ZamZam - যমযম

ZamZam - যমযম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ZamZam - যমযম, Grocers, Amtali.

যমযমের পানির বরকতহযরত মাওলানা জা'ফর আহমদ উসমানী রহ. বলেন— “আমার প্রথম হজ্বে আমি যমযমের পানি পান করেছিলাম দ্বীন ও দুনিয়া...
27/08/2025

যমযমের পানির বরকত

হযরত মাওলানা জা'ফর আহমদ উসমানী রহ. বলেন— “আমার প্রথম হজ্বে আমি যমযমের পানি পান করেছিলাম দ্বীন ও দুনিয়ার বহু বিষয় হাসিল করার উদ্দেশ্যে এবং এর অধিকাংশই ফল লাভ করি। এরপর দ্বিতীয় হজ্বে আবারও কিছু উদ্দেশ্যে যমযম পান করেছিলাম, তার অনেকগুলোতেই সফল হয়েছি। তৃতীয় হজ্বে পান করেছি কিছু উদ্দেশ্যে, যা আমি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে আশা করি তিনি আমাকে তা দান করেছেন।

আমার জিহ্বায় একটি গুরুতর তোতলামি (জড়তা) ছিল, যা আমাকে মাদ্রাসায় পাঠদান এবং মিম্বারে খুতবা প্রদানে বাধাগ্রস্ত করত। কিন্তু প্রথম হজ্বে যমযমের পানি পান করার পর আমি আর এ প্রতিবন্ধকতায় ভুগিনি। বরং আমি অনুভব করলাম যে, আমার মধ্যে পাঠদান ও খুতবা প্রদানের সামর্থ্য এসেছে।

তারপর আমার স্বদেশে ফিরে আসার দুই মাস পর আমাকে মাজাহিরুল উলূম সাহারানপুরের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলো। সেখানে আমি সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে পাঠদান করি। আমার পাঠদান সাধারণ ছাত্রদের কাছে যেমন প্রিয় হয়েছিল, তেমনি বিশেষভাবে মাদ্রাসার নাযেম হযরত মাওলানা খলীল রহ. এর নিকটেও প্রিয় হয়েছিল।

এরপর আল্লাহ তাআলা তাঁর অনুগ্রহ ও করুণায় আমাকে পূর্ণ দক্ষতা দান করেছেন খুতবা, ওয়াজ ও নসীহতের ক্ষেত্রে। শ্রোতাদের অন্তরে তিনি আমার জন্য গ্রহণযোগ্যতা রেখেছেন। আল্লাহরই জন্য সমস্ত প্রশংসা, যেভাবে তিনি এর হকদার। আর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবী, আমাদের নেতা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবার ও সাহাবাগণের ওপর।”

(এ'লাউস সুনান ১০/৪৬৪)

যমযমের পানি পানের ফজিলতরাসূলুল্লাহ (ﷺ)যমযমের পানি পান করেছেন ও বলেছেন, এটা মুবারক পানি, এটা ক্ষুধা নিবারক খাদ্য, ও রোগের...
23/08/2025

যমযমের পানি পানের ফজিলত

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)যমযমের পানি পান করেছেন ও বলেছেন, এটা মুবারক পানি, এটা ক্ষুধা নিবারক খাদ্য, ও রোগের শেফা।

- ان رسول الله شرب من ماء زمزم ، وأنه قال : إنها مباركة . إنها طعام طعم وشفاء سقم

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)যমযমের পানি পান করেছেন ও বলেছেন, এটা মুবারক পানি, এটা ক্ষুধা নিবারক খাদ্য, ও রোগের শেফা। (বোখারি ও মুসলিম )

হাদীস শরীফে যমযমের অনেক ফযীলত বর্ণিত হয়েছে।
হযরত ইবনে আব্বাস রা. নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন-

خَيْرُ مَاءٍ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ مَاءُ زَمْزَمَ، فِيهِ طَعَامٌ مِنَ
الطّعم وَشِفَاءٌ مِنَ السُّقْمِ.

