শুকনো গোবরের গুঁড়া-Dry cow dung powder

শুকনো গোবরের গুঁড়া-Dry cow dung powder Welcome to the official page of Cow Dung Powder - Nature's Secret Ingredient! 🌿💩
Discover the natural magic of Cow Dung Powder!

Elevate your gardening game with our eco-friendly solution. Join the green revolution today! 🌱🌿

21/04/2025

আসসালামু আলাইকুম

20/10/2024
 #আমরা বস্তায় কিভাবে আদা চাষ করবো?উপযুক্ত মাটিঃআদা চাষের জন্য উচু জায়গা ও জৈব সার সমৃদ্ধ দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি সবথেকে ...
20/10/2024

#আমরা বস্তায় কিভাবে আদা চাষ করবো?

উপযুক্ত মাটিঃ
আদা চাষের জন্য উচু জায়গা ও জৈব সার সমৃদ্ধ দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি সবথেকে উত্তম।

#বস্তায়_আদা_লাগানোর_সময়ঃ
বস্তায় আদা চাষের জন্য এপ্রিল-মে মাসে আদা রোপন করতে হয়।তবে এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে উপযুক্ত সময়।

#বস্তায়_আদা_লাগানোর_স্থানঃ
বসতবাড়িতে বা বাগানে ৩০%-৪০% ছায়াযুক্ত স্থানে আদা ভালো হয়। সম্পূর্ণ ছায়া বা আলোতে আদা ভালো হয় না৷ তাই দিনের ২/৩ ভাগ আলো আসে এরকম জায়গায় বস্তা রাখতে হবে।

#আদার জাত নির্বাচনঃ
বস্তায় চাষের জন্য জনপ্রিয় জাত
বারি আদা_১ ও
বারি আদা_২
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র, শিবগঞ্জ, বগুড়া থেকে আদার বীজ ক্রয় করতে পারেন।

প্রচলিত বাজার থেকে বীজ কিনে বস্তায় আদা চাষ করা উচিত না।

#আদার কন্দের সাইজ নির্বাচনঃ
মাটি তৈরি হয়ে গেলে বস্তায় রোপনের জন্যে ৪০-৫০ গ্রাম সাইজেট আদার কন্দ প্রয়োজন।

#বীজ শোধনঃ
আদার কন্দ লাগানোর আগে কার্বোডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে নিয়ে এক কেজি আদার কন্দ শোধন করে নিতে হবে। শোধনের পর কন্দগুলো সাথে সাথে রোপন করা যাবে না কমপক্ষে একঘণ্টা ছায়ায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে। রোদে শুকানো যাবে না

#মাটি প্রস্তুতঃ
বস্তায় আদা চাষের জন্য আদার কন্দ রোপনের ১৫ দিন আগে মাটি ও সার প্রস্তুত করতে হবে।

#মাটি_তৈরিঃ
আদা কন্দ বা রাইজোম জাতীয় মসলা ফসল তাই মাটি যত নরম ও ঝড়ঝড়ে হবে তত ভালো। এতে রাইজম সহজেই মাটির নিচে বড় হতে পারে। শক্ত মাটিতে আদার ফলন কম হয় কারণ মাটি শক্ত হওয়ায় রাইজোম বড় হতে পারে না।

বস্তা নির্বাচনঃ
বস্তায় আদা চাষের জন্য বস্তা সিমেন্টের বস্তা আদা চাষের জন্য উত্তম। ১টি সিমেন্টের ব্যাগ কেটে দুইটি করে আদার বস্তা হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে বস্তার খরচ ৫০% কমে যাবে।

প্রতি বস্তার জন্য ঝুর ঝুরে পরিস্কার
#মাটি ১৫ কেজি
#পঁচা গোবর ৫-৬ কেজি
#টিএসপি ২০ গ্রাম
#এমওপি (পটাশ) ১০ গ্রাম
#জিপসাম ১০ গ্রাম
#জিংক ৫ গ্রাম
#বোরন ৫ গ্রাম
#দানাদার কীটনাশক ১০ গ্রাম
#কাঠের গুড়া ১ কেজি
ছাই ১ কেজি (সম্ভব হলে)
ভার্মিকম্পোষ্ট ১ কেজি (সম্ভব হলে)
বালু ১ কেজি (বেলে দোআঁশ মাটি হলে দরকার নেই)

