Global Organic life Public ltd

Global Organic life Public ltd Agro Food,Cosmetics

আলহামদুলিল্লাহ ১৬ দিনে ক্যান্সার চিকিৎসার ফলাফল। ভয় নয় সঠিক চিকিৎসা গ্রহন করুন।গ্যাংগ্রিন বা পচন রোগের ক্ষেত্রে আধুনিক চ...
18/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ ১৬ দিনে ক্যান্সার চিকিৎসার ফলাফল।
ভয় নয় সঠিক চিকিৎসা গ্রহন করুন।
গ্যাংগ্রিন বা পচন রোগের ক্ষেত্রে আধুনিক চিকিৎসার উন্নতির ফলে পা কেটে ফেলা (অ্যামপুটেশন) একমাত্র সমাধান নয় [০.৫.১]। তবে, গ্যাংগ্রিন কতটা ছড়িয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গ্যাংগ্রিন চিকিৎসায় আশাব্যঞ্জক দিকসমূহ:
সংরক্ষণমূলক চিকিৎসা: ভাস্কুলার সার্জনরা রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং মৃত টিস্যু পরিষ্কার (ডিব্রাইডমেন্ট) করে পা বাঁচানোর চেষ্টা করেন [০.৫.১, ০.৫.৪]।
দ্রুত নির্ণয় ও চিকিৎসা: যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যাবে, পা বা আক্রান্ত অঙ্গ বাঁচানোর সম্ভাবনা তত বেশি [০.৫.৫]।
বিশেষায়িত চিকিৎসা: আধুনিক পদ্ধতিতে সেপটিক শক বা গ্যাংগ্রিনের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে অঙ্গ রক্ষা করা সম্ভব হতে পারে, যা আগে কেবল পা কেটে সমাধান করা হতো

সুস্থ হার্ট - সজীব নিঃশ্বাস - সুস্থ জীবন।  ন্যাচারাল ফাংশনাল মেডিসিন।***  আমাদের চিকিৎসায় কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই **...
31/01/2026

সুস্থ হার্ট - সজীব নিঃশ্বাস - সুস্থ জীবন।
ন্যাচারাল ফাংশনাল মেডিসিন।

*** আমাদের চিকিৎসায় কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই ***

হার্টের ব্লক হওয়ার পূর্বেই সতর্কতা অবলম্বন করুন।

নিয়মিত আমাদের চিকিৎসায় গ্রহনে ব্লক ক্লীয়ার হয়।
রক্তের কোলেস্টেরল কমে -
হার্ট ব্লকের চিকিৎসায় খুবই কার্যকরী।।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
ষ্টমাক ও ফ্যাটি লিভারের সুস্থতায় ও উপকারী।

নিরাপদ খাবার

সুস্থ ব্যক্তি সেবন করলে হার্টের ব্লক হবে না -

হার্টের ব্লকের রোগী সেবন করলে সুস্থ হবে ইনশাআল্লাহ (পরীক্ষিত)

***********************
আমাদের অর্গানিক চিকিৎসা গ্রহন করুন।
পরিবারের ও বন্ধুদের সুস্থতার জন্য তথ্য প্রদান করুন।

মনে রাখতে হবে আজকের সচেতনতা --------আগামীকালের সুস্থতা।

***********************

আমাদের চিকিৎসার মাধ্যমে হার্টের ব্লকের সফল চিকিৎসা।

এমন এনজিও গ্রাম রিপোর্ট ছিলো বহু রোগীর।

১০০% ব্লক - ১ টি

৯৯% ব্লক - ১ টি

৯০% ব্লক - ১ টি

৭০% ব্লক - ১ টি

আমাদের চিকিৎসার উসিলায় আল্লাহ তায়ালা অনেক রোগীকে সুস্থতা দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫০ জন রোগী অপারেশন করা লাগে নাই এবং রিং ও পরানো লাগে নাই

আলহামদুলিল্লাহ।।

---------------
৩০ বছর বয়সের পর হার্টের যত্ন নেওয়া বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন ...

আপনি কি জানেন—৩০ বছর বয়সের পর থেকেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়?

