Radiya Islam Ushaরাদিয়া ইসলাম ঊষা

Radiya Islam Ushaরাদিয়া ইসলাম ঊষা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Radiya Islam Ushaরাদিয়া ইসলাম ঊষা, Grocers, Habiganj, Baniyachong, Baniyachong.

 #পেঙ্গুইন #রাদিয়া_ইসলাম_ঊষা  #কাজিন_রিলেটিভ_রাজনৈতিক_রোমান্টিক ❎❎ অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ ❎❎(৩)সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে...
15/04/2026

#পেঙ্গুইন
#রাদিয়া_ইসলাম_ঊষা
#কাজিন_রিলেটিভ_রাজনৈতিক_রোমান্টিক

❎❎ অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ ❎❎

(৩)
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই নামাজ পড়ে নিলাম। তারপর নিচে নেমে দেখি পুরো বাড়ি একদম ঝকঝক করছে৷ যদি ও আম্মু সব সময় বাড়িকে পরিষ্কার রাখেন। একদমই ময়লা লাগতে দেন না। তখন রান্না ঘরে যাই কফি আনার জন্য। গিয়েই দেখি রান্না ঘরে আমার ফুপ্পিরা রান্না করছেন। আম্মুকে বললাম...

"আম্মু কফি দাও না এককাপ। মাথা ব্যাথা করছে অনেক"

আম্মু: আমি পারবো না রে মা.! তুই নিজেই বানিয়ে নে। জানিস তো ছেলেটা কত দিন আসছে। আমি আজ ওর পছন্দের সব খাবার রান্না করবো।

আমি: (অবাক হয়ে) কি বললা আম্মু কে আসবে..?
আর তোমার কাছে আমাদের থেকে কে না কে আসলো তার মূল্য বেশি.? আম্মু সত্যি করে বলতো.? আমি কি তোমারি মেয়ে.?

আম্মু: না তুই আমার সৎ মেয়ে। যা এখান থেকে।

আমি: তা আম্মু কে আসছে বললা যে ছেলেটা অনেক দিন পরে আসছে? আমি জানি ভাইয়া বাড়িতে থাকে সবসময়। তাহলে অনেকদিন পর হলো কেমন করে। তাহলে কি আম্মু তোমার অন্য একটি ছেলে আছে..? আমরা জানি না.?
আমি এখনি গিয়ে ভাইয়া কে বলছি.! ভাইয়াআআআআআআআ

আম্মু আমাকে একটি ধমক দিয়ে বলে উঠলেন
" ফাজিল মেয়ে। আমি বলেছি তোকে আমার অন্য একটি ছেলে আছে। আমি না গতকাল তোকে বললাম তা.....

এটুকু বলতেই আম্মু কে ফুপ্পি ডাক দিলেন আর আম্মু ও চলে গেলেন। নামটা আর শুনা হলো না।
আমি ও দাড়ালাম না কফি নিয়ে রোমে চলে আসলাম। কে না কে আসলো তাতে আমার কি।
আসলে দেখে নিবো। এখন এতো মাথা ঘামিয়ে লাভ নাই। কফিটা খেতে খেতে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ৮ টা বেজে গেছে।

আমি ঘড়ি থেকে চোখ সরিয়ে রেডি হয়ে নিলাম৷ কোচিং এ যাওয়ার জন্য। হঠাৎই ফোনটা কেপে উঠলো৷ হাতে নিয়ে দেখি মিমু কল দিয়েছে। আমি কলটা রিসিভ করে বললাম...

"কিরে কি হয়েছে বল। এতো সকাল কল দিলি কেনো.?

" মিমু: এতো সকাল মানে.? মানে রাদূ তোর কি কোনো তান্ডব জ্ঞান নেই৷ আজ টেস্ট পরিক্ষা কোচিং এর৷ সাথে কলেজে ও আজ একটা স্পেশাল ক্লাস আছে। একজন নতুন স্যার আসবেন।

আমি: কোচিং এ টেস্ট পরিক্ষা আছে বুঝলাম বাট স্পেশাল ক্লাসের কথা তো আমি জানি না.?

