Be with Maha

Be with Maha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Be with Maha, Grocers, Bangladesh, Chittagong.

09/08/2026

ধীরে ধীরে, আপনি সময়মতো নামাজ পড়তে শুরু করলেন।

ধীরে ধীরে, সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজার দিনে পরিণত হলো।

ধীরে ধীরে, তাহাজ্জুদ ও দোহা আপনার জীবনে স্থান করে নিল।

ধীরে ধীরে, আপনি আপনার কথাবার্তায় আরও সতর্ক হলেন।

ধীরে ধীরে, আপনি সহজ পথের পরিবর্তে হালালকে বেছে নিলেন।

আর ঠিক যেমন আপনার আনুগত্য নীরবে বাড়তে থাকলো…
আল্লাহ আপনার জীবনকে এমনভাবে পরিবর্তন করতে শুরু করলেন, যা আপনি পরিকল্পনাও করতে পারেননি।

নতুন নতুন দরজা খুলে গেল।
আপনার হৃদয় কোমল হলো।
আপনার দুশ্চিন্তাগুলো হালকা হয়ে গেল।
আপনার দোয়াগুলো আরও কাছের মনে হতে লাগল।

আল্লাহর জন্য আন্তরিকভাবে করা ছোট ছোট, ধারাবাহিক কাজের শক্তিকে কখনো ছোট করে দেখবেন না।

“কুন ফা-ইয়াকুন।” আল্লাহ যখন কোনো কিছু চান, তিনি শুধু বলেন, “হও,” আর তা হয়ে যায়।

26/05/2026
19/05/2026

যেসকল বোনেরা বিয়ে নিয়ে, সন্তান কিংবা উত্তম রিজিকের জন্য পেরেশানিতে রয়েছেন এবং খুব করে চাচ্ছেন রব কল্যাণের সাথে আপনাদের দু'আ কবুল করে নিক। তাদের জন্য জিলহজ্বের এই ১০টা দিন রহমানের এক মস্ত বড় নিয়ামত বটে।
সুতরাং দুইটা আমল খুব বেশি থেকে বেশি করার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ।

১) সলাতুল হাজাত : এই ১০দিন যখনই সুযোগ পাবেন তখনই দুই রাকাত করে সলাতুত হাজাতের পড়বেন ইনশাআল্লাহ।
মুনাজাতে হামদ (আল্লাহর প্রশংসা) + দুরুদে ইব্রাহীম পড়ে এমন ভাবে আকুতি মিনতি করে চাইবেন যেনো আপনি সাঁতার জানেন না কিন্তু সমুদ্রের মধ্যখানে পরে গেছেন। বাঁচার জন্য যতখানি ব্যাকুল হয়ে প্রার্থনা করতেন; ঠিক ততখানি মরিয়া হয়ে চাইবেন রবের কাছে, বারবার চাইবেন......

চাইতে চাইতে যখন ক্লান্ত লাগবে তখন আল্লাহকে মায়া লাগিয়ে বলবেন, "ইয়া রব! আপনার (নিজের নাম) ফাতিমার অনেক কষ্ট হয় আল্লাহ। আপনার বান্দি ভীষণ ক্লান্ত! আর পরিক্ষা নিয়েন না রব্বি, কল্যাণের সাথে কবুলিয়াত দিয়ে দিন না আল্লাহ! আপনার তাওহীদের অসিলায়।আপনার সেসব পবিত্র নামের অসিলায় যেসব নামে ডাকলে আপনি খালি হাতে ফিরাতে লজ্জাবোধ করেন এবং সাথে সাথে দু'আ কবুল করেন। ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরম! ইয়া হা'ইয়্যু ইয়া কইয়্যুমু বি-রহ'মাতিকা আস্তাগিছ!

২) দুরুদের খামে দু'আ : দু'আর শুরু শেষে দুরুদে ইব্রাহীম পড়বেন ইনশাআল্লাহ। আর দু'আর মধ্যে বারবার আল্ল-হুম্মা সল্লি আ'লা মুহাম্মাদ অথবা হাদিসে বর্নিত যেকোনো দুরুদ পাঠ করবেন।দু'আতে বারবার বলবেন, "রব! আমি গুনাহগার, কোনো ভালো কাজের অসিলায় চাইবো যে তেমন কোনো ভালো কাজ নেই আমার। তবে আপনার দয়া এবং আপনার হাবিব (ﷺ) এর উপর মুহাব্বাতের দুরুদ পাঠের বরকতে, আপনার হাবিবকে ভালোবাসার অসিলায় আপনি আমার গুনাহ ক্ষমা করে আমার দু'আ কল্যাণের সাথে কবুল করে নিন রব্বি। আপনার সবচেয়ে পছন্দের এই জিলহজের দিনকে করুন আমার দু'আ কবুলের অসিলা।

