14/12/2025
বিপিএল শুরু হচ্ছে, আর সাথেই ফরচুন বরিশালকে ঘিরে অপেক্ষা বাড়ছে সমর্থকদের—
বিপিএল মানেই উত্তেজনা, আবেগ আর প্রত্যাশা। আর এবারের বিপিএলে না থাকা সফল বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি ফরচুন বরিশালকে ঘিরে যে প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি ঘোরে সমর্থকদের মনে—ফরচুন বরিশাল কি সামনে বার ফিরছে?
এই প্রশ্নটা শুধু একটি দলের ফেরা নিয়ে নয়, এটি আসলে হাজারো সমর্থকের বিশ্বাস, আবেগ আর ভালোবাসার প্রতিফলন। ফরচুন বরিশাল শুধু একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নয়—এটি সমর্থকদের আবেগও। দুইবারের চ্যাম্পিয়ন, একবারের রানার্সআপ—সংখ্যার বাইরেও এই দল গড়ে তুলেছে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ফ্যানবেস। তাই বরিশাল না থাকলে বিপিএলের একটা অংশ যেন অপূর্ণই থেকে যায়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফরচুন বরিশালের কর্ণধার বিপিএল নিয়ে নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরেছেন এবং তাদের ফেরার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন...
এবারের বিপিএল ও ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন:
দুঃখজনকভাবে, বিপিএল শুরুর আগেই আবারও আমরা অনিশ্চয়তা আর বিশৃঙ্খলার ছবি দেখছি। একদিন এক সিদ্ধান্ত, পরদিন আরেক সিদ্ধান্ত—ভেন্যু, সূচি, দলসংখ্যা সবকিছু নিয়েই ধোঁয়াশা।
একটি পেশাদার লিগে ছয় মাস আগে পরিকল্পনা থাকার কথা। কোথায় খেলা হবে, কবে হবে—এসব শেষ মুহূর্তে বদলানো মানে শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজির সমস্যা নয়, এটি সরাসরি খেলোয়াড়দের ওপর চাপ তৈরি করে। খেলোয়াড়রা কোনো দলের ব্যক্তিগত সম্পদ নয়—তারা দেশের সম্পদ। তাদের নিরাপত্তা, বিশ্রাম আর মানসিক স্থিরতা নিশ্চিত করাই বোর্ডের দায়িত্ব।
অভিযোগ বনাম বিচার: স্পষ্ট সীমারেখা দরকার:
আরও একটি সংবেদনশীল বিষয়—অভিযোগ। অভিযোগ থাকলেই কাউকে মাঠের বাইরে বসিয়ে রাখা যায় না। দোষ প্রমাণ হলে শাস্তি হোক, কঠোর শাস্তিই হোক। কিন্তু বিচার ছাড়াই কাউকে বাদ দেওয়া অন্যায় এবং অমানবিক।
আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা যদি সত্যিই ভিকটিম হয়ে থাকে, তাহলে তাদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে আত্মবিশ্বাসে। একজন খেলোয়াড় ভেঙে পড়লে শুধু সে নয়, তার পরিবার, তার সমর্থকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ক্ষতি সহজে পূরণ হয় না।
বড় ক্রিকেটারদের অসম্মান বিপিএলের জন্য ভালো নয়:
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, —এই নামগুলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভিত্তি। অথচ এবারের বিপিএলে শুরুতে তাদের কাউকেই দলে না নেওয়ার ঘটনা গভীর হতাশা তৈরি করেছে।
আমি সবসময় বিশ্বাস করি—অভিজ্ঞ আর তরুণদের মধ্যে ভারসাম্য থাকতেই হবে। অভিজ্ঞরা পথ দেখাবে, তরুণরা সেই পথে