Ruqyah Solution

Ruqyah Solution Authentic Ruqyah Shar‘iyyah,
Based on the Qur’an and Sunnah Authentic Ruqyah Shar‘iyyah,Based on the Qur’an and Sunnah.

ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল রাহিমাহুল্লাহর সময়ের ঘটনা। আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতাওয়াক্কিলের দরবারে এক দাস ছিল, যে হঠাৎ করে অস্বাভ...
30/01/2026

ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল রাহিমাহুল্লাহর সময়ের ঘটনা। আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতাওয়াক্কিলের দরবারে এক দাস ছিল, যে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে—সে চিৎকার করত, অচেনা কণ্ঠে কথা বলত, কখনো জ্ঞান হারাত!
স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল সে জ্বীনের আক্রমণে আক্রান্ত। বহু চিকিৎসা ও চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বিষয়টি খলিফার কানে পৌঁছায়। তখন খলিফা তাঁর একজন লোককে পাঠালেন ইমাম আহমাদের কাছে। লোকটি এসে সব খুলে বলল এবং সাহায্য চাইল। সবাই ভাবছিল, ইমাম আহমাদ হয়তো নিজে এসে রুকাইয়া করবেন। কিন্তু তিনি শান্তভাবে নিজের জুতা খুলে দূতের হাতে দিলেন এবং বললেন—এই জুতাটা নিয়ে যাও, রোগীর কাছে গিয়ে জ্বীনকে আমার এই বার্তাটা দিও– “ইমাম আহমাদ বলছেন, তুমি যদি এই মানুষের শরীর ছেড়ে এখনই বের হয়ে না যাও, তাহলে আমি নিজে এসে এই জুতা দিয়ে তোমাকে এমন মার দেব যে তুমি সহ্য করতে পারবে না।”
দূত সেই জুতা নিয়ে ফিরে গেল এবং ঠিক এই কথাগুলো রোগীর সামনে বলল। তখন রোগীর মুখ দিয়ে জ্বীন কথা বলা শুরু করলো এবং বলল—আমি এই শরীর ছেড়ে চলে যাচ্ছি, কারণ আমি জানি আহমাদ ইবনু হাম্বল যদি সত্যিই আমাকে মারেন, তাহলে আমি টিকে থাকতে পারব না। সঙ্গে সঙ্গেই লোকটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল, যেন কিছুই ঘটেনি।
শুধুমাত্র একজন আল্লাহভীরু ইমামের নাম আর আল্লাহর কাছে তাঁর অবস্থানের কারণে জ্বীন পালিয়ে গেল।
এরপর বহু বছর কেটে যায়। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর পর সেই একই লোক আবার আগের মতো জ্বীনে আক্রান্ত হয়। মানুষ তখন জ্বীনের কাছে জিজ্ঞেস করে—আগে তো তুমি চলে গিয়েছিলে,এখন আবার কেন এসেছো? তখন রোগীর মুখ দিয়ে জ্বীন উত্তর দেয়—আগে আমি ভয় পেয়েছিলাম, কারণ আহমাদ ইবনু হাম্বল জীবিত ছিলেন। তিনি যদি চাইতেন, আল্লাহর ইচ্ছায় আমাকে শাস্তি দিতেন, কিন্তু এখন তিনি দুনিয়াতে নেই; এখন আমাকে ভয় দেখানোর মতো কেউ নেই, তাই আমি ফিরে এসেছি।

এই ঘটনার মূল অংশ অর্থ্যাৎ জুতা দিয়ে হুমকির মাধ্যমে জ্বীন বের হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে ইমাম আবু ইয়ালা আল-ফাররা রাহিমাহুল্লাহর তাবাকাতুল হামাবিলা, ইবনু মুফলিহ আল-হাম্বলি রাহিমাহুল্লাহর আল-আদাবুশ শরইয়্যাহ এবং ইমাম ইবনু কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহর যাদুল মা'আদ গ্রন্থে। আর ইমাম আহমাদের ইন্তেকালের পর পুনরায় আক্রান্ত হওয়ার অংশটি এসেছে পরবর্তী যুগের তারিখি ও ব্যাখ্যামূলক নকল হিসেবে। এটি প্রসিদ্ধ বর্ণনা হলেও প্রথম অংশের মতো শক্ত সনদে স্বতন্ত্রভাবে প্রমাণিত নয়।