মোট কথা, দুরুদকে দু'আর সাথে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে দিবেন যে, দুরুদের বরকতে যেনো রহমান আপনার দু'আ কবুলের ফায়সালা করে ফেলেন।
:
সংগৃহীত ও পরিমার্জিত

19/05/2026

এবারের যুলহিজ্জা আপনার জীবনে এমন কিছু দু’আ কবুলের দরজা খুলে দিতে পারে, যা আপনি বহু বছর ধরে একান্তভাবে আল্লাহর কাছে চেয়ে আসছেন।

এই দশ দিন শুধু আমল করার সময় নয় বরং নিজের সব চাওয়া, কষ্ট, স্বপ্ন আর না বলা কথাগুলো আবার রবের সামনে গুছিয়ে পেশ করার সময়ও।

তাই বছরের সেরা দশ দিনে শুধু আমলের লিস্ট করলেই কী হবে?
দু’আর লিস্টও তো তৈরি করতে হবে আমাদের
কারণ এই দিনগুলোই তো আল্লাহর কাছে সর্বান্তকরণে ফিরে আসার দিন। রবের দরজায় মাথা নত করার দিন।

তাই এবার একটা “দু’আ জার্নাল” বা “দু’আ লিস্ট” বানিয়ে ফেলুন ইনশাআল্লাহ।

কি কি লিখতে পারেন সেখানে?
◉ প্রথমেই লিখুন আপনার সবচেয়ে প্রয়োজনের দু’আগুলো।
যেগুলোর জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে চান। হেদায়েত, রিজিক, সুস্থতা, নেক সন্তান, বিয়ে, মানসিক শান্তি, সম্পর্ক ঠিক হওয়া, গুনাহ থেকে মুক্তি—যা দরকার সব লিখুন।

◉ শুধু দুনিয়ার জন্য নয়, আখিরাতের দু’আও লিখুন। যেমন—
“ইয়া আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন।”
“আমার কবরকে শান্তিময় করুন।”
“আমাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন।”

◉ এমন কিছু দু’আও লিখুন, যেগুলো আপনার কাছে অসম্ভব মনে হয়।
কারণ আপনার কাছে অসম্ভব হলেও, আল্লাহর কাছে কিছুই অসম্ভব নয়।

◉ নিজের জন্য যেমন দু’আ করবেন, তেমনি অন্যদের জন্যও আলাদা লিস্ট রাখুন।
মা-বাবা, পরিবার, বন্ধু, অসুস্থ মানুষ, মৃত প্রিয়জন—সবাইকে রাখুন আপনার দু’আয়।
কারণ অন্যের জন্য করা দু’আয় ফেরেশতারাও আপনার জন্য আমীন বলেন।

◉ মুসলিম উম্মাহর জন্য, নিপীড়িত মুসলিমদের জন্য এবং দেশের শান্তি, হেফাজত ও সার্বিক কল্যাণের জন্যও দু’আ রাখুন।

◉ একটা “ড্রিম দু’আ লিস্ট” রাখুন। যেমন—
“ইয়া আল্লাহ, আমাকে বাইতুল্লাহর মেহমান বানিয়ে দিন।”
“আমাকে মাদিনাহর মুসাফির হিসেবে কবুল করুন।”
“আমার হৃদয়কে কুরআনের সাথে জুড়ে দিন।”
“আমাকে একটা সুন্দর বাড়ি বানানোর তাওফিক দিন।”
“আমাকে আফিয়াতের সাথে এমন রিজিক দিন, যেন আমি অনেক মানুষের হাসিমুখের কারণ হতে পারি।”

এভাবে নিজের সব নেক স্বপ্ন, সব চাওয়া ইখলাসের সাথে আল্লাহকে বলে ফেলুন।

◉ আরেকটা “কবুল হয়ে যাওয়া দু’আ” লিস্টও রাখুন। যখন কোনো দু’আ কবুল হবে, পাশে ছোট্ট একটা ✓ চিহ্ন দিন।
দেখবেন, আপনার রব কতবার আপনাকে শুনেছেন…!

