23/08/2022
✅✅মধুময় বাদামের প্রধান উপাদানই মধু। মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপুর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রো'গ নিরাময়ে মধুর গুন অপরিসীম। মধুর অনেক গুনাবলির রয়েছে
১) হৃদরো' গ প্রতিরোধ করে। র'ক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদ'পেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;
২) রোগ প্রতিরোধ ক্ষম'তা বৃদ্ধি করে;
৩) দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;
৪) দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;
৫) মধুর রয়েছে অ্যা'ন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;
৬) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;
৭) বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;
৮) মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;
৯) যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;
১০) গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;
১১) আন্ত্রিক রো'গে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;
১২) আল' সার ও গ্যা'স্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;
১৩) দুর্ব' ল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;
১৪) শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;
১৫) মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;
১৬) মধু কোষ্ঠ' কাঠিন্য দূর করে;
১৭) ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;
১৮) শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;
১৯) মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;
২০) বাতের ব্য'থা উপশম করে;
২১) মাথা ব্যথা দূর করে;
২২) শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;
২৩) গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;
২৪) শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;
২৫) শারী' রিক দু' র্বলতা দূর করে এবং শ'ক্তি-সামর্থ্য দী' র্ঘস্থায়ী করে;