গ্রাম্যশালা

গ্রাম্যশালা গ্রাম্যশালা একটি অর্গানিক ফুড শপ । আমাদের লক্ষ্য আপনার পরিবারের সুস্থতার জন্য পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ খাবার সরবরাহ করা এবং আপনাদের দোরগোরায় পৌছে দেয়া।

ইফতারের কতক্ষণ পর রাতের খাবার খাওয়া ভালো…..ইফতারের কতক্ষণ পর রাতের খাবার খাওয়া উচিত এবং সেহরির খাবার কখন খাওয়া উচিত এ বি...
29/03/2024

ইফতারের কতক্ষণ পর রাতের খাবার খাওয়া ভালো…..
ইফতারের কতক্ষণ পর রাতের খাবার খাওয়া উচিত এবং সেহরির খাবার কখন খাওয়া উচিত এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল পুষ্টিবিদ মাহফুজা নাসরীন শম্পা।

রোজায় খাদ্যাভ্যাস ও খাওয়ার সময়ের পরিবর্তন হয়। সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া হয়। যেহেতু অল্প সময়ের মধ্যে ইফতার, রাতের খাবার ও সেহেরি খাওয়া হয়, এ কারণে হজমজনিত সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক, বমি হওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা এড়াতে এবং রোজায় সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়ার সঙ্গে খাবার গ্রহণের সময়ও ঠিক রাখতে হবে।

ইফতারের কতক্ষণ পর রাতের খাবার খাওয়া উচিত এবং সেহরির খাবার কখন খাওয়া উচিত এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল পুষ্টিবিদ মাহফুজা নাসরীন শম্পা।

মাহফুজা নাসরীন শম্পা বলেন, রাতের খাবার ইফতারের কতক্ষণ পর খাবেন সেটা নির্ভর করে ইফতারে কী ধরনের খাবার এবং কী পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। ইফতারে যদি খুবই হালকা খাবার থাকে যেমন এক গ্লাস শরবত, দুটি খেজুর, যেকোনো একটি ফল সেক্ষেত্রে রাতের খাবার নামাজের পর বা ইফতার করার এক ঘণ্টা পর খাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে রাতের খাবারে ভাত বা রুটি, সবজি, ডাল, মাছ মাংস ইত্যাদি খাবার রাখা যাবে।
কিন্তু ইফতারে যদি কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন জাতীয় খাবার ও অন্যান্য বিভিন্ন আইটেম একসঙ্গে থাকে তখন অনেক ভারী খাবার খাওয়া হয়ে যায়। ইফতারে নুডুলস, পাস্তা, দই চিড়া ইত্যাদি ভারী খাবার থাকলে রাতের খাবার হালকা রাখতে হবে।
ইফতারে ভারী খাবার খেলে খাবার হজম হতে সময় লাগে। তাই খাবার শেষ করার অন্তত আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা পর রাতের খাবার খাওয়া ভালো। ইফতার শেষ করে শুয়ে না থেকে একটু হাঁটাহাটি করা ভালো।
ইফতারে খাবার খাওয়ার পরিমাণ বেশি হলে রাতের খাবারে একদম হালকা খাবার রাখার চেষ্টা করতে হবে। রাতের খাবারে এক গ্লাস দুধ, সঙ্গে একটি কলা, সেদ্ধ ডিম, এক বাটি স্যুপ বা এক বাটি সবজি রাখতে পারেন। এভাবে খাবার খেলে খাবার গ্রহণের পরিমাণ ব্যালেন্সড হবে এবং খাবার হজম হয়ে যাবে।

সেহেরির খাবার রাতের শেষভাগে খেতে হবে। অনেকে আছেন যারা একবারে রাত ১টা বা ২টার সময় খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে যান। এটা করা ঠিক নয়।সেহরির সময় শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগে বা অন্তত আধা ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠে খাবার খাওয়া শেষ করতে হবে। সেহরিতে সুষম খাবার রাখার চেষ্টা করতে হবে যাতে সারাদিন শরীরে পর্যাপ্ত শক্তির জোগান দিতে পারে। সেহরিতে তেল-মশলাযুক্ত খাবার না রাখাই ভালো।
সেহরির খাবার হতে পারে নরম ভাত, মুরগির পাতলা তরকারি, মাছের তরকারি, সবজি অথবা দই চিড়া, ওটস, এক গ্লাস দুধের সঙ্গে খেজুর বা কলা ইত্যাদি।

ঢাকায় উটের দুধের চা পাবেন যেখানেএই রমজানে ইফতারের পর এক কাপ দুধ চা খেতে চাইবেন না, এমন মানুষ খুব কম আছেন দেশে। একজন প্রক...
29/03/2024

