Heba Mart

Heba Mart আমরা কোয়ালিটি ও খাঁটি পণ্যে বিশ্বাসী,এবং বিজনেস একটি হালাল উপায়। যাতে রয়েছে বরকত
(1)

Heba Mart - We Believe in Quality

খাঁটি পণ্যের নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে Haba mart এবং সেই অনুযায়ী চট্টগ্রামসহ সমগ্র বাংলাদেশে খাঁটি পণ্য সরবরাহ করে আসছে দীর্ঘ ৪ বছর ধরে।আমরা ১০০ টাকা বেশি নিয়ে খাঁটি মানের প্রোডাক্ট সরবরাহ করি,
এটা নিশ্চয়ই ভেজাল দিয়ে ১০০ টাকা কম নিয়ে কাস্টমার ঠকানোর চেয়ে হাজার গুনে উত্তম।

√আমাদের পণ্যের কোয়ালিটি

•আমরা সরাসরি মদিনা মুনওয়ারা থেকে আমদানীকৃত আ

জওয়া, মাবরুম ছাড়া আমাদের কাছে আছে মিশরীয় মেডজুল খেজুর। যা সরাসরি কার্গো বিমানে দেশে আনা হয়।
•যশোর বেনাপোলের নিজস্ব ফার্ম থেকে তৈরি খাঁটি গাওয়া ঘি।
•এবং সুন্দর বনের পিউর চাকের মধু, ভেজাল প্রমান করতে পারলে পুরুষ্কার ঘোষণা আছে ইনশাআল্লাহ।

তাহলে আর দেরি কেন! এখনই অর্ডার করে ফেলুন আপনার পছন্দের পণ্যটি


√আমাদের কাছে পাওয়া যাবে-
#বাদাম ৩ রকমের
১/কাট বাদাম
২/ কাজু বাদাম
৩/ পেস্তা বাদাম
#খেজুর ৬ রকমের
১/ সৌদির আজোয়া
২/ইরানি মাবরুম
৩/মিশরীয় মেডজুল
৪/মাজদুল
৫/সাফাওয়ী
৬/শুক্কারি
#সুন্দর বনের পিউর চাকের মধু
#পাবনার স্বরের ঘি
#২০ আইটেম মিক্স ড্রাই ফ্রুটস
#২০ আইটেম মিক্স মধুময় বাদাম
#গোল্ডেন কিসমিস
#ব্লেক কিসমিস
#ত্বীন ফল তুর্কীর ত্বীন
#কাঠের ঘানি ভাঙা সরিষার তৈল
#কালো জিরার তৈল
#বালাচাও
#পিউর নারকেল তেল
#সিয়াসিড
#ইরানি জাফরান
#অলিভ অয়েল (একস্ট্রা ভার্জিন স্পেন ইতালির গুলো)

তাহলে, আপনি কোন পণ্যটি অর্ডার করতে পছন্দ করবেন?

√আমাদের ডেলিভারি সার্ভিসঃ
আমরা চট্টগ্রামসহ সমগ্র বাংলাদেশে পণ্য সরবরাহ করে থাকি।
• চট্টগ্রাম শহরে আমাদের ডেলিভারি চার্জ ৭০/-
• ঢাকা শহরে আমাদের ডেলিভারি চার্জ ১২০/-
• ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে সমগ্র বাংলাদেশে ডেলিভারি চার্জ ১৩০/-
• ডেলিভারি চার্জ অবশ্যই অগ্রিম পরিশোধযোগ্য
√তবে ডেলিভারি চার্জ মাঝে মধ্যে জায়গার উপর নির্ভর করে।


√মুঠোফোনে আমাদের পণ্য অর্ডার করতে কল করুন এখানেঃ

+88 01908138465
+88 01881416564


ধন্যবাদান্তে,
Heba Mart

দেশি পাহাড়ি কাজুবাদাম,, একেবারে তাজা পাবেন,, কোন পোকা বা পুরনো বাদাম নেই,, অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।
04/12/2025

দেশি পাহাড়ি কাজুবাদাম,,
একেবারে তাজা পাবেন,, কোন পোকা বা পুরনো বাদাম নেই,,
অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।

মিথিলা, আমার মামিথিলা, আমার মা, খেটে খাওয়া বিশ্বাসগুলো পুঁজি করেকংক্রিটের শরীর নিয়ে মা পথচলে পাশে পড়ে আছে স্বপ্নের কবর। ...
06/08/2025

মিথিলা, আমার মা

মিথিলা, আমার মা,
খেটে খাওয়া বিশ্বাসগুলো পুঁজি করে
কংক্রিটের শরীর নিয়ে মা পথচলে
পাশে পড়ে আছে স্বপ্নের কবর।
পর্বতের মত সুউচ্চ বুক, কঙ্কালসার তনু,
গর্ভশূণ্য প্রসবণে খাঁখাঁ পোড়া মরুভূমি
উপেক্ষার বৈষম্য নিয়ে নিঃস্ব নদীপার,
তবুও গ্রন্থিত স্বপ্নের মহাকাশ।