মাটি মিশ্রণ বা তৈরি পদ্ধতিঃ
সমস্ত সার মাটি দানাদার কীটনাশক, কাঠের গুড়া বালু ভালোভাবে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ১২-১৫ দিন পর পলিথিন উঠিয়ে মাটি উল্টাপাল্টা করে কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। তার পর বস্তায় ভরে ২-৩ দিন রেখে আদার বীজ বপন করতে হবে।

বস্তায় সার মিশ্রিত মাটি ভরাটঃ
বস্তায় সার মিশ্রিত মাটি এমন ভাবে ভর্তি করতে হবে যাতে বস্তার উপরের অংশ ২-৩ ইঞ্চি ফাঁকা থাকে।

#বস্তা_স্থাপন_পদ্ধতিঃ
বৃষ্টির পানি জমাট বাধে না এমন যায়গায় সারিতে ৮-১০ ইঞ্চি পর পর পাশাপাশি ২ টি বস্তা স্থাপন করতে হবে। মাঝ খান দিয়ে চলাচলের জন্য রাস্তা রাখতে হবে যাতে সহজে চলাফেরা করা যায় এবং আন্তপরিচর্যা করতে সুবিধা হয়।

আদা কন্দ রোপনের গভীরতাঃ
আদার বীজ মাটির ভিতরে ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি গভীরে লাগাতে হবে। বীজ লাগানোর পর মাটি দ্বারা ঢেকে দিতে হবে।

#আগাছাঃ
বস্তায় আদা চাষে তমন কোন আগাছা হয় না। যদি আগাছা দেখা যায় তাহলে হাত দিয়ে নিড়ানি দিয়ে গোড়া পরিস্কার রাখতে হবে।
#সেচ প্রয়োগঃ
বৃষ্টি না হলে হালকা ছিটানো পানি দিতে হবে।

পানি নিষ্কাশনঃ
মাটি ভরাটের আগে বস্তার নিচে, সাইডে ৪-৫ টি ফুটা করে দিতে হবে যাতে অতিবৃষ্টিতে বস্তায় পানি জমে না থাকে।
#সার প্রয়োগ:

প্রথম কিস্তিঃ
আদার কন্দ রোপনের ৫০ দিন পরে বস্তা প্রতি ১০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫ গ্রাম এমওপি একত্রে প্রয়োগ করতে হবে।

দ্বিতীয় কিস্তিঃ
আদার কন্দ রোপনের ৮০ দিন পরে বস্তা প্রতি ইউরিয়া ৫ গ্রাম পটাশ ৫ গ্রাম হারে গাছের চারি পশে ছিটিয়ে দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

তৃতীয় কিস্তিঃ
আদার কন্দ রোপনের ১১০ দিন পরে ইউরিয়া ৫ গ্রাম পটাশ সার ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে

#আদা উত্তোলনঃ
জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারী মাসে তোলা যায়। আদার পাতা হলুদ হয়ে আসলে আদার পরিপক্ক হয়ে যায়।

#ফলনঃ
উপযুক্ত পরিচর্যায় প্রতি বস্তায় ১-৩ কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যায়।

এছাড়াও রোগবালাইয়ের আক্রমণ দেখা গেলে আপনার নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা /উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

মো: ফরিদুল ইসলাম
উপসহকারী কৃষি অফিসার
ব্লক: ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

#বস্তায় #আদা #চাষ

08/10/2024

Assalamualaikum

 #বর্ষাকালীন_মরিচ_কিভাবে_আবাদ_করবেন #মাটিঃপানি নিস্কাশন সুবিধাযুক্ত বেলে দোঁআশ থেকে এঁটেল দোঁআশ জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ উর্ব...
27/09/2024

#বর্ষাকালীন_মরিচ_কিভাবে_আবাদ_করবেন

#মাটিঃ
পানি নিস্কাশন সুবিধাযুক্ত বেলে দোঁআশ থেকে এঁটেল দোঁআশ জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ উর্বর দোঁআশ মাটি উত্তম। ক্ষারীয় মাটিতে ফলন ভালো হয় না। মাটির পিএইচ ৬.০ থেকে ৭.০ হলে উৎপাদন ভালো হয়।

#জলবায়ুঃ
মরিচ গ্রীষ্মপ্রধান জলবায়ু উপযোগী ফসল ডিসেম্বর- জানুয়ারীতে নিম্ন তাপের কারণে গাছের বৃদ্ধি কিছুটা ব্যাহত হয় ও অতিরিক্ত ঠান্ডায় মরিচের ঝাঁঝ কমে যায়। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে (২০°-৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়) সঙ্গে গাছের দৈহিক বৃদ্ধি স্বাভাবিক হতে থাকে।

