I am a soldier of Bangabandhu.

I am a soldier of Bangabandhu. My leader will come, Bangladesh will smile again, Insha Allah.

ডুবুরিরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বলছেন, ভেতরে ৪০ জনের ম/র/দেহ আছে। আহা, জীবন! 🤲🇧🇩
26/03/2026

ডুবুরিরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বলছেন, ভেতরে ৪০ জনের ম/র/দেহ আছে। আহা, জীবন! 🤲🇧🇩

বাবার আদরের মেয়ে😘🇧🇩
04/02/2026

বাবার আদরের মেয়ে😘🇧🇩

04/02/2026

মুনাফেকের পরিচয় তো মুনাফেক হবে #নিউজ #বঙ্গবন্ধু

03/02/2026

তাহেরি হুজুরের কথা গুলো একবার সুনুন #নিউজ #বঙ্গবন্ধু #

31/01/2026

জুলাইয়ের ম,রে, চু,দি, #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #বঙ্গবন্ধু

জানুয়ারি ১৯৭২: ঢাকা আউটার স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করছেন মুজিব বাহিনীর পক্ষে শেখ ফজলু...
30/01/2026

জানুয়ারি ১৯৭২: ঢাকা আউটার স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করছেন মুজিব বাহিনীর পক্ষে শেখ ফজলুল হক মণি। পেছনে সিরাজুল আলম খান ও আব্দুর রাজ্জাককে দেখা যাচ্ছে।

#বঙ্গবন্ধু #মুক্তিযুদ্ধ #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

29/01/2026

ডক্টর ইঊনুসের মেজিক #নিউজ

জেল গেটের এপার-ওপার : নির্যাতনের অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউনুসের বাংলাদেশ ২.০যে মানুষটি সকালে উঠে জানে না আজ রাতে তার ঘুম ভাঙা...
29/01/2026

জেল গেটের এপার-ওপার : নির্যাতনের অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউনুসের বাংলাদেশ ২.০

যে মানুষটি সকালে উঠে জানে না আজ রাতে তার ঘুম ভাঙানো হবে কিনা, যে পরিবার জানে না তাদের মানুষটি জেল গেট থেকে বের হয়ে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে কিনা, সেই মানুষ আর পরিবার আসলে একটা অদৃশ্য নির্যাতন কক্ষে বন্দি। ইউনূসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার গত কয়েক মাসে কারাগারকে ঠিক এই জায়গায় নিয়ে গেছে। আর এর শিকার মূলত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা।

আওয়ামী আমলে পাঁচ দিন পরপর পরিবারের সাক্ষাৎ ছিল। এখন পনেরো দিন। এই দশ দিনের ব্যবধান শুনতে ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু একজন বন্দির কাছে এই দশ দিন মানে অতিরিক্ত দশটি রাত যখন সে জানে না তার পরিবার কেমন আছে। অনেকের ক্ষেত্রে সাক্ষাৎ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কল করার সুযোগ নেই। আদালতে যাওয়ার সময়ও পরিবারের সাথে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয় না। এটা কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নয়, এটা পরিকল্পিত বিচ্ছিন্নতা তৈরির কৌশল।

ভোর চারটা-পাঁচটায় হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়া, তারপর পুরো ওয়ার্ড উল্টেপাল্টে দেওয়া, জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলা। মাসে দুবার-তিনবার হলে হয়তো মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু তিন-চার দিন পরপর? এটা চেকিং নয়, এটা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘুমের চক্র ভেঙে দেওয়া, মানসিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার পরিকল্পিত পদক্ষেপ। যে মানুষ ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না, সে ঠিকমতো চিন্তা করতে পারে না। আর যে মানুষ ঠিকমতো চিন্তা করতে পারে না, তাকে ভাঙা সহজ।