30/01/2026

স্বামী স্ত্রীর মাঝে অশান্তি, মনোমালিন্য দূর করতে পড়ুন

اللَّهُمَّ أَلِفُ بَيْنَ قُلُوبِنَا ، وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا ، وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ

অর্থ: "হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরগুলোর মধ্যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি তৈরি করে দিন, আমাদের মধ্যকার বিষয়গুলো সংশোধন করে দিন এবং আমাদের শান্তির পথ দেখান।"

নিয়ত করে প্রতিদিন ৫০-১০০ বার পাঠ করবেন।

ইনশাআল্লাহ অল্প দিনের মধ্যেই আল্লাহ'র ইচ্ছা সম্পর্ক ঠিক হয়ে যাবে।

Courtesy: Ruqyah Zone

বর্তমানে আমরা সোশাল মিডিয়ায় নিজেদের সুখকর সময় গুলো প্রচার করে বেড়াতে দারুন সাচ্ছন্দ্যবোধ করি তাই না? অপরকে নিজের আনন্দের...
29/01/2026

বর্তমানে আমরা সোশাল মিডিয়ায় নিজেদের সুখকর সময় গুলো প্রচার করে বেড়াতে দারুন সাচ্ছন্দ্যবোধ করি তাই না? অপরকে নিজের আনন্দের মোমেন্ট,ঘুরতে যাওয়া,নতুন গাড়ি বা বাইকের বিভিন্ন সাইড ক্লিক দেখাতে ভালোই পছন্দ করি। অনেকে তো নিজের বাচ্চার ছবিও হরহামেশা মাই ডে দিয়ে থাকি-ভাবি মানুষ আমার অমুক অমুক জিনিস দেখে রিয়েক্ট করবে,অথবা প্রশংসা করবে ইত্যাদি। অথচ এগুলো এক প্রকার খাল কেটে কুমির আনার মতোই,কারণ বদনজর সুস্পষ্ট সত্য। আর এর ভয়াবহতা এতোটাই তীব্র যা মানুষকে কবর পর্যন্ত নিয়ে দিতে পারে।

যাই হোক,সাধারণভাবে বদনজর বললেই আমাদের মাথায় আসে-কোনো মানুষের কুদৃষ্টি। নিঃসন্দেহে এটা সত্য। কিন্তু কুরআন-সুন্নাহ ও সালাফে সালিহীনের ব্যাখ্যা থেকে স্পষ্ট হয়,বদনজরের বাস্তবতা শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়।
অনেক ক্ষেত্রে বদনজরের উৎস হয় জ্বীন ও শাইতান, অথবা মানুষের বদনজরকে শরীরের ভেতরে থাকা শাইতান আরও তীব্র করে তোলে।
শাইতান মানুষের শরীরের সুস্থতার ওপর বদনজর দিয়ে
অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে,মানসিক প্রশান্তির ওপর বদনজর দিয়ে অস্থিরতা,ভয়,দুশ্চিন্তা বাড়াতে পারে,
রিজিকের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি ধীরে ধীরে দ্বীন ও ঈমান দুর্বল করে দিতে পারে।
মানুষের বদনজরে যা কিছু ঘটে-জ্বী নের বদনজরেও মূলত তাই'ই ঘটে।
বদনজর মৃত্যুর কারণও হতে পারে। রাসূলুল্লাহ ﷺ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন,
“বদনজর মানুষকে কবরে পৌঁছে দেয় এবং উটকে পাতিলে।”
অর্থাৎ, মানুষ বদনজর এতোটাই মারাত্মক হতে পারে যার কারণে মানুষ মৃত্যু অবধি চলে যেতে পারে,আর পশু এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে যে তাকে জবাই করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। আল্লাহু আকবার।
এমনকি নবী ﷺ শিশুদের অস্বাভাবিক কান্না দেখে বলেছেন—“তোমরা কেন তার জন্য বদনজরের রুকইয়াহ করছ না?”
আরেক ঘটনায়, একটি শিশুর চেহারায় দাগ দেখে রাসূল ﷺ বলেছেন—
“এটা বদনজরের প্রভাব—তাকে ঝাড়-ফুঁক করাও।”
ইমামগণ ব্যাখ্যা করেছেন—এখানে যে ‘নজর’-এর কথা বলা হয়েছে, তা জিনের নজরও হতে পারে।
বদনজর শুধু চোখে দেখা নয়—এটা হিংসার বহিঃপ্রকাশ। নবী ﷺ বলেছেন—
“বদনজর সত্য। এটি মানুষকে উঁচু স্থান থেকে নিচে ফেলে দিতে পারে।”
মুসনাদে আহমাদের একটি বর্ণনায় এসেছে-“এর কারণ শাইতান ও মানুষের হিংসা।”