মিমু: তুই কেমন করে জানবি.? তুই তো উরু উরু মন নিয়ে চলিস। তাছাড়া আমি ও জানতাম না ফাহিম আমাকে বলেছে।

আমি : ওহ

মিমু: তোর রেখে রেডি হ ধলা বিলাই।

আমি: বিশ্বের এক নাম্বার কানি আমি রেডি। আসছি তুই দাড়া দূ মিনিট।

মিমু: ওকে আয়

আমাদের পৌরনীতি স্যার মানে আমার ভাইয়া বলছে আমরা যেহেতু মেডিকেল নিয়ে পড়ছি তাই আমাদের মাঝে মাঝে দূ একটা ক্লাস হবে। তাই বলে কলেজ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই তা ভাবিনি। যাইহোক আমার ভাবা না ভাবা নিয়ে কলেজের কোনো প্রয়োজন নেই। তাই আমি আমার আজাইরা চিন্তা বাদ দিয়ে রাস্তার পাশে এসে একটি অটোরিকশায় উঠলাম।
মিমু বসা।

দূজন রওনা দিলাম কোচিং এর উদ্দেশ্য।
সময় মতো পৌঁছে যাই কোচিং এ।
নয়টা বাজতে আরো পনেরো মিনিট বাকি। আমি পরিক্ষা দিয়ে বাইরে এসে অপেক্ষা করছি মিমুর জন্য ।
তিন মিনিটের মাথায় মিমু ও চলে আসলো। দূজনই হাটা ধরলাম কলেজের জন্য। সাড়ে নয়টায় ক্লাস।
কোচিং থেকে কলেজে যেতে সময় লাগে প্রায় পনেরো থেকে বিশ মিনিট। যদি হেটে যাওয়া হয়।
আর অটোতে গেলে দশ মিনিট ও লাগে না।

দূজনই হাটছি। কারন অনেক সময় আছে। সকাল বেলা ভালো লাগে হাটতে। হঠাৎ আমাদের সামনে একটি ছেলে এসে দাঁড়ালো। আকস্মিক দাঁড়ানোতে আমি ভরকে যাই।
তখনি মিমু ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করলো কি চাই..?

ছেলেটি বললো আমার ঊষার সাথে দরকার আছে। তুমি একটু সাইটে যাও।

আমার নাম শুনে আমি ছেলেটির দিকে তাকাই। আরে উনি তো আমার সিনিয়র ভাইয়া ফাহাদ।
উনার আমার সাথে কি দরকার.?
আমি উনার দিকে তাকিয়ে বললাম...

" আমার সাথে কিসের দরকার ভাইয়া। আর মিমু সাইটে যাবে কেনো.?
যা বলার মিমুর সামনেই বলুন। ও কোথাও যাবে না.!

বলেই আমি হাত বেঁধে দাড়ালাম।
মিমু বললো..

'' থাক না রাদূ.! আমি বরং সাইটে যাই। ভাইয়া কি বলেন তুই শুন কেমন.?

" আমি বললাম
নাহ তুই এখানেই থাকবি। উনি যা বলার তোর সামনেই বলুক প্রবলেম কি.?

এতে ফাহাদ ভাইয়া বিপাকে পড়ে যান। তারপর কাচুমাচু করে পিছন থেকে হাত এনে সামনে ধরেন। হাতে প্রায় দশ বারোটা তাজা লাল গোলাপ।
তারপর উনি বলে উঠলেন...

"ঊষা আমি তোমাকে সেই প্রথমদিন দেখেই ভালোবেসে ফেলি। প্লিজ আমাকে না করো না প্লিজ। "

আমি তো পড়লাম মহা ফাসাদে.? না মানে ভাই বুঝালম না সবাই আমাকেই কেনো ভালোবাসতে হইবো পৃথিবীতে কি আর কোনো মানুষ নাই.?
স্ট্রেইন্জ.?