অস্পৃহমান কালো ছায়ার ভেতরে
জন্মান্ধ আমি, ধানের শীষে কুয়াশার মুক্তোদানা
আমার দেখা হয়নি,
দেখা হয়নি নিদ্রাভাঙ্গা দুচোখে যমুনার জল।
মিথিলা, আমার মা,
ক্ষুধার্ত শিরায় যোনিফাটা রক্তের চিৎকার
চন্দনের বনে প্রেতাত্মার ছায়া,
গোলাপ জবাই হচ্ছে করাতের দানায়
তবুও তুমি উৎকৃষ্ট, মহাপ্রাণ কালেশ্বরী।

মিথিলা, আমার মা,
আমার চোখে তুমি রক্তমাখা এক মানচিত্র
পতাকার মত শাড়ির ভাঁজে উইপোকার দখলদারি
এবং নাভিশ্বাসের ব্লেডেকাটা ইতিহাসের ঋতুপরিক্রমা।
বিগত আগুণের ক্ষেতমৌসুমে জলবর্ষের প্রার্থনা
তবুও অন্ধকার খেয়ে ফেলেছে সবটুকু,
এমনকি একরত্তি বাঁকাচাঁদও।

মিথিলা, আমার মা,
আদি স্তব্ধতার স্তন্যদাত্রী,
যার নিঃশ্বাসে উড়ে আসে মাটিরগন্ধে মিশেথাকা
আমার আত্মপরিচয়।
ধলেশ্বরীতে মাঝিরা শুনেছিলো আমার জন্মকান্না
সাক্ষী দিয়েছিলো ভোরের আজান,
কিন্তু আজানের প্রতিটি শব্দে ছিলো বুলেটের ঘ্রাণ!
ঘুমভাঙা গ্রাম, জন্মে, রক্তে, এবং প্রতিজ্ঞায়
তার আঁচলে বাঁধা ছিল যুদ্ধ,
মাটির ফাঁকে জেগেওঠা এক অদৃশ্য পতাকা।

মিথিলা, আমার মা,
তিপ্পান্ন বছরের এই আমি যখন তোমার ছায়ায় দাঁড়াই,
আমার শিরদাঁড়া হয়েওঠে প্রত্নতাত্ত্বিক খণ্ডচিত্র,
রাষ্ট্রের লিঙ্গহীন অবয়ব,
তোমার স্তন আর শিরার তফাৎ অস্তিত্বের মাঝে।
তুমি যখন নিঃশব্দ,
তোমার মৌনতা রক্তধারা ভূকম্প তুলে বঙ্গোপসাগরে।
মা, তুমি ব্যাকরণভাঙা প্রতিবাদের ভাষা,
যেখানে মিথিলা মানে আর শুধু জন্মদাত্রী নয়,
সে নিজেই ভূখণ্ড, সীমান্তচিহ্নহীন এক মহাদেশ।

মিথিলা, আমার মা,
তুমি জেগে থাকলে আমার ইতিহাস বাঁচে,
তুমি ঘুমালে আমি এক পরাধীনতার স্বপ্ন দেখি।
তোমার প্রতিটি শ্বাস আমার স্বাধীনতার গণনা,
তোমার স্তব্ধতা মানেই যুদ্ধের অব্যক্ত নকশা।
তুমি সেলাই করো বিধ্বস্ত সীমান্ত,
পিঁড়িতে বসে শীতের বিকেলগুলোয়
তুমি বুনে দাও আমাদের নাগরিক পরিচয়,
তাঁতের ফাঁকে জড়ানো এক ভাষাহীন সংবিধান।

মিথিলা, আমার মা,
তোমার চোখে ভূ-অক্ষের সংশয় দোলে উঠলে
সেখানে ঘুরতে থাকে জনপদ,
চুলের ফাঁকে জেগেথাকা গ্রাম এবং শহর
যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় রচিত হয় শতাব্দীর নতুন ইতিহাস।

কলিজায় লাগে রে ভাই..💔আপনারা মানুষ হবেন কবে।পারবেন কি...?এই ব্লাড গুলো যাদের শরীর থেকে নেওয়া হয়েছে তাদের শরীরে ফেরত দিতে?...
28/07/2025

কলিজায় লাগে রে ভাই..💔
আপনারা মানুষ হবেন কবে।

পারবেন কি...?
এই ব্লাড গুলো যাদের শরীর থেকে নেওয়া হয়েছে তাদের শরীরে ফেরত দিতে?

