Organic Herbs

Organic Herbs Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Organic Herbs, Organic Grocery Store, Uttara, Dakkhin khan , dewan bari, Dhaka.

আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য একটি প্রাকৃতিক সমাধান। ১০০% প্রাকৃতিক🌿 ত্রিফলা প্লাস, যা হজমে সাহায্য করে...
20/11/2024

আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য একটি প্রাকৃতিক সমাধান। ১০০% প্রাকৃতিক🌿 ত্রিফলা প্লাস, যা হজমে সাহায্য করে এবং পেটের অস্বস্তি কমায়।
গ্যাস্ট্রিক মুক্ত জীবন পেতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যোগ করুন ত্রিফলা প্লাস আর উপভোগ করুন আরামদায়ক অনুভূতি। আজই অর্ডার করুন!🌿

26/09/2024

"🌿 প্রকৃতির যত্নে, আপনার স্বাস্থ্যের সুরক্ষা! 🌿
আপনার শরীরকে দিন প্রাকৃতিক ভেষজের শক্তি। কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া, সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর। 🌸
আজই অর্ডার করুন এবং অনুভব করুন প্রাকৃতিক যত্নের জাদু! ✨

অর্ডার করতে ইনবক্স করুন ফেসবুক মেসেঞ্জার, অথবা কল করুন: 01329277069
প্রবাস থেকে অর্ডার করতে Whatsapp করুন :01329277069
অর্ডার করতে ভিজিট করুন :https://cutt.ly/reUFy8RN

৬ টি সমস্যা একটি সমাধানঃহজমের সমস্যা সমাধান: ত্রিফলা চূর্ণ হজমের গতি উন্নত করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।ডিট...
19/09/2024

৬ টি সমস্যা একটি সমাধানঃ
হজমের সমস্যা সমাধান: ত্রিফলা চূর্ণ হজমের গতি উন্নত করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
ডিটক্সিফিকেশন: এটি শরীরের অপ্রয়োজনীয় টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকের সমস্যা সমাধান: ত্রিফলা চূর্ণ ত্বকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়।
চোখের স্বাস্থ্য: এটি চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং চোখের সমস্যার ঝুঁকি কমায়।

গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাসের সমস্যায় দিনের পর দিন ওষুধ খাওয়া মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক কী ও কেন হয়ডা. এফ কে চ...
15/09/2024

গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাসের সমস্যায় দিনের পর দিন ওষুধ খাওয়া মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক কী ও কেন হয়

ডা. এফ কে চৌধুরী বলেন, মানবদেহে পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণের ফলে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা হয়ে থাকে। পাকস্থলীতে যখন অ্যাসিড নিঃসরণের পরিমাণ বেশি হয় তখন তাকে হাইপার অ্যাসিডিটি বলে। পাকস্থলীতে ঘা বা ক্ষত হলে পেপটিক বা গ্যাস্ট্রিক আলসার বলে। খাদ্যাভাস, জীবনাচরণ ও হজম প্রক্রিয়ার অসুবিধার কারণে এই সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাকে মূলত ডিসপেপসিয়া বলে। সাধারণত পেটে ব্যথা হওয়া, পেটে জ্বালা, পেট ফাঁপা, বুকে জ্বালাপোড়া, খাবারে অরুচি, ঢেঁকুর ওঠা, বদহজম, মলত্যাগে অনিয়ম, অস্থিরতা এসব উপসর্গকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা মনে করা হয়। বিভিন্ন কারণে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। যেমন-

১. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যভাসের কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। যেমন- অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত মিষ্টি ও ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার খাওয়া।

২. খাবারে যদি ফাইবারের পরিমাণ কম থাকে।

৩. খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম, তাড়াহুড়ো করে খাবার খাওয়া, দীর্ঘসময় খালি পেটে থাকার কারণে হতে পারে।

