প্রশান্তি - Prushanti

প্রশান্তি - Prushanti একটি সুখী স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য ভেষজ!

শীতে চিনাবাদাম খাওয়া কেন জরুরি?শীতকালে নানারকম উৎসব লেগেই থাকে। আর উৎসব মানেই খাওয়া-দাওয়ার ধুম। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে খা...
30/11/2023

শীতে চিনাবাদাম খাওয়া কেন জরুরি?

শীতকালে নানারকম উৎসব লেগেই থাকে। আর উৎসব মানেই খাওয়া-দাওয়ার ধুম। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে খাদ্যাভ্যাস বদলে ফেলা উচিত তা না হলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার প্রবণতা বাড়ে।

শীতে নানারকম শাকসবজি পাওয়া যায়। এসব শাকসবজি শরীরে পুষ্টি জোগায়। শীতে সুস্থ থাকতে এসব খাবারের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন চিনাবাদাম।

নিয়মিত চিনাবাদাম খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. সঠিক পরিমাণে চিনাবাদাম খেলে ওজন ঝরে। এই বাদাম প্রোটিনের ভালো উৎস। এই বাদাম খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হেয়। ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে।

২. চিনাবাদামে পর্যাপ্ত শরীরের জন্য উপকারী পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে।

৩. চিনাবাদামে উপস্থিত প্রোটিন পেশির স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শরীরচর্চার পর এই বাদাম খেলে তা শরীরের জন্য কার্যকর হয়।
৪. চিনাবাদামে থাকা ফোলেট অন্ত:সত্ত্বা নারীদের এবং গর্ভস্থ শিশুর জন্য খুবই উপকারী।
৫. চিনাবাদামে রয়েছে ভিটামিন বি ৩ ও নিয়াসিন। এই দুটি উপাদান ত্বকের কোঁচকানো ভাব কাটিয়ে দেয়। ত্বক সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগও দূরে সরিয়ে রাখে।

Source: https://samakal.com/

#প্রশান্তি #বাদাম

ফ্যাটি লিভার কি শুধু মোটাদেরই হয়?আমাদের লিভারে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক উপাদানের মতো চর্বিও জমা থাকে। তবে এর একটি স্বা...
28/11/2023

ফ্যাটি লিভার কি শুধু মোটাদেরই হয়?

আমাদের লিভারে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক উপাদানের মতো চর্বিও জমা থাকে। তবে এর একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চর্বি জমা হলে একে ফ্যাটি লিভার বলে। ফ্যাটি লিভার অনেকের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা না করলেও কারও কারও ক্ষেত্রে নীরবে লিভার সিরোসিসের মতো রোগ তৈরি করতে পারে। বর্তমানে ফ্যাটি লিভার একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফ্যাটি লিভারের প্রধান ঝুঁকি বা কারণ হিসেবে অধিক ওজন বা স্থূলতাকে দায়ী করা হয়। কিন্তু যাঁদের ওজন স্বাভাবিক বা যাঁরা অত মোটা নন, তাঁদেরও কি ফ্যাটি লিভার হতে পারে?

উচ্চতা অনুযায়ী ওজন বেশি না কম, তা নির্ধারণের সূত্র হচ্ছে বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই। এশীয় অঞ্চলের মানুষের বিএমআই ২৩–এর নিচে হলে ‘স্বাভাবিক’, ২৩-২৪ হলে ‘অধিক ওজন’ এবং ২৫–এর ওপরে হলে ‘স্থূল’ ধরা হয়।

যাঁদের বিএমআই ২৩–এর নিচে, অর্থাৎ যাঁরা স্লিম, তাঁদেরও ফ্যাটি লিভার হতে পারে। এই হার প্রায় ১০-২০ শতাংশ। একে মেডিকেলের ভাষায় বলা হয় লিন ফ্যাটি লিভার।

যেসব কারণে স্থূল না হয়েও ফ্যাটি লিভার হতে পারে
১. ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: ফ্যাটি লিভারের অন্তর্নিহিত কারণ হচ্ছে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। এই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ অনেক রোগের জন্য দায়ী। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স স্থূলকায় ব্যক্তিদের বেশি দেখা গেলেও স্বাভাবিক ওজনের ব্যক্তিরও হতে পারে।

২. পেটের মেদভুঁড়ি: পেটে অধিক মেদ জমে বেঢপ ভুঁড়ি আমাদের অনেকেরই আছে। স্বাভাবিক কোমরের সাইজ পুরুষের ক্ষেত্রে ৯০ সেন্টিমিটার আর নারীদের ক্ষেত্রে ৮০ সেন্টিমিটার। এর বেশি হলে পেটে অতিরিক্ত চর্বি আছে, ধরে নিতে হবে। বিএমআই অনুযায়ী ওজন বেশি না হলেও যাঁদের ভুঁড়ি আছে, তাঁদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি অনেক বেশি।

৩. খাদ্যাভ্যাস: অধিক রিফাইন্ড সুগার, অতিরিক্ত শর্করা এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট খেলে ফ্যাটি লিভার হতে পারে।

৪. বংশগত প্রবণতা: কিছু সুনির্দিষ্ট ত্রুটিপূর্ণ জিনের সঙ্গে ফ্যাটি লিভার হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। তাই মা–বাবার এ ধরনের জিনগত ফ্যাটি লিভার হলে সন্তানেরও হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেটা অতিরিক্ত ওজন না থাকা সত্ত্বেও।

প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
১. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। খাবারে প্রচুর শাকসবজি, ফল থাকতে হবে। পরিমিত শর্করাজাতীয় খাবার খাবেন। ফাস্টফুড পরিহার করুন।

২. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন ৩০ মিনিট জোরে হাঁটা বা যেকোনো ব্যায়াম করুন। নিয়মিত শরীরচর্চা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে সাহায্য করে।

৩. রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খেতে হবে। অধিক রাতে খেয়ে ভরা পেটে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

আপনার ওজন বেশি বা স্বাভাবিক যা–ই হোক না কেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে অনেক সাহায্য করবে।

ডা. ফয়েজ আহমদ খন্দকার: লিভার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা.
Source: https://www.prothomalo.com/

#প্রশান্তি

পাকস্থলীর ক্যানসার নিয়ে সচেতন হোননভেম্বর পাকস্থলীর ক্যানসার সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করা হয়। পাকস্থলীর ক্যানসার বিশ্বব্যা...
28/11/2023

পাকস্থলীর ক্যানসার নিয়ে সচেতন হোন

নভেম্বর পাকস্থলীর ক্যানসার সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করা হয়। পাকস্থলীর ক্যানসার বিশ্বব্যাপী সব ক্যানসারের মধ্যে পঞ্চম এবং ক্যানসার-সংক্রান্ত মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। পাকস্থলীর ক্যানসার হলো সবচেয়ে প্রাণঘাতী ম্যালিগন্যান্ট টিউমারগুলোর মধ্যে একটি।

কারণ
হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণ এই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া লবণাক্ত খাবার, ধোঁয়াযুক্ত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার, নাইট্রেট, নাইট্রাইট এবং সেকেন্ডারি অ্যামাইনযুক্ত খাবার, অ্যালকোহল সেবন, তামাক ব্যবহার পাকস্থলী ক্যানসারের কারণ হিসেবে বিবেচিত। বয়স ৬০-এর বেশি; স্থূলতা; আলসার রোগের জন্য আংশিক গ্যাস্ট্রেক্টমির প্রায় ২০ বছর পর; দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রাইটিস বা পাকস্থলীর প্রদাহ; যাঁদের পাকস্থলীর ক্যানসারের পারিবারিক ইতিহাস আছে (যেমন বাবা-মা, ভাই-বোন, বা ছেলে-মেয়ে); পারিবারিক ক্যানসার সিনড্রোম, যেমন পারিবারিক অ্যাডেনোমেটাস পলিপোসিস; বংশগত নন-পলিপোসিস কোলোরেক্টাল ক্যানসার ও বংশগত ডিফিউজ গ্যাস্ট্রিক ক্যানসার; জিনগত পরিবর্তন; এপস্টাইন-বার ভাইরাস সংক্রমণ; পারনিসিয়াস অ‌্যা‌নি‌মিয়া; গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ ও এ রক্তের গ্রুপসম্পন্ন ব্যক্তিদের ঝুঁকি বেশি। ধাতুশ্রমিক, খনিশ্রমিক, রাবারশ্রমিক এবং সেই সঙ্গে কাঠ বা অ্যাসবেস্টস নিয়ে কাজ করা মানুষ বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। খুব উচ্চ মাত্রার বিকিরণের সংস্পর্শে থাকলেও পাকস্থলী ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

লক্ষণ
প্রাথমিক পর্যায়ে পাকস্থলীর ক্যানসারের সাধারণত কোনো লক্ষণ থাকে না এবং এটি শনাক্ত করা কঠিন। সাধারণত ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার পর লক্ষণগুলো শুরু হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে—বদহজম ও পেটে অস্বস্তি; খাওয়ার পর পেট ফুলে যাওয়া; বমি বমি ভাব; ক্ষুধামান্দ্য; অম্বল বা বুক জ্বালাপোড়া করা ইত্যাদি। আরও অ্যাডভান্সড স্টেজে প্রাথমিক পর্যায়ের লক্ষণগুলোর সঙ্গে আরও কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে আছে মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া বা কালো পায়খানা হওয়া; বমি; ওজন হ্রাস; পেটব্যথা; জন্ডিস (চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া); পেটে পানি জমা।

চিকিৎসা
চিকিৎসা নির্ভর করে ক্যানসারের স্টেজের ওপর। অবস্থা বুঝে অস্ত্রোপচার (টিউমারের অবস্থান ভেদে পাকস্থলীর কিছু অংশ বা পুরোটা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা), কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপিও টার্গেটেড ড্রাগ থেরাপি দেওয়া হয়। কেমোথেরাপি সাধারণত সার্জারির পর দেওয়া হয়। কিন্তু কখনো কখনো সার্জারির আগেও দেওয়া হয়।

করণীয়
যেহেতু এটা খারাপ ধরনের ক্যানসার, তাই প্রতিরোধে সচেতনতা বেশি দরকার। এ ব্যাপারে করণীয় হলো ধূমপান পরিহার করা; এইচ পাইলোরি ইনফেকশন থাকলে তা নির্মূল করা; খাদ্যাভ্যাসের ইতিবাচক পরিবর্তন; ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা; নিয়মিত ব্যায়াম করা; মদ্যপান পরিহার করা; অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য এনএসএআইডিএস-জাতীয় ওষুধ, যেমন আইবুপ্রফেন অথবা ন্যাপ্রকজেন সোডিয়াম-জাতীয় ওষুধ বিনা পরামর্শে সেবন না করা।

ডা. মো. একরামুল হক জোয়ার্দ্দার, ক্যানসার সার্জারি বিশেষজ্ঞ, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।

Source: https://www.prothomalo.com/

#প্রশান্তি

27/11/2023

Welcome প্রশান্তি - Prushanti

Address

Dhanmondi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রশান্তি - Prushanti posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share