30/12/2024
নতুন বছর দড়জায় কড়া নাড়ছে। যার আগমনে আমি মোটেও আনন্দিত নই। পৃথিবীতে বিচরণের সময় ক্রমশ ফুরাচ্ছে, মৃত্যুর কাছাকাছি কতো দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছি এসব ভাবলে গা' শিউরে উঠছে।
মানুষ কি করে এমন হয়?
হারিয়ে ফেলা সময়ের জন্য বিন্দুমাত্র আক্ষেপ না করে, বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-গেয়ে মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছানোকে এতোটা উপভোগ করতে পারে!
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন;
( শেষ পর্যন্ত (মহাবিচার দিবসে) যখন সে আমার কাছে আসবে, তখন সে শয়তানকে বলবে, হায়! তোমার ও আমার মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের ব্যবধান থাকতো! সঙ্গী হিসেবে শয়তান কতোই না নিকৃষ্ট!
তখন ওদের বলা হবে, তোমরা যেহেতু সীমালঙ্ঘন করেছিলে, তাই আজকের অনুশোচনা তোমাদের কোনো উপকারে আসবে না। তোমাদেরকে একসাথেই শাস্তি ভোগ করতে হবে।)
[ সূরা: জুখরুফ। আয়াত: ৩৮-৩৯ ]
বাদ্যযন্ত্রের তালে, ফানুস উড়িয়ে আতশবাজির বিকট শব্দে অপরের ঘুম এবং ইবাদত নষ্ট করবেন না। নিজেদেরও ঠেলে দেবেন না আগুনের লেলিহান শিখায়। সবকিছুকে ছাপিয়ে বেলকনির এককোণে গিয়ে বসুন, কুরআনের সুমধুর আওয়াজে গা' ভাসিয়ে, পশ্চিমা সভ্যতাকে পদদলিত করে প্রশান্তির নিঃশ্বাস নিন ঈমানের স্নিগ্ধ বাতাসে। কৃতজ্ঞতায় ভরপুর হৃদয় নিয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ুন আরেকটি সূর্যোদয়ের অগ্রভাগে।
রবের প্রতি কৃতজ্ঞতার সাথে সময়কে বিদায় জানান।
গুনাহে না জড়ানোর প্রতিজ্ঞা নিয়ে স্বাগত জানান করুনায় পাওয়া আরেকটি দিন কিংবা বছরকে।
পৃথিবী থেকে বিলীন হলেও আপনার আত্মার পবিত্রতা সাক্ষ্য দেবে মহাবিচার দিবসে।
কুরআনে উল্লিখিত জীবন বিধানকে অবজ্ঞা করবেন না। ভুলে যাবেন না, আমরা শুধু বাঙালি নই, আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর শ্রেষ্ঠ উম্মত, আমরা মুসলিম।
প্রারম্ভ শোভনীয় হলে সমাপ্তি লোভনীয় হবে,
ইন শা আল্লাহ!