হিমোগ্লোবিন না জানালে কোনো সিজার বা অপারেশনের রোগীর জন্য ব্লাড ডোনার নিয়ে যাওয়া হবে নাহ। তার কারণেই ব্লাড গুলো দেখলে একজন স্বেচ্ছাসেবীর কলিজার ভিতর কেমন লাগে তা আপনারা বুঝতে পারবেন না.😢😢

ভাইরে অনেক কষ্ট করতে হয় আমাদের এই ব্লাড গুলো মেনেজ করতে।

কোনো এক ভাই বা বোনের দেওয়া ব্লাড এইভাবে কেনো আপনারা নষ্ট করছেন। একটুও কি আপনাদের বুক কাপে না..!😢

২০২৫ সালের সদ্য প্রকাশিত 'নাম্বিও সেফটি ইনডেক্স' অনুযায়ী একটি চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। নিরাপত্তা সূচকে পাকিস্তান (৬৫তম স্...
26/07/2025

২০২৫ সালের সদ্য প্রকাশিত 'নাম্বিও সেফটি ইনডেক্স' অনুযায়ী একটি চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। নিরাপত্তা সূচকে পাকিস্তান (৬৫তম স্থানে) বাংলাদেশের (১২৬তম স্থানে) চেয়ে বেশি নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়েছে। অর্থাৎ, এই ইনডেক্স অনুসারে, নিরাপত্তার দিক থেকে পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে ৬১ ধাপ এগিয়ে!

এই বিষয়টি অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কারণ সাধারণত আমাদের ধারণা ভিন্ন। তবে 'নাম্বিও সেফটি ইনডেক্স' ব্যবহারকারীদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। এখানে অপরাধের হার, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা উদ্বেগসহ বিভিন্ন বিষয় আপেক্ষিক মূল্যায়নে আসে।

এই সূচক অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কা সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়েছে, এরপরই রয়েছে পাকিস্তান ও ভারত। বাংলাদেশ এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অনেকটাই পিছিয়ে আছে।

এই ধরনের সূচকগুলো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাই সরকারি পরিসংখ্যানের সঙ্গে এর তারতম্য হতে পারে। তবুও, এই সূচকটি একটি দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের উপলব্ধি তুলে ধরে।

নিরাপত্তা সূচকে
শ্রীলঙ্কা: ৫৯তম
পাকিস্তান: ৬৫তম
বাংলাদেশ: ১২৬তম
আফগানিস্তান: ১৪৪তম

মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ ৮ জন।৭ জন না কিন্তু, ৮ জনই। অথচ পেপার, পত্রিকা, বইয়ে আমরা সবসময় পড়েছি ৭ জনের কথা।মুক্তিযুদ্ধের ...
24/07/2025

মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ ৮ জন।

৭ জন না কিন্তু, ৮ জনই। অথচ পেপার, পত্রিকা, বইয়ে আমরা সবসময় পড়েছি ৭ জনের কথা।

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন জগতজ্যোতি দাস।প্রচন্ড দক্ষ এবং চৌকস একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তিনি। নিজ হাতে গড়া একটা বাহিনীর কমান্ডারও ছিলেন তিনি।

পাকবাহিনীরা তাকে জমের মতো ভয় পেত। তার ভয়ে ভাটি এলাকায় ঢুকতে পারতো না।

জীবনের শেষপর্যন্ত লড়াই করে পরে মিলিটারিদের হাতেই শহীদ হন তিনি। তার মৃত্যুর পর তাকে বীরশ্রেষ্ঠ ঘোষণা করা হয়েছিল।

কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার এই খেতাব টা বাতিল করা হয়। সেই থেকেই আমরা বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে ৭ জনকে চিনি, বাকি একজন রয়ে গেছে সবার অগোচরে।

তার বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব টা কেন বাতিল করা হয়েছিল জানেন.?

কারণ তিনি ছিলেন সিভিলিয়ান, একজন সাধারণ নাগরিক, আর্মি পারসন ছিলেন না। শুধুমাত্র সিভিলিয়ান হওয়ায় তার সমস্ত অবদান অস্বীকার করে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব।

মুক্তিযুদ্ধের বহুবছর পর গতকাল মাইলস্টোনেও ঠিক একই ব্যাপারটাই ঘটলো।

পাইলট তৌকিরের জানাযায় গার্ড অব অনার দেয়া হলো, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হলো, তাকে হিরো বানানো হলো। করুক তাতে আফসোস নাই।

কিন্তু নিজ সন্তানদের এতিম করে ২০ টা বাচ্চাকে বাঁচানো মাহরীন ম্যাডামের জন্যে কোন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছিল না, মাসুকা ম্যাডামের মতো সাহসী শিক্ষিকার জন্যে কোন গার্ড অব অনার ছিল না, বাচ্চাদের বাঁচাতে গিয়ে মারা যাওয়া সবুজা খালার কথা তো ভুলেই গিয়েছে সবাই।