ঢাকায় উটের দুধের চা পাবেন যেখানে
এই রমজানে ইফতারের পর এক কাপ দুধ চা খেতে চাইবেন না, এমন মানুষ খুব কম আছেন দেশে। একজন প্রকৃত চাপ্রেমীর সারাদিনের ক্লান্তিকে নিমিষেই দূর করে দিতে পারে কড়া লিকারের ও ঘন দুধের এক কাপ চা। আর সেটা যদি হয় ভিন্ন স্বাদের 'উটের দুধের চা', তাহলে তো কথাই নেই!
যারা ভোজনরসিক কিংবা নতুন কিছু চেখে দেখতে পছন্দ করেন তারা ছুটে যান বিভিন্ন জায়গায় নতুন অভিজ্ঞতার খোঁজে। সেই রকম এক নতুন অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে যেতে হবে গুলশান ২ এর ল্যাবএইড হাসপাতালের অপর পাশের ৫২ নম্বর সড়কের 'ব্যাচেলর এক্সপ্রেস' নামের ক্যাফেতে। ঢাকার প্রথম উটের দুধ চা পাওয়া যাচ্ছে এই ক্যাফেতেই। ক্যাফেটি চালু হয়েছে গত ৬ ফেব্রুয়ারি।
মরুভূমির জাহাজখ্যাত এই উটের দুধ নিয়ে আসা হচ্ছে বাংলাদেশে। তাতেই বানানো হচ্ছে ভিন্ন স্বাদের ও মধ্যপ্রাচ্যে বহুল প্রচলিত উটের দুধের চা। দুই তরুণ বন্ধু মাহবুব হাসান ও আমিনুল ইসলাম 'ব্যাচেলর এক্সপ্রেসে'র উদ্যোক্তা।
'এত কিছু থাকতে উটের দুধের চা কেন?' জানতে চাইলে মাহবুব হাসান বলেন, 'আমাদের দেশে এই দুধ পাওয়া যায় না। ভিন্ন রকমের স্বাদ, খেতে সুস্বাদু আর এর বেশ কিছু উপকারিতাও আছে। এ ছাড়া সবাই নতুন কিছু করতে চায়। ভালো চললে মানুষ আসবে। তখন এই চায়ের পাশাপাশি এখানকার অন্য খাবারও খাবে।'
আরবদেশের সহভলভ্য এই দুধ আমাদের দেশে নেই বললেই চলে। তাহলে কীভাবে তারা নিয়ে আসছেন এই দুধ? উত্তরে মাহবুব হাসান বলেন, 'আরব দেশে আমার ব্যবসা আছে। আমি আসার সময় ৫ কেজি নিয়ে আসি। সেই দিয়েই চলছে। তবে এখানকার কিছু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের কথা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর থেকে তারা আমাদের দুধ দেবেন।'
কথা বলতে বলতেই প্যাকেটের প্রক্রিয়াজাতকৃত দুধ দেখাচ্ছিলেন হাসান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্যামেলিসাস ব্র্যান্ডের তৈরি গুঁড়ো দুধ দিয়ে চা বানান তারা।

ব্যাচেলর এক্সপ্রেসে' প্রতি কাপ উটের দুধের চায়ের দাম ৪০০ টাকা। বর্তমান বাজার এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দামটা বেশি হয়ে গেল কি না জিজ্ঞেস করতেই মাহবুব হাসান বলেন, 'এই দুধ নিয়ে আসার জন্য অনেক খরচ হয়ে যায়। প্রতি কেজি গুঁড়ো দুধের দাম পড়ে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া এটা কেউ প্রতিদিন খাবে না। সেখান থেকে আমার কাছে মনে হয়েছে এর দাম খুব বেশি না।'ক্যাফেতে কথা হয় একটি বায়িং হাউজের কর্মকর্তা কামাল উদ্দীনের সঙ্গে।
তিনি বলেন, 'আমি পরিচিত একজনের কাছ থেকে শুনে দুই বন্ধুকে নিয়ে এসেছি।'
চায়ের স্বাদ কেমন এবং সেই স্বাদ অনুযায়ী দাম ঠিক আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'স্বাদটা খুব প্রখর। ভিন্ন রকম লাগছে মুখে, এখানে দুধের পার্থক্যটা স্পষ্ট বুঝতে পারছি। তবে দামের দিক থেকে আমার কাছে একটু বেশি মনে হয়েছে। ভিন্নতা খুঁজতে পছন্দ করি বলে এই দামে চা খেয়ে দেখলাম।'
তার বন্ধু নাসির উদ্দীন বাদল বলেন, 'আসলে প্রথমবার খাচ্ছি, স্বাদটা আমাদের দেশের মানুষের জন্য ঠিকঠাকই বলে মনে হচ্ছে। আর পরিবর্তন করার জায়গা বললে লিকারের পরিমাণটা আরেকটু কম হলে হয়তো ভালো। তবে খেতে অসাধারণ লাগছে, ভিন্ন রকমের।'
দেশে কোনোভাবে এই দুধ সংগ্রহ করা যায় কি না জানতে চাইলাম ক্যাফের মালিক মাহবুব হাসানের কাছে।
তিনি বললেন, 'ঢাকার আরামবাগে একটি ফার্ম আছে, যেখানে আমি কথা বলেছি। সামনে তারা আমাদের তরল দুধ দিতে পারবে বলে জানিয়েছে।'
ব্যাচেলর এক্সপ্রেস নামের এই ক্যাফেতে অনান্য হরেক রকমের চাও পাওয়া যায়। এ ছাড়া এখানে পিজ্জা, পাস্তা, বার্গারসহ বিভিন্ন ফাস্টফুড পাওয়া যায়। ক্যাফেটি খোলা থাকে সকাল ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত।

সুপারফুড চিয়া সিডের পুষ্টিগুণবর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। বিশেষ করে করোনাকালীন জটিলতার পর সেই সতেচনতা ব...
29/03/2024

সুপারফুড চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ
বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। বিশেষ করে করোনাকালীন জটিলতার পর সেই সতেচনতা বেড়ে গিয়েছে আরও কয়েক গুণ। প্রতিদিনের খাবার ও খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাবারের তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয় 'চিয়া সিড'।
চিয়া হচ্ছে সালভিয়া হিসপানিকা নামক মিন্ট প্রজাতির উদ্ভিদের বীজ। এটি মূলত মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোর মরুভূমি অঞ্চলে বেশি জন্মায়। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করে থাকেন। এগুলো দেখতে অনেকটা তোকমা দানার মতো। চিয়া বীজ সাদা ও কালো রঙের এবং তিলের মতো ছোট আকারের।
বীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক এসিড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।
তবে, অনেকেই চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ বা এটি খাওয়ার নিয়ম জানেন না। যে কারণে এই সুপারফুডকে নিজের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছেন না।
বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেডের ডায়েটেটিকস ডিপার্টমেন্টের প্রধান পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'চিয়া সিড একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার৷ এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, এতে আছে স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩। তাই খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন চিয়া সিড রাখতে পারেন।'
'সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে বা যারা ব্যায়াম করেন, তারা ব্যায়ামের ১ ঘণ্টা পর চিয়া সিড খেতে পারেন', যোগ করেন তিনি।

পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতির মতে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
১। চিয়া সিডে আছে ওমেগা-৩, যা হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে
২। এটি শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
৩। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে
৪। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে
৫। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, যা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়
৬। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারী
৭। চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখে। ফলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে
৮। এটি শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দিতে সাহায্য করে
৯। চিয়া সিড পেটের প্রদাহজনিত বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে
১০। ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে চিয়া সিড
১১। এই বীজ ক্যানসার রোধ করে
১২। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে
১৩। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে
১৪। চিয়া সিড অ্যাটেনশান ডেফিসিট হাইপার-অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার দূর করে
১৫। এটি ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে
এই সিড খাওয়ার নিয়ম বিষয়ে পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি জানান, দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানিতে সাধারণ তাপমাত্রায় ভিজিয়ে রাখতে হবে। তবে, যেহেতু চিয়া সিডের নিজস্ব কোনো স্বাদ নেই, তাই এটি যে কোনো শরবত বা স্মুদি, কাস্টার্ড, টকদই বা অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়।

রোজার সময় কতটুকু পানি খাবেনলেখা: ডা.এম এস আলমপ্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৪, ১৮: ৩০পবিত্র রমজান মাসে পানিশূন্যতার একটা আশঙ্কা রয়ে...
25/03/2024

রোজার সময় কতটুকু পানি খাবেন
লেখা: ডা.এম এস আলম
প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৪, ১৮: ৩০

পবিত্র রমজান মাসে পানিশূন্যতার একটা আশঙ্কা রয়েই যায়। তার ওপর আবার ক্রমেই তপ্ত হয়ে উঠছে আবহাওয়া। রোজা রেখে কেউ কেউ সাহ্‌রিতে অনেক পানি খেয়ে থাকেন, আবার কেউ ইফতারের শুরুতেই কয়েক গ্লাস পানি খেয়ে ফেলেন। সুস্থ থাকার জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তবে রোজার সময় পানি কীভাবে খাবেন, তা জানাটা জরুরি।
ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত অন্তত দুই লিটার বিশুদ্ধ, নিরাপদ পানি পান করা নিশ্চিত করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ইফতার থেকে সাহ্‌রি বা রাতে ঘুমানোর আগপর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পরপর ১০০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিলিলিটার পানি খাওয়া দরকার। বিশেষ করে তারাবিহ নামাজের আগে ও পরে বোতলে পানি রেখে এই সর্বমোট পানি খাওয়ার পরিমাণ নিশ্চিত করা যায়।
এ মৌসুমে রোজায় আপনার শরীর যেন হাইড্রেটেড থাকে, ত্বক যেন বিবর্ণ বা মলিন না হয়, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা যেন না বাড়ে, কিংবা গ্যাসের সমস্যা যাতে না হয়, তার একটি বড় সমাধান হচ্ছে পর্যাপ্ত পানি পান। পানি ছাড়াও অন্যান্য তরল পান করা যেতে পারে। তরল হিসেবে ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও মৌসুমি ফল চিনি ছাড়া জুস করে খেলে এ পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। দুধও এ তরল থেকে বাদ পড়ছে না। দুধে যেমন প্রোটিন ও ফ্যাট পাওয়া যায়, তেমনি ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম অন্যান্য খনিজ লবণের ভালো উৎস। তবে কোল্ড ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, যেকোনো রঙিন পানীয় এবং চা ও কফি রোজায় এড়িয়ে চলবেন। এগুলো পানিশূন্যতা তো দূর করেই না, বরং ক্ষতিকর।
শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা রোজা রাখলে তাঁদের পানি পান পর্যাপ্ত হচ্ছে কি না, সেদিকে লক্ষ রাখা জরুরি।
সতর্কতা
বেশি গরমে যেমন রান্নাঘরে বা শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে প্রতি এক থেকে দুই ঘণ্টা পরপর ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মতো ছায়ায় বিশ্রাম নেওয়া উচিত। সাহ্‌রিতে যদি কিছু না খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবু সাহ্‌রিতে উঠে পানি বা তরলজাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। এতে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমবে। রোজা রাখা অবস্থায় যদি কারও বমি বা পাতলা পায়খানা হয়, তাহলে রোজা ভেঙে খাবার স্যালাইন খেতে হবে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খান, যাঁদের কিডনির সমস্যা আছে বা হার্ট ফেইলিউর আছে, তাঁদের রোজা ও পানি পানের পরিমাণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ডা.এম এস আলম, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, কনসালট্যান্ট, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধানমন্ডি ঢাকা

ভালো থাকুন..!!!ইফতারে ফলের রস ও এর উপকারিতাশুধু রোজা নয়, যেকোনো সময় ক্লান্তি দূর করতে ফলের রস বা শরবতের বিকল্প নেই। আমাদ...
25/03/2024

