16/01/2026
কাশীপুরের গফুর ও ক্যালিফোর্নিয়ার স্টুয়ার্ট রেসনিক -
Why Bangladeshi Farmers can never unload their poverty? While some top billionaires in the world are farmers.
Farmers & Fishermen are the two most hardworking groups of people in Bangladesh but financial hardship seems never-ending for them. Surprisingly enough, they belong to neglected groups in Bangladesh. There was a time (is it still?) that the words চাষা-ভূষা কিংবা জাইল্লা were (still are?! Not sure!) the two infamous words for abuse, insult, curse or swears.
So, what are the reasons behind this situation?
Poor Education: Everything good starts with education & knowledge; and nurtured by experience, motivation to challenge the challenges and courage to experiment. Majority of the Bangladeshi farmers & fishermen are under educated, if not illiterate. So, it’s really difficult for them to grab smart professional opportunities & use the finest agro or farming technology or precision agriculture or farming method, resulting on one hand - stagnant production method, limited yield and low quality production; and on other hand – use of more synthetic fertilisers, use of more pesticides, insecticides, antibiotic and other preservative chemicals; and thus making nutritious food into health hazards.
এখন কথা হচ্ছে ফলন কিংবা উৎপাদন বেশি হলেই কি কৃষক কিংবা জেলেদের ভাগ্য ফিরবে? ব্যাপারটা ঠিক এইভাবে হয় না। কৃষক কিংবা জেলে - যা ই উৎপাদন করে, তা ই কিন্তু পচনশীল। So, কৃষক কিংবা জেলেদের যত দ্রুত সম্ভব ভোক্তাদের কাছে তাদের পণ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে না পারলে, পুরাই loss. এদিকে কৃষক কিংবা জেলেদের তো বৃহত্তর Consumer Market এ কোনো Access নাই। নিজেদের পণ্য নিজেরাই সংরক্ষণ করতে পারবে, এমন কোনো ব্যবস্থা ও নাই। সমাধান হচ্ছে - মধ্যস্বত্তভোগীদের কাছে যা ই পাওয়া যায়, তাতেই পণ্য ছেড়ে দেয়া। ফলাফল - উৎপাদন পরবর্তী আর্থিক ক্ষতি।
আবার, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত সার, কীটনাশক, আগাছানাশক, রোগ-বালাইয়ের ঔষধ কিংবা প্রতিষেধক কোনোটাই যে ভেজাল না এবং Genuine, তার কোনো গ্যারান্টি কিন্তু নাই। So, ভালো করতে গিয়ে একেবারে ফসলহানি হয়ে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নাই।
এখন ফসল বা পণ্য উৎপাদন হোক কিংবা না ই হোক, শাঁখের করাত দুই দিকেই কাটে - আর্থিক ক্ষতি হলে তো হলো ই, একেবারে মাঠে মারা না গেলেও, তেমন কোনো আর্থিক স্বচ্ছলতা আসে না। But পয়সা তো লাগবেই পরবর্তী উৎপাদনের জন্য। কিন্তু ক্ষুদ্র চাষি, জেলে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষদের জন্য প্রচলিত আর্থিক পরিষেবা এবং কৃষি ঋণের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। অনেকেই উচ্চ সুদের ভিত্তিতে অপ্রচলিত ঋণের (মহাজন) উপর নির্ভর করেন। ফসল নষ্ট হলে (প্রাকৃতিক কিংবা অপ্রাকৃতিক দুর্যোগ, পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি, ইত্যাদি, ইত্যাদি .. কারণে) বা দাম কম হলে, অনেকেই ঋণের দুষ্টচক্রে জড়িয়ে পরেন এবং এমনকি তাদের জমি কিংবা বসতবাড়ী ও হারাতে পারেন।
তাহলে ব্যাপারটা কি শুধু নিজস্ব এবং সামাজিক ও আর্থিক সংস্কৃতির মধ্যেই ঘুরপাক খাবে? সরকারের দায়বদ্ধতা, নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকরণ নিয়ে কি কোনো প্রশ্ন তোলা ঠিক হবে? জানি না।
কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা আশাপ্রদ লক্ষন দেখা যাচ্ছে। ১২/১৪ লাখ টাকা খরচ করে, জায়গা-জমি, দোকান ইত্যাদি বিক্রী করে ইতালি কিংবা যুদ্ধবিধ্ধস্ত Libya তে যাওয়া লোকের সংখ্যা কিছুটা কমতির দিকে বলেই মনে হচ্ছে। বরং ইদানিং অনেক সুশিক্ষিত, আধুনিক চিন্তা-ভাবনার এবং "চির উন্নত মম শির" মানসিকতার বেশ কিছু Millennials এবং Gen Z "সবুজেই অটল" ভাই-বোনেরা কৃষিকাজের প্রতি আগ্রহী হয়ে এবং কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরনের জন্য গুরুত্ব দিয়েই কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের Salute তাদের জন্য। এইসব সবুজ ভাই-বোনেরা আমাদের Green Bond এর জন্য প্রেরণা। Green Bond নিজস্ব বানিজ্য পরিচালনার পাশাপাশি বাংলাদেশের কৃষক, জেলে, শ্রমজীবী মানুষদের ভাগ্যের উন্নয়নের সাথেও জড়িত থাকতে চায় - আন্তরিকভাবেই। Green Bond এর সদস্যরা এমনিতেই আলাদাভাবে বেশ কিছু অপ্রচারিত সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। তবে Green Bond প্রতিষ্ঠান হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতা ভালোভাবেই অনুভব করে। আমাদের কিছু কল্যানমুলক কর্মকান্ড সামনে আসছে এবং কোনো বাহ্যিক আর্থিক অনুদান ছাড়াই ইনশাল্লাহ আমরা এইসব কর্মকান্ড সম্পাদনে সংকল্পবদ্ধ।
゚