04/08/2021
পুষ্টিবিজ্ঞানের যে সব গবেষণা হয়েছে, তাতে বলা যায় ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন যদি আপনি ইনটেক করেন, সেটা বডির জন্য ভালো। এই পরিমাণ ক্যাফেইন আপনি যদি পেতে চান, তাহলে তিন থেকে চার কাপ কফি যথেষ্ট।
পরীক্ষায় দেখা গেছে আপনি যদি কফি নিয়মিত পান করেন, তাহলে আপনার কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে আসে। টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি কমে আসে। কারণ, কফি আপনার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের যে অবস্থান, এটাকে কারেক্ট করে। সাথে সাথে কফি উদ্বেগ দূর করে, বিষণ্ণতা দূর করে এবং আপনাকে এনার্জেটিক করে তোলে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, মুড সুয়িং দূর করতে কফি সহায়তা করে। অনেকে নার্ভাসনেসে ভোগেন, তখন কফি পান করলে এই সমস্যা দূর হয়। এ ছাড়া বাউয়েল মুভমেন্টের ক্ষেত্রে, প্রতিদিন নিয়মিত টয়লেট করার ব্যাপার রয়েছে, সে সমস্যাও অনেকাংশে দূর হয়। দেখা যায় কারও কারও সঠিকভাবে বাউয়েল মুভমেন্ট হয় না, নির্দিষ্ট সময়ে হয় না বা অনেক বেশি কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, নিয়মিত কফি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
এ ছাড়াও ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক কফি। প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততায় আপনি যদি অবসাদগ্রস্ততা বা দুর্বলতা কাটাতে চান, তাহলে আপনাকে এনার্জি দেবে এক কাপ কফি। কতটুকু পরিমাণে কফি খাওয়া উচিত? সারা দিনে তিন থেকে চার কাপ কফি খেতে পারেন। আমরা সাধারণত বলি, আপনি যখন খুব ভিগোরাস এক্সারসাইজ করবেন বা আপনার যখন হাঁটতে যেতে বা এক্সারসাইজে যেতে দুর্বলতা লাগছে, তখন এক কাপ কফি পান করে তারপর হাঁটতে যাবেন বা জিম করবেন। তাতে কফি আপনাকে এক্সট্রা এনার্জি দেবে। কারণ, আমরা জানি এটা একটা অ্যারোজেনিক ইফেক্ট তৈরি করে, যেটা শরীরের সক্ষমতা বাড়ায়।