ভালো থাকুন..!!!
ইফতারে ফলের রস ও এর উপকারিতা
শুধু রোজা নয়, যেকোনো সময় ক্লান্তি দূর করতে ফলের রস বা শরবতের বিকল্প নেই। আমাদের ইফতার শুরু হয় পানীয় আইটেম দিয়ে। ইফতারের শুরুতে লেবু বা ট্যাংয়ের শরবত পান মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। পানীয় হিসেবে ফলের রস রাখা যেতে পারে, যা স্বাস্থ্যকর। এর মধ্যে বেশি উপকারী হলো পেঁপে, বেল, আনারস, তরমুজ ও স্ট্রবেরি।
সরাসরি ফলের জুস না খেয়ে টক দই বা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে লাচ্ছি বা মিল্কশেক খাওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে এই পানীয়র গুণাগুণ আরও বেড়ে যাবে। তবে চিনি বা গুড় যোগ করা যাবে না।
ফলের উপাদান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে শর্করা, সামান্য প্রোটিন, সামান্য ফ্যাটসহ সব ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। যেমন পেঁপেতে ৮ শতাংশ, আনারসে ১৪, তরমুজে ১৩, বেলে ৩০ ও স্ট্রবেরিতে ১৩ শতাংশ শর্করা থাকে। সুতরাং আলাদা চিনির দরকার নেই।
ফলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে পানি। প্রতিটি ফলের জলীয় অংশের পরিমাণ গড়ে ৭৫ শতাংশ।
কেন উপকারি ফলের রস
● দীর্ঘ সময় না খাওয়ায় শরীরের সুগার লেভেল কমে যায়। ফলের চিনি ধীরে ধীরে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে সতেজ করে তোলে।
● ইলেকট্রোলাইটসের ঘাটতিতে ক্লান্ত ও দুর্বল পেশিকে সতেজ করে ফলের শরবত। এতে আছে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্লোরাইড ও বাইকার্বোনেটের চমৎকার সমন্বয়।
● শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে ফলের জলীয় অংশ, শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
● অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট শরীরে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল তৈরি হতে বাধা দেয়। সৃষ্ট মৃত কোষ অপসারণ করে। ফলে কোষের ইমিউনিটি বাড়ে।
● ফলের ফাইবার বা আঁশ প্রস্রাবের সংক্রমণ বা কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত রাখে। এ ছাড়া প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে, যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
● ফলের বিটা ক্যারোটিন চোখ, চুল ও ত্বকের সুরক্ষা দেয়।
● ফলের ভিটামিন সি আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি করে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।
● ফলের আয়রন, ভিটামিন বি-১২ ও ফলিক অ্যাসিড লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
-ADVERTISEMENT-
Ads by
সতর্কতা
● যাঁদের আইবিএস বা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স আছে, তাঁরা মিল্কশেক খাবেন না।
●কিডনি রোগীদের ফলের জুস খাওয়ার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
মো. ইকবাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

রমজানে পরিবারের বাড়তি পুষ্টির জন্য খাঁটি দুধের বিকল্প নেই !আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় থাকুক দুধ বা দই : রমজানে প্রতিদ...
19/03/2024

রমজানে পরিবারের বাড়তি পুষ্টির জন্য খাঁটি দুধের বিকল্প নেই !

আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় থাকুক দুধ বা দই : রমজানে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় দুধ থাকা দরকার। হাড় ও দাঁতের খাবার হচ্ছে ক্যালসিয়াম এবং দুধ হচ্ছে ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। দেহে খনিজ উপাদানের মধ্যে ক্যালসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে মোট ১২০০-১২৫০ গ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে, যার ৯৯ ভাগ হাড় ও দাঁতে থাকে।

আমাদের প্রিয়নবী (সাঃ) দুধ খুব পছন্দ করতেন। তিনি বলেছেন, "দুধের চেয়ে উত্তম কোনো খাবার বা পানীয় নেই।" (মুসনাদ আহমদ : ৩০২/৩)

এই একটি বাক্যই যথেষ্ট দুধ পানের উপকারিতা বর্ণনার জন্য। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে দুধকে বলা হয় ‘সুপারফুড'। তাই এ রমজানে চেষ্টা করুন প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে দুধ পানের।

দুধ কেন খাবেন?

দুধে আছে অ্যামিনো অ্যাসিড, বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ পদার্থ যেমন: ক্রোমিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, কোবাল্ট, কপার, জিংক, আয়োডিন ও সেলেনিয়াম। দুধ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামেরও গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
গ্রাম্যশালায় পাচ্ছেন গরুর খাঁটি দুধ। চাইলে আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন।

গুড় খেলে পাবেন যেসব উপকার  ….!!!চৈত্রের এই রমজানে গুড়ের শরবত শীতল করবে আপনার শরীর। এই গরমে মানুষ নিজেকে শীতল রাখতে অনেক...
19/03/2024

গুড় খেলে পাবেন যেসব উপকার ….!!!

চৈত্রের এই রমজানে গুড়ের শরবত শীতল করবে আপনার শরীর। এই গরমে মানুষ নিজেকে শীতল রাখতে অনেক কিছুই করে থাকে। বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে অনেকে শীতল থাকতে গিয়ে শসা, তরমুজ ও ডাবের পানি খেয়ে থাকে। তবে এই গরমে শরীর শীতল রাখতে গুড়ের শরবত হতে পারে কার্যকরি একটি উপায়। গুড় সাধারণত যেকোনো অসুখ থেকে রক্ষা করতেও শরীরকে শক্তি জোগায়।

আখ ও খেজুরের রস থেকে আমাদের দেশে গুড় তৈরি করা হয়। প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করা গুড়ের উপকারিতা বেশি। আখের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি ও শর্করা থাকে। সেই সঙ্গে থাকে প্রয়োজনীয় খনিজ। যে কারণে আখের গুড়ের চিনিও তৈরি করা হয়। আজকাল ঘরে ঘরে স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের সমস্যা। আর সেই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পেতেও কিন্তু চিনি একেবারে না খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। পরিবর্তে গুড় খেতে বলা হয়।

গুড়ের শরবতের উপকার-
*নিয়মিত গুড় খাওয়া শরীরের জন্য খুব ভালো। গুড় খেলে শরীর সুস্থ থাকে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

*এই গরমের তাপে মানুষের শরীরে টক্সিন বেড়ে যায়, গুড় খেলে শরীরের ডিটক্সিফিকেশন কাজ করে থাকে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিয়ে লিভারকে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।

*গরমে মানুষের মাঝে আরেকটি আতঙ্ক কাজ করে, যা শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি তৈরি করে, আর গুড়ের শরবত ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে।

