08/09/2025
রাসুলুল্লাহ সাঃ মধু খেতে কেনো পছন্দ করতেন এবং কেনো সবাইকে মধু খেতে বললেন।
রাসুলুল্লাহ ﷺ মধু পছন্দ করতেন এবং অন্যদেরও মধু খেতে পরামর্শ দিতেন—এর কারণ মূলত তাঁর স্বাস্থ্যবিজ্ঞান আর সুন্নাহভিত্তিক নির্দেশে নিহিত, যেখানে কোরআন ও হাদিস উভয়ই মধুর আরোগ্যশক্তিকে তুলে ধরে।
কোরআনে মধুর গুরুত্ব
পবিত্র কোরআনে সুরা আন-নাহলে (সুরা ১৬:৬৮–৬৯) রয়েছে:
“মৌমাছির পেটে থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় বের হয়, যার মধ্যে মানুষের জন্য রয়েছে আরোগ্য…”
এই আয়াত তা সুস্পষ্টভাবে জানায় যে, মধুকে চিকিৎসা ও পুষ্টির উৎস হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
হাদিসে মধুর আরোগ্য ও প্রিয়তা
১. রাসুল ﷺ মধু পছন্দ করতেন
আয়েশা (রা.) বলেন, “রাসুলুল্লাহ ﷺ মিষ্টান্ন ও মধু খুব ভালোবাসতেন।”
২. “মধু হলো উত্তম ওষুধ”—উপদেশ বুখারী শরিফে এসেছে।
৩. পেটের অসুখে মধুর ব্যবহার
এক সাহাবি তাঁর ভাইয়ের পেটে অসুখ নিয়ে এসে বললেন, রাসুল ﷺ বারবার মধু পান করানোর পর পরামর্শ দিলেন যেন আরও পান করানো হয়—“তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যাবাদী” কারণ ও রোগের মেজাজে ওষুধ কার্যকর হয় না। সেই অনুযায়ী মধুর নিরাময় ক্ষমতা কার্যকর হয় এবং সুস্থতা আসে।
৪. “মাধু এবং কোরআনের মাধ্যমে চিকিৎসা নাও”—সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিসে উল্লেখ থাকে।
৫. সফল চিকিৎসার নিশ্চয়তা
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন ভোরে মধু চেটে খায়, তার কোনো বড় বিপদ (মারাত্মক রোগ) হতে পারে না।”
৬. পা, পেট–গজনে মধুর আরোগ্য
মধুর মধ্যে পুষ্টি ও ঔষধি গুণ বিদ্যমান, তা শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।