তো বদনজর থেকে বাঁচবেন কীভাবে?
সূরা ফালাক ও নাস নিয়মিত পড়া। “أعوذ بالله من الشيطان الرجيم” পাঠ করা,সকাল-সন্ধ্যার আযকার নিয়মিত জারি রাখা। অন্যকে প্রশংসা করার সময় অবশ্যই “মাশা-আল্লাহ” বলা। কারো উত্তম কিছু দেখলে অবশ্যই মাশা-আল্লাহ বলা এবং নিজের উত্তম কিছু অন্য কেউ দেখলে তাকে মাশা-আল্লাহ বলতে বলা। অপরের সৌন্দর্য,বারাকাহ ও সফলতা দেখলে ঈর্ষা না করা,জিন ও শাইতানের কুপ্রভাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। সবচেয়ে উত্তম নিজের উত্তম বিষয় বা বস্তু গুলো বিনা প্রয়োজনে প্রচার না করা।

আল্লাহ আমাদের সকল বিষয়গুলো মেনে চলার এবং আমল করার তাওফিক দান করুক।

•পোস্টটি চাইলে শেয়ার করতে পারেন,এর দ্বারা আপনার পরিচিত মানুষরা উপকার পেতে পারে এবং আমাদের রিচ'ও বৃদ্ধি পাবে।
জাজাকুমুল্লাহু খাইরান।

بسم الله الرحمن الرحيم"আমাদের পরিচয় এবং রুকইয়াহ কী ও কেনো?"আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলেন: “আমরা তা (কোরআন) নাযিল করেছি, য...
29/01/2026

بسم الله الرحمن الرحيم

"আমাদের পরিচয় এবং রুকইয়াহ কী ও কেনো?"

আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বলেন: “আমরা তা (কোরআন) নাযিল করেছি, যা মানুষের জন্য চিকিৎসা এবং দিক-নির্দেশনার জন্য।”
সূরা আল ইসরা (১৭:৮২)

তিনি আরো বলেন: “যারা বিশ্বাস করে, তাদের জন্য কোরআনই শিফা এবং রহমত।”
সূরা ইউনুস (১০:৫৭)

রাসূল ﷺ বলেছেন:
“রুকাইয়াহতে কোনো সমস্যা নেই, যতক্ষণ তাতে শিরক না থাকে।”
সহিহ মুসলিম,২২২২

•প্রথমেই শুরু করছি রুকইয়াহ নিয়ে ইমামদের বক্তব্য দিয়ে।
ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রাহি. বলেন-
“রুকাইয়াহ,দো‘আ ও যিকির হলো অন্তর ও দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী চিকিৎসা।”
(মাজমূ আল-ফাতাওয়া)

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন—
“কুরআন এমন পূর্ণাঙ্গ শিফা,যা অন্তরের রোগ ও শরীরের রোগ-উভয়ের জন্যই যথেষ্ট।”
(যাদুল মাআদ ফি হাদই খাইরিল ইবাদ)

ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহ.) বলেছেন-
“রুকাইয়াহ হলো কুরআন, আল্লাহর নাম ও প্রমাণিত দো‘আ দ্বারা রোগীর জন্য শিফা কামনা করা।”

ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেছেন-
“রুকাইয়াহ হচ্ছে কুরআন তিলাওয়াত, যিকির ও দো‘আর মাধ্যমে রোগ ও কষ্ট দূর করার শরঈ পদ্ধতি।”
(মাজমূ আল-ফাতাওয়া)