*গুড় নিজে শরীরে তাপ উৎপাদন করে, তবে এই তাপ শরীরে গরম তৈরি করে না, এটি শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্য ধরে রাখে। এতে আছে উচ্চমানের ক্যালোরিফিক, যা শরীর উষ্ণ রাখে এবং শক্তি যোগায়।

*সর্দি-কাশি ও সাধারণ ঠাণ্ডার কারণে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখে গুড়। এটি ক্ষতিকর অণুজীব বৃদ্ধি হ্রাস করতে সাহায্য করে। পেটের তাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, যার কারণে শরীরের ডিহাইড্রেশন কমায়।

*গুড়ে থাকে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম এবং পটাশিয়াম। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও সংক্রমণ দূরে রাখে। পায়ের পেশি টান (ক্রেম্পিং) হতে দেয় না।

*গরমে আরেকটি খারাপ দিক হচ্ছে কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুস কাশি হয়। আর এসব দূর করতে সাহায্য করে গুড়। এ ছাড়া শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন- কফ বা বুকে কফ জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে।

*গলা শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কমায়। গুড়ের মধ্যে থাকে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম। যা দেহে পানির প্রবাহ ধরে রাখে।

*যারা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তারাও কিন্তু তাদেন খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন আখের গুড়।

রমজানে জয়েন্ট ভালো রাখতে যা করতে পারেনবিজ্ঞাপন বার্তা২৩ মার্চ ২০২৩, ১৩:১৭পবিত্র রমজান আসে নাজাত, রহমত আর মাগফিরাতের বার্...
16/03/2024

রমজানে জয়েন্ট ভালো রাখতে যা করতে পারেন
বিজ্ঞাপন বার্তা
২৩ মার্চ ২০২৩, ১৩:১৭

পবিত্র রমজান আসে নাজাত, রহমত আর মাগফিরাতের বার্তা নিয়ে। এ মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা ইবাদতে মশগুল হয়ে সান্নিধ্য পেতে চান প্রিয় স্রষ্টার। সারাদিন রোজা থাকা এবং তারাবির নামাজ আদায় এই মাসে যোগ হয় মুসলমানদের কার্যতালিকায়। এদিকে বয়স এবং নানা কারণে জয়েন্টের সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকে। সেক্ষেত্রে সারাদিন রোজা থাকার কারণে কিছুটা দুর্বলতা চলে আসতে পারে। আবার দীর্ঘ সময় নামাজ আদায় করতেও কিছুটা অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন। এই সমস্যার সমাধানে সচেতন হতে হবে আপনাকেই।
জয়েন্ট পেইন হতে পারে যেসব কারণে
জয়েন্ট পেইন হতে পারে নানা কারণে। অনেকক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস থাকলে এই রোগের ঝুঁকি থাকে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যা বাড়তে দেখা যায়। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকি থাকে নারীদের ক্ষেত্রে। হরমোনগত কারণে এটি হয়ে থাকে। বিশেষ করে নারীর মেনোটজের সময় বা এর পরে এই সমস্যা বেশি হয়। তবে পুরুষ রোগীর সংখ্যাও কম নয়। অতিরিক্ত ওজনও অনেক সময় জয়েন্টের ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। জয়েন্টে আঘাত পাওয়ার পূর্ব ইতিহাস থাকলেও পরবর্তীতে ব্যথায় ভুগতে পারেন।
খেতে পারেন অর্গানিক ফাংশনাল ফুড
রমজান মাসে সঠিক খাবারের অভাবে এবং চলাফেরায় অবহেলার কারণে অনেকেই জয়েন্টের সমস্যায় ভুগে থাকেন। মানুষের শরীরে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড শুকিয়ে গেলে জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায়। যার কারণে জয়েন্টের মুভমেন্ট হয়ে যায় কষ্টকর ও বেদনাদায়ক। তাই এই সমস্যা সমাধানে পুষ্টিকর অর্গানিক খাবারের সঙ্গে রাখতে পারেন অর্গানিক ফাংশনাল ফুড। এটি কারকিউমিনযুক্ত হওয়ার কারণে তা স্বাস্থ্যকর উপায়ে শরীরের প্রদাহ কমাতে দ্রুত কাজ করে। দেখতে ওষুধ মনে হলেও এগুলো আসলে এক ধরনের খাবার। যা আপনার প্রতিদিনের গ্রহণকৃত খাবারের পাশাপাশি শরীরে বাড়তি উপকারিতা জোগাবে। অর্গানিক ফাংশনাল ফুড খেলে তা হাড়ের জয়েন্টের কার্টিলেজকে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে। সেইসঙ্গে জয়েন্টের ক্ষয়রোধ করে জয়েন্টকে শক্ত ও মজবুত রাখতে কাজ করবে। এ ধরনের ফুড আপনি প্রসিদ্ধ কোনো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়ে যেতে পারেন।
নিজেকে ফিট রাখুন
অনেকে বয়স হওয়ার আগেই নিজেকে বয়স্ক ভাবতে শুরু করেন। এমনটা করা যাবে না। শরীরে সমস্যা দেখা দিলে তা খাবার, ঘুম ও শরীরচর্চার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে হবে। রমজানে অলস শুয়ে-বসে থাকার অভ্যাস না করে বডি মুভমেন্ট বাড়াতে হবে। দিনভর শক্তি ধরে রাখতে চাইলে খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসময় সেহরি ও ইফতারে এড়িয়ে চলতে হবে অস্বাস্থ্যকর, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার। পুষ্টিকর ফল, শাক-সবজি, মাছ ও তরল খাবার রাখতে হবে তালিকায়। এসময় জয়েন্ট ভালো রাখতে এর উপযোগী খাবার খেতে হবে। নিয়মিত হাঁটা ও অন্যান্য শরীরচর্চা রমজানে সম্ভব না হলে যতটা সম্ভব কর্মক্ষম থাকতে হবে। এতে জয়েন্ট পেইনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হবে।
কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন
কিছু খাবার রয়েছে যা জয়েন্ট পেইন বাড়িয়ে দিতে কাজ করে। সে ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার কারণে তা বৃদ্ধি করতে পারে জয়েন্ট পেইন। চিনি বেশি খেয়ে ফেললে বেশি মাত্রায় সাইটোকাইন নিঃসরণ হয়। এ কারণেই বাড়ে জয়েন্টে ব্যথা, জ্বালা ও ফোলাভাব। তাই খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে অতিরিক্ত চিনি। এক্ষেত্রে আরেকটি ক্ষতিকর খাবার হতে পারে রেডমিট। কারণ এতে থাকে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট। আপনি যদি ইতিমধ্যে জয়েন্ট পেইনে ভুগে থাকেন তবে কম ফাইবার এবং উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। এর পাশাপাশি এড়িয়ে চলতে হবে গ্লুটেনযুক্ত খাবার। গ্লুটেন হলো এক ধরনের আঠালো পদার্থ, যা বেক করার সময় খাবারকে ফেঁপে উঠতে সাহায্য করে। পাউরুটি, পাস্তা, রুটি, কেক, সস, চিপস, বিয়ার এ ধরনের খাবারে থাকে গ্লুটেন। স্নায়ুর তন্তুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে অতিরিক্ত গ্লুটেনযুক্ত খাবার। ফলে পেশির নড়াচড়া করার শক্তি বাধাগ্রস্ত হয়। তাই সুস্থ থাকতে এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলাই উত্তম।

