06/02/2022
Mixed Dry Fruits/মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস
(১০ মাস + বাচ্চাদের ও সব বয়সীদের জন্য)গর্ভবতী নারীদের জন্য এই খাবারটি দারুন উপকারী। এতে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড গর্ভবতী মায়েদের শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এছাড়াও নিয়মিত বাদাম ওবীজ খেলে হার্ট ভালো থাকে।
উপাদানঃ
১. এপ্রিকট,
২. কাঠবাদাম,
৩. কাজুবাদাম,
৪. খোরমা খেজুর,
৫. পেস্তাবাদাম,
৬. আখরোট,
৭. কালো কিসমিস,
৮. সূর্যমুখীর বীজ,
৯. মিস্টিকুমড়োর বীজ,
১০. তরমুজের বীজ
১১. ড্রাই চেরি,
১২.ড্রাই আলুবোখরা,
১৩. ম্যাঙ্গো অরেঞ্জ
১৪. ম্যাঙ্গো ইওলো
১৫. অ্যাপল
১৬. অরেঞ্জ প্লাম
১৭. পোমেলো
১৮. কিউই
১৯. চিয়া সিডস
২০. সাদা তিল,
২১. চিনা বাদাম
২২. ড্রাই পেপে
২৩. গোল্ডেন ইরানী কিসমিস
২৪. রেক মেলোন
২৫. হানি মেলোন
২৬. জাফরান
বাদাম ও অন্যান্য ফ্রুট গুলো মোটা মুটি ছোট ছোট করে কাটা আছে, ছোট ছোট করে কেটে নেওয়ার কারনে পোকা জাতীয় কিছু থাকবে না,
রেসিপিঃ সেরেলাক ,সুজি ,খিচুড়ি ইত্যাদি খাবারে গুড়া করে মিক্স করবেন , বিভিন্ন মিস্টি খাবারের সাথে দিবেন🍪,ডেজার্টের সাথে দিতে চাইলে আর একটু কুচি কুচি করে কেটে ডের্জাট আইটেমের উপর ছিটিয়ে দিবেন,
এছাড়া অনেক ই এখন বাসায় বসে অফিসের কাজ করেন, আর দীর্ঘ সময় কাজের মধ্যে ড্রাই ফ্রুটস খেতে পারেন, অনেক এনার্জি পাওয়া যাবে, বাচ্চাদের ফিঙ্গার ফুড হিসেব এই টেস্টি মিক্স খাওয়া যায় ,ডায়েটের জন্য ও খেতে পারেন।
উপাদান গুলোর বিস্তারিত তথ্যঃ
কাজু বাদামঃ ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, কাজু মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজ ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।
পেস্তাবাদামঃ এই ধরনের বাদামে থাকে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার,ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন, লিভার ও কিডনি ভালো রাখে।
কাঠবাদামঃ আলমন্ডের ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি কমায়, ফলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকারি।
কিসমিসঃ কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে,যা শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে।।
মিস্টিকুমড়োর বীজঃ এই বীজে ওমেগা-৩ পুষ্টিগুণ থাকায় আপনার দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।
এপ্রিকটঃ এপ্রিকটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি২, ভিটামিন-বি৩, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে।
খোরমা খেজুরঃ ভিটামিন-বি,-সি, আয়রন এবং প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে, এছাড়াও উপাদান গুলোতে অন্যান্য পুস্টিগুন বিদ্যমান।
চিয়া বীজঃ কর্মক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। এটি দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
আলুবোখারাঃ এতে প্রোটিনের মাত্রাও কম, তবে ভোজ্য আঁশের মাত্রা বেশি, তাই ডায়াবেটিস ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ কার্যকর আলুবোখারা।
তিলঃ সাদা তিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার তন্তু পাওয়া যায় যা পাচন ক্রিয়াকে মজবুত করে।
চেরিঃ পটাসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে থাকে।
বিঃদ্রঃ শুকনো ফলের ভালো দিক হলো, এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে খাওয়া যায় ও সহজে বহনযোগ্য, পচনশীল নয়। শুকনো কাচের বয়াম বা জারে সংরক্ষণ করে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন এবং প্রতিদিন কিছু পরিমাণ করে খেতে পারেন।
অর্ডার কনফার্ম করতে কল করুন, হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ইমো, 01706450736