" আমি বললাম
দেখেন ভাইয়া আজকে আমার কলেজে ক্লাস আছে। প্লিজ যেতে দিন। তাছাড়া আমি অনেক ছোট। এখনো বয়স হয়নি এগুলার৷ প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড।

বলেই হাটা ধরলাম। মিমু আমার কথা শুনে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার পর্যায়ে।

ওদিকে ফাহাদ বলে উঠলো

মায়াপরি বলে কি.? সে নাকি এখনো ছোট.?
যাই হোক মায়াপরি আমি তোমাকে আমার করেই ছাড়বো। তুমি দেখে নিও।

_________________

দূজনই ক্লাসে বসে আছি। মিমু বসে বই পড়ছে৷ এই মেয়ে সারাদিন বই৷ আমি আলসেমির জন্যই পড়ি না। আমার ভালো লাগে না তাই আমি খাওয়ায় মনোযোগ দিলাম।

হঠাৎ ক্লাসে সালামের আওয়াজে বুঝলাম যে আমাদের স্পেশাল স্যার এসে গেছেন।
তাই আমি আর স্যারের দিকে না তাকিয়ে খাওয়া শেষ করায় লাগলাম।

হঠাৎ কেউ বলে উঠলো....

""স্টুডেন্টস ফোকাস দ্যা বোর্ড এন্ড এই যে গুলুমুলু গাল ওয়ালি এক মনে খেতে থাকা ব্যাক্তি এটা কি খাওয়ার ক্লাস। জাস্ট আউট অফ মাই ক্লাস। ফাস্ট..!
স্টুপিট.!""

 #পেঙ্গুইন  #রাদিয়া_ইসলাম_ঊষা #কাজিন_রিলেটিভ_রোমান্টিক_রাজনৈতিক ❎❎অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ ❎❎ (২)ক্লাস শেষে বাড়ির উদ্দে...
08/04/2026

#পেঙ্গুইন
#রাদিয়া_ইসলাম_ঊষা
#কাজিন_রিলেটিভ_রোমান্টিক_রাজনৈতিক

❎❎অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ ❎❎

(২)
ক্লাস শেষে বাড়ির উদ্দেশ্য হাটা ধরি আমি আর মিমু। আমাদের বাজারের পাশে এসেই মিম চলে যায় বাড়ির গাড়ির দিকে। আমি ও চলে যাই বাড়ির দিকে। আনমনে হাটতে হাটতে হঠাৎ খেয়াল করলাম কেউ আমার পিছনে হাটছে।
কিন্তু পিছনে ফিরে কাউকেই চোখে পরলো না। মনের ভুল ভেবে বাড়িতে পৌছে যাই। বাড়িতে পৌছেই দেখতে পাই আম্মু রান্নাঘরে রান্না তৈরি করছেন।আমি ও চলে যাই রোমে।তারপর গোসল শেষ করে নিচে এসে আম্মু কে খাবার দিতে বলি।
আম্মু আমাকে খাবার দিতে এসে বললেন....

" ঊষা আজকে তানজিল আসবে একদম ওর সামনে ঘুরঘুর করবি না নয়তো ওয় আবার তরে মারবে। তখন আবার ভ্যা ভ্যা করে কেদে বাড়ি মাথায় উঠাইবি। মনে থাকবে..?"

আমি খাবার মুখে পুরতে পুরতে বললাম...

"ঠিক আছে। "

আম্মু ও চলে গেলেন। আম্মুর ভাইয়ের ছেলে আসবে আজকে অনেক কাজ।
তখনি আমার ছোট ভাই আসে স্কুল থেকে। ওই অরমুজের নাম তাওহিদ আমিন সা'দ খান। আমি ভেঙ্গিয়ে অ-র-মু-জ বলে ডাকি।

আমার কোনো চাচা ছিলো না বাবা একাই ছিলো। ফুফু ছিলেন দূজন। উনাদের বাসা আমাদের বাসার পাশেই।
আম্মুরা পাঁচ ভাই বোন। দু বোন আর তিন ভাই। প্রথমে আমার বড় মামু নাম "কবির দেওয়ান"।
উনার স্ত্রী " মায়া দেওয়ান" উনাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে "তানজিল দেওয়ান নাদিম"।
মেয়ে " তুরফা দেওয়ান " তারপর আম্মু। নাম সুলতানা সাইমা "
তারপর মেজু মামু.!নাম ছবির দেওয়ান । স্ত্রীর নাম সুজানা দেওয়ান "
উনার এক মেয়ে নাম "সুহানা তারিন"।
তারপর আম্মুর বোন। নাম লাকি
উনার দূ মেয়ে একজন ফাইজা ইতি
তারপর মিথিলা মেহু "!
ছোট মামুর নাম সোহাগ দেওয়ান স্ত্রী সুমানা সুমা "
দূ ছেলে নাম "সৌরভ তারিফ দেওয়ান। "
"আরিফ দেওয়ান"

