HRK GAMER

HRK GAMER Gaming + Funny STORY

24/03/2026

#কথা টি বাস্তব মন দিয়ে শুনুন আর একটি শেয়ার করুন
HK Habib R Muhammad Habib HRK GAMER

23/03/2026

😊বাস্তব জীবনের একটি গল্প,,,এই গল্পে অনেক কিছু শিক্ষার আছে ❣️❣️ সবাই আমার পেজটি ফলো দিয়ে রাখবেন প্লিস 💖💖

HK Habib R HRK GAMER

22/03/2026

Miss u 😮‍💨

20/03/2026

My profile

20/03/2026

অচেনা স্টেশনের সেই মেয়েটি
নীলাভ একজন তরুণ ফ্রিল্যান্সার। কাজের চাপে মাঝেমধ্যেই সে শহর ছেড়ে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে পছন্দ করে। গত সপ্তাহে সে সিদ্ধান্ত নিল উত্তরবঙ্গের এক নিভৃত গ্রামে যাবে, যেখানে নেটওয়ার্কের চেয়ে পাখির কিচিরমিচির বেশি শোনা যায়।
ট্রেনটা যখন মাঝপথে একটা ছোট স্টেশনে থামল, তখন রাত প্রায় দশটা। স্টেশনের নামটা নীলভ আগে কখনো শোনেনি—'মায়াপুর'। কুয়াশায় ঢাকা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে খুব একটা আলো নেই। হুট করে নীলভর মনে হলো, এই স্টেশনেই তাকে নামতে হবে। এক অদ্ভুত টানে সে ব্যাগ গুছিয়ে নেমে পড়ল।
ট্রেনটা চলে যাওয়ার পর স্টেশনে নেমে সে দেখল, দূরে একটা বেঞ্চে বসে আছে একটি মেয়ে। পরনে হালকা নীল রঙের জামদানি, হাতে একটা পুরনো দিনের বই। নীলভ খানিকটা অবাক হয়ে এগিয়ে গেল।
"ক্ষমা করবেন, এখানে থাকার মতো কোনো জায়গা কি আশেপাশে আছে?"
মেয়েটি মুখ তুলল। তার চোখে এক বিষণ্ণ মায়া। মৃদু হেসে বলল, "এই স্টেশনে যারা নামে, তারা থাকার জায়গা খোঁজে না, তারা নিজেদের খুঁজে বেড়ায়।"
নীলভ কথাটার মানে বুঝল না। মেয়েটি নিজের নাম বলল 'অরণী'। সারা রাত তারা স্টেশনের সেই পুরনো বেঞ্চে বসে গল্প করল। অরণী তাকে শোনাল এই স্টেশনের ইতিহাস, শোনাল কেন মানুষ এখানে এসে থমকে দাঁড়ায়। নীলভর মনে হচ্ছিল, সে অরণীকে অনেক আগে থেকেই চেনে। তার প্রতিটা কথা যেন নীলভর মনের কোনো এক গোপন কোণে গিয়ে বিঁধছিল।
ভোর হওয়ার ঠিক আগে অরণী বলল, "এবার তোমার যাওয়ার সময় হয়েছে নীলভ। ওই যে দেখো ফিরতি ট্রেন আসছে।"
নীলভ কিছুটা দ্বিধা নিয়ে বলল, "তোমার সাথে কি আবার দেখা হবে না?"
অরণী শুধু হাসল। সে হাসিতে ছিল বিদায়ের করুণ সুর। সে নীলভর হাতে একটা শুকনো বকুল ফুল দিয়ে বলল, "সময় হলে সব উত্তর পাবে।"
নীলভ ট্রেনে উঠে বসল। ট্রেন ছাড়ার পর সে জানালা দিয়ে পেছনে তাকাল, কিন্তু আশ্চর্য! স্টেশনে কেউ নেই। এমনকি যে বেঞ্চে তারা বসে ছিল, সেখানেও জনমানবের চিহ্ন নেই।
শহরে ফিরে এসে নীলভ মায়াপুর স্টেশন সম্পর্কে খোঁজ নিতে শুরু করল। ইন্টারনেটে পুরনো নথিপত্র ঘেঁটে সে চমকে উঠল। মায়াপুর স্টেশনটি প্রায় বিশ বছর আগে এক ভয়াবহ বন্যায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর সেই বন্যায় এক তরুণী হারিয়ে গিয়েছিল, যার নাম ছিল অরণী।
নীলভ তার হাতের তালুর দিকে তাকাল। সেই শুকনো বকুল ফুলটা এখনও তার হাতে। সে বুঝতে পারল, ভালোবাসা আর স্মৃতি কখনো মরে যায় না; তারা সময়ের কোনো এক বাঁকে আমাদের জন্য অপেক্ষা করে থাকে।
HK Habib R