কেন খাবেন অর্গানিক প্রোডাক্ট ..!!!অর্গানিক ফুডের বাংলা জৈব খাদ্য। সাধারণত যেসব খাদ্য উৎপাদনে কোনো ধরণের রাসায়নিক সার, অ...
13/03/2024

কেন খাবেন অর্গানিক প্রোডাক্ট ..!!!

অর্গানিক ফুডের বাংলা জৈব খাদ্য। সাধারণত যেসব খাদ্য উৎপাদনে কোনো ধরণের রাসায়নিক সার, অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন বা কীটনাশক ব্যবহার হয় না তাদের অর্গানিক ফুড বলা হয়। এই খাবারগুলো হয় সারবিহীন। আর যদি ব্যবহার হয়েও থাকে তা জৈব সার।

সুখী জীবনের অন্যতম শর্ত সুস্থ শরীর আর প্রশান্ত মন। আধুনিক মানুষ তাঁদের জীবনকে যাপন করছেন এই মূলমন্ত্রে। কারও পক্ষে সম্ভব হচ্ছে, কেউবা কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। যাঁরা পারছেন, প্রশান্তি তাঁদের জীবনজুড়ে। মুদ্রার উল্টো পিঠে জীবনধারায় কায়িক পরিশ্রমের অভাব, শরীরচর্চায় অনীহা বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে মানুষ স্থূলতাসহ দীর্ঘস্থায়ী বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার শিকার হচ্ছে।
কর্মব্যস্ত মানুষ প্রক্রিয়াজাত খাবারের ওপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। কিন্তু অস্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়াজাত করা খাবারে খাদ্যের সঠিক পুষ্টিমান থাকে না। ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে দৌড়ানো জীবনে পুষ্টিকর খাবারের খোঁজ পেলে মানুষ এখন সেদিকেই ধাবিত হচ্ছে। বিভিন্ন অর্গানিক খাবার, ঢেঁকিছাঁটা চাল কিংবা গ্রামের বাড়িতে চষে বেড়ানো মুরগি খুঁজে খুঁজে নিজেদের পাতে তুলছেন স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ। যাঁরা এমন পুষ্টিকর খাবারের সন্ধানে আছেন তাঁদের জন্য ‘ফাংশনাল ফুড’ একটি জীবন বাঁচানো উপাদান। ফাংশনাল ফুড নিরাপদভাবে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। আধুনিক খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সুস্থ জীবনযাপনে সক্ষম করে তোলে। এর ফলে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই খাবার।

দূষিত বায়ুর এই শহরে ফুসফুস ভালো রাখবেন কীভাবেজীবনযাপন ডেস্কআপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০: ৫৩ বিশ্বের ১০০ শহরের মধ্যে বায়ু দূ...
06/03/2024

দূষিত বায়ুর এই শহরে ফুসফুস ভালো রাখবেন কীভাবে
জীবনযাপন ডেস্ক
আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০: ৫৩
বিশ্বের ১০০ শহরের মধ্যে বায়ু দূষণের দিক থেকে আজ সকালেও শীর্ষে ছিল ঢাকা। ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’ এই বায়ুতে প্রতিনিয়ত শ্বাস নিয়েও কীভাবে ফুসফুস ভালো রাখবেন?
সিগারেটের ধোঁয়া, দূষিত বায়ু কিংবা রোগজীবাণুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ফুসফুস। অজান্তেই শরীরে পড়ে বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব। ফুসফুসকে পরিশোধন (ডিটক্সিফাই) করার কোনো উপায় কি আছে?
ফুসফুসকে পরিশুদ্ধ করতে নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন, এসেনশিয়াল অয়েল কিংবা গ্রিন-টির উপকারিতার কথা আপনি শুনে থাকতে পারেন। কিন্তু এগুলোর কোনোটিই আসলে ফুসফুসকে পরিশুদ্ধ করতে পারে না। ফুসফুসের সুস্থতা নিশ্চিত করতে আপনাকে বাঁচতে হবে দূষণ থেকে। ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সিগারেটের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকার বিকল্প নেই।
সিগারেটের ধোঁয়া শ্বাসনালির সেই কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা ফুসফুসে কোনো খারাপ ‘বস্তুকণা’ প্রবেশে বাধা দেয়। আপনি ধূমপায়ী না হলেও আপনার আশপাশে কেউ যদি ধূমপান করেন, আপনার ফুসফুস একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। শিশুদের ওপরও পরোক্ষ ধূমপানের প্রভাব পড়ে।