আম্মুর ভাইবোনের ছেলে মেয়েদের মাঝে সবার বড় তানজিল ভাইয়া। তারপর মাহমুদ ভাইয়া। তারপর তারিন আপ্পি। আপ্পির পর আমি। আমার পর তুরফা।
তারপর তারিফ। তারিফের পর আমার ছোট ভাই তাওহিদ তারপর ছোট খালার মেয়ে ইতি।
তারপর আরিফ তারপর মেহু।

তানজিল ভাই এতোদিন জার্মানে ছিলেন পড়ালেখা করতে৷ উনি জার্মানের পড়ালেখা করে প্রায় ছয় বছর পর দেশে ফিরছেন।
আর ভাইয়া তো আমার কলেজের টিচারই। তারিন আপ্পি এবার মাস্টার্স করছেন। তুরফা এবার ক্লাস টেন এ। তারিফ ক্লাস নাইন। ইতি ক্লাস ফাইভ।
আরিফ ক্লাস থ্রী তে। আর মেহু পড়ালেখা করছে না কারন সে ছোট। খালা ভাবছেন এ বছর ভর্তি করবেন। মেহুর বয়স ছয় বছর।

তো আমি খাওয়া দাওয়া শেষ করে রোমের উদ্দেশ্যে উঠি। আমি সেভেনে পড়াকালীন তানজিল ভাইয়া এসএসসি পরিক্ষা দিয়ে চলে যান জার্মানের উদ্দেশ্য। যদি ও বড় মামুর কোনো ইচ্ছে ছিলো না ভাইয়াকে এতো দূর পড়তে দেওয়ার। কিন্তু তানজিল ভাইয়ের জেদ এবং ইচ্ছার উপর আর না করতে পারেন নি।
তাই তিনি চলে যান। কিন্তু তানজিল ভাই বাড়ি থাকতে আমাকে সবসময় মারতেন। মারার অবশ্য কারন ও থাকতো। ভাইয়া সব সময় পড়া লেখা নিয়ে পড়ে থাকতো আর আমি সবসময় দুষ্টামি করে বেরাতাম। আর ভাইয়া আমাকে পড়া ছাড়া দুষ্টামি করতে দেখলেই মারতো। একবার তো আমাকে এমন চড় মেরেছিলো এক চড়েই আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি।

ঞ্জান হারিয়ে ওইদিন রাতেই জ্বর আসে। তারপর সেই জ্বরে চারদিন একটানা থাকে।

তারপর ভাইয়া নিজেই ডাক্তার নিয়ে আসে। আম্মু আর মাহমুদ ভাইয়া মিলে আমাকে জুড়াজুড়ি করে ও খাওয়াতে পারছিলেন না।
কিন্তু তানজিল ভাইয়া যখন এসেই এক ধমক লাগায় তখণি আমি খাওয়া শুরু করি।
যতক্ষণ না আমার খাওয়া শেষ হচ্ছিল ততক্ষণ তানজিল ভাইয়া রোমেই দাড়িয়ে ছিলেন। আমাকে খাইয়ে ঔষধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে তারপর গিয়েছিলেন। অবশ্য এর কিছুই আমার মনে ছিলো না। আম্মুই বলেছিলেন।

চলবে........

''আই লাভ ইউ '' আই রিয়েলি লাভ ইউ ঊষা। আমি তোমাকে অনেক দিন যাবত ভালোবাসি। সেই প্রথম দিনের পর থেকে বলবো বলবো বলে ও ভয়ে কাছে...
06/04/2026

''আই লাভ ইউ ''
আই রিয়েলি লাভ ইউ ঊষা।
আমি তোমাকে অনেক দিন যাবত ভালোবাসি। সেই প্রথম দিনের পর থেকে বলবো বলবো বলে ও ভয়ে কাছে আসিনি যদি তুমি আমাকে রিজেক্ট করো।

কলেজের মাঠ ভর্তি মানুষের সামনে এমন পরিস্থিতিতে ভরকে যায় ঊষা। কি বলবে বুঝে উঠতে পারেনা। তবে সে চায় এখান থেকে কেউ এসে তাকে নিয়ে যাক।
মাত্র দুদিন হলো কলেজে ভর্তি হয়েছে। আর এই ছেলের কথায় বুঝা যায় সে এখানে চার বছর যাবত পড়ে। যত্তসব ফাউল কাজ।

ছেলেটির নাম সানি। আমি প্রথম দিনেই লক্ষ করেছি ছেলেটির হাবভাব। কেমন হ্যাবলার মতো তাকিয়ে থাকে। কিরে ভাই পৃথিবীতে আর কোনো মাইয়া মানুষ নাই তোরা আমার কাছেই কেনো আসিস।
তারপর আমি ছেলেটিকে বলি যে...