ইমাম নববী (রহ.) বলেছেন-
“রুকাইয়াহ বলতে কুরআন, আল্লাহর নাম ও প্রমাণিত দো‘আ দ্বারা চিকিৎসা করাকে বোঝায়।”
সুতরাং স্পষ্ট ভাবে বললে রুকাইয়াহ হলো ইসলামিক চিকিৎসার একটি সুস্পষ্ট এবং সুন্নতভিত্তিক শরয়ী পদ্ধতি- যার মাধ্যমে মানুষ কুরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম এবং প্রমাণিত দো‘আ পড়ে নিজে বা অন্য কারও ওপর শারীরিক ও মানসিক কষ্ট,রোগ, বদনজর,হিংসা,জ্বিনের প্রভাব কিংবা সিহরের ক্ষতি থেকে শিফা কামনা করে খোদ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে। এটি কখনোই কোনো মন্ত্র, তাবিজ বা যাদু নয়,যা দ্বারা আল্লাহর সাথে শির্ক করা হয়। বরং রাসূল ﷺ নিজে রুকাইয়াহকে বৈধ ঘোষণা করেছেন এবং এটি শির্কমুক্ত হলে কোনো সমস্যা নেই, তাই সালাফরা এই পদ্ধতিটিকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবহার করতেন। এবংকি রাসূল ﷺ কে করা যাদুর বিপরীতেই আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা সূরা ফালাক এবং নাস নাযিল করেন।
ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রাহি. বলেছেন, রুকাইয়াহ হলো অন্তর ও দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী চিকিৎসা, যা কুরআন, যিকির ও দো‘আ দ্বারা কার্যকর হয়। ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহি. বলেছেন, এটি আল্লাহর কালাম ও নামসমূহের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করার একটি পদ্ধতি, যার শিফা আসে সম্পূর্ণ আল্লাহর পক্ষ থেকে।
ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল এবং হাসান আল-বাসরী বলেন, কুরআন ও প্রমাণিত দো‘আ ব্যবহার করে রুকাইয়াহ করা সুন্নাহ এবং এতে কোনো বাধা নেই। ইমাম শাফেয়ী ও ইমাম মালিকও রুকাইয়াহকে বৈধ ও সুন্নাহ হিসেবে স্বীকার করেছেন।
🔸রুকইয়াহ করার শরয়ী পদ্ধতি কী?
রুকাইয়াহ করার সময় অবশ্যই শর্ত হলো—এটি শিরকমুক্ত হতে হবে, কোনো তাবিজ বা অজানা মন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না, এবং বিশ্বাস থাকতে হবে যে শিফা শুধুমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। মাইন্ড ইট,রাকি এবং পেশেন্ট উভয়ের জন্য মাস্ট বি শর্ত হলো এই আকিদাহ লালন করা যে "শিফা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই"।

