘরে সে কেমন থাকবে, কেমন সম্মান পাবে, কতটা কষ্ট লুকিয়ে হাসবে, এ কথা কেউ জানে না…শুধু আল্লাহ জানেন!

আজ যে বোনটি আপনার পাশে বসে গল্প করে, আগামীকাল সে হবে আপনার সন্তানের ফুফু। আর সত্যটা হলো, ফুফুরাই অনেক সময় সবচেয়ে বেশি অবহেলিত হন। তাই আজই আপনার সন্তানদের শেখান, ফুফুকে ভালোবাসতে, ফুফুর সম্মান করতে,
ফুফুর চোখের ভাষা বুঝতে।
কারণ ফুফুর হৃদয়ের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে আপনার মায়ের মমতা, আপনার শৈশবের সেই পরিচিত স্নেহের ছায়া।

আপনার বোন, আপনার মায়ের ভালোবাসার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
তাকে অবহেলা নয়, আগলে রাখতে হয়। কারণ বোন মানে দোয়া,
বোন মানে বরকত, বোন মানে মায়ের ছায়া।

03/01/2026

সীরাত ইবনে হিশাম পড়ে কেঁদেছিলাম!!!

আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ বিদায় নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনা পড়ে কেঁদেছিলাম।
"একটি মাত্র ফুল তুমি ওগো রাসুল" গানটা লেখার সময় কেঁদেছিলাম আর আজ কাঁদলাম এই লেখাটি পড়ে।
একদিন মা আইশা (রাঃ) রাসূল ﷺ সাথে ছিলেন। রাসূল ﷺ কে বেশ উৎফুল্ল দেখে আইশা (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। রাসূল ﷺ আইশার জন্য দোয়া করলেন। "হে আল্লাহ আইশাকে মাফ করে দাও। তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দাও, তার আগামীর গুনাহ মাফ করেদাও, তার গোপনে করা গুনাহ মাফ করে দাও, তার প্রকাশ্যে করা গুনাও মাফ করে দাও।" রাসূল ﷺ দোয়া শুনে আইশা (রাঃ) হাসলেন। রাসূল ﷺ আইশাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমার এই দোয়া কি তোমাকে আনন্দিত করেছে? আইশা বললেন, কি করে এমন দোয়া কাউকে সন্তুষ্ট করতে না পারে!
আমাদের প্রিয় নবী আইশাকে বললেন, আল্লাহর কসম! আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রতিটি নামাজে এই একই দোয়া করি।
যে দোয়া রাসূল ﷺ উনার প্রিয়তম স্ত্রীর জন্য করেছেন সেই একই দোয়া প্রতি নামাজে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য করেছেন, আপনার জন্য, আমার জন্য করেছেন। তিনি আমাদের রাসূল ﷺ।
একদিন চলার পথে রাসূল ﷺ কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই? রাসূল ﷺ তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।
রাসূল ﷺ আপনার জন্য কেঁদেছেন, আপনাকে মিস করেছেন, আপনি এই দুনিয়াতে আসার আগেই। আপনি কখনও প্রিয় নবীকে মিস করেছেন? কেঁদেছেন কখনও? যে নবী আপনার জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন সেই নবীর নামে দরুদ পড়েছেন কোনদিন? ভালোবেসে কোনদিন তার একটা সুন্নাহ পালন করেছেন?রাসূল ﷺ একটি গাছে হেলান দিয়ে খুতবাহ দিতেন, তখনও মিম্বার তৈরী হয়নি। পরের সপ্তাহে রাসূল ﷺ যখন মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিচ্ছিলেন সাহাবারা বলেন, গাছের ভেতর থেকে শিশুর মত অঝোরে কান্না তারা শুনতে পেয়েছেন। একটি গাছও রাসূল ﷺ মিস করেছে, তার জন্য চোখের পানি ফেলেছে।রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেনি। এরপর একদিন বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন।
একদিন তিনি রাসূল ﷺ স্বপ্নে

24/07/2025

'দৃষ্টির হিফাযত কেবল নাজায়েজ কিছু থেকে নয়, বরং জায়েজ বস্তু থেকেও করতে হয়।'

‎চমকে উঠলাম। জায়েয জিনিস থেকেও নজরের হিফাযত??

‎মাগরিবের পর মসজিদে বসা ছিলাম। মিম্বারের পাশে একজন বয়ষ্ক তাবলিগের মুরুব্বী বয়ান করছেন। কিছুটা দুরে থেকে তার বক্তব্যের এই অংশটা কানে আসতেই কান খাড়া হয়ে গেলো। তিনি ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য একটু সময় নিয়ে বলতে শুরু করলেন,

‎দুনিয়াবী বিষয়গুলো নিয়ে যার ভেতর আকর্ষন এবং হীনমন্যতা বেশী কাজ করে, তার জন্য জরুরী এরকম ক্ষেত্রেও দৃষ্টির হিফাযত করা। যার লেটেস্ট মডেলের গাড়ীর প্রতি ফ্যাসিনেশন আছে, এরকম গাড়ি চোখে পড়লেই তার জন্য চোখ সরিয়ে নেয়া জরুরী। সুন্দর বাড়ী বা এপার্টমেন্ট, লেটেস্ট মডেলের মোবাইল ফোন বা আকর্ষণীয় কোন ড্রেস - যেগুলো দেখলে তার নিজের ভেতর আফসোস এবং আকর্ষণ তৈরি হয়, সে যেন এসব কিছু থেকেও দৃষ্টির হিফাযত করে।

‎আর এটা আমার কথা না। বরং স্বয়ং আল্লাহ তাআলা তার রাসুলকে এরকম আদেশ দিয়েছেন।

‎আবার অবাক হওয়ার পালা। এতক্ষন ভাবছিলাম, সাময়িক চিকিৎসা হিসেবে তিনি হয়তো নিজ থেকে এটা বললেন। কিন্তু এটা সরাসরি আল্লাহর আদেশ!! সত্যি!!

‎মুরুব্বী তিলাওয়াত শুরু করলেন,

‎وَلَا تَمُدَّنَّ عَیۡنَیۡکَ اِلٰی مَا مَتَّعۡنَا بِہٖۤ اَزۡوَاجًا مِّنۡہُمۡ زَہۡرَۃَ الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ۬ۙ لِنَفۡتِنَہُمۡ فِیۡہِ ؕ وَرِزۡقُ رَبِّکَ خَیۡرٌ وَّاَبۡقٰی

‎হে নবী! তুমি পার্থিব জীবনের ওই চাকচিক্যের দিকে তাকিও না, যা আমি তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে সাময়িক উপভোগের জন্য দিয়ে রেখেছি, তা দ্বারা তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য। বস্তুত তোমার রব্বের রিযক সর্বাপেক্ষা উত্তম ও সর্বাধিক স্থায়ী। - সুরা ত্বহা, আয়াত ১৩১।

‎দ্বীনি মজলিসের ফায়দা এটাই। কুরআনের এই আয়াত তিলাওয়াত হয়েছে বহুবার। কিন্তু নিজের সাথে এভাবে ফিট করার সুযোগ…. আগে হয়নি কখনো!

Address

Sharjah

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when King of BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share