" ভাইয়া.! আমি এখানে পড়তে এসেছি প্রেম করতে নয়। দয়া করে যদি আপনি আমাকে যেতে দিতেন.! নয়তো আমার হিটলার ভাইয়া যদি শুনে তাহলে আপনার চ্যাপ্টার এখানে ক্লোজ করে দিবে। প্লিজ ভাইয়া আমি যাই.! "

বলেই ছেলেটিকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড মিম কে নিয়ে চলে আসি ওখান থেকে।

তারপর সোজা চলে যাই ক্লাস রুমের দিকে। যথেষ্ট বুঝতে পারি যে ছেলেটা অপমানিত হয়েছে। কিন্তু আমি কি করবো আমার বড় ভাই শুনলে আমাকে জবাই করবে।
তখনই পাশ থেকে মিম বলে উঠে..

" যাই বলিস রাদূ ছেলেটা কিন্তু সেই ছ্যাকা খাইছে। ভালোই হইছে এক্সেপ্ট করিস নি। আমি শুনছি এই ছেলে নিউ ইয়ারে যত মেয়ে আসে সবাই কেই প্রপোজ করে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ ই রাজি হয়নি। "

মিমুর কথা শুনে আমি হাসতে হাসতে হাটছি। অবশেষে আমরা পৌছাই আমাদের ক্লাসে।

চলেন পরিচিত হই...........

আমি রাদিয়া ইসলাম ঊষা। এবার ইন্টার ফাস্ট ইয়ার। আমরা তিন ভাই বোন। দু ভাই আর আমি। আমি মেঝু। আমার ছোট একটা ভাই। বাবা মারা গেছেন। আম্মু অনেক কষ্ট করেই ভাইয়া কে পড়া লেখা করিয়েছেন সাথে আমাকে ও ভাইয়া এখন আমি যে কলেজে পড়ি সেই কলেজের লোকচারার।
ছোট ভাই ক্লাস ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।
আমাদের ভাই বোনের বয়সের পারাক অনেক।

আর আমার পাশে এতক্ষণ যে মেয়েটি ছিলো ও মিম। রুকাইয়া বুশরা মিম। ওরা দু বোন। বাবা বিদেশ। আর আম্মু গৃহিণী।

আমরা দূজন সেই ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বেস্ট ফ্রেন্ড। আলহামদুলিল্লাহ এখনো আছি আর ভবিষ্যতে ও থাকবো।
আমাদের কলেজের নাম " জনাব আলী সরকারী কলেজ"। এটার পুরাতন নাম ছিলো " জনাব আলী ডিগ্রি কলেজ" । কিছু দিন আগে নাম চেঞ্জ হয়ে এমপি এসে সরকারি কলেজ হয়েছে।

আমাদের গ্রাম এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম। অনেকটা শহরের মতোই। থানা বানিয়াচং
জেলা হবিগঞ্জ।
আমাদের এলাকার নাম যাত্রাপাশা। আর মিমুর এলাকার নাম দোয়াখানি। দূজনের বাড়িতে আসা যাওয়ায় প্রায় বিশ মিনিট সময় লাগে।

যাইহোক আমরা ক্লাসেই বসা। তারপর আমাদের প্রথম ক্লাসের টিচার আসেন। সামনে না তাকিয়েই উঠে দাড়াই। তখন মিম কনুই দিয়ে গুঁতিয়ে আমাকে কিছু দেখার কথা বলে। কিন্তু আমি সামনে তাকাই না।

কিন্তু যখনি শুনি কেউ বলছে..

