19/05/2026
টেস্টোস্টেরন কমে গেলে শরীর যে ১০টা সিগনাল দেয়:
১. সারাক্ষণ ক্লান্তি লাগে:
পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও শরীর ভারী লাগে। কোনো কাজে এনার্জি পাওয়া যায় না। এটি টেস্টোস্টেরন কমার সবচেয়ে প্রথম ও পরিচিত লক্ষণ।
২. যৌ/ন আগ্রহ কমে যাওয়া:
স্বাভাবিকের চেয়ে যৌ/ন চাহিদা কমে গেলে এটি উপেক্ষা করবেন না। টেস্টোস্টেরন সরাসরি পুরুষের যৌ/ন আগ্রহ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. পেশির শক্তি কমে যাওয়া:
আগে যা সহজে তুলতেন, এখন ভারী লাগছে। ব্যায়াম করলেও পেশি আগের মতো গড়ে উঠছে না। টেস্টোস্টেরন কম থাকলে পেশি দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে।
৪. পেটে চর্বি জমা বাড়ছে:
ডায়েট না বদলালেও হঠাৎ পেটের মেদ বাড়ছে? টেস্টোস্টেরন কমলে শরীর চর্বি পোড়াতে পারে না। বিশেষত পেটের চারপাশে চর্বি জমা এর বড় সংকেত।
৫. মেজাজ খিটখিটে ও বিষণ্নতা:
কারণ ছাড়াই মন খারাপ থাকে, রাগ বেশি হয়। জীবনে আগ্রহ কমে যায়, সব কিছু একঘেয়ে লাগে। টেস্টোস্টেরন মস্তিষ্কের মুড হরমোনকেও প্রভাবিত করে।
৬. ঘুমের সমস্যা:
রাতে ঠিকমতো ঘুম আসে না বা বারবার ভেঙে যায়। টেস্টোস্টেরন কম থাকলে ঘুমের গুণগত মান কমে যায়। আর ঘুম কম হলে আবার টেস্টোস্টেরন আরও কমে — এটি একটি চক্র।
৭. মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি কমা:
কথা বলতে গিয়ে ভুলে যাচ্ছেন, কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে পারছেন না। অনেকে ভাবেন চাপের কারণে হচ্ছে। কিন্তু এটি টেস্টোস্টেরন কমার একটি কম পরিচিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
৮. হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া:
টেস্টোস্টেরন হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই হরমোন কমলে হাড় ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে। সামান্য আঘাতেও হাড় ভাঙার ঝুঁকি বাড়ে।
৯. শরীরের লোম কমে যাওয়া:
দাড়ি বা শরীরের লোম আগের চেয়ে কম হচ্ছে? এটি অনেকেই লক্ষ্য করেন না। কিন্তু টেস্টোস্টেরন কমলে শরীরের লোমের বৃদ্ধি সরাসরি প্রভাবিত হয়।
১০. আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া:
নিজেকে ছোট মনে হচ্ছে, সিদ্ধান্ত নিতে ভয় লাগছে। জীবনের প্রতি উৎসাহ আর আগের মতো নেই। টেস্টোস্টেরন শুধু শরীর নয়, মানসিক শক্তিকেও ধরে রাখে।
এখন কী করবেন?
উপরের ৩ বা তার বেশি লক্ষণ যদি আপনার মধ্যে থাকে তাহলে একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষা টেস্টোস্টেরন টেস্টের মাধ্যমে মাত্রা জানা যায়। সমস্যা ধরা পড়লে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে চিকিৎসায় এটি স্বাভাবিক করা সম্ভব।