কীভাবে বাঁচাবেন ফুসফুসকে?
ধূমপান করবেন না। যাঁরা প্রকাশ্যে ধূমপান করেন, তাঁদের কঠোরভাবে নিষেধ করুন। মনে রাখবেন, প্রকাশ্যে ধূমপান একটি সামাজিক অপরাধ। তাই এই বিষয়টিকে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ করা সবারই কর্তব্য।
ই-সিগারেট কখনোই বিড়ি-সিগারেটের স্বাস্থ্যকর বিকল্প নয়। এটিও ফুসফুসের ক্ষতি করে। তাই কখনোই ই-সিগারেটও গ্রহণ করবেন না।
রান্নাঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।
ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখুন। ধুলাবালু জমতে দেবেন না। যে সময়টায় খুব ধুলা ওড়ে, সেই সময় ঘরের জানালা ও বারান্দার দরজা বন্ধ রাখতে চেষ্টা করুন।
ঘরবাড়ি পরিষ্কার করতে এমন রাসায়নিক ব্যবহার করবেন না, যাতে তীব্র সুগন্ধি থাকে বা তীব্র ধাঁচের অন্য কোনো রাসায়নিক থাকে।
বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন। হাত পরিষ্কার রাখুন।
ব্যায়াম করুন। শারীরিক শ্রমে ফুসফুস ভালো থাকে।
রঙিন ফলমূল এবং শাকসবজি খান।
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের সব টিকা সময়মতো দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

চায়ের সঙ্গে যেসব খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিকসহ আরও কিছু সমস্যায় ভুগবেনচায়ের সঙ্গে টা বলে একটা কথা আছে। অর্থাৎ চায়ের সঙ্গে অন্...
06/03/2024

চায়ের সঙ্গে যেসব খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিকসহ আরও কিছু সমস্যায় ভুগবেন
চায়ের সঙ্গে টা বলে একটা কথা আছে। অর্থাৎ চায়ের সঙ্গে অন্য কোনো খাবারের সহযোগ; যেমন বিস্কুট, মুড়ি, নিমকি এমনকি কেউ কেউ তো চানাচুরও খান। তবে যেকোনো খাবারই কি চায়ের সঙ্গে খাওয়া ভালো? বিশেষজ্ঞরা কী বলেন?
আলিয়া রিফাত
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৯: ০০
১. কেক ও ডোনাট
চায়ের সঙ্গে কেক কিংবা ডোনাটের মতো চিনিযুক্ত খাবার খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে শরীর ক্লান্ত লাগে।
২. লবণাক্ত হালকা খাবার
চায়ের সঙ্গে পটেটো চিপস, সল্টেড বাদাম কিংবা চানাচুরের মতো খাবার খেলে শরীরে সোডিয়ামের আধিক্য দেখা দেয়। চায়েও সোডিয়াম থাকে। ফলে চায়ের সঙ্গে এসব খেলে পেট ফাঁপে, শরীরে পানির পরিমাণ কমে, রক্তচাপ বেড়ে যায়।
৩. মসলাদার খাবার
মসলাদার খাবারের সঙ্গে চা খেলে হজমের সমস্যা হয়। এতে অনেকের বুকে জ্বালাপোড়াসহ আরও কিছু সমস্যা দেখা দেয়।
৪. সাইট্রাস–জাতীয় ফল
চায়ে লেবুর রসে কোনো সমস্যা নেই। একইভাবে মাল্টা, কমলা বা সাইট্রাস–জাতীয় অন্যান্য ফলের রসও চায়ের সঙ্গে চলতে পারে। তবে দুধ চা বা লাল চায়ের পাশাপাশি এসব ফল খেলে অ্যাসিডিটি বাড়ে। এতে পেটে অস্বস্তি হতে পারে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে প্রকট।
৫. লাল মাংস
গরু বা খাসির মতো লাল মাংস দিয়ে তৈরি কোনো খাবার খাওয়ার পাশাপাশি চা খেলেও সমস্যা আছে। এতে বদহজম হতে পারে। চায়ের ট্যানিন নামের যৌগ লাল মাংসের প্রোটিনের সঙ্গে সহজে বিক্রিয়া করে। এ কারণে শুরু হতে পারে পেটের গোলমাল।
৬. ক্রিম ও ক্রিম দিয়ে তৈরি ডেজার্ট
ক্রিমসমৃদ্ধ খাবার, যেমন চিজ কেক কিংবা আইসক্রিমের স্বাদ মুখে লেগে থাকে নিঃসন্দেহে। এসবের সঙ্গে চায়ের স্বাদ নিতান্তই ম্যাড়মেড়ে মনে হয়। খেতে তো ভালো লাগবেই না বরং চায়ের সঙ্গে বেশি মাত্রায় ফ্যাটসমৃদ্ধ এসব খাবার খেলে পেটটা ভারী ভারী মনে হবে। বাড়বে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
আরও পড়ুন
গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যায় যেভাবে কালিজিরা খেলে উপকার পাবেন
৭. প্রক্রিয়াজাত খাবার
প্রক্রিয়াজাত খাবারে থাকে প্রচুর অ্যাডিটিভ, প্রিজারভেটিভ ও কৃত্রিম ফ্লেভার। চায়ের প্রাকৃতিক স্বাদের সঙ্গে এসব খাবারের স্বাদ সাংঘর্ষিক। এতে প্রদাহের সৃষ্টি হয় ও হজমের সমস্যা দেখা দেয়।
৮. ভাজাপোড়া
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা ফ্রায়েড চিকেন মতো তেলেভাজা খাবার চায়ের সঙ্গে খাওয়ার পর আপনার আলসেমি লাগতে পারে; দুর্বল বোধ করতে পারেন। এসব খাবারে চর্বির পরিমাণ অনেক বলে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাহলে চায়ের সঙ্গে কী খাবেন?
ওপরের তালিকা দেখে নিশ্চয়ই এই প্রশ্নই আপনার মাথায় ঘুরছে। চায়ের সঙ্গে খেতে পারেন চিড়া, মুড়ি, বাদাম, বাকরখানি, বিস্কুট, বিশেষ করে হোল গ্রেইন ক্র্যাকার্স। এতে চায়ের সঙ্গে টা মিলিয়ে আপনি পাবেন সুষম পুষ্টির জোগান। আর এতে চা খাওয়ার তৃপ্তিও পাবেন ষোলো আনা।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইফতার ও সাহ্‌রির খাবারকে যেভাবে স্বাস্থ্যকর করে তুলবেন?ইফতারে কেউ ভরপেট খাবার খান। কেউ আবার ইফতার-সাহ্‌রিতে পানি খেয়েই ভ...
06/03/2024