"আসসালামু আলাইকুম!
আমি মাহমুদ আমিন মুরাদ খান। আপনাদের পৌর নীতি টিচার। "

এতো সময়ে বুঝলাম মিমুর এভাবে গুঁতানোর মানে কি।
সামনে যিনি দাড়িয়ে আছেন উনি আমার ভাইয়া। আমি ভাবতেই পারিনি যে ভাইয়ার ক্লাস থাকবে আমাদের ক্লাসে। এখন পড়া না পারলে ভাইয়া হাড্ডি একটা ও জায়গায় রাখবে না এটা আমি ভালো করেই জানি।
তারপর ভাইয়ার দিকে দাড়িয়ে সামনে তাকাই।
ভাইয়া বলছে....

যেহেতু আজ প্রথম দিন। তাই আজ পড়া হবে না। সবার পরিচয় নিবো।
সবাই একে একে শুরু করেন। আমার পরিচয় তো দিয়েছিলাম ওই।

তখন উঠে একজন জানালো আমি মাইশা।
অন্য জন বললো আমি সারিকা।
তারপাশে একজন ছেলে বললো আমি ফাহাদ
এভাবে আসতে আসতে যেই আমি বলতে যাবো...

"আমি রা.....

তখনি ভাইয়া আমাকে থামিয়ে দেয়।

থাক লাগবে না।
আমি ও সোজা বসে যাই। ভাইয়া আরো কিছুক্ষন সবার সাথে কথাবার্তা বলে চলে যায়।
আমি আর মিম বসে থাকি পরবর্তী ক্লাসের অপেক্ষায়।

#পেঙ্গুইন
#রাদিয়া_ইসলাম_ঊষা
#১
#হ্যাপি_এন্ডিং
#কাজিন_রিলেটিভ_রোমান্টিক_রাজনৈতিক।

❎❎❎ কপি করা নিষেধ ❎❎❎

সবাই সাপোর্ট করবেন । গল্পটি কেমন লাগলো জানাবেন। আপনাদের ভালো ভালো রেসপন্স পেলে পরবর্তী পর্ব খুব তারাতাড়ি দিবো ইনশাআল্লাহ।

28/03/2026

upcoming Golpo.....!
আসছে তিন উন্মাদের একজনের প্রতি আসক্তি নিয়ে
পর্দাশীল হৃদয়হরনি আমার।
পড়তে হলে পেইজটি ফলো দিয়ে সাথেই থাকুন।

#গল্পফ্যাক্ট #গল্প_ফ্যাক্ট

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ আদায় করলো তাহজিবা।তারপর দীর্ঘ সময় নিয়ে সুরা আর- রহমান ও সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করে ছাদে...
27/03/2026

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ আদায় করলো তাহজিবা।
তারপর দীর্ঘ সময় নিয়ে সুরা আর- রহমান ও সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করে ছাদে উঠল। ভোরের বাতাশে আলাদা একটা ভালো লাগা কাজ করে। যেটা একমাত্র যারা ভোরে উঠে তারাই পায় এই শেষ। আর যারা ঘুমে বিভোর থাকে তারা কেমনে পাবে এই শ্বাদ। তাছাড়া ভোরের এই বাতাশের মাঝে অনেক উপকারিতা ও রয়েছে।
রয়েছে অনেক অসুস্থতার প্রতিশেধক।

তাহজিবাদের মাঝারি আকারের এই ছাদ ভর্তি বিভিন্ন রকম ফুল ফলের গাছ।
যেগুলো অতি যত্নে লাগিয়েছেন তাহজিবার বাবা
আজবিন হোসেন।
তাহজিবা সবগুলো গাছে পানি দিয়ে কিছুক্ষন
হেটে নিচে নেমে আসে।

তার মাদরাসায় যেতে হবে যে সকাল আট টার সময়। এটা তাহজিবার রোজ রুটিন।
ঘুম থেকে উঠে নামাজ পরে একটু
কোরআন তেলাওয়াত করবে।
তারপর মাদ্রাসার সবক রিভিশন দিবে।

কিন্তু গতকাল শুক্রবার যাওয়ায় আজ আর পরতে বসেনি সকালে। ছাদ থেকে নেমে গেলো মায়ের কাছে। তাহজিবার মা সাজিদা বেগম রান্না ঘরে সবার জন্য নাস্তা বানাচ্ছেন।

