মায়াগ্রাম

মায়াগ্রাম 'নিরাপদ খাদ্যে নিরাপদ জীবন' স্লোগানকে নিয়েই মায়াগ্রাম-এর পথচলা । ভেজালের ভিড়ে অর্গানিক ও খাঁটি পণ্যের বাজার।

✅ আমাদের প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।অর্ডার করার নিয়ম :নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন ...
23/04/2026

✅ আমাদের প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।

অর্ডার করার নিয়ম :
নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

১. আপনার নাম :
২. ঠিকানা :
৩. মোবাইল নম্বর :
৪. পণ্যের নাম :
৫. পরিমাণ :

📢📢📢 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি মাত্র ৭০ টাকা।
📢📢📢 সারা দেশে কুরিয়ার চার্জ মাত্র ১৩০ টাকা।

কাঁটাবন আউটলেট ঠিকানা :
মায়াগ্রাম
১৩০ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স
২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫

মোবাইলে সরাসরি জানতে ও অর্ডার করতে : 01603755247

পাহাড়ি কালো বিন্নি চালজাপান ও মায়ানমারে এই চালের চাষ শুরু হয়, সেখান থেকে এই চাল চলে আসে বাংলাদেশে। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলা...
22/04/2026

পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল

জাপান ও মায়ানমারে এই চালের চাষ শুরু হয়, সেখান থেকে এই চাল চলে আসে বাংলাদেশে। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার চট্টগ্রামে এটি চাষ হতো বলে জানা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকার পাহাড়ে জুমে এই চাষ অব্যাহত আছে।
সকল প্রকার কেমিক্যাল ও মেশিন প্রসেস মুক্ত দূর্গম পাহাড়ের উপজাতিদের উৎপাদিত জুমের অর্গানিক কালো বিন্নি চাল সরবরাহ করে আসছে কৃষক ডটকম।

ব্যবহারবিধি :
সমতল এবং পাহাড়ি দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যেই কালো বিন্নি চাল দিয়ে বিভিন্ন খাবার তৈরির ঐতিহ্য রয়েছে। এই চালের গুড়া দিয়ে পায়েস, ভাপা পিঠা, মুখশালা, চিতই, ভেজানো পিঠা, পাটিসাপটা, চোক্ষা পিঠা, কলা পিঠা, ক্ষীর ইত্যাদি তৈরি করা যায়।

কালো বিন্নি চাল কেন খুব স্বাস্থ্য উপযোগী?

১. কালো বিন্নি চাল ক্যানসাররোধী অ্যান্টি অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ।

২. এই বিন্নি চালে সাদা চালের চেয়ে আয়রন বেশি কিন্তু শর্করা কম, ভিটামিন বি-এর পরিমানও বেশি।

৩. এই চালের ভাত অনেক বেশি পুষ্টিযুক্ত ও স্বাস্থ্যকর।

৪. অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ার ফলে ক্লান্তি ও অস্থিরতা দূর করে; কোলন ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার ও লিউকেমিয়ার প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে কালো বিন্নি চাল।

৫. এই চাল হার্ট ও বাত ব্যাথ দূর করতে সাহায্য করে; অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে সহয়তা করে।

৬. কালো বিন্নি চাল প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে হার্ট সুস্থ্য রাখে। রক্ত চাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিকস ও ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।

৭. আমাদের শরীরকে ডি-টকসিফাই করে এবং লিভার, কিডনি ফাংশন ও বিভিন্ন অরগ্যান সিস্টমকে সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করে।

৮. কালো বিন্নি চাল হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া ও বমি বমি ভাব দূর করতে সাহায্য করে।

এই চালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্বহাইড্রেট যা আমাদের শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

✅ প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।

অর্ডার করার নিয়ম :
নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

১. আপনার নাম :
২. ঠিকানা :
৩. মোবাইল নম্বর :
৪. পণ্যের নাম :
৫. পরিমাণ :

📢📢📢 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি মাত্র ৭০ টাকা।
📢📢📢 সারা দেশে কুরিয়ার চার্জ মাত্র ১৩০ টাকা।