যাই হোক,রুকইয়াহ একদিকে যেমন আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল ও ইমানকে দৃঢ় করে, অন্যদিকে শারীরিক ও মানসিক রোগের উপর আল্লাহর ইচ্ছায় শিফা আসে। রুকাইয়াহ শুধু শরীরের জন্য নয়, বরং কলব এবং অন্তরের জন্যও উপকারী একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী পদ্ধতি। সংক্ষেপে বলা যায়, রুকাইয়াহ হলো কুরআন ও দো‘আর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শিফা কামনা বা ঝাড়ফুক। এখন সেটা হতে পারে প্যারানরমলান বা স্প্রিচুয়ালি সমস্যার জন্য বা বিভিন্ন শারিরীক রোগের জন্যও। তবে হা,প্যারানরমাল সমস্যা গুলোর জন্যই বিশেষ ভাবে রুকাইয়া প্রচলিত। আরেকটা কথা,বিভিন্ন রোগের জন্য যখন রুকইয়াহ করা হয় তখন কী মেডিকেল ট্রিটমেন্ট বন্ধ থাকবে? নাহ,মোটেও না। বরং সেটাও চলমান থাকবে। রুকইয়াহর পাশপাশি মেডিকেল ট্রিটমেন্ট চলা কখনোই তাওয়াক্কুল বিরোধী নয়।
🔸রুকাইয়া দ্বারা মূলত কী কী করা হয়?
অনেকেই ধারণা করেন রুকইয়াহ বোধহয় তান্ত্রিক বা কবিরাজিরই একটা ভার্সন। তবে পাঠকরা আশা করি ইতোমধ্যেই বুঝেছেন,এটি এমন কোনো শিরকি কাজকে তো বৈধতা দেয়'ই না,বরং রুকাইয়ার সাথেই এসব কুফর এবং শির্কি যাদুর মূল দ্বন্দ্ব। যাদু,বদনজর,হিংসা ইত্যাদির মাধ্যমে যখন শাইত্বন মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করে কিংবা অসুস্থ করে তোলে,তখন আল্লাহ ইচ্ছায় সেই অসুস্থতা থেকে মুক্তির উদ্দেশ্যেই আল্লাহর কাছে শিফার নিয়্যাতে রুকাইয়া করা হয়। তো রুকাইয়া এমন কোনো বস্তু না,যার দ্বারা কাউকে বস করা যাবে,কারো বিচ্ছেদ ঘটানো যাবে,কিংবা অনিষ্ট করা যাবে অথবা কাউকে ধ্বংস করা যাবে (নাউজুবিল্লাহি মিন জ্বালিক)! বরং এসব শির্কি কার্যকলাপকে ধংস করতে এবং এগুলো থেকে বাঁচার জন্যই আল্লাহ আমাদেরকে যেই পদ্ধতি দিয়েছেন তা হলো "রুকইয়াহ"।
⚠️কীভাবে ভন্ড কবিরাজ,যাদুকর বা তান্রিকদের চিনবেন?
এদেরকে চেনার সহজতর উপায় হলো,তারা চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোরআন এবং সুন্নাহর অনুগামী হয় না। বরং আপনি দেখবেন তারা বিভিন্ন গোপন নকশা,মন্ত্র,তাবিজ সহ নানারকম আজগুবি জিনিসের দারস্ত হয়। আচ্ছা আপনিই বলুন,আল্লাহ তায়ালা কী চিকিৎসার জন্য এসবই নাজিল করেছিলেন? আল্লাহর রাসূল কী এসব দ্বারা কাউকে চিকিৎসা করেছেন এমন নজির আছে? বা কোনো সাহাবী,বা কোনো সালাফ,বা কোনো তাবে-তাবেঈ করার নজির আছে অন্তত? তাহলে এসব লোক এই চিকিৎসা পদ্ধতি গুলো কোথায় পেলো? অথচ যা কোরআন-সুন্নাহ তো দূর কী বাত,কোনো মেডিকেলের কিতাবেও নেই! আপনি যদি বোকা না হয়ে থাকেন,তবে অবশ্যই বোঝার কথা। আল্লাহ অবশ্যই আপনাকে আকল দিয়েছেন। এছাড়াও আপনি দেখবেন,তারা আপনার পিতা-মাতার নাম জানতে চাইবে,লাল কালি ব্যবহার করে বিভিন্ন জিনিস লিখা লিখি করবে,গায়েবের খবর বলে দিবে (খাদিম শ্বাইতনের মাধ্যমে-আল্লাহর সাথে শির্ক করে) ইত্যাদি।
মনে রাখবেন,এরা আপনার সমস্যা তো দূর করবেই না বরং একটা করে সমস্যা আপনার সাথে নতুন ভাবে যুক্ত করবে। সাময়ীক ভাবে সমস্যা দূর হওয়ায় আপনি হয়তো খুব খুশিই হবেন,কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী আপনি দেখতে পাবেন-আপনি আগের চেয়েও বেশী অসুস্থ। এগুলো নিয়েও লম্বা আলোচণা আছে,সব তো আর এক পোস্টে বলা সম্ভব নয়,বরং আমাদের পেইজকে ফলো দিয়ে রাখুন-আল্লাহ চাইলে ধীরে ধীরে জানাবো। বা এগুলো নিয়ে কিছুটা ঘাটাঘাটি করলেও অন্যান্য রাকি ভাইয়েদের লিখনির মাধ্যমে জানতে পারবেন ইনশা-আল্লাহ।
🔸আমাদের পরিচয়
Ruqyah Solution এর মূল উদ্দেশ্য কুরআন,সুন্নাহ বা সহজে বললে শরয়ী পদ্ধতিতে আপনাদের বদনজর,হাসাদ,যাদু,জ্বীন জনিত সমস্যা,ওয়াসওয়াসা/OCD,অস্বাভাবিক দ্বীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা সহ ইত্যাদির চিকিৎসা দেওয়া। বলে রাখা ভালো,শিফার মালিক আল্লাহ। আমরা কেবল চেষ্টাকারী। অনেকেই ভেবে থাকেন,এক চুটকিতেই সমাধাণ! বিষয়টা মোটেও এমন না। শিফার জন্য প্রয়োজন আল্লাহর উপর ত্বাওয়াক্কুল,বিশুদ্ধ নিয়্যাহ এবং দুয়া। এগুলোর সমন্বয়ে আল্লাহ অবশ্যই সুস্থতা দান করবেন ইনশাআল্লাহ।

বিস্তারিত শিডিউল সহ যেইকোনো তথ্যের জন্য আমাদের হোয়াটসএ্যাপ কিংবা মেসেঞ্জারে ইনবক্স করতে পারেন।
জাজাকুমুল্লাহু খাইরান।

Address

Muslimnagar Road, Chunkutia, Keraniganj
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ruqyah Solution:

Share