এই মহান সাহসী মানুষগুলোকে কি একটা গার্ড অব অনার দেয়া যেত না? গার্ড অব অনার না দিক একটু রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেয়া যেত না? একটা স্যালুট দিয়ে বুঝানো যেত না তাদের কাছে আমরা কতটা ঋণী।

না-কি পার্থক্যটা সেই সিভিলিয়ান আর আর্মির। বাহিনীর কেউ হলে ঢাকঢোল পিটিয়ে বিশাল সম্মাননা পাবে আর মাহরীন ম্যাডামদের মতো সাহসীরা পড়ে থাকবে অগোচরে।

কারণ তারা সিভিলিয়ান, নিতান্তই সাধারণ মানুষ।

মুক্তিযুদ্ধের এতবছর পরও রাষ্ট্রের এই বৈষম্য শেষ হলো না।
যুগে যুগে এদেশে বহু জগতজ্যোতি দাস, মাহরীন ম্যাডামরা জীবন উৎসর্গ করে দেয় কিন্তু প্রাপ্য সম্মানটা আর পায় না

#সবাই #এই

ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী দরজা খুলে হাসিমুখে বললেন- কেমন আছ বাবা ?(তিনি ধরেই নিলেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি তার ছাত্র)কলি...
23/07/2025

ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী দরজা খুলে হাসিমুখে বললেন

- কেমন আছ বাবা ?
(তিনি ধরেই নিলেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি তার ছাত্র)

কলিমউল্লাহ বলল
- স্যার ভালো আছি । আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন স্যার ?

(তিনি তাকে চিনতে পারেন নি । চিনতে পারার কথাও না) তারপরও হাসিমুখে বললেন,

- চিনতে পারবনা কেন? চিনেছি ।

(মিথ্যা বলার কারণ হলো তিনি অতীত অভিজ্ঞতায় দেখেছেন, যতবার কোনো ছাত্রকে দেখে তিনি না চেনার কথা বলেছেন, ততবারই তারা ভয়ঙ্কর মনে কষ্ট পেয়েছে । এক ছাত্র তো কেঁদেই ফেলেছিল)

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বললেন
- বাবা, তোমার নামটা যেন কী ?

- কলিমউল্লাহ ।

- হ্যাঁ, তাই তো । কলিমউল্লাহ । এখন পরিস্কার মনে পড়েছে । তুমি কি খাওয়াদাওয়া করেছ ?

- জি না স্যার ।

- এসো আমার সঙ্গে চারটা ভাত খাও । আয়োজন খুব সামান্য । ভাত, ডিম ভর্তা । ঘরে আরো ডিম আছে । তোমাকে ডিম ভেজে দেব। ঘরে এক কৌটা ভালো গাওয়া ঘি ছিল, কৌটাটা খুঁজে পাচ্ছি না

কলিমউল্লাহ বলল

- এখন খেতে পারব না । আপনার কাছে আমি একটা অতি জরুরী কাজে এসেছি ।

- জরুরী কাজটা কী ?

- মিলিটারির এক কর্নেল আপনার সাথে কথা বলতে চান ।

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বিস্মিত হয়ে বললেন

- আমার সাথে মিলিটারির কী কথা ?

- আমি জানি না । তবে স্যার আপনার ভয়ের কিছু নেই । আমি সঙ্গে আছি ।

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বললেন

- তুমি আমার কোন ব্যাচের ছাত্র বলো তো ?

- কথা বলে সময় নষ্ট করতে পারব না । মিটিংটা শেষ করে আসি, তারপর গল্প করব ।

- দুইটা মিনিট অপেক্ষা করো, ভাতটা খেয়ে নিই । আমি খুব ক্ষুধার্ত । সকালে নাশতা করিনি।

- ভাত খাবার জন্যে অপেক্ষা করার সময় নাই স্যার।

- তাহলে দাঁড়াও, পাঞ্জাবিটা গায়ে দিয়ে আসি । আমার সঙ্গে কি কথা বুঝলাম না । সে আমার ছাত্র না তো? করাচি ইউনাভার্সিটিতে আমি দু'বছর মাষ্টারি করেছি । প্রফেসর সালাম সাহেব সেখানে আমার কলিগ ছিলেন।

কলিমউল্লাহ বলল

- আপনার ছাত্র হবার সম্ভাবনা আছে । কর্নেল সাহেব যেভাবে বললেন "স্যারকে একটু নিয়ে আসো"... তাতে মনে হচ্ছে উনি আপনার ছাত্র ।

ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী গাড়িতে উঠে দেখলেন.. গাড়ি ভর্তি মানুষ । তারা সবাই চিন্তায় অস্থির । ধীরেন্দ্রনাথ রায় তাদের দিকে তাকিয়ে আন্তরিক ভঙ্গিতে হাসলেন । ভুলে তিনি চশমা ফেলে এসেছেন বলে তাদের কাউকে চিনতে পারলেন না । চোখে চশমা থাকলে এদের অনেককেই তিনি চিনতেন । বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা সেই গাড়িতে বসেছিলেন । তাদের নিয়ে যাওয়া হবে বধ্যভূমিতে...