তাই এখনই সময় ... নিজের হার্টের সুস্থতার দিকে খেয়াল রাখার -

স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তি সবসময়ই - "প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর " পলিসি অবলম্বন করে।

২০ বছরের পর থেকে প্রাকৃতিক চিকিৎসাই আপনার জন্য নিরাপদ।।

---------------------------------

জীবনযাপন প্রণালী এবং খাবারের অভ্যাসের উপর ভিত্তি করে হার্টের ব্লক বছরে ... ২% থেকে ৩% হারে বাড়তে থাকে।

হার্টে করোনারি ধমনীর ভেতরে ... ১০০% ব্লক হতে সময় লাগে প্রায় ... ৪০-৪৫ বছর

-------

হৃদরোগের লক্ষণ ঃ

• বুক ব্যথা/বুক জ্বালাপোড়া করা (Chest Pain / Chest Burning).
• অস্বস্তি লাগা (Chest Discomfort).
- পেটের উপরের অংশে ব্যথা করা।
• গলায় ফাঁস লাগার অনুভূতি হওয়া ।
- বুক ভার ভার লাগা।
- শ্বাসকষ্ট হওয়া।
- বুক ধড়ফড় করা।
• চোয়ালে ব্যথা বা চোয়াল চেপে ধরা।
• সাধারণত বাম হাত, কখনো ডান হাতে
ব্যথা বা শির শির করা, ঝিন ঝিন করা
• মাথা ঘোরা।
- হাঁটতে / সিঁড়ির ধাপ অতিক্রম করতে বুকে চাপ,
শ্বাসকষ্ট ও ক্লান্তি অনুভব।
- বেশীক্ষণ কথা বললে বা হাঁটলে
শ্বাসকষ্টের অনুভব।
- উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension)
- প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া প্রস্তাবের সময় ইউরিনারি ট্র্যাকে ব্যাথা হওয়া ও অল্প পরিমাণে বারে বারে প্রস্রাব হওয়া
- যে কোন প্রকার শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তি
- অনিদ্রা (Insomnia) ইত্যাদি।

---------

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ ঃ
----------

তীব্র বুক ব্যথা
বমি কিংবা বমির ভাব
শরীরে চিকন ঘাম
হঠাৎ পড়ে যাওয়া
অজ্ঞান হওয়া
রক্ত-চাপ কমে যাওয়া
হার্ট রেট অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
চোখে ঝাপসা দেখা
শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য হারানো সহ একসাথে বিভিন্ন উপসর্গ
শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া

-------

হার্টের ব্লকের চিকিৎসা :

অপারেশন ও রিং পরানো ছাড়াই ন‌্যচারাল ঔষধের মাধ্যমে .....
হার্ট ব্লকের চিকিৎসা এখন খুবই সহজ ও খরচ অনেক কম।

এই চিকিৎসা মূলতঃ রিভার্স ট্যাকনোলজি - সিস্টেমের চিকিৎসা,

(জ্ঞানী ও সচেতন রোগী - রোগীর অভিভাবক হিসেবে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে ....

যেহেতু বিনা রিং / অপারেশনের সফল চিকিৎসা হাতের কাছেই আছে সেহেতু বিনা অপারেশনের চিকিৎসা
আমরা ৩ মাস করেই দেখি ...

এতে কোন রিস্ক / সমস্যা তো তেমন নেই । রিং পরানো / বাইপাস সার্জারী আমরা যে কোন সময় করতে পারি - যদিও এটিতে রিস্ক আছে এবং রিং পরা / ওপেন হার্ট অপারেশন করার পরও সারাটি জীবন ঔষধ খেতে হবে)।
বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে টেলি মেডিসিন সেবা গ্রহন করুন।
ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী
অর্গানিক লাইফ কেয়ার
নয়া পল্টন, ঢাকা।
রিপোট / সিরিয়াল ০১৬১৯ ৪১৬ ৫৫৫ - (প্রতিদিন রাত - ১০-১২)

📢 বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৫ — কেন্দ্রীয় কর্মসূচি সারাদেশে পালনের আহ্বানবিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৫ উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে...
09/12/2025