তাপমাত্রা ১৫° সেলসিয়াসের নিচে বা ৩৫° সেলসিয়াসের বেশী হলে গাছের বৃদ্ধি ও ফলন সাধারণত কমে যায়। দেশের যে সমস্ত অঞ্চলে ৭৫ সে.মি. থেকে ১০০ সে.মি. বৃষ্টিপাত হয় এবং মাঝে মাঝে রোদ ও বৃষ্টি হয় সে সব অঞ্চলে মরিচ খুব ভালো হয়। ফসলের প্রাথমিক অবস্থায় অল্প বৃষ্টিপাত এবং ফসলের বৃদ্ধির সময় পরিমিত বৃষ্টিপাত হলে মরিচ খুব ভাল জন্মে।

#জাতঃ

#বিজলী_প্লাস_২০২০
#সানড্রপ
#নাগা_ফায়ার
#মরিচ_সুপার
#মধুমতি
#গ্রীণ_ফায়ার
#উল্কা
#সুপার_হট
#সনিক
#মোহনা

#চারা_উৎপাদন_পদ্ধতিঃ
বীজতলার উপরের মাটিতে বালি ও পঁচা গোবর দিয়ে মাটি ঝুরঝুরা করে চারা উৎপাদন অথবা সরাসরি মুল জমিতে বীজ বপন

#বীজ_শোধনঃ
বীজ বপনের পূর্বে কার্বোডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হবে। বীজতলার চারপাশে সেভিন ডাস্ট ছিটিয়ে দিতে হবে। বীজতলা পলিথিন বা চাটাই দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।

#মাটি_শোধনঃ
বীজতলার উপরের ৩-৪ সেন্টিমিটার ধানের খড়ের স্তর তৈরী করে পুড়িয়ে মাটি শোধন করতে হবে।

#বীজ_বপনের_সময়ঃ
শীতকালীন- ভাদ্র-আর্শ্বিন মাসে বীজ বপন করতে হবে
বর্ষা মৌসুমে- ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বীজ বপন করতে হবে।

#বীজহারঃ
রবি মৌসুমে সরাসরি বীজ বপন করলে বিঘা প্রতি ৩৫০-৪০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়।
বীজতলায় চারা উৎপাদন করে লাগালে ১২০-১৩০ গ্রাম বীজ দরকার।

#জমি_চাষ:
মাটির প্রকারভেদে জমিতে ৪-৬ টি চাষ ও মই দিতে হয়। শেষ চাষের সময় সুপারিশকৃত মাত্রায় গোবর, টিএসপি ও জিপসাম, পটাশ, জিংক, বোরন মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।

#বেড_তৈরিঃ
জমিতে ১ মিটার প্রস্থ ও লম্বায় জমির অবস্থান মত বেড তৈরি করতে হবে। পানি সেচ ও নিষ্কাশনের সুবিধার্থে বেড ২০ সে.মি. উঁচু হবে ও দুই বেডের মাঝে ৩০ সে.মি. নালা থাকবে।

#চারার_বয়সঃ
৩০-৩৫ দিন বয়সের চারা অথবা, মোটা কান্ড ও ৪-৫ পাতা বিশিষ্ট চারা লাগানোর জন্য উত্তম।

#চারা_রোপণ_দুরত্বঃ
মূল জমিতে সারি থেকে সারি দুরত্ব ৫০ সে: মি: চারা থেকে চারার দুরত্ব ৪০ সে.মি.

#চারার_পরিচর্যাঃ
বাঁশের চাটাই বা পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিতে হবে।
বীজ লাগানোর পর চারা বের না হওয়া পর্যন্ত নেটের উপর ঝরনা দিয়ে সেচ দেয়া আবশ্যক।

চারা গজালেই ইনসেক্টপ্রুফ নেট দিয়ে চারা ঢেকে দিতে হবে।
চারা রোপন মুহুর্তে পানি সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
বীজতলার আগাছা নিড়ানি দিয়ে উঠিয়ে ফেলতে হবে ।
চারা তোলার আগের দিন বীজতলায় হালকা সেচ দিলে মাটি নরম হয়।

#সারের পরিমানঃ (শেষ চাষের সময়)

শেষ চাষের সময় বিঘা প্রতি-৩৩ শতকে
গোবর ২০০০ কেজি
ইউরিয়া ২৮ কেজি
টিএসপি- ৪৪ কেজি
এম ও পি- ২৫ কেজি
জিপসাম- ২০ কেজি
জিংক ১.৫ কেজি
বোরন ১ কেজি