তাহজিবা ছাদ থেকে নামতেই তার বাবা ও আসলেন মসজিদ থেকে।
ভদ্রলোক পাড়ার মসজিদের ইমাম।
ফজরের নামাজ পরিয়ে বাসায় চলে আসেন নাস্তা করেন এক সাথে।তাহজিবা রা দূ ভাই বোন।
ভাই ছোট বয়স বারোর কাছাকাছি।

তাহজিবা হওয়ার প্রায় পাঁচ বছর তাহজিবার ভাই হয়। নাম তেহজিব আলিফ ।
আর তার নাম তাহজিবা আয়মান আলিফা।

তেহজিব বাড়ির পাশের একটা নূরানী মাদ্রাসায় পরে। তাহজিবা বাবার কাছে চায়ের ট্রে নিয়ে গেলো।
বাবা: মা তেহজিবের শরিরের অবস্থা কেমন এখন? কিছু কমেছে কি আগের থেকে?

তাহজিবা : জিহ আব্বাজান!
আগের চেয়ে অনেক কমেছে আল্লাহর রহমতে।
বাবা: শুকরিয়া! ভাইয়ের দিকে নজর রেখো।
আর তোমার সবকের কি অবস্থা মা...?

তাহজিবা: জিহ আব্বাজান আলহামদুলিল্লাহ ভালো।দোয়া কইরেন। সামনে তো দ্বিতীয় সাময়িক পরিক্ষা তাই একটু পড়ার চাপ যাচ্ছে। এই আরকি।

বাবা: আচ্ছা মা!
সব সময় আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখবে।
আর প্রত্যেক দিনের সবক প্রত্যেক দিন বুঝে আসবে মাদরাসা থেকে। বুঝেছো মা।

তাহজিবা : জিহ আব্বাজান আসবো..!

বাবা: হুম! আমার মায়ের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে সে ভালো কিছু করবে ইনশাআল্লাহ।
আর হ্যা মা পর্দায় কিন্তু ঘাটতি দেওয়া যাবেনা
রাস্তায় যাওয়ার সময় এদিক সেদিক থাকাবেনা।

তাহজিবা : জিহ আব্বাজান দোয়া করবেন।

বাবা: আচ্ছা মা যাও গিয়া তৈরি হয়ে নাও মাদ্রাসায় যেতে হবে তো নাকি?
তাহজিবা; জিহ আব্বাজান..!
তোমার আম্মিজানকে একটু বলো এদিকে আসতে..!
তারপর তাহজিবা চলে যায় রান্না ঘরে।
গিয়ে বলে আব্বাজান ডাকছেন আপনাকে আম্মিজান। সাজিদা যাচ্ছি বলে মেয়ের টিফিন দিয়ে বলে গেলেন খাবার খেয়ে নিতে।
__________________________
সাদি..!
জি স্যার..?

আমার বলা এমাউন্ট কত ছিলো তুমি বলোনি উনাকে..?
সাদিয়ান: জি স্যার বলেছি।
সারওয়ার : তাহলে কম কেনো..?
সাদিয়ান: স্যার উনি বলছেন উনি এর বেশি আর দিতে পারবেন না।
এখানে মোট সাতাশ লক্ষ। উনি নাকি এগুলো উনার জীবনের জমানো সব টাকা দিয়ে দিয়েছেন।
সারওয়ার: আমি এগুলো জানতে চেয়েছি..? তোমার কাছে।
সাদিয়ান: জি নাহ স্যার।সরি..!

মাথা নিচু রে ভয়ে ভয়ে বললো সাদিয়ান। বলেই
চুপ করে একপাশে দাঁড়িয়ে থাকে।
সারওয়ার এখন অনেক রেগে আছে।
বেশি কথা বললে সে এখন উপরে ও চলে যেতে পারে এই ভেবে।
তারপর সারওয়ার সাদিয়ান কে বলে....

সাদি.?
তৈরি হও বিডি তে যাওয়ার জন্য।
আমি আজকে রাতের ফ্লাইটেই বিডি যাবো।
আর্জেন্ট সব কিছু রেডি করো।
go Fast..!

সাদিয়ান : জি স্যার..!