যমযম ভূপৃষ্ঠের শ্রেষ্ঠ পানি। এতে রয়েছে খাদ্যের বৈশিষ্ট্য ও রোগ থেকে মুক্তি।

১. এতে রয়েছে খাবারের বৈশিষ্ট্য।
২. এ পানি পান করে সুস্থতা লাভ হয়।

অন্য হাদীসে ইরশাদ হয়েছে:
হযরত ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ، فَإِنْ شَرِبْتَهُ تَسْتَشْفِي بِهِ شَفَاكَ اللهُ.

যে উদ্দেশ্যে যমযম পান করা হবে তা পূরণ হয়। যদি তুমি রোগমুক্তির জন্য তা পান কর আল্লাহ তোমাকে সুস্থ করে দেবেন।

হযরত ইবনে আব্বাস রা. নিজেও রোগমুক্তির জন্য যমযম পান করতেন এবং এ দুআ পড়তেন-

اللّهُمَّ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا وَاسِعًا، وَشِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ.

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী ইলম, প্রশস্ত রিযিক ও সব রোগ থেকে মুক্তি চাই।

যমযমের পানি পান করার কয়েকটি আদব রয়েছে। যমযম পান করার সময় সে আদবগুলোর প্রতি সবার যত্নশীল হওয়া উচিত।

ইবনে আব্বাস (রা.) এর একটি বর্ণনা।
তিনি বলেন,‘

إذا شربت منها فاستقبل القبلة و اذكر الله وتنفس ثلاثا وتضلع منها فإذا فرغت فاحمد الله . -

যখন তুমি যমযমের পানি পান করবে, কেবলামুখী হবে, আল্লাহকে স্মরণ করবে, ও তিন বার নিশ্বাস নিবে। তুমি তা পেট পুড়ে খাবে ও শেষ হলে আল্লাহর প্রশংসা করবে।

১. কিবলামুখী হয়ে পান করা।
২. প্রত্যেকবার বিসমিল্লাহ পড়া।
৩. তিন শ্বাসে পান করা।
৪. পেট ভরে পরিতৃপ্ত হয়ে বেশি বেশি পান করা।
৫. প্রতি শ্বাসের পর আলহামদু লিল্লাহ বলা।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যমযমের যাবতীয় কল্যাণ দান করুন।

যমযম বরকতময় কূপ -জিবরীল (আ.)-এর পায়ের গোড়ালি আঘাতে তৈরি হয়।-এটি রোগের আরোগ্য-এটি শরীরের খাদ্য হিসেবে বিবেচিত।-এমন পা...
13/08/2025

যমযম বরকতময় কূপ

-জিবরীল (আ.)-এর পায়ের গোড়ালি আঘাতে তৈরি হয়।

-এটি রোগের আরোগ্য

-এটি শরীরের খাদ্য হিসেবে বিবেচিত।

-এমন পানীয় যা খাদ্যের অভাব পূরণ করে।

-মুমিন যমযম পানি যেই নেক উদ্দেশ্যে পান করে, আল্লাহ তাআলা তা কবুল করেন।

-যমযম পানি পান করার সময় উত্তম নিয়ত করা ও পান শেষ করার পর দোয়া করা।

-আল্লাহ তাআলা আমাদের যমযম কুপের কাছাকাছি গিয়ে বরকতময় ভূমিতে যমযমের পানি পান করার তৌফিক দান করেন।

একটি ছোট্ট আমল।ঈদ পরবর্তী এ সময়ে হাজিগণ নিজ বাড়িতে ফিরছেন। সাথে বহু পাথেয়। অন্যতম হলো জমজমের পানি।আমাদের সুহৃদগণ আমাদেরক...
30/06/2025

একটি ছোট্ট আমল।

ঈদ পরবর্তী এ সময়ে হাজিগণ নিজ বাড়িতে ফিরছেন। সাথে বহু পাথেয়। অন্যতম হলো জমজমের পানি।আমাদের সুহৃদগণ আমাদেরকে এ পানি হাদিয়া দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কিছু কথা।