খাবার পানি আর গোসলের পানি সীমিত করা হচ্ছে রাজনৈতিক ওয়ার্ডে। এটা শুনতে ছোট বিষয় মনে হলেও মৌলিক মানবিক প্রয়োজন থেকে বঞ্চিত করা একটি পরিচিত নির্যাতনের কৌশল। সিআইডি'র লোকজন এসে চেকিং এর নামে হয়রানি করে। ম্যাটস আর পাহাড়াদার লেলিয়ে দেওয়া হয় যাতে বন্দিরা সবসময় চাপে থাকে। এই ক্রমাগত চাপ একজন মানুষকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়।

পিডব্লিউ রাইটার। এই নামটা এখন আতঙ্কের সমার্থক। মাঝরাতে যখন পিডব্লিউ রাইটার এসে নাম ধরে ডাকে, তখন বন্দি জানে নতুন মামলা এসেছে। জামিনের সব আশা তখন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। এই অনিশ্চয়তা, এই ভয় প্রতিটি রাতে বন্দিকে তাড়া করে। কখন আবার নাম ডাকা হবে, কখন আবার নতুন মামলার বোঝা মাথায় চাপবে।

আওয়ামী আমলে যে মামলায় সাত দিন কাস্টডিতে রেখে জামিন দেওয়া হতো, একই ধরনের মামলায় এখন তিন-চার মাস কাস্টডিতে রেখেও জামিন দেওয়া হচ্ছে না। এটা বিচার ব্যবস্থার স্বাভাবিক কাজকর্ম নয়। জামিনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে জজ কোর্ট আর হাইকোর্টে। আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে যা দেখানো হচ্ছে, তা আসলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মানুষদের অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখার কৌশল।

যদি কোনোভাবে জামিন হয়ও, তখন শুরু হয় আরেক দফা মানসিক যন্ত্রণা। জামিন পাওয়ার পর জেলগেট থেকে বের হওয়াই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। থানায় ফোন করা হয়, সিটিএসবি, ডিএসবিতে ফোন করা হয়, জিজ্ঞেস করা হয় অমুক আসামির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দেওয়া হবে কিনা। ক্লিয়ারেন্স এলে মুক্তি, না এলে আবার জেলে ঢোকানো।

এখানে একটা মারাত্মক আইনি অসংগতি আছে। কোনো মামলা ছাড়াই একজন মানুষকে আবার কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। তারপর কয়েকদিন পর নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। মানে যে কয়েকদিন সে জেলে ছিল, সেই সময়ের কোনো আইনি ডকুমেন্ট নেই। সে আইনত ফ্রি ছিল, কিন্তু শারীরিকভাবে বন্দি ছিল। এটা সরাসরি আইনের লঙ্ঘন, মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। কিন্তু কে থামাবে? যে বিচার ব্যবস্থা এই কাজে সহযোগিতা করছে, সেখান থেকে ন্যায়বিচারের আশা কীভাবে করা যায়?

এমনকি যদি কেউ জেলগেট পার হয়েও যায়, তারপরও শেষ নয়। রাস্তা থেকে ডিবি তুলে নিয়ে যেতে পারে। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। পালিয়ে থাকতে হয়। এটা কোনো স্বাধীন দেশের চিত্র হতে পারে না।

বন্দির চেয়ে বেশি কষ্ট পায় বাইরের পরিবার। তারা জানে না ভেতরে কী হচ্ছে। প্রতিটি ফোন কল, প্রতিটি খবর তাদের আতঙ্কিত করে। জামিন হলো কিনা, নতুন মামলা এলো কিনা, জেল থেকে বের হতে পারবে কিনা, বাড়ি ফিরতে পারবে কিনা। এই অনিশ্চয়তা, এই চিন্তা একটা পরিবারকে ভেতর থেকে ভেঙে দেয়।

সম্প্রতি সময়ে সাদ্দামের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা এই পুরো পরিস্থিতিকে আরও স্পষ্ট করেছে। একটা পরিবারের ওপর কতটা চাপ পড়লে, কতটা মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করলে এমন সিদ্ধান্ত আসে, তা কল্পনা করা কঠিন। কিন্তু যারা এই পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, তারা বুঝতে পারছে।