#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ
জমি তৈরি সময় সমস্ত গোবর, টিএসপি, জিপসাম, জিংক(আলাদাভাবে), বোরন ও এক-তৃতীয়াংশ এমওপি প্রয়োগ করতে হবে।

#চারা রোপনের ২৫ দিনে:
বিঘা প্রতি ইউরিয়া ১০ কেজি পটাশ ৮ কেজি

#চারা রোপনের ৫০ দিনে:
বিঘা প্রতি ইউরিয়া ১০ কেজি পটাশ ৮ কেজি

#চারা রোপনের ৭৫ দিনে:
বিঘা প্রতি ইউরিয়া ১০ কেজি পটাশ ৮ কেজি

#সেচঃ
রসের ঘাটতি থাকলে সেচ দিতে হবে। বর্ষাকালে সেচ কম সেচ লাগে।
মরিচ অতিরিক্ত পানি সয় না তাই অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করতে হবে।
সেচের প্রয়োজনীয় মাটির পানি ধারন ক্ষমতা ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। সেচের কয়েক দিন পর মাটিতে চটা দেখা যায়। এই চটা ভেঙ্গে দিতে হবে যাতে শিকড় প্রয়োজনীয় আলো ও বাতাস পায়। এতে গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।

#আগাছা_দমনঃ
নিড়ানি দিয়ে আগাছা পরিস্কার ও মাটি ঝুরঝুরা করতে হয়।

#হরমোন প্রয়োগঃ
প্লানোফিক্স নামক পিজিআর ব্যবহারে মরিচের ফুল কম ঝরে এবং ফলন বাড়ায় ফুল আসার সময় ও তার ২০-২৫ দিন পরে আরেকবার স্প্রে করতে হবে।

#ফসল সংগ্রহঃ
মরিচ কাঁচা অথবা পাকা অবস্থায় তোলা হয়। চারা লাগানোর ৩৫- ৪০ দিন পর গাছে ফুল ধরতে শুরু করে, ৫৫-৬০ দিনের মধ্যে ফল ধরে। ৭৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ফল পাকতে আরম্ভ করে। প্রথম ও দ্বিতীয় বারের সংগৃহীত ফসল কাচা মরিচ হিসাবে গণ্য করা হয়। পরের মরিচ পাকা (লাল রং) হিসাবে সংগ্রহ করা হয়।

19/09/2024
🟡🔴বস্তায় আদা চাষ নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর১। মাটি প্রস্তুতি:* মাটি ১২-১৫ কেজি পরিমাণ, পঁচা গোবর সার/ভার্মি কম্পোস্ট স...
14/09/2024

🟡🔴বস্তায় আদা চাষ নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর

১। মাটি প্রস্তুতি:

* মাটি ১২-১৫ কেজি পরিমাণ, পঁচা গোবর সার/ভার্মি কম্পোস্ট সার ৫ কেজি, সাদা বালু ৪-৫ কেজি, ছাই ১ কেজি, ও কার্বোফুরান গ্রুপের দানাদার কীটনাশক ২৫ গ্রাম।

এর সাথে টিএসপি ১০ গ্রাম , এম ও পি ১০ গ্রাম, জিংক ও বোরন সার ৫ গ্রাম করে মিশাতে পারেন।

এগুলো এক বস্তার মাটি তৈরির জন্য। এগুলো একসাথে ভালো করে মিশিয়ে বস্তায় ভরে নিতে হবে।

আপনার মাটি যদি বেলে দোআঁশ হয় তবে বালুর পরিমাণ কম দিতে হবে।

২। বীজ সংগ্রহ:

নিকটস্থ সার ও বীজের দোকান হতে ভালো জাতের বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া বাজারের যে আদা আমরা খাই ঐ আদাই বীজ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ওখান থেকে ভালো দেখে আপনার পছন্দের আদাই চাষ করতে পারেন।

৩। পানি সেচ:

বৃষ্টিপাত না হলে বস্তায় হালকা ভাবে ঝাঝরি দিয়ে অল্প পরিমাণে সেচ দিতে হবে। তবে বৃষ্টি স্বাভাবিক মাত্রায় হলে সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে পানি যেন না জমে থাকে।

৪। বীজের আকার ও রোপন পদ্ধতি :

