20/05/2026
দিন দিন মানুষ এত নিকৃষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলার বাহিরে।
দ্বিতীয় শ্রেনিতে পড়ুয়া এই মেয়েটির নাম লামিসা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে এবং স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা চলমান না হলে দিনদিন এধরনের হত্যাকান্ড চলতে থাকবে।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছর বয়সী লামিসা নামের একটি কন্যাশিশুকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানাকে আটক করেছে পুলিশ। পল্লবী থানার সেকশন-১১, ব্লক-বি, রোড-৭ এর ৩৯ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
মেয়েটি হঠাৎ নিখোজ হয়ে যায়, তার মা আশেপাশের দুই-একজনকে নিয়ে খোজাখুজি করে কিন্তু কোন ভাবেই খোজে পাওয়া যাচ্ছিল না লামিসাকে।
তারা যেই বিল্ডিংয়ে থাকে সেই বিল্ডিং খুঁজতে গিয়ে দেখা যায় ৩য় তলার একটা ফ্লাটের সামনে লামিসার একটা সেন্ডেল।
সন্দেহ বসত সেই ফ্লাটে যারা থাকে তাদের ডাকাডাকি করা হয় কিন্তু তারা ভিতর থেকে জবাব দিচ্ছিল না। তখন বাধ্য হয়ে ফ্লাটের দরজা ভেংগে ফ্লাটে ডুকতেই খাটের নিচে পাওয়া যায় রামিসার মাথা ছাড়া বডি। কিছুক্ষণ খোজার পর বাথরুমে পাওয়া যায় লামিসার মাথা।
কি রকম সাইকো হলে এই রকম কাজ করা যায়!!
আবার এই কাজ করতে সাহায্য করেছে খু'নি সোহেলের স্ত্রী। সোহেলকে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতেও সাহায্য করেছে তার স্ত্রী।
জানা যায়, সন্ধ্যার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে পুলিশ সোহেলকে আটক করেছে। এই রকম একটা ঘটনার জন্যে তার কি রকম সাজা হওয়া দরকার?