কাঁটাবন আউটলেট ঠিকানা :
মায়াগ্রাম
১৩০ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স
২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫

মোবাইলে সরাসরি জানতে ও অর্ডার করতে : 01603755247

পাহাড়ি লাল বিন্নি চাললাল বিন্নি চাল মূলত পাহাড়ি এলাকাতে উৎপাদিত হয়। জুম চাষের মাধ্যমে উপজাতি কৃষকেরা এই ধান উৎপাদন করে থ...
22/04/2026

পাহাড়ি লাল বিন্নি চাল

লাল বিন্নি চাল মূলত পাহাড়ি এলাকাতে উৎপাদিত হয়। জুম চাষের মাধ্যমে উপজাতি কৃষকেরা এই ধান উৎপাদন করে থাকে সিলেট, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি অঞ্চলে। ভাত হিসেবেও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী লাল বিন্নি চাল অনেকের কাছে খুবই পছন্দের। চালটির বিশেষত্ব হল কাটারিভোগ ও চিনিগুড়া চালের মত সরু বা চিকন না হলেও সুন্দর লাল রং এবং সুঘ্রাণ, রান্নার পর অনেক বেশি আঠালো হয়।

লাল বিন্নি চাল কেন খুব স্বাস্থ্য উপযোগী?

লাল বিন্নি চালে রয়েছে ফাইটিক এসিড, ফাইবার এবং এসেনসিয়াল পলিফেনলস। এটি ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।

এই বিন্নি চাল অন্য অনেক খাদ্য গুনে ভরপুর। রোগ প্রতিরোধে সেরা; ক্যানসাররোধী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যেমন অ্যানথোসায়ানিন বা ফ্ল্যাভেনয়েডে পরিপূর্ণ লাল বিন্নি চাল।

লাল বিন্নি চালে শর্করা কম, কিন্তু আঁশ ও ভিটামিন-বি এর পরিমাণ অনেক বেশি।

এছাড়াও এই বিন্নি চাল ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম ইত্যাদি বিভিন্ন খনিজ লবণে ভরপুর।

ফলে এই চাল নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ধমনিতে রক্ত জমাট বাঁধা কিংবা হজমে গোলমাল সহজেই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ত্বক, চুল ও হাড় মজবুত করতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে লালবিনি চালের জুড়ি নেই।

জুম পদ্ধতিতে চাষ করা হয় বলে পাহাড়ি উর্বর মাটির অনেকটা পুষ্টিগুণ এই চালে রয়ে যায়।

তাছাড়া অন্য ধানের মত বিন্নি ধানকে সেদ্ধ করে নিতে হয়না বলে এক্ষেত্রেও পুষ্টিগুণ থাকে অটুট।

✅ প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।

অর্ডার করার নিয়ম :
নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

১. আপনার নাম :
২. ঠিকানা :
৩. মোবাইল নম্বর :
৪. পণ্যের নাম :
৫. পরিমাণ :

📢📢📢 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি মাত্র ৭০ টাকা।
📢📢📢 সারা দেশে কুরিয়ার চার্জ মাত্র ১৩০ টাকা।

কাঁটাবন আউটলেট ঠিকানা :
মায়াগ্রাম
১৩০ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স
২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫

মোবাইলে সরাসরি জানতে ও অর্ডার করতে : 01603755247

অর্গানিক রোজেলা চারোজেলা চা (Roselle Tea) হলো রোজেলা ফুল বা চুকাই থেকে তৈরি একটি ভেষজ, ক্যাফেইন-মুক্ত পানীয়, যা তার গাঢ...
21/04/2026

অর্গানিক রোজেলা চা

রোজেলা চা (Roselle Tea) হলো রোজেলা ফুল বা চুকাই থেকে তৈরি একটি ভেষজ, ক্যাফেইন-মুক্ত পানীয়, যা তার গাঢ় লাল রঙ, টক-মিষ্টি স্বাদ এবং অসাধারণ স্বাস্থ্যগুণের জন্য পরিচিত। এটি উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি-এর চমৎকার উৎস।