৪. অতিরিক্ত চা, কফি খেলে, ধূমপান, অ্যালকোহল ও কোমল পানীয় অতিরিক্ত পান করলে।

৫. হজম প্রক্রিয়ার সমস্যার জন্য গ্যাস্ট্রিক হতে পারে, বিশেষ করে যাদের ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে।

৬. মানসিক চাপ, উদ্বেগ এই সমস্যার অন্যতম কারণ। ব্যায়াম না করা, নিয়মিত ঘুমের সমস্যার কারণেও হতে পারে।

৭. কিছু কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।

৮. হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত গ্যাসের ওষুধ খাওয়া কি ক্ষতিকর?

ডা. এফ কে চৌধুরী বলেন, পাকস্থলী থেকে প্রতিনিয়ত হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নিঃসৃত হয়। এই অ্যাসিড খাদ্য হজমে এবং বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল শোষণে সহায়তা করে। এছাড়া কিছু ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া আছে সেগুলোও ধ্বংস করে।

গ্যাস বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যেসব ওষুধ খাওয়া হয় যেমন- ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল, ইসোমিপ্রাজল, রেবিপ্রাজল ইত্যাদি ওষুধ পাকস্থলী থেকে যে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নিঃসৃত হয় সেটি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে আর সেই অ্যাসিড নিঃসৃত হয় না এবং পাকস্থলীতে ক্ষারীয় পরিবেশ তৈরি হয়। এতে করে স্বাভাবিক যে হজম প্রক্রিয়া সেটি ব্যাহত হয়।

দিনের পর দিন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত গ্যাসের ওষুধ সেবনের ফলে শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা ও রোগ হতে পারে।

কী ক্ষতি হতে পারে

১. যারা দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে থাকেন তাদের এন্ডোস্কোপি করে দেখা গেছে অনেকের গ্যাস্ট্রিক পলিপ হয়।

২. পাকস্থলীতে আয়রন, ভিটামিন বি১২, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম শোষণ হয়। গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার কারণে যেহেতু হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায় সেহেতু আয়রন, ভিটামিন বি১২, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের শোষণ ব্যাহত হয়।

আয়রন, ভিটামিন বি১২ এর অভাবে রক্তশূন্যতা হতে পারে । ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এর অভাবে হাড় ক্ষয়, হাড়ে ব্যথা হতে পারে।

৩. দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনের ফলে কিডনির মারাত্মক সমস্যা যেমন- অ্যাকুইট ইন্টারেস্টেসিয়াল নেফ্রাইটিস, অ্যাকুইট কিডনি ইনজুরি, ক্রনিক ইন্টারেস্টেসিয়াল নেফ্রাইটিস, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ হতে পারে।

৪. ভুলে যাওয়া রোগ ডিমেনশিয়া হতে পারে।

৫. পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। কিন্তু দীর্ঘদিন গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার কারণে অপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস না হয়ে বরং পরিপাকতন্ত্রের ভেতরে চলে যায়। এর ফলে বিভিন্ন ধরণের ইনফেকশন হতে পারে এবং সংক্রামক রোগ তৈরি করে।

৬. যাদের লিভার সিরোসিস আছে তাদের স্পন্টেনিয়াস ব্যাকটেরিয়াল পেরিটোনাইটিস হতে পারে। এ ছাড়া সালমোনেলা, ক্যাম্পাইলোব্যাক্টর সংক্রমণ হতে পারে।

৭. ফুসফুসে সংক্রমণ বা নিউমোনিয়া হতে পারে।

ডা. এফ কে চৌধুরী বলেন, গ্যাসের সমস্যায় অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ সেবন করেন। কেউ কেউ আছেন যারা অন্য শারীরিক সমস্যার জন্য কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান, যা একেবারেই উচিত নয়।