📢 বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৫ — কেন্দ্রীয় কর্মসূচি সারাদেশে পালনের আহ্বান

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৫ উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত কর্মসূচি সারাদেশে একযোগে পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার সহকারী মহাসচিব ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী।

তিনি বলেন, “মানবাধিকার রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।"

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশে আলোচনা সভা, সেমিনার, মানববন্ধন, র‌্যালি এবং অনলাইন ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি সকল জেলা, উপজেলা ও ইউনিট কমিটিকে সক্রিয়ভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।।

খাদ্যদূষণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ, সংকট মোকাবিলায় সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫: খাদ্যে বিভিন্...
08/12/2025

খাদ্যদূষণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ, সংকট মোকাবিলায় সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫: খাদ্যে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি ও এর প্রেক্ষাপটে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যক্রম গ্রহণ এবং খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) চেয়ারম্যান জাকারিয়া ও পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মো. মজিবুর রহমান।

বৈঠকে খাদ্যবাহিত রোগ, দূষণ সম্পর্কিত ঝুঁকি এবং এ সংকট মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘খাদ্যে বিভিন্ন দূষণের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জানি; এটাকে কীভাবে মোকাবিলা করা যায় সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। আমাদের সন্তান, বাবা-মা, আপনজন সবাই এর ভুক্তভোগী। নিজেদের স্বার্থেই আমাদের সকলকে একসঙ্গে এই সংকট মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। বাস্তবায়নের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কোনটি এখনই শুরু করা জরুরি। এ বিষয়ে জরুরি উদ্যোগগুলো আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নেব।’

এসময় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যে দূষণ সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা লিখিত আকারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

বৈঠকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু তথ্য, উপাত্ত তুলে ধরা হয়। তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী বছরে খাদ্যবাহিত রোগে প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে এক জন শিশু বছরে অন্তত একবার অসুস্থ হয়। খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত ৩ ভাগের ১ ভাগ শিশু মৃত্যুবরণ করে। খাদ্যবাহিত রোগে প্রতিবছর বিশ্বে ৬০ কোটি এবং বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু আক্রান্ত হয়।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, খাবারে চার ধরনের দূষক থাকতে পারে। ভারী ধাতু, কীটনাশক-জীবনাশক এর অবশিষ্টাংশ, তেজস্ক্রিয়তা ও জৈবদূষক। গত অর্থবছর ১৭১৩টি এবং এ বছর এ পর্যন্ত ৮১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত মাত্রায় পাওয়া গেছে সীসা/সীসা ক্রোমেট। মোট ১৮০ নমুনার মধ্যে ২২টিতে সীসা শনাক্ত হয়েছে।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউএমইএ সুইডেন এর যৌথ গবেষণায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৮৭টি পানি ও ২৩ মাছ এর নমুনা সংগ্রহ করে ৩০০ ধরনের ঔষধ, ২০০ ধরনের কীটনাশক, ১৬ ধরনের পিএফএএস শনাক্ত করা হয়।

ইউনিসেফের এক জরিপে জানা গেছে, বাংলাদেশে সাড়ে তিন কোটি শিশু সীসার সংক্রমণে আক্রান্ত। এ তথ্য তুলে ধরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া বলেন, ‘সীসা মানবদেহে প্রবেশ করে মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি, হাড় এবং দাঁতে জমা হয়। শিশুদের হাড় নরম হওয়ায় সীসা সরাসরি মস্তিস্কে চলে যায়। ফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।’

এছাড়া, গবেষণায় ৫ শতাংশ গর্ভবতী নারীদের মধ্যেও সীসার সংক্রমণ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। সীসার সংক্রমণ কমিয়ে আনতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান জানান, বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব আছে। শিক্ষার্থীদের এ ধরনের পরীক্ষা করার ক্যাপাসিটিও রয়েছে। খাদ্যে সীসার পরিমাণ নিয়ে একটি সমন্বিত গবেষণা করে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

