Md masum rana

Md masum rana Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md masum rana, Grocers, চর আলগী, Dhaka.

02/06/2024
10/06/2023

# গল্প : আমি ক্লান্ত
# লেখক : সাব্বির রহমান নিলয়
# শেষ পাট

মা ও এক চিৎকার দিয়ে বেহুশ হয় পড়ে,,কারণ নিলয় এর দেহটা এক দম সাদা হয়ে গিয়েছে সারা বিছানায় রক্ত লেগে আছে,, ছোট ভাই দেখে নিলয় নিশ্বাস নিচ্ছে না,,হয়তো বা অনেক আগে মারা গেছে নিলয় নিলয় এর ছোট ভাই যখন নিলয় কাছে যায় দেখে তার মাথার পাশে একটা চিরকুট ছোট ভাই চিরকুট হাতে নিলো তাতে লেখা আমার পরিবার এর মধ্যে মা ও ছোট বোন এর ঘেন ফেরানো হলো এই বার ছোট ভাই পড়তে শুরু করলো।

প্রিয় মা কেমন আছো তুমি আশা করি ভালো আছো এই চিঠিটা যখন লিখতেছি তখন আমি ভালো নেই। কি ভাবতেছো আত্মাহত্যা করছি না মা তুমি সেই রকম ছেলে জন্মেই দাও নাই যে আত্মাহত্যা করবে আমার বেইন কেন্সার ছিলো আজ থেকে চার মাস আগে মেডিকেল চেকাপ করতে গিয়ে জানতে পারি,, ডাক্তার বলেছিলো আমি আর চার মাস এই দুনিয়াতে থাকবো কথা শুনে প্রচুর কষ্ট হয় ছিলো কতো সপ্ন ছিলো আমার পরিবারে সাথে আমি সুখে সান্তিতে বসোবাস করবো কিন্তু তা আর হলো না তাই তোমাদের না জানিয়ে চলে আসি

ভেবে ছিলাম জীবনের শেষ চার মাস আমার পরিবারের সাথে হাসি খুশি কাটিয়ে দিবো। কিন্তু বিশ্বাস করো মা আমি যদি জানতাম আমি দেশে আসাতে তোমার এতো অখুশি হবে কোনো দিন দেশে আসতাম নাহ্ যদি জানতাম আমি আমার আপন জন মানুষদের কাছ থেকে এতো অবহেলা পাবো আমি কখনো দেশে আসতাম নাহ্। তুমি তো আমায় গর্ভে ধারণ করে ছিলে মা তাহলে কেনো আমাকে তুমি অবহেলা করলে মানুষ বলে মা নাকি তার সন্তানের মুখ দেখে সব কিছু বুঝে ফেলে কই মা তুমি তো আমাকে বুঝতে পারলে না একটা দিন ও আমার সাথে মন খুলে কথা বললে না। আমাকে জিজ্ঞেস করলে না আমি কেমন আছি

জানো মা তোমার হাতে খাবার খাওয়ার অনেক ইচ্ছে ছিলো কিন্তু তোমার এই তিন মাসে এক দিন ও আমার সাথে বসে খাবার খাও নাই কতো দিন হলো তোমাদের সাথে বসে খাবার খাই না তোমারা আমার খাবার ঘরে দিয়ে আসতে আমাকে একবার ও বললে না বাবা আয় আজকে আমাদের সাথে বসে খাবার খা। জানো মা বাবা আমাকে মাসের শেষ দিকে কল দিতো দিয়ে শুধু বলতো নিলয় এই মাসের টাকা সব টা পাঠিয়ে দিস সংসারে অনেক টাকার প্রয়োজন অথচ বাবা আমাকে জিজ্ঞেস করতো নাহ নিলয় তুমি কেমন আচ্ছিস। আসলে মা তোমারা আমাকে ভুলে গিয়েছো তোমার মনে আছে মা আজ থেকে দশ বছর আগে বাবার একটি পা এবং একটি হাত অচল হয়ে পড়ে