কখন বেশি বেশি দু’আ করবেন?
— তাহাজ্জুদের সময়
— সিজদায়
— ফরজ সালাতের পরে
— আযান ও ইকামাতের মাঝখানে
— বৃষ্টির সময়
— শুক্রবার আসর থেকে মাগরিব
— আরাফার দিন
— ইফতারের আগে (যদি

15/05/2026
দোয়া কবুলের গল্প: ছয় মাস যাবৎ রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে অনেক দোয়া করেছি। কিন্তু কোনভাবেই দোয়া কবুল হচ্ছিল না। মাঝে মা...
12/05/2026

দোয়া কবুলের গল্প:

ছয় মাস যাবৎ রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে অনেক দোয়া করেছি। কিন্তু কোনভাবেই দোয়া কবুল হচ্ছিল না। মাঝে মাঝে শয়তানের ধোঁকায় অনেক হতাশ হয়ে যেতাম। আবার ধৈর্য ধরে দোয়া করতাম। কখনো কখনো এমনও হতো, আসার আলো দেখতাম, কিন্তু পরে আবার হতাশ হয়ে যেতাম। তবে এত ঝামেলার পরেও আমার স্বামী কখনোই ধৈর্য হারায়নি। বরং আমাকে বোঝাতো, আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে বলতো আর ধৈর্য ধরতে বলতো।

তারপর হঠাৎ একদিন নিচের আমলটি আমার চোখে পড়ে। এশার নামাজের পর দরুদ শরীফের আমল করতাম ১০০বার এবং “লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” ৪৯৯ বার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আলিউল আজীম ১ বার — এ আমলটি করতাম, এবং সবসময় ইস্তেগফারের আমল করতাম। এরপর থেকে, আলহামদুলিল্লাহ, আমার রিজিকের পথ খুলতে শুরু করে। আলহামদুলিল্লাহ, মাত্র ১০ থেকে ১২ দিন আমল করার পরেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমার সকল দোয়া কবুল করেন। যদিও এই আমল টানা ৪০ দিনের কথা বলা হয়।

-Tayyebah-তাইয়্যেবাহ

🌻 আর মাত্র ১৬/১৭ দিন পর যিলহজ্জের প্রথম দশক শুরু!যিলহজ্জের প্রথম দশক সারা দুনিয়ার সকল কিছুর থেকে উত্তম। এমনকি রমজানের শে...
03/05/2026

🌻 আর মাত্র ১৬/১৭ দিন পর যিলহজ্জের প্রথম দশক শুরু!

যিলহজ্জের প্রথম দশক সারা দুনিয়ার সকল কিছুর থেকে উত্তম। এমনকি রমজানের শেষ দশক থেকেও।

রমজানের শেষ দশকে সবাই রোজা রাখে, কোরআন তিলাওয়াত করে, তসবিহ পড়ে, লাইলাতুল কদর তালাশ করে! সকলের সাথে রমজানে ইবাদত করা অনেক সহজ।
কিন্তু যিলহজ্জের প্রথম দশকে এমন মানুষ খুব কম থাকে যারা কোরআন খতম দেয়, এক্সট্রা নফল/তাহাজ্জুদ পড়ে, আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক ঠিক করে! তাই এই দশকে একা ইবাদত করা অনেকটা কঠিন।

হাজার হাজার মানুষ আছে যারা অসুস্থ, যাদের বিয়ে হচ্ছে না, যারা ঋনগ্রস্থ, যারা চাকরি পাচ্ছে না, যারা দোয়া কবুলের অপেক্ষায় আছে! এইটাই আপনার সময় বিপদ মুক্ত হওয়ার! দোয়া কবুল করিয়ে নেওয়ার।

রসূল সল্লালাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যিলহজ্জের প্রথম দশকের আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের আমল উত্তম নয়- সহিহ বুখারী : ৯৬৯

আপনি আল্লাহর পছন্দের কোনো কাজ করতে চান? এইটাই সবচেয়ে উত্তম সময়।
অনেকেই এই দশ দিন ইবাদত করবে না, আপনি চাইলেই তাদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। কিন্তু আল্লাহ যাদের ভালোবাসেন তাদের আল্লাহ নিজেই ইবাদত করার সামর্থ্য দিবেন ইনশাআল্লাহ। আর বেশি সময় নেই এখন থেকেই বেশি বেশি ইস্তেগফার আর ৫ ওয়াক্ত নামাজ সময়মত পড়ে নিজের মনকে প্রস্তুত করুন। তাহলে ইবাদত আপনার জন্য সহজ আর পছন্দের হয়ে যাবে। আল্লাহ সকলকে সাহায্য করুন!