বৈঠকে খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হাঁস-মুরগি, দুগ্ধজাত খাদ্য ও মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকারক পদার্থ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তারা জানান, হাঁস-মুরগির খামারগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ প্রয়োগ হয়। মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হলে তা ৭ থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত থেকে যায়। ২৮ দিন পার হওয়ার আগেই মুরগিকে বাজারজাত করা হলে সেই মুরগির মাংসের মাধ্যমে মানবদেহে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ঢুকতে পারে।

তারা জানান, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন হলেও কিছু চোরাগোপ্তা কোম্পানি কর্তৃপক্ষের নজরদারি এড়িয়ে গোপনে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনা করছে।

পোল্ট্রি ফার্মগুলোকে নজরদারিতে আনা এবং কৃষিতে অবৈধ কীটনাশকের ব্যবহার রোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আরও কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে কখনো কখনো যা খাচ্ছি তা নিরাপদ কি না সে দিকটি উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমগুলো ভূমিকা রাখতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা একটি জরুরি বিষয়। পাঠ্যপুস্তকে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

৭ বছর বয়সে র বাচ্চার পেটের ভিতর পায়খানা জমে শক্ত হয়ে এনাকোন্ডা (এক ধরনের বড় সাপ) র মতো হয়ে আছে। বাচ্চাকে অপারেশন করে এই ...
18/11/2025

৭ বছর বয়সে র বাচ্চার পেটের ভিতর পায়খানা জমে শক্ত হয়ে এনাকোন্ডা (এক ধরনের বড় সাপ) র মতো হয়ে আছে। বাচ্চাকে অপারেশন করে এই পায়খানা পরিষ্কার করতে হয়েছে।
আমরা সবসময়ই বলি বাচ্চা ২/৩ দিন কম খেলে সমস্যা নাই, কিন্তু প্রতিদিন পায়খানা না করলে অবশ্যই সমস্যা।
বাবা মা র জন্য উপদেশ -
১। বাচ্চাকে পানি ও তরল খাবার বেশি দিবেন।
২। দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার কম দিবেন।
৩। বাইরের খাবার কম দিবেন।
৪। শাক সব্জি ও সিজনাল ফল খাওয়াবেন।
৫। ব্লেন্ড করা খাবার কম দিবেন, বাচ্চাকে খাবার চিবিয়ে খেতে উৎসাহিত করবেন।
সংগ্রহ করা।।

“তালাক কেন বাড়ছে?” – ৯ মাসের বাস্তব গবেষণার ফলাফলগত ৯ মাসে ২৪৫ জন তালাকপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে — উদ্দ...
24/10/2025

“তালাক কেন বাড়ছে?” – ৯ মাসের বাস্তব গবেষণার ফলাফল

গত ৯ মাসে ২৪৫ জন তালাকপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে — উদ্দেশ্য একটাই, জানতে চাওয়া: কেন ভাঙছে সম্পর্ক?

📊 গবেষণার ফলাফল:
৭২% তালাক হয়েছে ভুল বোঝাবুঝি, অহংকার, এবং একে অপরকে সম্মান না করার কারণে।
১৮% তালাকের মূল কারণ পরকীয়া।

🔸 ১০% তালাক ঘটেছে স্ত্রীর অতিরিক্ত বিলাসিতা ও অবাস্তব চাহিদার কারণে।
👉 আশ্চর্যের বিষয় হলো, ৭৮% তালাকের কারণ নারী, আর ২২% ক্ষেত্রে দায়ী পুরুষ।

তালাকের পর অনুশোচনা:
৯২% নারী ও পুরুষই তালাকের পর অনুতপ্ত।
তাদের মুখে একটাই কথা —
“সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল... যদি আরেকটু ধৈর্য ধরতাম!”

তালাকের পর নারীদের অবস্থা:
৮৯% তালাকপ্রাপ্ত নারী আর দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে পারছে না।
৪% নারী নিজের ইচ্ছায় বিয়ে এড়িয়ে চলছে।
৭% নারী ভুল পথে চলে গেছে সমাজের অবহেলায়।

পুরুষদের অবস্থাঃ
৮৫% পুরুষ দ্বিতীয়বার বিয়ে করে সংসার করছে।
১৩% পুরুষ বিয়ে নিয়ে অনাগ্রহী।
২% পুরুষ পথভ্রষ্ট জীবনে জড়িয়ে পড়েছে।

আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো —
৬৭% পুরুষ কুমারী মেয়েকে বিয়ে করেছে,
অথচ নারীরা কুমার পুরুষ পেয়েছে মাত্র ০.১% ক্ষেত্রে!

