21/09/2022
শরীর যেহেতু আপনার শরীরের যত্নটাও কিন্তু আপনার। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কিছু বিষয় আছে যেটা ডাক্তার আপনাকে সাজেস্ট করবে না । সমাধান আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে যেটা আপনার শরীরের জন্য কার্যকরী এবং উপকারী। প্রাকৃতিক এবং ভেজষ উপাদান হতে পারে আপনার জন্য অধিকতর সমাধান।
আমি দীর্ঘদিন যাবত গ্যাস্ট্রিকে ভুগছিলাম। প্রায় তিন চার বছর বাংলাদেশের বড় বড় গ্যাস্ট্রলজি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেয়েছি।
যতক্ষণ ওষুধ খেয়েছি ততক্ষণই ভালো ছিলাম যখনই ওষুধ ছেড়ে দিয়েছি আগের মত। একটা সময় গিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলাম তারপর ইউটিউব ফেসবুক ঘেঁটে ঘেঁটে বিভিন্ন দেশে বিদেশি ডাক্তারদের ব্লক গুলো দেখে বুঝতে পারলাম যে ওষুধে গ্যাস কমেনা বরং চেপে রাখে ফলে গ্যাস আরো বাড়িয়ে দেয় দীর্ঘ মেয়াদে।
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলে পেটের ভিতরে যে এসিডের মজুদ থাকে সেটাকে কমিয়ে দেয়। আর কমিয়ে দেয়ার ফলে আপনার খাবার হজম করতে পারে না। আপনারা ভালো করেই জানেন আমরা যে খাবারগুলো খাই এই খাবারগুলো হজম হয় মূলত পেটের ভিতর অ্যাসিডের কারণে। পেটের ভিতরে যে এসিড আছে আপনি সাধারন কোন পিন বা ব্লেড যদি পেটের ভিতরে যায় সাথে সাথে হজম হয়ে যাবে। তো বাজারে তথাকথিত গ্যাসের ওষুধ যখন পেটে যায় এই এসিডের পরিমাণটা কমিয়ে দেয় ফলে আমরা যে খাবারগুলো খাই সেটা হজম করতে পারে না। গ্যাসটা গলার ভিতর থেকে বেরিয়ে আসতে চায় হলে গলা জলে বুক জ্বলে অস্বস্তি বোধ হয় ক্ষুধা লাগে না পায়খানা ঠিক মত হয় না।
এই এসিডিটির সবচেয়ে পরিচিত এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত সমাধান হলো ভিনেগার সেটা হতে পারে আপেল ভিনেগার অথবা নারকেল ভিনেগার।
এই ভিনিগার মানুষের শরীরের জন্য যে কত উপকারী কত ভাবে আপনার শরীরে উপকার করে আপনি নিজেও জানেন না। আপেল ভিনেগার বা নারকেল তেলের ভিনেগার খেলে আপনার চুল পড়া কমে যাবে, উজ্জ্বলতা বেড়ে যাবে, চর্বি কমে যাবে, গ্যাস চলে কমে যাবে, হজম শক্তি বেড়ে যাবে আরো অনেক অনেক উপকার।
এই ভিনেগারটা সাধারণ হলে হবে না অবশ্যই এক্সট্রা ভার্জিন ভিনেগার হতে হবে তাহলে আপনি ১০০% উপকার পাবেন।
তো আমি আমি লাস্ট এক বছর ধরে ভিনেগার খাচ্ছি। ভিনেগারের সাথে নারকেল তেল খাচ্ছি। ফলে গ্যাসটা কমে গেছে আমার হজম শক্তি বেড়ে গেছে উজ্জ্বলতা বেড়ে গেছে ওজন কমে গেছে ফলে শারীরিক দিক দিয়ে আমি মোটামুটি সুস্থ অনেক ভালো ফিল করছি।
আমি বাজার থেকে ভিনেগার কিনে খেতে খেতে একটা জিনিস অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। সেটা হচ্ছে বাজারে তথাকথিত ভিনেগারের কোয়ালিটি নিয়ে একটু সন্দেহ আছে বা কোয়ালিটিটা আমার কাছে বেশিটা ভালো মনে হয়নি ।যেমন বাংলাদেশের যে গুলো পাওয়া যায় সেটা পরিমাণে অনেক পাতলা টেষ্ট খুব একটা ভালো না। সব মিলিয়ে আমার কাছে ভালো মনে হয়নি ।
আর আমেরিকান বা ইউরোপের যেটি পাওয়া যায় সেটার মান অনেক ভালো এটা ঘনত্ব অনেক বেশি এবং এটা দামটা অনেক বেশি ।
এক লিটারের দাম ১৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা পড়ে যায়। তো আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের জন্য অনেক বেশি।
তাই আমি নিজেই চেষ্টা করছি ভিনিগার বানিয়ে খাওয়ার জন্য ।অনেকদিন ধরেই খাচ্ছি তো কোয়ালিটিটা আমার কাছে ভালোই লাগতেছে। এজন্য আমার অভিজ্ঞতাটা আপনাদের কাছে শেয়ার করলাম।
প্রথম ধাপটা নিয়ে একটা ভিডিও বানিয়েছি সেটার প্রথম পার্ট এটা আর দ্বিতীয় পার্ট টা রিভিউ নিয়ে আসবো ।খাবারের পর কোয়ালিটি টেস্ট এবং কার্যকারিতা কেমন আর সেটা নিয়ে বিস্তারিত আপনাদেরকে জানাবো। আশা করছি আমাদের সাথেই থাকবেন।
আমার এই ছোট্ট প্রয়াসে যদি আপনাদের বা সাধারণ মানুষের সামান্য উপকার হয় তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করব।