17/12/2024
কৃষি প্রধান আমাদের দেশে পুষ্টিকর খাবারের অভাব হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। কোন খাবারের কি পুষ্টিগুনাগুণ তা জেনে নিলেই এই চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। পুষ্টিকর খাবার বলতে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম হতেই হবে তা কিন্তু নয়। এসবের প্রয়োজনীয় উপাদান খুঁজে পাওয়া যাবে বাড়ির আশেপাশের চাষ করা শাক সবজিতেই। নিচে সুষম খাদ্যের তালিকা বা কয়েকটি সুষম খাদ্যের নাম দেওয়া হলো আশা করি আপনারা প্রতিবেদনটি পড়ে উপকৃত হবেন।
সুষম খাবার কি?
যে খাদ্যে ভিটামিন, শর্করা, আমিষ, চর্বি, লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদান পরিমাণমতো ও সঠিক অনুপাতে থাকে তাকে আমরা সুষম খাবার বলি। খাদ্যের উপাদান কয়টি? আমরা জানি সুষম খাদ্যে ৬টি উপাদান থাকে । নিচে সুষম খাদ্যের অনুপাত, সুষম খাদ্যের গুরুত্ব, সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা, সাপ্তাহিক সুষম খাদ্য তালিকা, পুরুষের খাদ্য তালিকা নিয়ে আলোচনা করা হলো।
সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি ও কি কি

যেসব খাদ্যে পরিমাণমতো সব খাদ্য উপাদান যেমন- শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি এই ছয়টি উপাদান থাকে তাকে সুষম খাদ্য বা আদর্শ খাদ্য বলে।
১. শর্করা বা শ্বেতসার – শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। উৎস- চাল, গম, ভুট্টা, চিড়া, মুড়ি, চিনি, গুড়, আলু ও মূল জাতীয় অন্যান্য খাদ্য।
২. আমিষ বা প্রোটিন – ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন ও দেহ গঠন করে। উৎস – মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, মটর শুঁটি, সীমের বীচি, কাঁঠালের বীচি, বাদাম ইত্যাদি।
৩. স্নেহ বা চর্বি – তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। ঘি, মাখন, তেল, চর্বি ইত্যাদি খাদ্য হল স্নেহজাতীয় খাবার ।
৪. খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন – রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়, বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। বিভিন্ন ফলমূল, শাকসবজি ও বিভিন্ন মসলাজাতীয় খাবারে প্রচুর ভিটামিন থাকে। উৎস – রঙ্গিন শাক-সব্জি ও ফল, ডিম, দুধ, কলিজা ইত্যাদি।
৫. খনিজ লবণ – বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। উৎস – রঙ্গিন শাক-সব্জি ও ফল, ডিম, দুধ, কলিজা, মাংস, ছোট মাছ ইত্যাদি।
৬. পানি – দেহে পানির সমতা রক্ষা করে, কোষের গুণাবলি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ অঙ্গাণুসমূহকে ধারণ ও তাপের সমতা রক্ষা করে