জোছনা ও জননীর গল্প
-হুমায়ূন আহমেদ।

একজন পাইলট হিসেবে দিয়াবাড়ি বিমান দুর্ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা বলা যায় না। এটি ❝একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র❞ বলেই প্রতীয়মান হয় ...
21/07/2025

একজন পাইলট হিসেবে দিয়াবাড়ি বিমান দুর্ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা বলা যায় না। এটি ❝একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র❞ বলেই প্রতীয়মান হয় বলে ফেসবুকে লেখেন পাইলট নাফিসা তামীম।

তাঁর ফেসবুকের লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

আমি একজন প্রফেশনালি ট্রেইন্ড পাইলট। Instrument Flight Rules (IFR), Multi-engine Handling ও Emergency Landing Simulation-এর ট্রেনিং নিয়েছি আন্তর্জাতিক মানের ফ্লাইট একাডেমি থেকে।“আমি IFR ও মাল্টি-ইঞ্জিন কোর্স সম্পন্ন করেছি IGIA, India থেকে। প্রাথমিক এভিয়েশন ট্রেনিং নেই বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি থেকে। একজন পাইলট হিসেবে দিয়াবাড়ি বিমান দুর্ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা বলা যায় না। এটি ‘একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ বলেই প্রতীয়মান হয়।

এই "দুর্ঘটনা" আসলে একটি নিখুঁত পরিকল্পিত “Military-PR Operation” — যার মাধ্যমে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরানো হচ্ছে। আমি একজন এভিয়েশন ট্রেইন্ড পাইলট হিসেবে বিষয়টা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছি।

কেন এটিকে ষড়যন্ত্র মনে হচ্ছে?
1. Timing of the Ejection:
পাইলট “Low Altitude Training Circuit”-এ ছিলেন — সেখানে ইজেকশন সিস্টেম ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ এখানে অস্বাভাবিক দ্রুততায় পাইলট ইজেক্ট করেন।
সন্দেহ জাগে—ইজেকশন প্রি-প্ল্যানড ছিল?

2. Crash Impact Location:
বিমানটি ভেঙে পড়ে ঠিক এমন ভবনে, যেখানে তখন ক্লাস চলছিল। একটি মিলিটারি ট্রেইনার জেট এরকম জনবহুল এলাকায় উড়ানোই অস্বাভাবিক।
এটা কি নেহাত দুর্ঘটনা? নাকি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাছা “impact site”?

3. Media Synchronization:
দুর্ঘটনার ঠিক পরপরই স্পেশাল অ্যাঙ্গেলের ক্যামেরা ফুটেজ, অসাধারণ রেসকিউ দৃশ্য এবং একই ধরনের শিরোনাম দিয়ে News Push —
এই সব ছিল কী আগে থেকেই প্রস্তুত করা?

4. Military Image Crisis Before the Crash:
দেশজুড়ে সেনাবাহিনীর ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল — বিশেষ করে ইউনুস ইস্যু, গোপালগঞ্জের ঘটনা, ড্রোন বিতর্ক ও মাঠ পর্যায়ের সমালোচনার কারণে।
এই দুর্ঘটনার “পর রেসকিউ নাটক” যেন সেই ইমেজ রিকভারির Mission Red Alert.

5. Planned Distraction Model:
গোপালগঞ্জ গণহত্যা, বিদ্যুৎ সংকট, অর্থনৈতিক চাপ, ছাত্র আন্দোলন, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকার রিপোর্ট ইত্যাদি বিষয় থেকে জনমনোযোগ সরাতে এটি “Controlled Catastrophe” হতে পারে।

6. Ejection timing: পাইলট আগেই ইজেক্ট করেছেন, অথচ এরকম লো লেভেল ট্রেনিং ফ্লাইটে সাধারণত এটি শেষ পর্যায়ের রিস্ক।

সাবধান হও। এটি কেবল দুর্ঘটনা নয়, এটি একটি সাইকলজিক্যাল রি-ফ্রেমিং অপারেশন — যার উদ্দেশ্য সেনাবাহিনীকে আবার জাতীয় ‘হিরো’ বানানো।

আমরা দাবি জানাই :আন্তর্জাতিক মানের নিরপেক্ষ তদন্ত
Flight Recorder (Black Box) উন্মুক্ত করা
ঘটনাস্থলের পূর্ণ GPS log ও ATC টাওয়ার কমিউনিকেশন প্রকাশ করা
দিয়াবাড়ির ঘটনাটি সাধারণ বিমান দুর্ঘটনা নয় — এটিকে সরলভাবে 'এক্সিডেন্ট' বলা একপ্রকার কৌশলে আড়াল করা। এটি একটি Controlled Disaster Narrative, যেটি গভীরভাবে রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে ডিজাইনড।

কেন বলছি পরিকল্পিত?
মূল লক্ষ্য কি?

