Tista Communications

Tista Communications Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tista Communications, Grocers, Savar, Dhaka.

ফ্ল্যাটের সামনে আপনার মেয়ের একটি জুতো পড়ে আছে। অপরটি নেই। আপনার কলিজায় কামড় দিলো অশুভ এক চিন্তায়। আপনি পাগলের মতো ছুটোছু...
19/05/2026

ফ্ল্যাটের সামনে আপনার মেয়ের একটি জুতো পড়ে আছে। অপরটি নেই। আপনার কলিজায় কামড় দিলো অশুভ এক চিন্তায়। আপনি পাগলের মতো ছুটোছুটি করতে লাগলেন। বিল্ডিংয়ের প্রতিটি ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে লাগলেন মেয়ের খোঁজে।

সব ফ্ল্যাটের দরজা খুললেও, আপনার ফ্লোরের পাশের ফ্ল্যাটটির দরজা বন্ধ। কেউ খুলছে না। ততক্ষণে সবাই জড়ো হয়ে গিয়েছে। ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেওয়া হলো। পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে ফেললো।

আপনার মেয়ের নিথর দেহ পড়ে আছে সেই ফ্ল্যাটের নোংরা একটি ঘরে। মেঝে লালিমায় ভেসে গিয়েছে।

আর বাথরুমের বালতি থেকে পাওয়া গেলো আপনার সেই প্রিয় মুখটি, যে মুখটিতে জন্মের পর থেকে আজ অবধি এঁকেছিলেন অজস্র চুমু। চুলে ময়লা হলে যে চুলে যত্ন নিতেন, তেল দিতেন, শখ করে ঝুঁটি কিংবা বেণী করে দিতেন। সে চুল খামচে ধরেই খুনি এখানে এনে রেখে দিয়েছে।

মেয়েকে শিক্ষিত করে মাথা উঁচু করে বাঁচার যে স্বপ্ন দেখতেন। সেই মাথা ঠিকই আছে। শুধু দেহের সাথে আর নেই।

আপনি মা। আপনি বাবা। এই নৃশংস দৃশ্য সহ্য করবেন কীভাবে?

দরজা ভাঙ্গার পর লাশের পাশ থেকে ঘাতক সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু ঘাতক সোহেল রানা তিনতলার জানালার গ্রীল কেটে পালিয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। পরবর্তীতে তাকে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শিশু লামিসা। বয়স ৭-৮ বছর বয়স। আজ সকালে মিরপুরের এই ঘটনায় আবারও নারকীয় বর্বরতার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। হত্যার মোটিভ এখনও জানা যায়নি।

শিশুর প্রতি - বিশেষ করে মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতায় বাংলাদেশ হয়তো বিশ্বরেকর্ড করে, কুখ্যাত হওয়ার লড়াইয়ে প্রথম হওয়ার চেষ্টায়। নইলে একেরপর এক বর্বর ঘটনা কেন আমাদেরকে দেখতে হবে?

আমাদের মেয়েদেরকে যদি নিরাপত্তা দিতে না পারেন। সুষ্ঠু বিচার যদি করতে না পারেন। তাহলে আমাদের বলেন, আমরা এই দেশে মেয়ে জন্ম দেওয়া বন্ধ করে ফেলি। যারা জন্মেছে তাদেরকেও নিজ হাতে _______।

(২) সেদিন একটি ভিডিও দেখে বেশ আঁতকে উঠেছিলাম। ৫টি ছোট্ট ছেলে। ৯-১০ বয়স হবে। গলির মোড়ে। একজন সিগারেট ধরিয়েছে। বাকী ৪ জন পাহারা দিচ্ছে। ততক্ষণ পর্যন্ত অনেকের কাছে হাস্যরসের মতো লাগলেও হঠাৎ সিগারেট খাওয়া ছেলেটি নিজের প্যান্টের চেইন খুলে ফেললো। মাটিতে শুয়ে পড়লো। অন্ধকার এই গলিতে ছেলেটির নিচে আরেকজনের ছোট্ট দুটো পা দেখা যাচ্ছে। এত ভয়ঙ্কর দৃশ্য!

এই যে মেয়ে শিশুটি। সে বাইরে কী করছে? ওর মা-বাবা কোথায়? ওরা নিশ্চয়ই মেয়েকে এই হালেই ছেড়ে দিয়েছে। কিংবা হয়তো জানেও না যে, তাদের মেয়েটি কোন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে পড়ে গিয়েছে। কাদের সাথে খেলছে বা মিশছে। সেই খেয়ালটুকু রাখার প্রয়োজনীয়তাবোধটুকু নেই।

এই বয়সের শিশুরা এমন আচরণ কোথা থেকে শিখছে? তারা কীভাবে এমন কিছু অনুকরণ করছে, যার গভীরতা বা পরিণতি সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই থাকার কথা নয়?