দ্বিতীয় বিয়ের পর বাস্তবতা:
১২% নারী দ্বিতীয় বিয়েতেও তালাকপ্রাপ্ত।
৮৯% নারী দ্বিতীয় সংসারে অসুখী।
অন্যদিকে, মাত্র ২% পুরুষ দ্বিতীয়বার তালাক দিয়েছে,
এবং মাত্র ৩% পুরুষ দ্বিতীয় সংসারে অসুখী।

সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হলো —
> দ্বিতীয়বার তালাক দেওয়া পুরুষদের স্ত্রীরা প্রায় সবাই আগের তালাকপ্রাপ্ত নারী!
কিন্তু যারা বিধবা নারীকে বিয়ে করেছে, তাদের ৯৩% পুরুষই সুখী সংসার করছে।

শেষ কথা
তালাক শুধু দুটি জীবনের বিচ্ছেদ নয়,
এটা ভেঙে দেয় একটি পরিবারের শান্তি,
একটি শিশুর ভবিষ্যৎ, আর সমাজের ভারসাম্য।

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রা...
15/10/2025

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রান্ত হয়। মানে টাইফয়েড আক্রান্তের শতকরা পরিমাণ মাত্র ১%। অর্থাৎ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় না ৯৯% মানুষ। একই গবেষণায় আরো দেখা গেছে- এক ডোজ টাইফয়েডের টিকা সর্বোচ্চ ১৮ মাস ৮৫% শতাংশ সুরক্ষা (!) দিতে পারে (যদিও সেটা প্রশ্নবোধক)। তাহলে টিকা নেওয়ার পরেও সুরক্ষা (!) পায় না ১৫%। তার মানে দাড়াচ্ছে- টিকা গ্রহণ করলেও সর্বোচ্চ টাইফয়েড হতে পারে ১৫% আর গ্রহণ না করলে টাইফয়েড হবে বড়জোর ১%

যে কোনো টিকা হচ্ছে ওই রোগের জীবাণুর অংশবিশেষ- যা রোগ প্রতিরোধ করার নামে শরীরে প্রবেশ করানো হয়; উদ্দেশ্য শরীরকে জীবাণু চেনানো। তার মানে যার টাইফয়েড হয় নাই, তার শরীরেও অহেতুক টাইফয়েড-এর জীবাণু ঢোকানো হচ্ছে! গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- এর আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি?!?

টাইফয়েড তো সেই মাত্রার কোনো রোগ নয় কিংবা চিকিৎসা নেই- এমন রোগও নয়। তাহলে কাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আগে থেকেই আমরা গণহারে টাইফয়েড রোগের জীবাণু-খণ্ড আমাদের শরীরে প্রবেশ করাবো? এর মাধ্যমে টাইফয়েড থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে কিনা বলা মুশকিল, কিন্তু আরো অনেকগুলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যে দেখা দেবে- সেটা সুনিশ্চিত। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, সরাসরি রক্তে কিছু মেশানো সম্পূর্ণরূপে শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ড।

আমি প্রায়ই বলি- ওষুধ নামক সিন্থেটিক ড্রাগস সেবন করবেন না। এগুলো কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম বস্তু এবং মানবদেহের ভেতরে ঢোকার অনুপযুক্ত। এগুলো যারা তৈরি ও বিপনন করছে, সেটা তাদের ব্যবসা ও অর্থ উপর্জনের মাধ্যম। তারা চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ যেন তাদের বানানো ড্রাগগুলো ব্যবহার করে আজীবন অসুস্থ থাকে। এতে তারা ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হবে। এজন্য তারা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢেলে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী গবেষণা ফলাফল তৈরি করাতেও পিছ পা হয় না, তারপর মিডিয়াতে টাকা ঢেলে সেটা প্রচার করায়, অতঃপর ভুলভাল জনমত গড়ে উঠলে সরকারকে প্রভাবিত (রাষ্ট্রীয়ভাবে বিক্রি) করে জনগণকে বিষ গ্রহণে বাধ্য করে। এর নেপথ্য উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতের রোগী বাড়ানো! গণহারে টিকা দিলে জনগণের যতটুকু লাভ (!), তার থেকে ঢের লাভবান হয় ড্রাগস কোম্পানিগুলো।

