13/08/2025
সবাই সিলেটের সাদা পাথর নামক স্থানের পাথর লুট নিয়ে হায়-হুতাশ করতেছে।
সিলেটের পরিবেশ নষ্ট করতেছে,তা সবার সামনে আসছে বিধায় তা নিয়ে এতো আলোচনা-সমালোচনা।
তার বিপরীতে বান্দরবানের অবস্থা বলি,গত ২২ ই ফেব্রুয়ারী/২৫ মিলনছড়ি চেকপোস্ট ক্যাম্পের আগে হিলসাইড রিসোর্টের বিপরীতপাশে কয়েকজন অবৈধ ব্যবসায়ী মিলে ঝিরি থেকে পাথর উত্তোলন এবং মজুদ করে পরে কয়েকদিন সময় নিয়ে তা ভাঙ্গা হয়।
সকলের মনে প্রশ্ন আসতে পারে ;-এইসব অবৈধ-অনিয়ম ধরার জন্য সরকারীভাবে কোনো সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ আছে কিনা ?
তার উত্তরে ::- মূলত এইসব অনিয়ম বন্ধ করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর নামীয় একটি সরকারি সংস্থা আছে। সারাদেশে তাদের কাজ চলমান। বান্দরবানের ও তাদের কাজ চলমান।
কিন্তু বান্দরবান পার্বত্য জেলায় কি তারা আসলেই কাজ করে..?যদি কাজ করতো তাহলে বান্দরবান পার্বত্য জেলার ঝিরি,ঝর্ণা,গহীন বনভূমি গুলো বিনষ্ট হতো নাহ।
উল্লেখকৃত ঘটনায় বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম নামে এক ভদ্র কর্মকতার সাথে কয়েকবার কথা হয়।মোবাইলে আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার কোনো হদিস মিলে নায়। যেদিন অভিযোগ করেছিলাম তারপরও ৩/৪ দিন অবৈধ পাথর গুলো একই স্থানে ভাঙ্গা হয়, কিন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সে সময়টুকু হয়নি বান্দরবান সদর থেকে ৩/৪ কিলো মতো দূরত্বে গিয়ে বিষয়টি তদারকি করার,করবেই বা কেন তারা নিজেরাই এইসব অনিয়মের সাথে জড়িত,যার কারণে বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ গ্রহণ করে নায়।
মিলনছড়ি সড়কের উপরের হওয়ার কারণে ই সকলের চোখে পড়তেছে।কিন্তু গহীন পাহাড়ে,
ঝিরির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, পাহাড় কাঁটা বন্ধ করতে পরিবেশ অধিদপ্তর কি দৃশ্যমান উদ্যেগ গ্রহণ করেছে,কারো জানা থাকলে জানায়েন।
এইসব অবৈধ কার্যকলাপে সর্বদলীয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জড়িত, যার কারণে এইসব ঘটনা ঘটার পরও কোনো দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ তারা গ্রহণ করে নাহ।
অভিযোগকৃত ঘটনার কিছু ভিড়িওচিত্র দেওয়া হলো।