05/10/2025
অনেকেই বলে জাইল্লা ,
অনেকেই বলে মাছুয়া বা অনেকেই বলে মাছ বিক্রেতা।
যারা এইধরনের কথা বলে তারা বাহির টা দেখেই বলে,তারা জানেনা আমার প্লান,তারা জানেনা আমার পরিকল্পনা।
তারা জানেনা আমাদের লাস্ট ডেস্টিনেশন কোথায়।
আমি একজন ঢাকা কলেজের রানিং ছাত্র ,আমার বাবা একজন সাধারণ কৃষক,আমার বাবার পক্ষে কখনোই সম্ভব নয় ব্যাবসা করার জন্য আমাকে মোটা অংকের টাকা দেওয়ার।
খুবই সাধারণ পরিবারে জন্ম হলেও সেই স্কুললাইফ থেকেই চিন্তাভাবনা অন্যরকম ছিলো।
এই ধরুন আমার ইচ্ছে কয়েক হাজার একর নিয়ে এগ্রো প্রজেক্ট করব,গরুর খামার করব,ছাগলের খামার করব,দুম্বা পালব,মাছ চাশ করব,ফলের বাগান করব।
তো এ-সব ধাপে যাইতে গেলে প্রচুর টাকা লাগবে।
এই টাকা আমি পাব কই?
বাপের এই টাকা নাই যে টাকা নিয়ে শুরু করব।
আর তাই এই বিজনেসে আসা।
আমার বিশ্বাস আমি যদি শুন্য হাতে যেকোনো কিছু বিক্রি করতে পারি,মানুষকে প্রোপার সেবা দিতে পারি তাহলে কেন আমি হাজার একরের প্রজেক্ট করতে পারব না??
সেই ধাপে যেতে হলে আমাকে আম বিক্রি করতে হবে,মাছ বিক্রি করতে হবে,ডেলিভারি করতে হবে এবং প্রচুর কথা শুনতে হবে আমি খুব ভালো করেই জানতাম।
আমি কখনই এসব কথায় কান দিতাম কারণ আই জানতাম এই মাছ বিক্রি আমাকে কই নিয়ে যাবে ,আম বিক্রি আমাকে কই ঞ্জ্যে যাবে।তাই এসব কথায় কান না দিয়েই মাছ বিক্রি করে যাচ্ছি।
এক কথায় এটা আমার একটা সিড়ি।
আবার আমার সপ্ন হাজার হাজার ছেলের রিজিকের ব্যাবস্থা আমি করে দেব,আমি জানি আল্লাহর কাছে মনে প্রানে কিছু চাইলে আল্লাহ কখনোই তাকে ফেরায় না।
গ্রামের ছেলেপেলে এবং এগ্রোপ্রজেক্ট নিয়ে আমার অনেক সুন্দর কিছু পরিকল্পনা আছে।হয়তো এর মাধ্যমে আমি গ্রামের অনেক ছেলের একটা আয়ের ব্যাবস্থা করে দিতে পারব।আল্লাহ চাহেন তো এটা খুব শীঘ্রই দেখতে পাবেন।
আর এসবই করব আমাদের ক্রেতাদের বা আমার ভাইয়া আপনাদের ভালো পন্য এবং সেবা দেওয়ার মাধ্যমে।
অনেকেই বলেন ভাই ইনভেস্ট নিন,কিন্তু আমি এতদিন এসবে যাইনি কারণ আমি যদি নিজেই নিজেকে যদি প্রমাণ করতে না পারি তাহলে ওসব টাকা দিয়ে আমি কিছুই করতে পারব না,তাই নিজেদের পরিশ্রমেই আমরা আগাইছি অনেকটা পথ।
আমি আজকে যেই নাহিদ তার পিছনে আল্লাহর বিশেষ পরিকল্পনা ,রহমত আমার মা বাবার দোয়া এবং আপনাদের দোয়াই মুলশক্তি।
তেমন কিছু চাইনা আমাদের জন্য।
আমার না অনেক চিন্তাভাবনা আছে,,এগুলো যেন বাস্তবায়ন করতে পারি এবং সঠিক পথে নিজের ধরে রাখতে পারি।