টাইফয়ের ভ্যাকসিন কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় দেওয়া হয় না? চাপিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল কিংবা আফ্রিকান দেশগুলোর জনগণের ওপরে। এসব ভ্যাকসিনের আড়লে তাদের যে ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে- সে বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা হয় না!

অনুগ্রহ করে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন- এই যে ৫ কোটি কোমলমতি শিশুর শরীরে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, এর মধ্যে বড় অংশের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়ে আছে। তাহলে কেন টিকা গ্রহণ করে নিজের শরীরে বিষ ঢোকাতে হবে? রাষ্ট্রের কোনো অধিকার থাকতে পারে কি কারো দেহের ভিতরে কিছু ঢুকাতে বাধ্য করার? একটা বাচ্চার শরীরে যদি আগে থেকেই এন্টিবডি থাকে, তবে টিকা গ্রহণের কী দরকার? কোনোপ্রকার টেস্ট না করিয়ে কেন গণহারে শরীরে টিকা গ্রহণ করতেই হবে?

এখানেই আসল ব্যবসা। বাচ্চাদের গণহারে টিকা দেওয়াই বলে দেয়- শিশুদের স্বার্থের তুলনায় ব্যবসা করাটা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগস মাফিয়াদের কাছে। ব্যবসার পাশাপাশি আমাদের বাচ্চাগুলোকে স্রেফ গিনিপিগ বা কুকুর-বিড়াল বা ইঁদুরের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষতিকারক জীবাণু বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়ার কুপরিণামে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হবে! তখন কিন্তু টিকার পক্ষে প্রচারনাকারীদেরকে খুঁজে পাওয়া যাবে না? আশা করি কথিত করোনা টিকার কুফল মানুষ এতো দ্রুত ভুলে যায়নি?

ড্রাগস মাফিয়ারা যে তাদের স্বার্থে আমাদের আদরের শিশুদেরকে কুকুর-বিড়ালের মতো ব্যবহার করছে- এটা নিয়ে কেউ মুখ খোলে না, কথাও বলে না। দোষ তো আমাদেরই; ইউরোপ-আমেরিকার সাদা চামড়ারা কিছু বললেই আমরা সেগুলো ধর্মগ্রন্থের চাইতেও বেশি বিশ্বাস করি! দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের উপর কথিত টিকার কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, তা না জেনেই আমরা অন্ধের মতো আদরের বাচ্চাদের শরীরে কী ভয়ঙ্কর ইনজেকশন পুশ করাচ্ছি, তা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না!
আপনার স্বাস্থ্যের অধিকার আপনাকেই রক্ষা করতে হবে।

অভিভাবকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ- বিনামূল্যের ভ্যাকসিন দিয়ে আপনার আদরের বাচ্চার শরীরটাকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। এসব ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।। জনসচেতনতা বাড়াতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন।
নিরাপদ খাদ্য গ্রহন করুন,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলুন।

নিয়মিত ধর্ম চর্চা করুন,অর্গানিক খাদ্য সংগ্রহ করুন।

সচেতনতায়,
ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী
জেনারেল সেক্রেটারি,
বাংলাদেশ অর্গানিক এসোসিয়েশন।
সহঃ মহাসচিব, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা।
মহাসচিব,
ইন্টারন্যাশনাল মুভমেন্ট ফর জাস্টিস।।

Vestige "Shatavari Max" ভেস্টিজের শতাভারি ম্যাক্স মহিলাদের স্বাস্থ্য এবং হরমোন ব্যালেন্সার হিসাবে অনাবদ্ধ একটি হেলথ প্রো...
06/10/2025