রোজেলা চায়ের প্রধান উপকারিতা :
উচ্চ রক্তচাপ ও হার্ট : নিয়মিত পানে সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হার্ট সুস্থ থাকে।
ওজন ও মেদ নিয়ন্ত্রণ : শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
পুষ্টিগুণ ও রোগ প্রতিরোধ : ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ঠান্ডাজনিত সমস্যা দূর করে।
হজম ও ত্বকের যত্ন : হজমশক্তি বাড়ায় এবং ত্বকের সতেজতা বজায় রাখে।

প্রস্তুত প্রণালী :
শুকনা রোজেলা ফুল এক কাপ গরম পানিতে ৫-১০ মিনিট ভিজিয়ে বা ফুটিয়ে নিন। রঙ গাঢ় লাল হলে ছেঁকে নিন।
স্বাদ বাড়াতে মধু, লেবুর রস বা সামান্য চিনি মিশিয়ে গরম বা ঠান্ডা (Ice Tea) পান করা যায়।

✅ প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।

অর্ডার করার নিয়ম :
নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

১. আপনার নাম :
২. ঠিকানা :
৩. মোবাইল নম্বর :
৪. পণ্যের নাম :
৫. পরিমাণ :

📢📢📢 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি মাত্র ৭০ টাকা।
📢📢📢 সারা দেশে কুরিয়ার চার্জ মাত্র ১৩০ টাকা।

কাঁটাবন আউটলেট ঠিকানা :
মায়াগ্রাম
১৩০ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স
২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫

মোবাইলে সরাসরি জানতে ও অর্ডার করতে : 01603755247

পাহাড়ি কাউন চালপার্বত্য চট্টগ্রামের জুম চাষে উৎপাদিত একটি শতভাগ অর্গানিক, পুষ্টিকর ও সুগন্ধি চাল। এটি ঢেঁকিতে ছাঁটা এবং ...
21/04/2026

পাহাড়ি কাউন চাল

পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম চাষে উৎপাদিত একটি শতভাগ অর্গানিক, পুষ্টিকর ও সুগন্ধি চাল। এটি ঢেঁকিতে ছাঁটা এবং এতে প্রচুর ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন ও মিনারেল রয়েছে। ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগীদের জন্য এটি একটি স্বাস্থ্যকর গ্লুটেন-মুক্ত খাবার। খিচুড়ি ও পায়েস তৈরির জন্য এটি বেশ জনপ্রিয়।

পাহাড়ি কাউন চালের বৈশিষ্ট্য :
১০০% অর্গানিক : খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির উঁচু পাহাড়ে কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ছাড়াই জুম চাষের মাধ্যমে এটি উৎপাদিত হয়।

স্বাদ ও সুগন্ধ : রান্নার পর চাল নরম ও সুগন্ধযুক্ত হয়।

ব্যবহার : পায়েস, ক্ষীর, পোলাও ও ভুনা খিচুড়ি তৈরিতে বেশি ব্যবহার হয়।

কাউন চালের উপকারিতা :

* ছোট দানাবিশিষ্ট কাউনের চালে আছে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসহ আরো অনেক পুষ্টি উপাদান।
* যে কোনো দানাদার খাদ্য উপাদানের চাইতে কাউনের চালে আঁশ অনেক বেশি থাকে। তাই কাউনের চালের যে কোনো খাবার বানিয়ে খেলে পাকস্থলী ভালো থাকে।
* পর্যাপ্ত পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক ও আয়রন থাকায় কাউনের চাল নারীদের জন্য বিশেষ উপকারী খাদ্য।
* কাউনের চালে থাকা কিছু উপকারী উপাদান আমাদের রক্তে মিশে থাকা এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
* কাউনের চালে থাকা পটাশিয়াম আমাদের শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রেখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
* কাউনের চালে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
* এতে ভিটামিন সি রয়েছে। তাই নানা উপকারি খনিজ উপাদান দেহ গঠনে সাহায্য করে।
* আঁশযুক্ত খাবার খেলে পেট অনেক লম্বা সময় পর্যন্ত ভরা থাকে। ফলে ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেয় না। এতে সহজেই ওজন কমানো সম্ভব হয়।