দেশের চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা, মানবাধিকার ইস্যু, গোপালগঞ্জ ইস্যু, বিদ্যুৎ সংকট, সেনাবাহিনী বিতর্ক ইত্যাদি থেকে জনমনোযোগ সরিয়ে "Heroic Distraction" তৈরি করা।
সেনাবাহিনীর ইমেজ পুনঃগঠনের PR stunt — যেটা 'Rescue Psychology' দিয়ে ঢেকে দেওয়া চেষ্টা।

আমরা চাই—
দুর্ঘটনার Flight Recorder (Black Box) জনসমক্ষে আনা হোক
Independent Aviation Board দিয়ে তদন্ত
সেনাবাহিনীর মিডিয়া শো নয়, তথ্যভিত্তিক জবাবদিহিতা

তথ্য সুত্র : https://shorturl.at/UgJsd

আলেয়াকে বিয়ে করার ২৫ দিনের মাথায় বাহরাইন চলে যাই। বাহরাইনে থাকা অবস্থায় শুনি আলেয়া তার আগের প্রেমিকের সাথে চলে গেছে। আলে...
09/07/2025

আলেয়াকে বিয়ে করার ২৫ দিনের মাথায় বাহরাইন চলে যাই। বাহরাইনে থাকা অবস্থায় শুনি আলেয়া তার আগের প্রেমিকের সাথে চলে গেছে।

আলেয়াকে আমার মা-বাবা পছন্দ করেছিল। পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও আমি তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছিলাম। সে-ই ছিল আমার জীবনের প্রথম নারী, আমার প্রথম ভালোবাসা।

আলেয়ার চলে যাওয়ার বিষয়টা আমি মেনে নিতে পারি নি। সেই কষ্টে দীর্ঘ ২২ বছর আর দেশে ফিরি নি। পরবর্তীতে মেডিক্যালে আনফিট হয়ে বাধ্য হয়ে দেশে ফিরতে হয়।

দেশে ফিরে দেখি আমার দীর্ঘ প্রবাসজীবনের অর্জিত অর্থের সব কিছুই মা-বোন-ভাইয়েরা শেষ করে দিয়েছে। চার মাস বাড়ি থাকার পর রাগে-কষ্টে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের হই।

বাড়ি থেকে বের হয়েছি আজ সাড়ে পাঁচ বছর। তারপর থেকে মাজারে থাকি শুধু দুই বেলা ভাত খাওয়ার লোভে। এখন যাচ্ছি চট্টগ্রাম আমানত শাহ মাজারে, শুনেছি এই মাজারে নাকি খাবার পাওয়া যায়।

আজ একুশ দিনে হেটে হেটে চাঁদপুর হাজীগঞ্জ থেকে কুমিল্লা স্টেশনে এসেছি। যাব চট্টগ্রাম আমানত শাহ-এর মাজারে। জীবনের কাছে আমার কোনো চাওয়া নেই, শুধু দুই বেলা ভাত খেতে পারলেই সুখী।

চোখ মুছতে মুছতে কথাগুলো বললেন কাশেম আলী।

কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ!মা আমাদের শরীরে গঠন করেন…আর বাবা আমাদের জীবনটা গঠন করেন।মায়ের গর্ভে ৯ মাস ছিলাম,বাবার...
05/07/2025

কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ!
মা আমাদের শরীরে গঠন করেন…
আর বাবা আমাদের জীবনটা গঠন করেন।

মায়ের গর্ভে ৯ মাস ছিলাম,
বাবার কাঁধে চেপে ছিলাম ২৫ বছর।
তবুও কেন যেন বাবা সবসময় আড়ালেই থাকেন।

মা প্রতিদিন রান্নাঘরে বিনা বেতনে কাজ করেন,
আর বাবা তার মাসের শেষ পয়সাটিও সংসারে ঢেলে দেন। দু'জনেই সমানভাবে ভালোবাসেন,
তবুও মা যেনো ভালোবাসার মঞ্চে এক ধাপ এগিয়ে।
আর বাবা কেমন যেন নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা একটা প্রেক্ষাপট!