সেই সময় আমার বয়স ছিলো মাএ পনেরো বছর সেই থেকে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে মানুষের জমিতে কাজ করতাম মাটি কেটেছি। তুমি বলতে বাবা তুই এক দিন অনেক বড় হবি দেখো মা তোমার সেই ছোট নিলয় আজ অনেক বড় হয়েছে আজ তাকে মৃত্যু নিতে এসেছে। তবে মা আমি অনেক খুশি আজ আমাকে আর অবহেলা সহয করতে হবে নাহ্। জানো মা সেই দৃর প্রবাসে একটা দিন সকালে সৃ্য্য আমার আগে ঘুম থেকে উঠতে পারে নাই প্রতি সৃযের আগে কাজ যেতাম আবার রাতের বেলা রুমে আসতাম। তোমার টাকা নেশায় আমাকে ভুলে গিয়েছো।

তুমি বলেছিলেনা তোমার জন্য জিনিস নিয়ে আসতে আমি নিয়ে আসছি মা আমার মাথায় পাশে রাখা আছে অনেক ইচ্ছে ছিলো নিজ হাতে তোমাকে জিনিস গুলো পড়িয়ে দিবো কিন্তু সব ইচ্ছে যে পৃরণ হয় না মা। বড় আপু তুই জিজ্ঞেস করেছিলনা আমি কি করেছি তোদের জন্য। তোর তো ভুলে যাওয়া কথা না আপু। দুলা ভাই যখন নতুন ব্যাবসা শুধু করবে তুই আমার কাছ থেকে পাচ লক্ষ টাকা ধার হিসেবে নিয়ে ছিলি বলে ছিলি কিছু দিন পর দিয়ে দিবি কই আপু আমি তো তোর কাছে সেই টাকা একবার চাইনি।

আপু আমি দুলা ভাই এর জন্য লেপটপ এনেছি আমি শুধু দেখতে চেয়েছিলাম আমার পরিবারের কাছে আমার মৃল্য কতোটুকু দুলা ভাই এর লেপটপ আমার আলমারিতে রাখা আছে আমার দাফন শেষ করে নিয়ে যাস তোর ছোট ভাই এর পক্ষ থেকে শেষ উপহার। ছোট ভাই তুই যখন বললি আমি তোদের জন্য কি করেছি আমি তখন বাবার দিকে চেয়েছিলাম ভেবে ছিলাম বাবা হয়তো কিছু বলবে কিন্তু বলে নাই তুই জানত চেয়েছিলি না আমি কি করছি তোদের জন্য তবে শুন

তোর বয়সে আমি মাটি কেটেছি মানুষের জমিতে কাজ করেছি শুধু তোদের মুখে ভাত তুলে দিতে প্রবাসে একটা ভালো কাপড় পড়ি নাই যখন কিছু পছন্দ হতো ভাবতাম আমি এখন এই গুলো দিয়ে কি করবো আমার ছোট ভাইয়ের জন্য টাকা পাঠিয়ে দেই আমি পড়ে কি নিবো। তুই আমার কাছে আই ফোন চেয়েছিলি না ভাইয়া তোর জন্য আই ফোন এনেছি আমার বালিশ এর নিচে রাখা আছে আমার লাশটা যখন বাহিরে নিয়ে যাবে তখন নিয়ে নিশ

প্রিয়,, বাবা প্রথমে আমার সালাম নিবেন আপনাকে আমার কিছু বলার নেই কি বলবো বলেন আপনি তো সব জানতে আমাদের পরিবার আগে কেমন ছিলো আর এখন কেমন হয়েছে। মনে আছে বাবা আমি আরো দুই বছর আগে দেশে আসতে চেয়েছিলাম তখন আপনি বলেছিলেন আর দুই বছর পড়ে আসতে এখন তো দুই বছর পৃণ্য হয়েছিলো তবে কেন এমন করলেন আমার সাথে। মা জিজ্ঞেস করছিলো আপনার জন্য কি নিয়ে আসছি কি। আমি এনেছি বাবা আপনার পছন্দের সোনালি কালারের ঘরি। আর আপনি বলেছিলেন মোন্তাহার বিয়ের জন্য