কিছু কিছু রোগের জন্য নির্ধারিত ওষুধের সঙ্গে প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর শ্রেণির ওষুধ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। যেমন- গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনাল আলসার, গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ, ব্যারেট'স ইসোফেগাস, জলিনজার-এলিসন সিনড্রোম অথবা কেউ যদি দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে থাকেন। এসব রোগের জন্য গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে হবে নির্দিষ্ট মেয়াদে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিঃসরণ হয়, সেটি কমাতে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ দেওয়া হয়।

তবে এর বাইরে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ না খাওয়াই ভালো।

গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ

ডা. এফ কে চৌধুরী বলেন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের মাধ্যমে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। অতিরিক্ত ঝাল, তেল, মসলাযুক্ত এবং চর্বি জাতীয় খাবার, দুধ, দুধের তৈরি খাবার, শাক পাতা, রেড মিট পরিহার করতে হবে। ফাস্ট ফুড, চা, কফি, ধূমপান, অ্যালাকোহল ও কোমল পানীয় পান থেকে বিরত থাকতে হবে। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে বার বার খেতে হবে, নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়ামের অভ্যাস করতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে।

আর যাদের গ্যাস্ট্রো-ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ আছে তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে, ঘুমানোর সময় মাথার দিকের অংশ উপরে রাখতে হবে, আঁটসাট পোশাক পরা যাবে না, খাবারের মাঝখানে পানি খাওয়া যাবে না, রাতে ঘুমানোর কমপক্ষে দুই ঘণ্টা আগে খেতে হবে। গ্যাসের সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।

15/09/2024

নিয়মিত ঠোঁটের যত্ন নেওয়া অনেক জরুরি , কিছু টিপস দিচ্ছি , নিয়মিত আপ্লাই করবেন দেখবেন খুব কম
সময়ে আপনার ঠোঁট কোমল ও গোলাপি হয়ে যাবে।
১- কখনও দাঁত দিয়ে ঠোঁটের চামড়া তুলবেন না।
২- গরম খাবার খেতে খেয়াল করবেন ঠোঁটে যেন না লাগে
৩- ধুমপান বর্জনীয় !
৪- দৈনিক একবার করে দুধের সর বা কাচা দুধ তুলয় লাগিয়ে ঠোঁটে ঘসবেন।
৫- ঠোঁট কোমল রাখতে জন্সন বেবি জেল টা লাগাবেন , কারন এই জেল টা বাচ্চাদের জন্য স্পেসাল কারন বাচ্চাদের
চামড়া অনেক কোমল ও পাতলা।
৬- লিপস্টিক, গ্লজ ,লাইনার থেকে দূরে থাকুন , খুব কম সময়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি হয়ে যাবে ,ঠোঁট
গোলাপি করতে আর কিছু লাগানোর প্রয়োজন ও হবেনা।

 #লো_প্রেশার | কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানেন কি?লো প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপের কারণনির্দিষ্ট একটি কারণে লো প্রেশা...
15/09/2024

#লো_প্রেশার | কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানেন কি?

লো প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপের কারণ
নির্দিষ্ট একটি কারণে লো প্রেশার হয় না। নানা কারণে হতে পারে। তাহলে এবার সবার আগে কারণগুলো জানা যাক!

Sale • Talcum Powder, Lotions & Creams, The Body Shop
১) শরীরে পানিশূণ্যতা
গরমে ঘেমে শরীরে পানিশূণ্যতা দেখা দেয়। এ থেকে অনেকেই আক্রান্ত হয়।

২) সঠিক খাবার না খাওয়া
আমাদের শরীরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার চাহিদা আছে। সময়মতো আর সঠিকভাবে সেই খাবার না খেলে হতে পারে।

৩) অতিরিক্ত পরিশ্রম
পরিশ্রম সবসময় শরীরের সাথে সহনীয় মাত্রায় হতে হবে। আর তা মাত্রা ছাড়ালে প্রেশার লো হতে পারে।