✅ প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।

অর্ডার করার নিয়ম :
নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

১. আপনার নাম :
২. ঠিকানা :
৩. মোবাইল নম্বর :
৪. পণ্যের নাম :
৫. পরিমাণ :

📢📢📢 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি মাত্র ৭০ টাকা।
📢📢📢 সারা দেশে কুরিয়ার চার্জ মাত্র ১৩০ টাকা।

কাঁটাবন আউটলেট ঠিকানা :
মায়াগ্রাম
১৩০ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স
২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫

মোবাইলে সরাসরি জানতে ও অর্ডার করতে : 01603755247

পাহাড়ি সাদা বিন্নি চালউচ্চ আঁশযুক্ত ও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপকারী সাদা বিন্নি চাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও স্বাস্থ্...
20/04/2026

পাহাড়ি সাদা বিন্নি চাল

উচ্চ আঁশযুক্ত ও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপকারী সাদা বিন্নি চাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর চালগুলোর মধ্যে অন্যতম। এ চালে প্রচুর পরিমানে আয়রন ও ফাইবার থাকে, যা আমাদের দেহের নানা পুষ্টি যোগায়। যার কারণে বিন্নি চাল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের প্রথম পছন্দের।

বিন্নি চাল কেন খাবেন?

১. পাহাড়ি আদি ধানগুলোর বিন্নি ধান একটি। মূলত পাহাড়ি এলাকাতে বিন্নি ধান উৎপাদিত হয়।

২. ঝুম চাষের মাধ্যমে স্থানীয় উপজাতিরা বা কৃষকেরা এই ধান উৎপাদন করে থাকে। এছাড়া সিলেট, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি অঞ্চলেও এ ধানের চাষাবাদ হয়।

৩. সব অঞ্চলেই নবান্ন উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ বিন্নি চালের পিঠা, পায়েস, ফিরনি ইত্যাদি।

৪. বিন্নি চাল কে হোল গ্রেইন হিসেবে গণ্য করা হয়। বিন্নি চাল অন্যান্য চাল থেকে অনেক কম প্রসেসড, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ণ।

৫. এ চালে যে সমস্ত ভিটামিন মিনারেলস ও পুষ্টিগুণ থাকে তেমনটি অন্য চাল এ অনুপস্থিত থাকে।

ব্যবহারবিধি :

১. বিন্নি ধানের চালের গুঁড়া দিয়ে সব ধরনের পিঠা তৈরি করা যায়, সে পিঠা অন্যান্য ধানের চালের গুঁড়ার পিঠার চেয়ে নরম হয়।

২. স্বাদ ও গন্ধের জন্য বিন্নি চাল বিখ্যাত; খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।

৩. পায়েস অথবা স্টিকি খিচুড়ির জন্য অসাধারণ চাল।

৪. ভাত হিসেবেও বিন্নি ধানের চাল আদিবাসীদের কাছে খুবই পছন্দের।

৫. এ চাল বেশি সিদ্ধ করতে হয় না বলে তাতে খাদ্যের গুণ অটুট থাকে।

সাদা বিন্নি চাল কেন খুব স্বাস্থ্য উপযোগী?

১. সাদা বিন্নি চালের বিশেষত্ব অন্য চালের তুলনায় এতে কম পরিমাণে শর্করা থাকে এবং উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ। তাই কোনো ফ্যাট বৃদ্ধি হবে না।

২. শরীরের জন্য খুবই উপকারি ভিটামিন বি১, বি৩, বি৬ ও আয়রন, ফসফরাস প্রভৃতি খনিজ পদার্থ বেশি মাত্রায় থাকে; যা শরীরের বিভিন্ন উপাদানের ঘাটতি পূরন করে।

৩. সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে বেশি আঁশ থাকে।

৪. এই চালে কোলেস্টেরল কম; হজমে সাহায্য করে। এছাড়াও এ চালে আয়রন রক্তশূন্যতা হ্রাস করে।

৫. ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলোকে অন্ত্র-কোষের সংস্পর্শে বেশিক্ষণ থাকতে বাঁধা দেয়।