মা নিজের হাতে আমাদের প্রিয় খাবার বানিয়ে দেন,
বাবা চুপচাপ দোকান ঘুরে সেই জিনিসটা এনে দেন।
মায়ের ভালোবাসা চোখে পড়ে,
বাবার ভালোবাসা হয়ত মাটির নিচের শিকড়ের মতো,
যা না দেখলে বোঝা যায় না, কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকাটাই তার অবদান।

ফোনে কথা বলার সময় আগে মায়ের খোঁজ নিই,
দুঃখ পেলে মায়ের কাঁধে মাথা রাখি।
বাবা তখন দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন,
শুধু চোখে থাকেন, মনে হয় কিছু বলতে চান,
কিন্তু বলেন না, যেন বলার অধিকারটাও কেমন হারিয়ে ফেলেছেন।

বাচ্চাদের আলমারি রঙিন জামায় ভর্তি,
মায়ের শাড়ির আলমারিও বেশ সমৃদ্ধ।
কিন্তু বাবার আছে মাত্র কয়েকটা জামা,
নিজের প্রয়োজন মেটাতে ভাবেনও না কখনো।
তবুও মুখে কোনো অভিযোগ নেই।

মায়ের গয়নার বাক্স ভর্তি সোনা-রুপা,
আর বাবার আঙুলে সেই একটাই আংটি,
যেটা তিনি বিয়ের সময় পরেছিলেন।
তবুও মায়ের গয়নাতে ঘাটতি থাকলে সে বলতেই পারেন, কিন্তু বাবার নেই কোনো চাহিদা।

বাবা সকাল থেকে রাত পরিশ্রম করেন সংসারের জন্য,
মাঝে মাঝে অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে ফেরেন,
তবুও ঘরে ঢুকে সন্তানের মুখ দেখেই সব ক্লান্তি ভুলে যান। স্বীকৃতি চান না, প্রশংসা চান না—
শুধু চান সবাই ভালো থাকুক।

যখন বাবা-মা দুজনেই বয়সের ভারে নুয়ে পড়েন,
তখন সন্তান ভাবে মা অন্তত ঘরের কাজে লাগেন,
কিন্তু বাবাকে বলে “বয়স হয়েছে, এখন আর কিছুই করতে পারেন না।”

হয়তো বাবাই সংসারের সেই নীরব মেরুদণ্ড,
যিনি সামনে থাকেন না, কিন্তু তার কারণেই পরিবারটা দাঁড়িয়ে থাকে।

তাই হয়তো বাবা পিছিয়ে থাকেন না,
তিনি ইচ্ছে করেই সামনে আসেন না—
কারণ তিনি জানেন, তার ভালোবাসা প্রমাণ করতে হয় না।
(রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি ছগিরাহ্)


27/06/2025

আসসালামু আলাইকুম

13/06/2025

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন

গতকাল ফাইবার অপটিক ক্যাবল ধ্বংসের মাধ্যমে গা’জ্জাহকে পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়ে গেসে। পানি নাই, বিদ্যুৎ নাই, ইন্টারনেট নাই এমনকি ইমার্জেন্সি কল করারও কোনো উপায় বাকি নাই।

এই গ্লোবাল ভিলেজের যুগে মধ্যপ্রাচ্যের এক কোনে জ্বলজ্বল করতে থাকা এক টুকরো জমিতে কিভাবে ছয়শো দিনের চেয়ে বেশি দিন ধরে পসবিল সব উপায়ে গনহ°ত্যা চলে সেটা যেভাবে আশ্চর্যের, একই সাথে আতংকের।

পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রচারিত গনহ°ত্যা আমাদের চোখের সামনেই চলতে থাকল।

কিছুই করতে পারলাম না।কিছুই না। স্রেফ নাথিং..

অথচ বিশ্বাস করা হতো, এই যুগে মানুষ সবচেয়ে বেশি স্বাধীন। সভ্যতা চুড়ায় পৌছেছে। ক্ষমতার কেন্দ্র জনগনের হাতে।

কিন্তু...কোনোভাবেই কিছু মিলানো যায় না। সবকিছু কেমন যেনো অবিশ্বাস্য লাগে।

তবে দুনিয়া থেমে নাই। দুনিয়ার দিকে তাকালে মনে হয় না অন্য আরেক জায়গায় ইতিহাসের সর্বনিকৃষ্ট হ°ত্যাকাণ্ড চলছে। রাস্তায় গাড়ি চলছে, মানুষ বেড়াচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড বদলাচ্ছে। সবাই সবার মতো ঠিক আছি।

আজ সম্ভবত অনেক কঠিন রাত অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। কি আছে একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।

খান ইউনিস থেকে আমর তাবাশ নামক এক সাংবাদিক একটু আগে লিখেছেন...