৪) দুশ্চিন্তা
দুসচিন্তায় ভুগছেন একজন

মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা, ভয় ইত্যাদি কারণেও প্রেশার লো হতে পারে। কারণ মনের সাথে শরীরের যোগাযোগ অতি নিবিড়।

৫) অপুষ্টি
শরীরে পুষ্টিজনিত সমস্যা থাকলেও প্রেশার লো হয়।

৬) অপর্যাপ্ত ঘুম
অপর্যাপ্ত ঘুমের জন্যও প্রেশার লো হয়ে যায়। একজন মানুষকে সুস্থ থাকতে হলে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।

৭) ডায়রিয়া
ডায়রিয়া হলে কিংবা কিংবা ডায়রিয়ার সময় অত্যাধিক বমি হলে প্রেশার লো হয়।

৮) বদহজম
হজমের ব্যাঘাত ঘটলেও প্রেশার লো হতে পারে।

৯) রক্তপাত
কোথাও কেটে গিয়ে বা অন্য কোন কারণে অতিরিক্ত রক্তপাত ঘটলেও প্রেশার লো হয়ে যায়।

১০) রক্তশূণ্যতা
শরীরে রক্তশূণ্যতা দেখা দিলে প্রেশার লো হয়।

১১) হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
অনেকের শরীরে হরমোনজনিত ভারসাম্যহীনতা থাকে।

১২) গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায় দুশ্চিন্তায় ভুগছেন একজন

গর্ভবতী মায়েদের প্রথম ৬ মাসে হরমোনের প্রভাবে লো প্রেশার হয়ে থাকে। পরবর্তী সময় এটি ঠিক হয়ে যায়।

১৩) অন্যান্য
এছাড়াও হার্টের সমস্যা, অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির সমস্যা, শরীরে তাপমাত্রার তারতম্য, গ্যাসট্রিকের সমস্যা, কোন দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত থাকা, নার্ভের সমস্যা ইত্যাদি কারণেও প্রেশার লো হয়। বেশ কিছু ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কারণেও প্রেশার লো হতে পারে।

লক্ষণ
কিছু লক্ষণ থেকে আমরা খুব সহজেই লো প্রেসার আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারি। সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত হলে নিরাময় অনেক সহজ হয়। চলুন এবার লক্ষণগুলো জেনে নেই!

১. মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া।

২. বসা থেকে উঠে দাঁড়ালে হঠাৎ মাথা ঘুরে যাওয়া বা ভারসাম্যহীন হয়ে যাওয়া।

৩. মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

৪. চোখে অন্ধকার বা ঝাপসা দেখা।

৫. বমিভাব হওয়া।

৬. শারীরিক বা মানসিক অবসাদ।

৭. খুব বেশী তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া।

৮. ঘনঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া।

৯. হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

১০. প্রস্রাব কমে যাওয়া।

১১. অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদ কম্পন হওয়া।

প্রতিকার
প্রেশার কমে গেলে দুশ্চিন্তা না করে নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করলে দ্রুত এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। চলুন করণীয়গুলো জেনে নেই!

১) খাবার স্যালাইন
প্রেশার কম হলে প্রথমেই স্যালাইন খেতে হবে। শরীরে পানিশূণ্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে প্রেসার যখন কমে যায় তখন শুধু খাবার স্যালাইন খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপকারী ও তাৎক্ষণিক ফলদায়ক।

২) গ্লুকোজ
নিম্ন রক্তচাপ হলে এসময় গ্লুকোজ খেলেও ভালো উপকার পাওয়া যায়।

৩) লবণ জাতীয় খাবার
লো প্রেশারে লবণ -

লবণ এবং লবণ জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। সোডিয়াম রক্তচাপ দ্রুত বৃদ্ধি করে। তাই লবণযুক্ত খাবার খেয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারেন। এছাড়া লবণ পানি পান করতে পারেন। এক গ্লাস পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে প্রতিদিন দুই গ্লাস করে পান করুন। প্রেসার অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