অনেক টাকা লাগবে অনেক টাকা তো আমার কাছে নেই আমার জমানো পাচ লক্ষ টাকা ছিলো সেই টা আমার বালিশের নিচে আছে আশা করি এইটা দিয়ে মোন্তাহা কে বিয়ে দিতে পারবেন। ওহ আর একটা কথা আমাদের তো অনেক লেনাদেনা মাপ করবেন আমি ওই গুলো পরিশোধ করতি পারি নাই। আমার কাফনের কাপড়ের টাকা টা দয়া করে ধার করে এনে দিয়েন বাবা আপনার কাছে আমার অনুরোধ দয়া করে আমার কাফনের কাপড়ের টাকা টা আমার রোজঘার করা টাকা থেকে দিয়েন

ছোট বোন মোন্তাহা তর এই ভাইটা অনেক খারাপ একটা মানুষ ছিলোরে দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিস আমার ইচ্ছে ছিলো নিজে দাড়িয়ে থেকে তোকে বিয়ে দিবো সেই টা আর হলো দেখ তোর সার্তপর ভাই তোকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে

জানো মা আজ আমি অনেক ক্লান্ত অনেক ঘুম পাচ্ছে আমার চললাম মা সেই চির নিদ্রায় আমাকে তোমারা ক্ষমা করে দিও,,

সমাপ্ত

জানি নাহ্ গল্প কেমন হয়েছে আমি ছোট মানুষ ভালো ভাবে গুছিয়ে লিখতে পাড়ি না,, সেই জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন। গল্প টা কেমন হয়েছে বলবেন প্লিজ। আর গল্পের সাথে এতো দিন থাকার জন্য সাবাইকে ধন্যবাদ,, 🥀🥀🥀

এছাড়া আমাদের পেজে তে লাইক দিয়ে ফলো দিয়ে রাখুন সবার আগে গল্প পড়তে।।।

সিজন ২ পরতে চাইলে আমার পেজের সাথে এড থাকুন

10/06/2023

একজন প্রবাসীর লেখা,,,,!😢
বাপ হইয়া আমি নিজেরে কেমনে ক্ষমা করি?
ছুটি কাটায়ে দেশ থেকে আসার তিন মাস পরে জানলাম, আমি নাকি বাপ হবো! ফোনে খবরটা দিতে গিয়ে বউডা আমার লজ্জায় মইরা যাইতেছিলো। ছেলে হইবো নাকি মেয়ে- এই নিয়ে রোজ খুনসুটি করতাম দুইজনে। ইচ্ছা করতো, চাকরি বাকরি সব ফালায়ে এক্ষণই দেশের বিমানে উইঠা বসি, চইলা যাই বউয়ের কাছে।

কিন্ত সেটা করলে তো নতুন মেহমানরে না খেয়ে থাকা লাগবে। কোম্পানীতে বলে রাখলাম ছুটির কথা। তাদের আবার নিয়ম, একবার ছুটি কাটানোর এক বছর পার হওয়ার আগে আবার ছুটি নেয়া যায় না। হিসাব করে দেখলাম, বাচ্চার বয়স দুইমাস হইলে পরে আমি দেশে যাইতে পারব।

জুন মাসে আমার মেয়েটা দুনিয়ার আলো দেখলো, ভিডিও কলে আমিও দেখলাম আমার মায়েরে। আকিকা দিয়া নাম রাখা হইলো লামিয়া। আগস্টের শেষ সপ্তায় দেশে আসবো, ছুটি পাইলাম পনেরো দিনের, বিমানের টিকেটও করা শেষ। মেয়ের জন্যে কি কিনবো, মেয়ের মায়েরে কি উপহার দিব সেই চিন্তায় পেরেশান হয়ে আছি, কারো বুদ্ধিই মনে ধরে না।