প্রতি বস্তায় ৩৫-৫০ গ্রামের ২-৩ টি কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ মাটির ভিতরে ৩-৪ ইঞ্চি গভীরে লাগাতে হবে। বীজ লাগানোর পর মাটি দ্বারা ঢেকে দিতে হবে।

৫। সার প্রয়োগ:

চারা লাগানোর দু’মাস পরে চার চা চামচ সরিষার খৈল ও আধ চামচ ইউরিয়া এবং রোপনের যথাক্রমে ৮০-৯০ দিন দিন পর ৫ গ্রাম ইউরিয়া, ৫ গ্রাম এমওপি সার আবার ১১০-১২০ দিন পর ৩ গ্রাম ইউরিয়া ৫ গ্রাম এমওপি সার ও ৫ গ্রাম ডিএপি সার বস্তায় প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োগের সময় মাটিটা একটু খুঁড়ে আলগা করে দিতে হবে।

৬। বীজ বপনের সময়:

বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য (এপ্রিল- মে) বপনের উপযুক্ত সময়।

#বিঃদ্রঃ শুরুতেই অনেক বেশি পরিমাণে বস্তায় আদা চাষ না করে অল্প পরিমাণে চাষ করতে পারেন, প্রয়োজনে নিকটবর্তী উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে।
্ধতিঃ

12/09/2024

🟡🔴বস্তায় আদা চাষ নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর

১। মাটি প্রস্তুতি:

* মাটি ১২-১৫ কেজি পরিমাণ, পঁচা গোবর সার/ভার্মি কম্পোস্ট সার ৫ কেজি, সাদা বালু ৪-৫ কেজি, ছাই ১ কেজি, ও কার্বোফুরান গ্রুপের দানাদার কীটনাশক ২৫ গ্রাম।

এর সাথে টিএসপি ১০ গ্রাম , এম ও পি ১০ গ্রাম, জিংক ও বোরন সার ৫ গ্রাম করে মিশাতে পারেন।

এগুলো এক বস্তার মাটি তৈরির জন্য। এগুলো একসাথে ভালো করে মিশিয়ে বস্তায় ভরে নিতে হবে।

আপনার মাটি যদি বেলে দোআঁশ হয় তবে বালুর পরিমাণ কম দিতে হবে।

২। বীজ সংগ্রহ:

নিকটস্থ সার ও বীজের দোকান হতে ভালো জাতের বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া বাজারের যে আদা আমরা খাই ঐ আদাই বীজ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ওখান থেকে ভালো দেখে আপনার পছন্দের আদাই চাষ করতে পারেন।

৩। পানি সেচ:

বৃষ্টিপাত না হলে বস্তায় হালকা ভাবে ঝাঝরি দিয়ে অল্প পরিমাণে সেচ দিতে হবে। তবে বৃষ্টি স্বাভাবিক মাত্রায় হলে সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে পানি যেন না জমে থাকে।

৪। বীজের আকার ও রোপন পদ্ধতি :

প্রতি বস্তায় ৩৫-৫০ গ্রামের ২-৩ টি কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ মাটির ভিতরে ৩-৪ ইঞ্চি গভীরে লাগাতে হবে। বীজ লাগানোর পর মাটি দ্বারা ঢেকে দিতে হবে।

৫। সার প্রয়োগ:

চারা লাগানোর দু’মাস পরে চার চা চামচ সরিষার খৈল ও আধ চামচ ইউরিয়া এবং রোপনের যথাক্রমে ৮০-৯০ দিন দিন পর ৫ গ্রাম ইউরিয়া, ৫ গ্রাম এমওপি সার আবার ১১০-১২০ দিন পর ৩ গ্রাম ইউরিয়া ৫ গ্রাম এমওপি সার ও ৫ গ্রাম ডিএপি সার বস্তায় প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োগের সময় মাটিটা একটু খুঁড়ে আলগা করে দিতে হবে।

৬। বীজ বপনের সময়:

বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য (এপ্রিল- মে) বপনের উপযুক্ত সময়।

#বিঃদ্রঃ শুরুতেই অনেক বেশি পরিমাণে বস্তায় আদা চাষ না করে অল্প পরিমাণে চাষ করতে পারেন, প্রয়োজনে নিকটবর্তী উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন আমাদের সাথে।
্ধতিঃ

07/09/2024

For order please inbox

🥰
17/08/2024

🥰

Address

Dhunat
Bogura
5850

Telephone

+8801782397612

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শুকনো গোবরের গুঁড়া-Dry cow dung powder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to শুকনো গোবরের গুঁড়া-Dry cow dung powder:

Share