৬. বিন্নি চালের আঁশে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় সূর্যের আলোর ক্ষতিকর আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি ত্বককে রক্ষা করে।

৭. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এই চাল বেশ উপকারি।

৮. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে বিন্নি চালের ভাত উত্তম বিকল্প।

৯. ফাইবার, খনিজ ও ভিটামিনের পরিমাণ বেশি, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং প্রাকৃতিক ফ্যাট সমৃদ্ধ।

১০. এর রয়েছে ঔষুধি গুণও; আমাশয় সারাতে অনেকে খান এ চালের ভাত।

✅ প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।

অর্ডার করার নিয়ম :
নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

১. আপনার নাম :
২. ঠিকানা :
৩. মোবাইল নম্বর :
৪. পণ্যের নাম :
৫. পরিমাণ :

📢📢📢 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি মাত্র ৭০ টাকা।
📢📢📢 সারা দেশে কুরিয়ার চার্জ মাত্র ১৩০ টাকা।

কাঁটাবন আউটলেট ঠিকানা :
মায়াগ্রাম
১৩০ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স
২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫

মোবাইলে সরাসরি জানতে ও অর্ডার করতে : 01603755247

আখের গুড়পায়েস থেকে পাটিসাপটা— গুড়ের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হল গুড়। পিঠে, পুলির স্বাদ বাড়ানোর প...
28/02/2026

আখের গুড়

পায়েস থেকে পাটিসাপটা— গুড়ের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হল গুড়। পিঠে, পুলির স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি গুড় শরীরের প্রতিও নজর কম দেয় না। স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে গুড়ের উপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। আয়রন, ভিটামিন সি, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামে সমৃদ্ধ খাবার গুড়। দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে এই উপাদানগুলি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে যাওয়া দরকার। গুড় সেই প্রয়োজন পূরণ করে।

মায়াগ্রামের আখের গুড় কেনো সেরা?

১। মায়াগ্রাম নিজস্ব জমিতে রাসায়নিক সারবিহীন উৎপন্ন ও পরিচিত কৃষকদের থেকে আখ সংগ্রহ করে দক্ষ কর্মী দিয়ে গুড় তৈরি করে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিয়ে থাকে।

২। এই গুড়ে কোনপ্রকার চিনি, ক্যামিক্যাল, রং ও ক্ষতিকর কিছু দেওয়া হয় না।

৩। আখ থেকে বোতলজাত করা পর্যন্ত নিজস্ব প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ভোক্তার কাছে খাঁটি গুড়টাই মায়াগ্রাম পৌঁছে দিয়ে থাকে।

৪। শুধু অনলাইনে বিক্রি নয়, ঢাকাতে আমাদের রয়েছে নিজস্ব আউটলেট। সুতরাং অনলাইন প্রতারণার ভয় নয়, ট্রাস্টের জায়গায় আমাদের আউটলেট থেকে যে কোন পণ্য সরাসরি দেখেও সংগ্রহ করতে পারবেন।

ব্যবহারবিধি :
পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, সরাসরি গুড় খাওয়ার চেয়ে যদি অন্যভাবে খাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে হয়তো বাড়তি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

* দুধের সঙ্গে-
রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। শুধু খেতে পারেন না বলে অনেকেই হাতে অল্প করে চিনি মিশিয়ে নেন। চিনি খেলে ওজন বাড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বদলে গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন। দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ঋতুস্রাবের যন্ত্রণা কমাতেও এই পানীয় দারুণ কাজে আসবে। এ ছাড়া হজমক্ষমতা উন্নত করতেও এই পানীয় খেতে পারেন।

* হালুয়া-
শীতের সকালে হালুয়া রাঁধতে গিয়ে চিনির বদলে খানিকটা গুড় দিয়ে দিন। হালুয়ার স্বাদেও আসবে বিরাট পরিবর্তন। তা ছাড়া, গুড়ে আয়রনের পরিমাণ অনেক বেশি। হালুয়া খেয়ে যদি শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটানো যায়, তার চেয়ে ভাল কিছু হয় না।