ঢাকায় তখন ডেঙ্গু ছড়াইতেছে, হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি। আমি তখনও কিছু জানি না, নিজের চিন্তায় ব্যস্ত। একদিন ফোনে বউ বললো, মেয়েটার নাকি জ্বর দুইদিন ধরে। ডেঙ্গুর কথা মাথায়ও আনি নাই, এই সর্বনাশা ঘাতক যে ঢাকা থেকে এতদূরে গিয়া হাজির হবে, কে জানতো? বউরে বললাম, ডাক্তার দেখাইতে। আরও একদিন গেল, শুনলাম জ্বর নামছে, কিন্ত বাচ্চার খাওয়াদাওয়া বন্ধ, শরীর খুব দুর্বল, কান্নাকাটিও করে না।

একদিন পরে শুনি, আমার মেয়েটার নাকি ডেঙ্গু হইছে, তারে ভর্তি করা হইছে হাসপাতালে! আমার মাথার উপরে যেন গোটা আসমান ভাইঙ্গা পড়লো, দুনিয়াটা ছোট হইয়া আসলো এক মূহুর্তে! দেড়মাসের বাচ্চাটা যখন হাসপাতালে যুদ্ধ করতেসে ডেঙ্গুর সাথে, আমি তখন কাতারে যুদ্ধ করতেসি প্লেনের টিকেট আগায়ে আনার জন্যে।

অফিসে জানাইলাম, ছুটি না আগাইলে আমি চাকরি ছাইড়া দিব। মেয়ের চাইতে দামী কিছু আমার কাছে নাই। তারা রাজী হইলো। তিনদিন পরের টিকেটও ম্যানেজ করে ফেললাম। আর তিন-চারটা দিন পরেই আমি আমার মেয়েটারে কোলে নিতে পারবো! ফোনে খবর পাই, মেয়ের অবস্থা নাকি ভালো না, তারে আইসিইউতে রাখা হইছে। আমার কাছে প্রতিটা মিনিটরে তখন একেকটা দিনের সমান লম্বা মনে হয়!

যেদিন প্লেনে উঠবো, তার আগেরদিন ফোনটা আসলো। মেয়েটা আমার মারা গেছে, ডেঙ্গুর সাথে যুদ্ধ করে কুলায়ে উঠতে পারে নাই মা আমার। ফোনে আমি শুধু বললাম, আমার বউটারে একটু দেখে রাইখেন, আমি আসতেছি। দুইদিন পরে আমি বাড়ির উঠানে পা রাখলাম, ঘর থেকে শুধু আগরবাতির গন্ধ নাকে আসে।

এই বাড়িতে একটা ফুটফুটে ফেরেশতা জন্ম নিছিলো, আমার বাচ্চা, আমার সন্তান। সেই সন্তানরে আমি একটাবারের জন্যে কোলে নিতে পারি নাই, একটু আদর করতে পারি নাই। আমার মেয়েটা দেড়মাস পৃথিবীতে থাকলো, হাসলো, কান্না করলো, রোগে ভুগে দুনিয়া ছেড়ে চইলাও গেল, অথচ একটাবার সে তার বাবার স্পর্শ পাইলো না! বাপ হইয়া আমি নিজেরে কেমনে ক্ষমা করি বলেন?

কাতারে থাকি শুনলে অনেকেই ভাবেন টাকার বিছানায় ঘুমাই বুঝি। আমরা প্রবাসীরা আসলে কষ্টের সাগরে ভাসতে থাকি। কাজের কষ্ট, খাওয়ার কষ্ট, এগুলা তো গায়ে লাগে না। কষ্ট লাগে আপনজনের কাছ থেকে দূরে থাকতে, প্রিয় মানুষগুলার কাছ থেকে হাজার মাইল দূরে থাকার যে কি যন্ত্রণা, সেইটা সবাই বুঝবে না। নিজের সন্তানরে একটাবারও না দেখে তার কবর জেয়ারত করার যে কি কষ্ট, সেইটা কাউরে বলে বুঝানো যাবে না…!

সংগৃহীত_পোস্ট

Address

চর আলগী
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md masum rana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md masum rana:

Share

Category