ইফতার ও সাহ্‌রির খাবারকে যেভাবে স্বাস্থ্যকর করে তুলবেন?
ইফতারে কেউ ভরপেট খাবার খান। কেউ আবার ইফতার-সাহ্‌রিতে পানি খেয়েই ভরিয়ে ফেলেন পেট। একসঙ্গে অনেকটা খাবার কিংবা পানি খেয়ে ফেলা অস্বস্তিকর। অথচ সারা দিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করার জন্য ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত পুরো সময়ই কিন্তু রয়েছে। তাই পুষ্টি উপাদান বিবেচনায় রেখে এই সময়ের মধ্যে ভাগে ভাগে খাবার গ্রহণ করাই ভালো।

ইফতারের সময় খেজুর এবং খানিকটা পানি বা পানীয় পানের পর অল্প খাবার খাওয়া উচিত। হতে পারে সেটি দুই টেবিল চামচ সবজি খিচুড়ি বা নুডলস, একটা সবজি কাটলেট আর একটুকরা ফল। সারা দিন না খেয়ে থাকায় পাকস্থলীতে অম্লীয় রস জমা হয়। এভাবে অল্প খাওয়া দিয়ে শুরু করলে সেই অম্লীয় রস একটু একটু করে কাজ শুরু করতে পারে। খুব বেশি খেলে অস্বস্তি হয়। মাগরিবের নামাজের পর মিশ্র ফলের সালাদ আর খানিকটা ঝাল খাবার খাওয়া যেতে পারে। সালাদে যোগ করতে পারেন দই বা মধু। কিংবা এই সময়ে রাতের খাবারের পদগুলোও খেয়ে নিতে পারেন। স্বাস্থ্যকর ইফতার ও সাহ্‌রি সম্পর্কে এমন নানা তথ্য দিয়েছেন ঢাকার গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান।

ইফতার ও সাহ্‌রিতে ওটস খেতে পারেন। ওটস দিয়ে খিচুড়ি করা যায়, সঙ্গে যোগ করতে পারেন সবজি। ওটস, সবজি আর ডিম দিয়ে ফ্রায়েড রাইসের মতো পদও করা যায়। ইফতার বা সাহ্‌রিতে সয়া নাগেট দিয়েও পদ করতে পারেন। নুডলসও খেতে পারেন এই দুই সময়। তবে কোনো সময়ই একবারে প্রচুর পানি খেয়ে ফেলা উচিত নয়। বরং ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত ধাপে ধাপে পানি বা পানীয় পান করুন, মাঝে এক থেকে দুই টুকরা ফলও খেতে পারেন। পানীয় তৈরিতে প্যাকেটজাত পাউডার এড়িয়ে চলুন; বরং পানিতে ফলের রস মিশিয়ে পানীয় তৈরি করুন। দুধ-চা এড়িয়ে চলুন। ইফতার থেকে সাহ্‌রির সময়ের মধ্যেই আপনাকে সারা দিনের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালরিও গ্রহণ করতে হবে। এর কমও গ্রহণ করবেন না, বেশিও নয়।

ইফতারে ভাজাপোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। নিতান্তই যদি খেতে হয়, তাহলে সেটি ইফতারের শুরুতেই নয়। পরিমাণও রাখুন অল্প। মাছের ঝুরি আর সবজির পুর নিয়ে কোনো একটা ভাজা করতে পারেন। এই পুর দিয়ে যেমন সমুচা হতে পারে। ওটস আর সবজি দিয়ে পাকোড়া করতে পারেন। ছোলার সঙ্গে বিভিন্ন সবজি যোগ করতে পারেন, তবে আলু নয়। আলু বাড়তি ক্যালরির উৎস। মুরগি বা মাছের কোফতা খেতে পারেন।

সাহ্‌রিতে এক গ্লাস দুধ বা দুধের তৈরি পানীয় খেতে পারেন। তবে সাহ্‌রিতে দুধে কারও কারও সমস্যাও হয়। সে ক্ষেত্রে রাতে খেতে পারেন। ১০টার ভেতরই রাতের খাবার সেরে নিন, তাহলে হজমের জন্য সময় থাকবে পর্যাপ্ত। ইফতারে ভাজাপোড়া যদি খাওয়া হয়েই যায়, কিংবা হয়ে যায় ভারী খাবার খাওয়া; সে ক্ষেত্রে রাতের খাবার হোক একেবারেই হালকা। চাইলে রাতের খাবার বাদও দিতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে সাহ্‌রির সময় অবশ্যই ভালোভাবে খেতে হবে। সাহ্‌রিতে কলা বা খেজুরের মতো ফলও খেতে পারেন।
( দৈনিক প্রথম আলো )

Address

444, রোজী প্লাজা, জয়নাল মার্কেট, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গ্রাম্যশালা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to গ্রাম্যশালা:

Share