* গুড়ের শরবৎ-
শরীরের ক্লান্তি দূর করতে গুড়ের শরবতের সত্যিই তুলনা হয় না। এই পানীয় শরীর ঠান্ডা রাখে। গরমে সুস্থ থাকতে অনেকেই ভরসা রাখতেন এই পানীয়ে। পেটের যত্ন নেয় গুড়ের জল। তবে গুড়ের জল সব সময়ে খালি পেটে খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যায়। শরীরে জমে থাকা টক্সিন বাইরে বার করে দিতে পারে গুড়ের জল।

* পিঠা/লাড্ডু-
উৎসব-অনুষ্ঠানে অনেকেই বাড়িতে বিভিন্ন পিঠা ও লাড্ডু তৈরি করেন। চিনির বদলে যদি এই পিঠা ও লাড্ডুর প্রধান উপকরণ হয় গুড়, তা হলে স্বাদ এবং শরীর দুইয়ের যত্নই একসঙ্গে নেওয়া যাবে।

উপকারিতা :
১. গুড় শরীরে তাপ উৎপাদন করে এবং দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
২. এতে রয়েছে উচ্চমানের ক্যালোরিফিক যা শরীর উষ্ণ রাখে এবং শক্তি যোগায়।
৩. ক্ষতিকর অনুজীব বৃদ্ধি হ্রাস করতে সাহায্য করে গুড়।
৪. আখের গুড়ে থাকে নানা খনিজ উপাদান। যেমন- লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সেলেনিয়াম ও পটাশিয়াম। এ উপাদানগুলো রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণ দূরে রাখে।
৫. গলার সমস্যা যেমন- কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুস দূর করতে সাহায্য করে।
৬. শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন- কাশি বা বুকে কফ জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এ গুড়।
৭. নিয়মিত খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়।
৮. আখের গুড় রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
৯. এটি পাকস্থলী, অন্ত্র, ফুসফুস ও খাদ্যনালী সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
১০. শীতের শুষ্ক, ঠাণ্ডা আবহে জীবাণুর হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে গুড় অত্যন্ত কার্যকরী।
১১. এতে বিদ্যমান পটাশিয়াম, সোডিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
১২. খাওয়ার পর এক চামচ গুড় খান, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে মুক্তি মিলবেই।
১৩. ঠাণ্ডা লাগা কিংবা সর্দিতে কুসুম গরম পানিতে এটি মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি ভালো হয়।
১৪. আখের গুড়ে রয়েছে এলার্জি বিরোধী উপাদান যা দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। হাঁপানি থাকলে সেরে যায়।
১৫. গরমকালে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এ গুড়ের শরবতের বিকল্প নেই।
১৬. এটি খেলে এনার্জি পাবেন চটজলদি।
১৭. লিভার থেকে দূষিত পদার্থ বের করে সুস্হ রাখতে সাহায্য করে ন্যাচারাল এ ফুড।

সাবধানতা :
১. প্রতি ১০০ গ্রাম গুড়ে আছে ৩৮৫ ক্যালরি, তাই যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় আছেন গুড় তাঁদের জন্য উপকারী নয়। সামান্য পরিমাণে খেলে সমস্যা হবে না। তবে অতিরিক্ত খেলে তা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। গুড়ে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও বেশি।
২. চিনির তুলনায় স্বাস্থ্যকর হলেও গুড় যেহেতু মিষ্টি, তাই এটি অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াবেই। প্রতি ১০ গ্রাম গুড়ে থাকে ৯.৭ গ্রাম চিনি।
৩. গুড় তৈরির পদ্ধতিতে ভুল হলে কিংবা স্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা না হলে সেই গুড় থেকে অন্ত্রে বিভিন্ন জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।
৪. গুড় প্রক্রিয়াজাত নয় এবং এতে প্রচুর পরিমাণে সুক্রোজ থাকে। তাই যাদের বাত বা প্রদাহভিত্তিক রোগ আছে তাদের গুড় বাদ দেওয়া কিংবা একেবারে সামান্য পরিমাণে খাওয়া উচিত।
৫. আয়ূর্বেদিক চিকিত্‍সা শাস্ত্র মতে, গুড় আর মাছ কোনো অবস্থাতেই একসঙ্গে খাওয়া চলবে না। আবার যার 'আলসারেটিভ কোলাইটিস' অর্থাত্‍ পরিপাকতন্ত্রে আলসারের সমস্যা আছে তার জন্য গুড় খাওয়া একদমই উচিত নয়।
মনে রাখবেন, গুড়ের ভেতরে রাসায়নিক পদার্থ খুব সহজে মিশে যায় যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য আরও ক্ষতির কারণ হতে পারে। অতএব, শুধুমাত্র ভাল মানের গুড় কিনুন এবং সঠিক পরিমাণে সেবন করুন।

