24/07/2026
১০,০০০ ইয়াবা ও প্রাইভেটকারসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী রায়হান গ্রেফতার-র্যাব-১৫
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) "বাংলাদেশ আমার অহংকার" এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অপরাধ দমন এবং বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রেখে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে যুবসমাজ তথা দেশকে রক্ষা করতে র্যাব সর্বদা সতর্ক দৃষ্টি রাখছে এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদ ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) এর একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন এলাকায় এক সফল অভিযান পরিচালনা করে ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস ইয়াবা ও মাদক বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারসহ ০১ (এক) জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গতকাল ২৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ আনুমানিক সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় র্যাব-১৫, সিপিসি-১ এর আভিযানিক দল টেকনাফ থানাধীন শামলাপুর এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, একজন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি বড় চালান নিয়ে প্রাইভেটকারযোগে উখিয়া থানাধীন জালিয়াপালং ইউপি’র ০৭ নং ওয়ার্ডের রূপপতি সাকিনস্থ মেরিন ড্রাইভ বিচ এলাকা দিয়ে অতিক্রম করবে। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই আভিযানিক দলটি আনুমানিক ১১:৪৫ ঘটিকায় উক্ত স্থানে (বিজিবি চেকপোস্টের প্রায় ১০০ গজ উত্তরে পাকা রাস্তার ওপর) একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে। আনুমানিক ১১:৫৫ ঘটিকায় একটি সন্দেহভাজন সাদা রঙের প্রাইভেটকার আসলে র্যাব সদস্যরা থামার সিগন্যাল দেয়। গাড়িটি থামানোর পর চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে একপর্যায়ে সে গাড়িতে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত লোকজনের সামনে ধৃত আসামি নিজ হাতে প্রাইভেটকারের ড্রাইভিং সিটের নিচ থেকে স্কচটেপ ও পলিথিন দ্বারা মোড়ানো অবস্থা থেকে সর্বমোট ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে দেয়। ধৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে কক্সবাজার জেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মোঃ রায়হান(২৭)। সে টেকনাফ উপজেলার অলিয়াবাদ (০৫ নং ওয়ার্ড, সদর ইউপি) গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুল্লাহর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ টেকনাফ মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাবের এই কঠোর ও অলআউট অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।