“আমাদের জন্য দোয়া করুন। আমি ও আমার পরিবার খান ইউনিসে আমাদের বাড়ি থেকে বের হতে পারিনি।এখনো আমাদের আশ্রয় নেওয়ার মতো কোনো জায়গা নেই। আমরা পুরো এক সপ্তাহ ধরে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করেছি কিন্তু পাইনি।

বিপদের সম্ভাবনা সত্ত্বেও আজ রাতেও আমাদের নিজের বাড়িতেই থাকতে হবে। বো°মাবর্ষণ ও বি°স্ফোরণ থামছেই না আর শব্দগুলো বেশ ভয় ধরানো। মনে হচ্ছে এই রাতটা খুব কঠিন হবে। আমরা জানি না এইবার টিকে থাকতে পারবো কি না।

আমাদের ক্ষমা করে দিয়েন। আমি আশা করি একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি এবং সত্যকে সততা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে তুলে ধরেছি।

আমরা সম্পূর্ণভাবে ক্লান্ত… সত্যি বলতে, আমাদের আর কোনো শক্তি নেই। আল্লাহই আমাদের একমাত্র ভরসা।

حسبنا الله ونعم الوكيل

এখন আমরা সবাই একসাথে একটি ঘরে বসে আছি, যার দেয়ালগুলো খুবই ভঙ্গুর অবস্থায় আছে। একজন আরেকজনকে সান্ত্বনা দিচ্ছি। কখনো কখনো এক রুম থেকে অন্য রুমে যাচ্ছি, এটা ভেবে হয়তো অন্য রুমটা একটু নিরাপদ। যদিও আমরা জানি আসলে নিরাপত্তা কোথাও নাই।

এই কঠিন মুহূর্তগুলোতে আমরা আল্লাহর ফয়সালার অপেক্ষা করছি। জীবনের সবচেয়ে কঠিন জিনিস হচ্ছে অসহায়ত্বের অনুভূতি। নিজের পরিবারকে হেফাজত বা বাঁচানোর জন্য কিছুই করতে না পারার অনুভুতি।

হে আল্লাহ, আপনি ছাড়া আমাদের আর কোনো আশ্রয় নেই। আমাদের ওপর আপনার রহমতের চাদর বিছিয়ে দিন, আমাদেরকে আপনার হেফাজতে রাখুন, এবং আমাদের তেমনই রক্ষা করুন যেমন আপনি আপনার সৎ বান্দাদের রক্ষা করেন।”

30/05/2025

গ্যালিলিও যেদিন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, "আমি আবারো বলছি, সূর্য স্থির, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরে। আমাকে শাস্তি দিয়েও সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর প্রদক্ষিণ করাকে আপনারা বন্ধ করতে পারবেন না। পৃথিবী আগের মতোই একই নিয়মে ঘুরতে থাকবে।" সেদিন তাঁর কথায় সবাই হেসেছিল। বিচার সভায় গ্যালিলিওর চরম শাস্তি হয়েছিল। বাকিটা ইতিহাস।

সতীদাহর মতো জঘন্য এক সামাজিক প্রথার বিরুদ্ধে যেদিন রাজা রামমোহন রায় রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, সেদিন সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ওনাকে হাস্যস্পদ করেছিল। বাকিটা ইতিহাস।

সিগনেট থেকে প্রকাশিত বিভূতিভূষণের "পথের পাঁচালী"-র সংক্ষিপ্ত সংস্করণ "আম আঁটির ভেঁপু"-র জন্য ছবি আঁকতে আঁকতে সত্যজিতের মনে হয়েছিল, তিনি যদি কোনোদিন সিনেমা তৈরি করেন, তবে এটাই হবে তার প্রথম সিনেমা। এবং সিনেমার শুটিং যখন শুরু করেন, তখন শুধু প্রযোজকরাই নন, তৎকালীন বিখ্যাত পরিচালকরাও তাঁকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করেছিল। অনেকে তো তাঁকে পাগল পর্যন্ত বলেছিল। বাকিটা ইতিহাস।

সত্যিটা ওটাই - লাখ লাখ লোক একত্র হয়েও যদি একটা পুকুরকে সমুদ্র বলে পরিচিত করতে চায়, রাতারাতি পুকুরটা সমুদ্র হয়ে যায় না। ওরাই মিথ্যাবাদী হয়ে উঠে।

তাই প্রশ্ন এটা নয় যে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে আপনি কত শতাংশ, প্রশ্ন এটাও নয় যে আপনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নটা হচ্ছে আপনি নিজের বিবেকের কাছে কতখানি ঠিক অথবা ভুল। অথবা আপনার বিবেক বোধ'টিই নেই❗
---------------------

Address

Bisso Colony Chittagong
Chittagong
4216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Heba Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Heba Mart:

Share

Category