সংরক্ষণ :
গুড় ঝোলা হোক কিংবা শক্ত কোনোভাবেই যাতে পানি না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখুন। ঝোলা গুড়ের ক্ষেত্রে অনেকেই চামচ ধুয়ে ভেজা চামচ দিয়ে পাত্র থেকে গুড় নেন। এটি কখনোই করা উচিত নয়। কেননা, এতে গুড়ে ছত্রাক জমা হয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

অনেকেই প্লাস্টিকের বয়ামে গুড় রাখেন। এটা সম্ভব হলে এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কেননা, কাচ বা সিলভারের পাত্রে গুড়ের স্বাদ-ঘ্রাণ বেশি দিন অক্ষুণ্ণ থাকে।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি হলো আখের রস থেকে হাতে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পণ্য, যা সম্প্রতি বাংলাদেশের ৫৯তম ভৌগোলিক ন...
20/02/2026

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি হলো আখের রস থেকে হাতে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পণ্য, যা সম্প্রতি বাংলাদেশের ৫৯তম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো এই চিনি তৈরির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং শতভাগ বিশুদ্ধ।

🔷 ফুলবাড়িয়ার লাল চিনির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ :

সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক : এই চিনি তৈরিতে কোনো রাসায়নিক বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। এটি সম্পূর্ণ অর্গানিক বা জৈব উপায়ে প্রস্তুত করা হয়।

হাতে তৈরি পদ্ধতি : আখ মাড়াই করে রস বের করার পর তা কড়াইয়ে জ্বাল দেওয়া হয়। রস ঘন হয়ে এলে কাঠের মুগুর বা কাঠি দিয়ে বিরামহীন নাড়তে নাড়তে এটি পাউডার বা ধুলার মতো আকার ধারণ করে।

স্বাদ ও ঘ্রাণ : কৃত্রিম চিনি বা মিলের চিনির মতো এটি দানাদার নয়; বরং পাউডার বা ছোট গুটির মতো হয়। শরবত বা মিষ্টান্নে ব্যবহার করলে আখের কাঁচা রসের আসল স্বাদ ও ঘ্রাণ পাওয়া যায়।

পুষ্টিগুণ : পরিশোধিত সাদা চিনির বিকল্প হিসেবে এটি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

🔷 ব্যবহারের উপায় :
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কৃষকরা যুগ যুগ ধরে স্থানীয় আবহাওয়া ও মাটির সঙ্গে খাপ খাইয়ে তাদের উৎপাদিত আখ থেকে লাল চিনি তৈরি করে আসছেন। লাল চিনি দিয়ে বানানো জুস, শরবত, পিঠা, নাড়ু, মোয়া, ক্ষীর, মিঠাই খেতেও খুব সুস্বাদু।

🔷 উপকারিতা :
পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যকর : এতে কোনো সোডা, হাইড্রোজ বা ফিটকিরি ব্যবহার করা হয় না, ফলে এটি কেমিক্যালমুক্ত। এতে খনিজ উপাদান ও ভিটামিন অটুট থাকে, যা কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করে না।

রক্তশূন্যতা ও হজম : আয়রন ও মিনারেল সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি রক্তশূন্যতা দূর করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম শক্তি বাড়াতে কাজ করে।

রোগ প্রতিরোধ ও শক্তি : শরীরের ভেতরকার টক্সিন দূর করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দ্রুত শক্তি যোগায়।