Vestige "Shatavari Max"

ভেস্টিজের শতাভারি ম্যাক্স মহিলাদের স্বাস্থ্য এবং হরমোন ব্যালেন্সার হিসাবে অনাবদ্ধ একটি হেলথ প্রোডাক্ট।
শতাভারি ম্যাক্সের উপকারিতা:
১. শতাভারি ম্যাক্স মহিলাদের প্রজনন ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে সন্তান ধারণে সক্ষম করে। ফলে সন্তান গর্ভধারণে অক্ষম মহিলারা বাচ্চা ধারণে শতাভারি ম্যাক্স দারুন কাজ করে।
২. শতাভারি ম্যাক্স মহিলাদের মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, পিএমএস লক্ষণগুলি পরিচালনা করে।
৩. এটি মেনোপজের উপসর্গ যেমন যোনিপথের শুষ্কতা, গরম ঝলকানি এবং অনিদ্রা থেকে মুক্তি দিতে মহিলাদের প্রজনন ব্যবস্থাকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়।
৪. এটি সুখী হরমোনের উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং ভারসাম্য বজায় রাখে যা মেজাজের পরিবর্তন কমাতে সাহায্য করে। যা মহিলাদের দাম্পত্য জীবনে সুখী করে।
৫. স্তন্যপান করানোর সময় স্তন দুধ উৎপাদনের সুস্থ মাত্রা সমর্থন করে।
৬. সুস্থ শক্তির মাত্রা এবং শক্তি প্রচার করে।
৭. এটি একটি অ্যাডাপ্টোজেনও কাজ করে যা শরীরকে সামলাতে সাহায্য করে, শারীরিক এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৮. পাচনতন্ত্রের উপর প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে।
৯. ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

শতাভারি ম্যাক্সের মূল উপাদান ৩ টি।
১. শতভারি:-
হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, হজমে সহায়তা করে এবং প্রজনন ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করে।
২. অশোক:-
মাসিকের ক্র্যাম্পে কার্যকরী পাওয়া যায়। এটি জরায়ুকে উদ্দীপিত করে যার ফলে সংকোচন ঘন ঘন এবং দীর্ঘায়িত হয় (মাসিক চক্র এবং প্রসবের সময়)।
৩. লিকোরিস:-
অনিয়মিত পিরিয়ড আছে এমন মহিলাদের নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন পুনরুদ্ধার করতে লিকোরিস সাহায্য করে। এটি PCOS সমর্থন করতেও সাহায্য করে। এটি ইস্ট্রোজেনের মাত্রার স্বাভাবিক পতনের জন্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে মেনোপজের লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ভেস্টিজ শতাভারী ম্যাক্সে ব্যবহারের নিয়ম: একটি ক্যাপসুল দৈনিক তিনবার বা হেলথ স্পেশালিষ্টের পরামর্শ অনুযায়ী।
শতাভারি ম্যাক্স যেকোনো বয়সের মহিলারা সেবন করতে পারেন। এটি একটি আয়ূরবেদি মেডিসিন।
এটির কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।
শতাভারি ম্যাক্স বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জিএমপি সার্টিফাইড একটি পণ্য।

চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে টেলিমেডিসিন সেবা গ্রহন করুন।

ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী
কনসালট্যান্ট,
অর্গানিক লাইফ কেয়ার, ঢাকা।
WhatsApp - 01619-416-555

Woman

প্রিয় উদ্যোক্তা,আসসালামুআলাইকুম।আপনার জন্য আসছে বছরের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস  ইভেন্ট ।।    #উদ্যোক্তা                    #...
05/10/2025

প্রিয় উদ্যোক্তা,
আসসালামুআলাইকুম।
আপনার জন্য আসছে বছরের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস ইভেন্ট ।।
#উদ্যোক্তা #বিজনেসগ্রোথ #উদ্যোক্তাদিগন্ত

Address

Solaman Plaza, 6th Floor, Palton, Dhaka
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Friday 15:00 - 18:00
Saturday 01:00 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Global Organic life Public ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share