সুবহান-আল্লাহ!!
16/04/2026

সুবহান-আল্লাহ!!

13/04/2026

Day-80
রাত জেগে কাঁদছেন, তাহাজ্জুদ পড়ছেন-তবুও আসমান থেকে ফয়সালা আসছে না কেন? কোথাও কি কোনো বড় ভুল রয়ে যাচ্ছে?

প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোনেরা, তাহাজ্জুদ হলো মুমিনের সবথেকে শক্তিশালী হাতিয়ার। রাসূলুল্লাহ বলেছেন, রাতের শেষ প্রহরে মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং ঘোষণা করেন- "কে আছো বিপদগ্রস্ত? আমি তাকে উদ্ধার করবো। কে আছো অভাবী? আমি তাকে স্বচ্ছলতা দেব।" (সহীহ বুখারী)

কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি, এত কান্নার পরেও কেন আমাদের দোয়া আরশ পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে না? কেন মাঝপথে আটকে যাচ্ছে? হাদীসের আলোকে উলামায়ে কেরাম এমন ২ শ্রেণীর মানুষের কথা বলেছেন, যাদের দোয়া শত কান্নাকাটির পরেও কবুল হয় না যতক্ষণ না তারা খাঁটি তওবা করে।

১. অবৈধ সম্পর্ক বা জেনার ভয়াবহতা:

সবচেয়ে নিকৃষ্ট পাপগুলোর মধ্যে একটি হলো জেনা বা অবৈধ সম্পর্ক। বর্তমান সময়ে আমরা 'প্রেমের সম্পর্ক' বা 'হারাম রিলেশন'-কে খুব সাধারণ মনে করি। মনে রাখবেন, যার সাথে আপনার বিয়ে বৈধ, তার সাথে বিয়ের আগে কথা বলা, দেখা করা বা চ্যাটিং করা-সবই জেনার অন্তর্ভুক্ত।

অনেকেই দীর্ঘ বছর হারাম সম্পর্কে লিপ্ত থেকে সেই মানুষটিকে 'জীবনসঙ্গী' হিসেবে পাওয়ার জন্য তাহাজ্জুদে কাঁদেন। এটি আল্লাহর সাথে উপহাসের শামিল! আপনি আল্লাহর নাফরমানি করে আল্লাহর কাছেই রিযিক (জীবনসঙ্গী) চাইছেন? শয়তান আপনার সামনে এই পাপকে সুশোভিত করে রাখছে। জেনার অভিশাপ মানুষের দোয়া কবুলের পথে সবথেকে বড় দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।

২. মানুষের সম্পদ আত্মসাৎ ও জুলুম:

মানুষের সম্পদ অবৈধভাবে ভোগ করা, লুটপাট, চাঁদাবাজি বা কাউকে ঠকানো-এটি এমন এক গুনাহ যা আল্লাহ সহজে ক্ষমা করেন না। একে বলা হয় 'হক্কুল ইবাদ' বা বান্দার হক। আপনি যদি অন্যের মনে কষ্ট দিয়ে বা অন্যের হক নষ্ট করে রাতভর সিজদায় পড়ে থাকেন, তবে সেই দোয়া আসমানে উঠবে না যতক্ষণ না আপনি সেই পাওনা পরিশোধ করছেন এবং ওই ব্যক্তির কাছে ক্ষমা চাচ্ছেন।

আপনার প্রতি নসিহত:

হয়তো আপনি ভাবছেন, "আমি তো দোয়া করছি, তবুও আল্লাহ কেন শুনছেন না?" দোষ আল্লাহর নয়, বরং দোষ আমাদের সেই গুনাহের যা আমরা ছাড়তে পারছি না।

মুক্তির উপায় কী?

খালেস তওবা: আজই সেই হারাম সম্পর্ক ছিন্ন করুন। আল্লাহকে বলুন- "হে আল্লাহ! আমি ভুল পথে ছিলাম, আপনি আমাকে হেদায়েত দিন।"

দান-সদকাহ: দান আল্লাহর রাগকে প্রশমিত করে। বেশি বেশি দান করুন এবং মানুষের হক ফিরিয়ে দিন। ধৈর্য: তওবা করার পর ধৈর্য ধরুন। আল্লাহ কবুল করুন আমাদের।

Address

Bangladesh
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Be with Maha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category