ঠান্ডা ও কাশিতে উপশম : শীতকালে গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেলে এটি ঠান্ডা, কাশি ও গলা ব্যথায় প্রাকৃতিক উপশম হিসেবে কাজ করে।

ডায়াবেটিক বান্ধব: সাদা চিনির তুলনায় এতে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি তুলনামূলক নিরাপদ বিকল্প।

🔷 সাবধানতা :
এটি কেমিক্যাল-মুক্ত হলেও, মাত্রাতিরিক্ত যে কোনো মিষ্টিই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি পুরোপুরি স্বাস্থ্যকর বলে ভুল করে অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না, কারণ এটিও এক ধরনের ক্যালোরি উৎস। অতিরিক্ত খেলে হজমেও অস্বস্তি হতে পারে।

🔷 সংরক্ষণ পদ্ধতি :
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি লাল চিনি (ব্রাউন সুগার) দীর্ঘক্ষণ ভালো রাখতে রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে কাঁচের বয়াম বা বায়ুরোধী (air-tight) পাত্রে শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করতে হয় । এই চিনিতে কোনো রাসায়নিক বা প্রিজারভেটিভ থাকে না, তাই বাতাস ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখলে দীর্ঘদিন এর পুষ্টিগুণ ও স্বাদ অটুট থাকে। চাইলে ফ্রিজেও রাখা যায়, এতে চিনিতে আর্দ্রতা জমে দলা পাকানো রোধ করা যায়।

🔷 মায়াগ্রাম থেকে কেন কিনবেন?
১। আমাদের প্রতিটি পণ্যই শতভাগ ভেজালমুক্ত এবং স্বাস্থ্যসম্মত।
২। এটি বাংলাদেশের ৫৯তম জিআই (GI) পণ্য হিসেবে স্বীকৃত, যা এর স্বতন্ত্র স্বাদ ও গুণমানেরই প্রমাণ।
৩। ক্ষতিকারক কোন উপাদানের ঝুঁকি নেই কারণ চিনি উৎপাদন থেকে প্যাকেজিং পর্যন্ত আমরা সরাসরি নিজেরাই সবকিছু তত্ত্বাবধান করে থাকি।

🔷 মূল্য তালিকা :
১ কেজি : ২৬০ টাকা
(পবিত্র রমজান উপলক্ষে পাচ্ছেন স্পেশাল প্রাইজে।)

✅ প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন বা রিফান্ড করতে পারবেন।

🔷 অর্ডার করার নিয়ম :
নিচের পাঁচটি তথ্য দিয়ে পেজে মেসেজ করুন অথবা সরাসরি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

১. আপনার নাম :
২. ঠিকানা :
৩. মোবাইল নম্বর :
৪. পণ্যের নাম :
৫. পরিমাণ :

📢📢📢 ঢাকা সিটিতে হোম ডেলিভারি মাত্র ৭০ টাকা।
📢📢📢 সারা দেশে কুরিয়ার চার্জ মাত্র ১৩০ টাকা।

কাঁটাবন আউটলেট ঠিকানা :
মায়াগ্রাম
১৩০ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স
২৫৩-২৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫

মোবাইলে সরাসরি জানতে ও অর্ডার করতে : 01603755247

'নিরাপদ খাদ্যে নিরাপদ জীবন' স্লোগানকে নিয়েই মায়াগ্রাম-এর পথচলা। ভেজালের ভিড়ে অর্গানিক ও খাঁটি পণ্যের বাজার।দীর্ঘ বিরতির ...
20/02/2026

'নিরাপদ খাদ্যে নিরাপদ জীবন' স্লোগানকে নিয়েই মায়াগ্রাম-এর পথচলা। ভেজালের ভিড়ে অর্গানিক ও খাঁটি পণ্যের বাজার।

দীর্ঘ বিরতির পর নতুন সাজে, নব উদ্যমে আমরা আসছি শীঘ্রই...
(আমাদের পণ্য সম্পর্কে জানতে মায়াগ্রাম-এর সাথে থাকুন।)

Address

130 Concord Emporium Shopping Complex 253-254 Elephant Road, Katabon
Dhaka
1205

Telephone

+8801603755247

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মায়াগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মায়াগ্রাম:

Share