31/05/2026
যে ভাগ্য তোমায় পেয়েছে, সেই ভাগ্য কেনো আমার হল না-এই প্রশ্নটা কোনোদিন উচ্চারণ করা হয়নি, তবুও প্রতিদিন নীরবে বুকের ভেতর প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে এসেছে।
একটা অদ্ভুত দূরত্ব ছিল সবসময়-দেখা যেত, ছোঁয়া যেত না। চেনা ছিল, তবুও নিজের ছিল না।
ঠিক যেনো আকাশের চাঁদ-যার দিকে তাকিয়ে থাকা যায়, কিন্তু কাছে টানা যায় না।
প্রতিদিনের মতো কিছু সকাল ছিল, যেখানে কারো জন্য দরজা খোলে, কারো জন্য চা তৈরি হয়, কারো জন্য অপেক্ষা জমে থাকে।
আর সেই প্রতিটা সকালে, অদৃশ্য এক অভাব নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকত-যেখানে থাকা উচিত ছিল, সেখানে না থাকার বেদনা নিয়ে।
যেই মানুষ রোজ দেখে, সে হয়তো জানেও না-তার প্রতিদিনের স্বাভাবিক মুহূর্তগুলো কারো কাছে কতটা অসম্ভব এক স্বপ্ন।
একটা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অভ্যাস ছিল, দূরে তাকিয়ে থাকা-কিছুই দেখা যেত না ঠিকমতো,
তবুও মনে হতো, সবকিছু সেখানেই আছে। হয়তো কেউ আসবে, হয়তো ভুল করে হলেও ফিরে তাকাবে।
কিন্তু কেউ ফিরে তাকায় না। সময় শুধু এগিয়ে যায়। একদিন বুঝে নেওয়া হয়-সব পথ এক জায়গায় মিলে না, সব গল্পের শেষ একসাথে লেখা হয় না। কিছু গল্প মাঝপথেই থেমে থাকে,অপূর্ণতার মধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে। তবুও প্রশ্নটা থেকে যায়-যে ভাগ্য তোমায় পেয়েছে, সেই ভাগ্য কেনো আমার হল না? আর উত্তর?
উত্তর কখনো আসে না-শুধু নীরবতা থাকে, আর সেই নীরবতার ভেতর একটা অদেখা জীবনের দীর্ঘশ্বাস ভেসে
বেড়ায়।