ইউনূস আর তার অবৈধ সরকার মূলত একটি কাজ করছে: আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা। বিচার ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কারাগার প্রশাসন সবকিছু ব্যবহার করা হচ্ছে এই একটি লক্ষ্যে। এটা কোনো আইনি প্রক্রিয়া নয়, এটা রাজনৈতিক প্রতিশোধ। যে সরকার বিদেশি টাকায়, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় আর সামরিক বাহিনীর সমর্থনে দাঙ্গা বাঁধিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে, সেই সরকারের কাছ থেকে ন্যায়বিচার আশা করা বোকামি।

কারাগারে যা ঘটছে, তা শুধু শারীরিক বন্দিত্ব নয়। এটা মানসিক নির্যাতনের একটা সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা। যে মানুষটি ভেতরে আছে, সে জানে না কখন আবার তার নাম ডাকা হবে, কখন আবার নতুন মামলা আসবে, কবে সে মুক্তি পাবে। আর বাইরে যারা আছে, তারা প্রতিদিন জানে না তাদের মানুষটি ভালো আছে কিনা, বেঁচে আছে কিনা। এই অনিশ্চয়তা, এই ভয়, এই মানসিক চাপ একটা মানুষকে ভেঙে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

এটাই ইউনূসের আসল লক্ষ্য। আইনের মাধ্যমে অন্যায় করা, বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে অবিচার করা, কারাগারকে মানসিক নির্যাতনের কেন্দ্র বানানো। আর এভাবেই একটা রাজনৈতিক দলকে শুধু শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে। এই নিষ্ঠুরতা, এই পরিকল্পিত নির্যাতন কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ হতে পারে না। এটা একটা প্রতিশোধপরায়ণ, অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর কাজ, যারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য যেকোনো অমানবিক পথ বেছে নিতে দ্বিধা করছে না।

28/01/2026

মাশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ উন্নয়ন #নিউজ

মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করাই যদি অপরাধ হয়,তাহলে এই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে সত্যকেই সবচেয়ে বেশি ভয় প...
28/01/2026

মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করাই যদি অপরাধ হয়,তাহলে এই অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে সত্যকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়।

একজন মা। একজন স্ত্রী।
আর একটি রাষ্ট্র, যেখানে সত্য বলা এখন অপরাধ।

শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য ও রাড়িখাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কিবরিয়া আহমেদের পরিবার আজ রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের নির্মম শিকার। ১৬ নভেম্বর ২০২৫ পরীক্ষার হল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁর ছাত্রলীগকর্মী ছেলেকে। এক মাস পর, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই রাস্তায় ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর স্বামীকে।

সবচেয়ে ভয়াবহ সত্যটি হলো—ছেলে আজও জানে না, তার বাবাও কারাগারে।
প্রতি শনিবার কারাগার থেকে বাবা-ছেলের ফোন আসে। আর সেই মা বুকের ভেতর চাপা কান্না নিয়ে মিথ্যা হাসিতে কথা বলেন, যেন সন্তানের মন ভেঙে না যায়।

তাদের অপরাধ কী?
একটাই—মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অটল থাকা।

এই ঘটনাই প্রমাণ করে, তথাকথিত “সংস্কার” আর “নৈতিকতার” মুখোশের আড়ালে অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আসলে কতটা ভীত। তারা ভয় পায় সত্যকে, ভয় পায় ইতিহাসকে, ভয় পায় এমন মানুষকে যারা মাথা নত করে না।

আজ বাংলাদেশে ন্যায়বিচার দলভেদে বণ্টিত।
কিছু মানুষের জন্য আদালত আছে, আর কিছু মানুষের জন্য শুধু জেলখানা।

এটি শুধু শ্রীনগরের গল্প নয়।
৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল জুড়ে একই কান্না, একই আতঙ্ক, একই দমন-পীড়নের চিত্র।

ইতিহাস একদিন প্রশ্ন করবে—
এই রাষ্ট্র কি তার মায়েদের কান্না শুনেছিল?
নাকি ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মানবতাকেই বন্দি করেছিল?

Address

Barishaba

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I am a soldier of Bangabandhu. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category