AJANA THEKE JANA

AJANA THEKE JANA তোমাকে নিয়ে এক পৃথিবী লিখবো একটা খাতা ও শেষ করি নাই।

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা।  ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত...
02/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)। সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দা/জ্জা/লি/ক সভ্যতার এক গোপন জা/হা/ন্না/মে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল। সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।

মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?

জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।

কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।

বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।

৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মো/সা/দ (Mo/ss/ad) এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।

আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফি/লি/স্তি/নের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"

কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আ/মে/রি/কা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল। যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল !!

এই দা/জ্জা/লিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।

আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?

ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।

কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন? হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জাহান্নামে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার। (সংগৃহীত)

এই দেশে আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মতো নির্ভীক আলেম জন্ম নিক, মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর মতো আলেম নয়! আমাদের এমন আলেম দরকার ...
05/01/2026

এই দেশে আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মতো নির্ভীক আলেম জন্ম নিক, মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর মতো আলেম নয়! আমাদের এমন আলেম দরকার যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন কথা বলবে এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে। যারা নিজেদের স্বার্থে অন্ধ হয়ে অন্যের দালালি বা তোষামোদি করে, এই জাতির কাছে তাদের কোনো প্রয়োজন নেই!

Goodbye 2025 Welcome 2026 and Happy New Year to allAnother year has passed from our lives. May Allah reduce our sins.   ...
31/12/2025

Goodbye 2025
Welcome 2026 and Happy New Year to all

Another year has passed from our lives. May Allah reduce our sins.

ইন্না-লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহী রাজিউন।
30/12/2025

ইন্না-লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহী রাজিউন।

১৯৭১ সালে ভারতের লুটপাটের খতিয়ান এবং ভারতের কাছে বাংলাদেশেরপাওনার পরিমাণ--------------------------------------------১। য...
27/12/2025

১৯৭১ সালে ভারতের লুটপাটের খতিয়ান এবং ভারতের কাছে বাংলাদেশের
পাওনার পরিমাণ
--------------------------------------------

১। যুদ্ধ শেষে প্রায় দুইশ’ ওয়াগন রেলগাড়ী ভর্তি করে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্র-শস্ত্র লুটের অভিযোগ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: দৈনিক অমৃতবাজার, ১২ মে,১৯৭৪)

২। শস্য লুট:

ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

৩।

পাট
(৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার।

৪। ত্রাণ-সামগ্রী পাচার:
১৫০০ কোটি টাকা। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।

যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা।
যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।

সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। (সূত্র: জনতার মুখপাত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)

৩.
বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্থাপন!
(সূত্র: আখতারুল আলম, দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৫-১১৬ পৃষ্ঠা)

যুদ্ধের পর সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত ঘোষনা।
এর ফলে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ। (সূত্র: আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, ৪৯৮ পৃষ্ঠা)

৫। ভারতে বাংলাদেশী জাল টাকা ছেপে এদেশে ছেড়ে দেয়া হতো। অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ সে সময় বলতে বাধ্য হয়েছিলেন,
জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে’। (সূত্র: আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: ৫২ পৃষ্ঠা)

৬. আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম: দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৯-১২৬ পৃষ্ঠা)

৭। ১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তির হরিলুট (সূত্র: এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ, ১৪-৪৪ পৃষ্ঠা)

৮. ফারাক্কা বাধের নামে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বিনিময়ের নামে জাল টাকা ছড়ানো,
বর্ডার বানিজ্যের নামে ভারতের বস্তাপঁচা মালের বাজার সৃষ্টি। (সূত্র: আখতারুল আলম, দুঃশাসনের ১৩৩৮ রজনী, ১১৫-১১৬ পৃষ্ঠা)

৯। জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্থানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে ‘৭৫, ৫২৮-৫৩১ পৃষ্ঠা)

১০. “ঢাকায় এতসব বিদেশী জিনিস পাওয়া যায়! এসব তো আগে দেখেনি ভারতীয়রা। রেফ্রিজারেটর, টিভি, টু-ইন-ওয়ান, কার্পেট, টিনের খাবার-এইসব ভর্তি হতে লাগলো ভারতীয় সৈন্যদের ট্রাকে।” (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, পূর্ব-পশ্চিম, ৯২৩ পৃষ্ঠা)

এই তথ্যগুলো মোটামুটিভাবে সবার জানা আছে।

ভবিষ্যতে কেউ ভারতের এই অবদান, ওই অবদান বললে এই তথ্যগুলা দেখিয়ে দেবেন রেফারেন্সসহ।

তারপরও আবার উল্লেখ করার কারণ খুব চিন্তা হয়
১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ভারত দ্বারা লুট করে নিয়ে যাওয়া এই সম্পদ রক্ষা করতে যেয়েই,
অস্ত্র জমা না দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ বিদ্রোহ করেছিলো,
তার ফলাফল কথিত আছে, ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিহত বা গুম হয়েছিলো।

এখন স্বাধীনতা তথা পুরো দেশটাই সন্ত্রাসী আমেরিকা লুট করতে চাচ্ছে, তাহলে এখন কত রক্ত ঝরবে?
আর কতদিন মানুষ জেগে জেগে ঘুমাবে?

সময় থাকতে জেগে ওঠার বিকল্প নেই; বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকেই।
মিটিয়ে দিতে হবে ভারতীয় ও আমেরিকান কৃষ্টি-কালচার।
©
AJANA THEKE JANA

24/12/2025

Viral Community

Address

Eidgah Islampur
Cox's Bazar
4702

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AJANA THEKE JANA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category