৪) দুধ ও ডিম
দুধ ও ডিমসহ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। মুরগীর চেয়ে হাঁসের ডিম এক্ষেত্রে বেশি কার্যকরী।

৫) কফি
কফি প্রেসার বাড়াতে বেশ কার্যকরী। সকালে নাস্তার পর এক কাপ কফি খেলে প্রেশারটা নরমাল থাকবে। চকোলেট ও ক্যাফেইন জাতীয় খাবার নিরাময় করে।

৬) কিশমিশ
কিশমিশ রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। এক কাপ পানিতে ৩০/৪০টা কিশমিশ সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন খালি পেটে খেতে হবে। কিছুদিন নিয়মিত খেলে লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

৭) মধু ও বাদাম
মধু ও বাদাম বেশ কার্যকর ভুমিকা পালন করে। মধু দুধে মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায় এবং কাঠবাদাম ও চিনাবাদাম খেতে পারেন।

৮) পুদিনা পাতা
আশ্চর্য হলেও সত্যি যে, পুদিনা পাতা দ্রুত প্রেশার বাড়ায়। তাই প্রেশার কমে গেলে এই পাতা বেঁটে নিয়ে এর সাথে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।

৯) ব্যায়াম
মেদ কমানোর জন্য ব্যায়াম করছে একজন

প্রেশার স্বাভাবিক রাখতে ব্যায়াম বেশ কার্যকর। ব্যায়াম হার্টে রক্ত চলাচল নিয়মিত করে। লো প্রেশার দেখা দিলে খাবার খাওয়ার সাথে সাথে শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে।

১০) তাজা শাক-সবজি
নিম্ন রক্তচাপ রোধে শাক-সবজি অনেক উপকারী। কারণ ভিটামিন ও মিনারেল ঘাটতির জন্য হতে পারে। ফলিক এসিড ব্লাড প্রেশার বৃদ্ধি করে। শাক সবজি প্রচুর ফলিক এসিড থাকে।

সবশেষে কিছু টিপস দিচ্ছি- যেসব ওষুধ খেলে রক্তচাপ কমে সেসব ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে। এসময় পর্যাপ্ত পানি পান করুন। তাছাড়া অনেকক্ষণ শুয়ে বা বসে থাকার পর উঠার সময় সাবধানে বা ধীরে ধীরে উঠতে হবে। এর সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই। ঘরে বসেই এই সমস্যা থেকে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। উপসর্গ অনুযায়ী এর চিকিৎসার প্রয়োজন পরে। যাদের দীর্ঘমেয়াদি এই সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শীতকালে ওজন কমানো সহজ! কিন্তু কীভাবে?শীতকালে ওজন কমানোর সহজ উপায়ডায়েটে ইনক্লুড করুন ফ্রেশ শাক-সবজিশীতকালে পাওয়া যায় না এ...
15/09/2024

শীতকালে ওজন কমানো সহজ! কিন্তু কীভাবে?
শীতকালে ওজন কমানোর সহজ উপায়
ডায়েটে ইনক্লুড করুন ফ্রেশ শাক-সবজি
শীতকালে পাওয়া যায় না এমন সবজি কমই আছে আমাদের দেশে। বিভিন্নভাবে সবজি রান্না করে খেতে পারেন- কম তেলে সবজি পাকোড়া, চিকেন দিয়ে সবজি, স্যুপ এগুলো আপনাকে হেলদি ডায়েট মেনটেইন করতে সহায়তা করবে। ওটস সবজি চাপাটি, নিরামিষ তরকারি, সালাদ এই ধরনের খাবার সহজেই পেট ভরিয়ে দিবে। বেশি করে সবজি খেলে বিভিন্ন নিউট্রিয়েন্টস, ভিটামিনস, অ্যান্টি অক্সিডেন্টস, ফাইবার পাচ্ছেন। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতেও এগুলো বেশ হেল্পফুল।