19/03/2026

শেষ ট্রেনের অপেক্ষা
শহরের ব্যস্ততা আর যান্ত্রিকতার মাঝে হাবিবের দিনগুলো কাটে কম্পিউটারের স্ক্রিনে আর পড়াশোনার চাপে। সামনে বড় পরীক্ষা, তাই এবার ঈদে বাড়ি যাওয়া হবে কি না তা নিয়ে বেশ সংশয় ছিল। কিন্তু মনের এক কোণে সারাক্ষণ ছোট বোনের মুখটা ভাসছিল। সে গত এক মাস ধরে ফোনে শুধু একটাই আবদার করেছে— "ভাইয়া, এবার ঈদে কিন্তু তোমার সাথে নতুন জামা পরে ছবি তুলব।"
ঈদের আগের রাত। শেষ মুহূর্তের ঝক্কি সামলে হাবিব যখন স্টেশনে পৌঁছাল, তখন চারদিকে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ট্রেনের টিকিট নেই, বাসের অবস্থাও নাজেহাল। পকেটে থাকা নতুন কেনা স্মার্টওয়াচটার দিকে তাকিয়ে সে ভাবল, "হয়তো এবার আর পৌঁছানো হলো না।"
ঠিক তখনই একটা লোকাল ট্রেন স্টেশনে এসে থামল। তিল ধারণের জায়গা নেই, তবুও কোনোমতে ঝুলে পড়ে সে রওনা দিল নিজের গন্তব্যে। সারারাত নির্ঘুম জার্নি শেষে যখন ভোরে সে গ্রামে পৌঁছাল, দেখল কুয়াশাভেজা মেঠোপথ দিয়ে ঈদের আজান ভেসে আসছে।
বাড়ির দরজায় পা রাখতেই দেখল তার ছোট বোনটি বারান্দায় মন খারাপ করে বসে আছে। হাবিবকে দেখামাত্রই তার চোখেমুখে যে হাজার ওয়াটের হাসি ফুটে উঠল, তা দেখে হাবিবের সারা রাতের ক্লান্তি নিমেষেই উধাও হয়ে গেল। বোন দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরে বলল, "আমি জানতাম তুমি আসবেই!"
হাবিব তার ব্যাগ থেকে ছোট বোনের জন্য কেনা সেই লাল জামাটা বের করল। মা রান্নাঘর থেকে সেমাইয়ের মিষ্টি সুবাস নিয়ে বেরিয়ে এলেন। বাবার চোখে তৃপ্তির জল।
হাবিব বুঝল, ঈদের আসল আনন্দ নতুন পোশাকে বা দামি গ্যাজেটে নেই; ঈদের আসল সার্থকতা হলো প্রিয় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানো আর এক সাথে বসে এক বাটি সেমাই খাওয়ার সেই চিরায়ত মুহূর্তগুলোতে।
HK Habib R Holy Tune

19/03/2026

অচেনা স্টেশনে এক চিলতে ভরসা
​ভার্সিটির ছুটিতে রাইয়ান একাই গ্রামের বাড়ি ফিরছিল। মাঝপথে ট্রেন বিকল হয়ে পড়ায় তাকে নামতে হলো এক অচেনা জংশনে। রাত তখন প্রায় এগারোটা। স্টেশনের আলো ঝাপসা, চারপাশটা কেমন যেন থমথমে। রাইয়ানের সাথে দামী ল্যাপটপ ব্যাগ আর হাতে একটা স্মার্টওয়াচ—একটু ভয় ভয়ই লাগছিল তার।
​প্ল্যাটফর্মের এক কোণে দেখল ছেঁড়া একটা গেঞ্জি পরা এক যুবক বসে আছে। রাইয়ানকে দেখে যুবকটি এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, "ভাই, কোথায় যাবেন? বিপদে পড়লেন নাকি?"
​রাইয়ান প্রথমে একটু ইতস্তত করল, কিন্তু ছেলেটির চোখের সরলতা দেখে জানালো যে তার ট্রেন মিস হয়েছে। ছেলেটির নাম ছিল আকাশ। সে স্টেশনের পাশেই একটা ছোট চায়ের দোকানে কাজ করে। আকাশ বলল, "রাতটা আমার দোকানেই কাটান ভাই। বাইরে বের হওয়া নিরাপদ না।"
​পুরো রাত আকাশ রাইয়ানকে আগলে রাখল। নিজের রাতের খাবার রাইয়ানের সাথে ভাগ করে খেলো। গল্পের ছলে রাইয়ান জানতে পারল, আকাশ পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চেয়েছিল কিন্তু অভাবের কারণে পারেনি। তবুও তার মুখে কোনো আক্ষেপ নেই।
​ভোর হলে আকাশ নিজ দায়িত্বে রাইয়ানকে পরবর্তী ট্রেনে তুলে দিল। বিদায়বেলায় রাইয়ান কিছু টাকা দিতে চাইলে আকাশ হাতটা সরিয়ে দিয়ে মৃদু হেসে বলল, "টাকা দিয়ে কী হবে ভাই? সারা রাত তো আমরা বন্ধুর মতো গল্প করলাম। বন্ধুর কাছে কি কেউ পাওনা রাখে?"
​ট্রেন চলতে শুরু করল। রাইয়ান জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখল আকাশ হাত নাড়ছে। যার সাথে এক রাত আগেও কোনো পরিচয় ছিল না, সেই অচেনা যুবকটি বুঝিয়ে দিয়ে গেল যে— বন্ধুত্ব কোনো সময় বা পরিচয়ের ওপর নির্ভর করে না, এটি কেবল হৃদয়ের টানেই গড়ে ওঠে।
HRK GAMER High Commission of Canada to Bangladesh HONOR Bangladesh Holy Tune

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HRK GAMER posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category