30/05/2023
আত্মহত্যা ১
গল্পটি ১৯৯৫ সালের আব্বাস নামক ব্যক্তির সাথে ঘটেছিল।
সে সময় তার বয়স বেশি ছিল না, তিনি ইন্টার মিডিয়াটেকে পরতেন।
তাদের বাসা ছিল কুষ্টিয়ার পদ্মা নদীর কাছের এক গ্রামে।
তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু টুকটাকি ব্যবসাও করতেন। তিনি বয়লার মুরগির ফ্রাম এর কাজ করতেন।
রাতের বেলা থাকার জন্য তিনি মুরগির ফ্রামের পাশেই একটা ঘর বানিয়ে থাকতেন। যাতে রাতে শিয়াল বা অন্য কোনো প্রাণি মুরগির উপর আক্রমণ করতে না পারে।
তার মুরগির ফ্রামের পাশেই একটা পুকুর ছিল,এবং পুকুরের পাশে একটা বড় পুরোনো কবরস্থান ছিল।
তার একটা ভাগিনা ছিল, তার নাম ছিল ইমন।
একদিন একটা কারণে ইমন তার পরিবারের সঙ্গে রাগ করে বলে আমি আজ মরেই জাবো।এই বলে একটা রশি নিয়ে পুকুরের দিকে চলে যায়।পরে সে গাছের ঢালে রশিটা বান্ধে কিন্তু কি মনে করে যেন সে রশিটা খুলে আবার বাসায় চলে আসে।তার পিছনে তার পরিবারের সদস্যরাও গেছিল যাতে তার কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।
তার ফলে সে আর গলায় ফাঁসি দিতে যায় না।কিন্তু
এরপর থেকে ইমনের সাথে একটা ঘটনা ঘটতে থাকে। সে প্রতি রাতেই সপ্নে দেখতো কেউ ওকে জঙ্গলের ভিতর থেকে বলছে তুই আত্মহত্যা কর। সে একথা তার পরিবারকে বলে। কিন্তু মনের ভুল ভেবে বেশি কিছু চিন্তা করে না।কিছুদিন পর সে রাতে জঙ্গলের দিকে রশি নিয়ে যেতে থাকে।তার পরিবারের একজন সদস্য দেখে বলে তুই এত রাতে রশি নিয়ে কোথায় যাচ্ছিস।
সে বলে আমি, আমি আবার কোথায় যাচ্ছি।
আমি তো নিজেই জানি না।
এরকম প্রায় প্রতিদিনই হতে থাকে।
তাই বাসার সবাই ইমনকে পাহারা দিতে থাকে।
কিন্ত একদিন হটাৎ করে সে নিজেই আত্মহত্যা করে।কিন্তু কারো সাথে তার কোনো সমস্যা হয় নাই। শেষ ঔ যে তার পরিবারের সাথে একটু রাগারাগি হয়েছিল।কিভাবে বা কেন করেছে তা কেউই জানে না।
গ্রামে একটা প্রচলিত কথা ছিল যে কেউ যদি আত্মহত্যা করতে যায়, কিন্তু পরে সে তা না করে তার যে রশিটা ছিল তা পুরিয়ে ফেলতে হয়, যাদি তা না করে তাহলে সে মরে যায়। তাই তারা মৃত্যুর কারণ হিসেবে এটাকেই বেছে নেয়।
তাকে আব্বাস সাহেবের যে মুরগির ফ্রামের পাশে কবরস্থান ছিল সেখানে দাফন করা হয়।
আব্বাস সাহেব ইমনকে খুব ভালোবাসতেন। ভাগিনা ছিল ত তাই।এছাড়াও তারা মাঝে মাঝেই তাদের মুরগির ফ্রামের পাশের ঘরে একসাথে ঘুমাতেন, রাত ভরে গল্প করতেন । যার কারনে তিনি নিজেও খুব ভেঙে পরে তার ভাগিনার এভাবে মৃত্যুতে।
৭-৮ দিন পরে সে সপ্নে দেখে ইমন কবর থেকে উঠে এসে ম