শীতকালে ওজন কমানোর উপায়

কিছু শাক-সবজি যেমন টমেটো, বাঁধাকপি, গাজর, শালগম, লেটুস, শসা, মূলা এগুলো সালাদ হিসেবে অথবা হালকা সেদ্ধ করেই খাওয়া যায়। এগুলোতে বিভিন্ন ভিটামিনস, ফাইবার, নিউট্রিয়েন্টস থাকে। এছাড়া লো ক্যালরির হওয়ায় দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ফ্রেশ সিজনাল ফ্রুট জুস আপনার রেগুলার ডায়েট চার্টে রাখুন।

এক্সারসাইজ শুরু করুন
গরমের কারণে যারা হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম না করার বাহানা দিতে থাকেন, শীতকাল তাদের জন্য উপযুক্ত সময়। দীর্ঘক্ষণ ব্যায়ামেও ক্লান্তিভাব কম আসবে। আর এই সিজনে হাঁটতে তো ভালোই লাগে। কাজেই ওজন কমাতে হাঁটাহাঁটি, স্কিপিং, ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম করতে এই সময়কে কাজে লাগাতে পারেন।

ডিটক্স ওয়াটার পান করুন
শীতকালে ওজন কমানোর আরেকটি সহজ উপায় জানিয়ে দেই। এই সময় পান করতে পারেন হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে তৈরি ডিটক্স ওয়াটার, এতে ফ্যাট বার্নিং ক্যাপাসিটি বাড়ার পাশাপাশি বডি মেটাবলিজম ফার্স্ট হবে, বডি ঠিকভাবে ডিটক্সিফাই হবে, সাথে সাথে রক্ত সরবরাহের মাত্রাও ঠিক থাকবে। হালকা কুসুম গরম পানির সাথে লেবু স্লাইস, পুদিনা পাতা, আদার রসের কম্বিনেশন ভালো ডিটক্স হিসেবে কাজ করবে।

ডিটক্স ওয়াটার

স্লিপ সাইকেল ঠিক করুন
সঠিক সময়ে আর পরিমিত ঘুম ওজন কমাতে সাহায্য করে। শীতকালে রাত বড় হওয়ায় আর্লি ঘুমাতে যাওয়া হয়, আর ৭-৮ ঘন্টা ঘুম হয়। ওজন কমানোর জন্য এই স্লিপ সাইকেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাত জাগলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুধা লাগে, তখন স্ন্যাকস বা আনহেলদি ফুড খাওয়ার ফলে দ্রুত ওজন বাড়ে। তাই যারা ফিটনেস জার্নি শুরু করতে চাচ্ছেন, তাদের উচিত ঘুমের প্যাটার্ন ঠিক রাখা।

খেয়াল রাখুন কিছু বিষয়
এছাড়া খাওয়ার আগে পানি পান করে নেওয়া, অল্প অল্প করে বার বার খাওয়া, ক্ষুধা লাগলে কম ক্যালরির খাবার – নাটস, পপকর্ন, চিকেন স্যুপ, স্টিমড ভেজিটেবল এগুলো খাওয়া। সুগার, অতিরিক্ত কার্ব এগুলো অ্যাভোয়েড করা, রাতে তাড়াতাড়ি ডিনার করা, হাইড্রেটেড থাকা, খাবার খাওয়ার সাথে সাথেই ঘুমাতে না যাওয়া- ইত্যাদি আপনাকে সুস্থ থাকতে, ওজন কমাতে সহায়তা করবে।

আজ এ পর্যন্ত। বুঝতেই পারলেন তাহলে, যারা ওজন কমানোর কথা ভাবছেন তাদের জন্য শীতকাল উপযুক্ত সময়। ওজন নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থভাবে জীবনযাপন করার জন্য ঘুম, খাবার, ব্যায়াম – এই তিনটি জিনিসে ব্যালেন্স করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Address

Uttara, Dakkhin Khan , Dewan Bari
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Organic Herbs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share