প্রথমত: জমজম পানি (ماء زمزم) হচ্ছে বিশ্বের সর্বাপেক্ষা পবিত্র ও বরকতময় পানি। এটি মক্কা নগরীতে অবস্থিত মাসজিদুল হারামের ভিতরে, কাবা শরীফের পূর্ব দিকে সাফা-মারওয়ার মাঝে অবস্থিত একটি প্রাচীন কূপ থেকে উত্তোলিত হয়।

হাদিসের বহু কিতাবে জমজম পানি সম্পর্কে আলোচনা এসেছে। শারিহগণ বিভিন্ন ফাযাইল-মাসাইল বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইবনু সা'দ, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল, ইমাম জাহিয, ইমাম ইবনু কুতাইবা, ইমাম আবু ইয়া'লা, ইমাম ইবনু খুযাইমা, ইমাম তাহাবি, ইমাম ইবনু হিব্বান, ইমাম তাবারানি, ইমাম দারাকুতনি, ইমাম খাত্তাবিসহ প্রমুখ ইমামগণ বিভিন্ন শিরোনামে জমজম পানি সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। রাহিমাহুমুল্লাহ। এমনকি ইমাম আবদুর রাজ্জাক আস-সানআনি (মৃত্যু : ২১১ হিজরি) রাহিমাহুল্লাহ তাঁর কালজয়ী রচনা "আল-মুসান্নাফ" গ্রন্থে "بَابُ حَمْلِ مَاءِ زَمْزَمَ" নামে আলাদা একটি অধ্যায় স্থাপন করেছেন।

দ্বিতীয়ত: এ বিষয়ে বর্ণিত সবগুলো হাদিসের সারমর্ম যা দাঁড়ায়, তার অন্যতম একটি হলো, এ পানি খাদ্যের বিকল্প, রোগের জন্য আরোগ্য এবং যে নিয়তে জমজম পানি পান করা হয়, অর্জিত হয়। অর্থাৎ, যদি কেউ ইলম, শিফা, বরকত, রিজিক বা অন্য কোনো হালাল উদ্দেশ্যে জমজম পানি পান করে, আল্লাহ তাঁর নিয়ত পূরণ করেন। ইমাম শামসুদ্দিন আয-যাহাবি (মৃত্যু:৭৪৮ হিজরি) লিখেছেন-
"শাইখ আবু বাকর মুহাম্মদ ইবনু জাফর রাহিমাহুল্লাহ বলেন: আমি ইবনু খুযাইমাহ রাহিমাহুল্লাহকে বলতে শুনেছি—তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: “আপনি কোথা থেকে এত ইলম লাভ করলেন?” তিনি বললেন:
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: «مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ» وَإِنِّي لَمَّا شَرِبْتُ مَاءَ زَمْزَمَ سَأَلْتُ اللَّهَ عِلْمًا نافعا.
“রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: ‘জমজমের পানি যা উদ্দেশ্যে পান করা হয়, তা-ই পাওয়া যায়।’ আর আমি যখন জমজমের পানি পান করেছিলাম, তখন আল্লাহর কাছে উপকারী ইলম প্রার্থনা করেছিলাম।” (তারিখুল ইসলাম যাহাবি, ২৩/২৯৮)

এই বর্ণনা থেকে বুঝা যায় যে, জমজমের পানি পান করার সময় উপকারী ইলম প্রার্থনা করা-একটি সালাফদের আমল ছিল। একনিষ্ঠতা ও নিয়তের কারণে আল্লাহ তা কবুল করতেন। বিশেষত তালিবুল ইলম, উলামায়ে কিরাম এ বিষয়টা যেহেনে রাখতে পারি। আল্লাহ আমলের তৌফিক দান করেন। আমীন

Address

Amtali
8710

Telephone

+8801710397139

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ZamZam - যমযম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category