বলে সে চলে যায় সব কিছু রেডি করার জন্য।
কারন সারওয়ার যখন বলছে আজকে রাতে মানে রাতেই।
একটু হের পের হলেই তার জীবন শেষ।
সে আজ এতোগুলো বছর এই রাগি বদমেজাজি
মাফিয়ার সাথে কাজ করছে। তবে তা অনেক ভয়ে ভয়েই।কারন এখান থেকে আর চাইলে ও বের হতে পারবেনা।

প্রথম প্রথম সারওয়ার মানুষ খুন করা ও রাগ দেখে চেয়েছিলো চলে যেতে।
কিন্তু এই মাফিয়া বসের সাথে যোগ মানে জীবনের মায়া ত্যাগ দিয়ে দেওয়া।
তার চলে যাওয়ার মনোভাব দেখে সারওয়ার ঠান্ডা গলায় বলেছিলো......

শুনো সাদি..
আমার কাছে এসেছো মানে এসেছো।
এখন আর যাওয়ার পথ খোঁজো না।
আর খোজলে ও তুমি আর জান নিয়ে যেতে পারবে না। এর চেয়ে ভালো তুমি সুন্দর মতো আমার কাছে থাকো।
এবং নিজের জীবন টা উপভোগ করো।

সাদিয়ান তখন বলেছিলো এ যেনো ঠান্ডা মাথায়
ভয়ংকর কিছু।থাকে বুঝালো নাকি হুমকি দিলো।
তারপর থেকেই আজ এতো গুলো বছর এই মাফিয়া বসের সাথেই আছে।এবং এতোগুলো বছর একবার ও সারওয়ার তার উপর হাত উটায় নি। তবে হাজার বার ধমক খেয়েছে। যা বেহিসাবি।
তবে এই মানুষটার সাথে থাকতে থাকতে
তার এই মানুষ টার প্রতি মায়া জন্মে গেছে।
যার জন্য সে নিজেই আর চায় নি। থাকে ছেড়ে যেতে।তারপর সাদিয়ান চলে যায় তার কাজে।
এদিকে সারওয়ার চলে যায় সাওয়ার নিতে।

_____________________

তাহজিবা মাদরাসার জন্য রেডি হয়ে রোম থেকে বের হয়।তারপর তার মাকে বলে বেরিয়ে পরে মাদরাসার উদ্দেশ্য। তাহজিবা বাড়ি থেকে বেড়িয়ে রাস্তার পাশে এসে দাড়ায় গাড়ি পাওয়ার আশায়।

কিন্তু না আজ আবহাওয়া তেমন ভালো নয়।
তাছাড়া এদিক দিয়ে বেশি গাড়ি ও তেমন আসে না। তাই সে একটু অপেক্ষা করে হাটা ধরে।
আজ থাকে হেটেই যেতে হবে। ভেবে তারাতাড়ি পা চালায়। কারন থাকে সময়ের মধ্যে মাদরাসায় পৌঁছাতে হবে যে।
তাহজিবা চলে যায় তার গন্তব্যে।
_____________________
অথচ এই অষ্টাদশী জানতেই পারলো না যে তার জন্য সব সময় পথ চেয়ে এক জোড়া কাথর আখি।
যে আখি জোড়া তাকে নয় বছর যাবৎ অপ্রকাশিত ভাবে ভালোবেসে যাচ্ছে।শুধু সময়ের অপেক্ষায় আছে। যখন তাহজিবা দাওরা দিয়ে দিবে তখনই সে তাহজিবা কে জানাবে তার এই বেহায়া মনের আকাংখার কথা। যার জন্য তার তনু মন অধির আগ্রহে এতো গুলো বছর অপেক্ষা করছে। এই তো আর একটি বছর অঅপেক্ষা করবে। এতো গুলো বছর যেহেতু অপেক্ষা করেছে তাহলে এই এক বছর ও পারবে।
এটা তেমন কিছু নয়। তবুও এখন কেনো জানি তার এই অবাধ্য মন একটু বেশিই তাকে চাইছে কিন্তু মানিয়ে নিতে হবে তো..?
তার কোমল ফুল কে সে হালাল ভাবে চায়। শুভ্রতার হালাল চাদরে জরিয়ে থাকে নিজের করে চায়।
(রিচেক করা হয় নি)

#পর্দাশীল_হৃদয়হরনি_আমার
#রাদিয়া_ইসলাম_ঊষা
#পর্ব_১

Address

Habiganj, Baniyachong
Baniyachong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radiya Islam Ushaরাদিয়া ইসলাম ঊষা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category