আরেকটি ভিডিও দেখলাম। এমনই ৯-১০ বছরের দুটো ছেলে মেয়ে বাসা থেকে কাপড়চোপড় ও মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে গিয়েছে। তাঁরা নাকি একজন আরেকজনকে ভালোবাসে। সংসার গড়বে। এদেরকে বাসস্ট্যান্ড থেকে জনতা ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছিলো।

কল্পনা করেন। এতটুকু বাচ্চারা বিয়ে, সংসারের কী বুঝে? তাঁরা এসব কোথা থেকে শিখেছে?

এই শিশুগুলোরই ভবিষ্যৎ কী?
এরাই হয়তো পরিণত বয়সের আগেই ভয়ঙ্কর কোন ঘটনার ভিক্টিম বা ক্রিমিনাল হয়ে যাবে। তখন বাবা মায়ের নিজের কপালে থাপ্পড় মারা ছাড়া উপায় থাকবে না। যা সর্বনাশ ঘটার ঘটে গিয়েছে।

(৩)
বাবা মায়েদেরকে বুঝতে হবে সন্তান কোন রাস্তার প্রাণী নয়। যে জন্ম দিলাম আর এর দুয়ারে, ওর দুয়ারে ঘুরে ঘুরে নিজে নিজেই বড় হয়ে যাবে।

সন্তান হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার দেওয়া আপনার জীবনের পাওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ দান। সেই যুগ আর নেই যে হেলতে দুলতে সন্তান বড় করে ফেলবেন।

সপ্তাহ খানেক আগের ঘটনা। ফুটফুটে শিশু ফাহিমা। প্রতিবেশী চাচা তাকে সিগারেট আনতে পাঠায়। সিগারেট আনার পর শিশুটিকে ঘরে একা পেয়ে ধ__ন চেষ্টা করতে গেলে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে যায়। তখন ভয় পেয়ে তাকে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর ব্রিফকেসের ভেতরে দুদিন খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। গন্ধ বের হলে রাতের আঁধারে খালে ফেলতে গিয়ে ধরা খেয়ে যায়।

ফাহিমার বাবা মায়ের নিশ্চয়ই আফসোস হয়। বলে, 'আল্লাহ তুমি যদি একবার মেয়েটিকে ফেরত দিতে। তাহলে চোখে চোখে রাখতাম। চোখের আড়াল হতে দিতাম না।' কিন্তু তা তো আর সম্ভব নয়।

আপনার সন্তানকে এক সেকেন্ডের জন্যও চোখের আড়াল হতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে মেয়ে সন্তান। আপনার সন্তান কার সাথে মিশছে। কার সাথে খেলছে। কোন কনটেন্ট দেখছে। আপনাকে প্রতিটি বিষয়েই নজর রাখতে হবে।

মেয়েকে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে নিশ্চিন্তে খেলাধুলা করতে দিবেন? কোন রকমের নজরদারী ছাড়াই? ভাবছেন! ওরা তো শিশু। সেই সুযোগও আর নেই।

আপনি এমন এক দেশে বাস করছেন যেখানে না পরিবার-স্বজন, বয়সে মাইনর কিংবা বৃদ্ধ, বাড়িওয়ালা, কাজের বুয়া, দারোয়ান, স্কুল শিক্ষক, মাদ্রাসা শিক্ষক, প্রতিবেশী, দোকানদার এমন কোন প্রাণী নাই যার কাছে আপনার সন্তান নিরাপদ।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে: এত বড় অপরাধ করার পরেও রাষ্ট্র বিচার করতে না পারা। বিচার যদি না হয়, মানুষ অপরাধ করতে ভয় পাবে কেন?

তাই ভয় নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকার আর সতর্কতা ছাড়া বিকল্প কোন অপশন নেই আপনার হাতে।

সন্তানের নিরাপত্তার জন্যই আশেপাশের প্রত্যেককেই সন্দেহজনক ও অনিরাপদ ভাবতে হবে। সতর্ক থাকতেই হবে। আপনার ছেলে মেয়েকে সেফটি স্কিল (গুড টাচ/ব্যাড টাচ) শেখাতে হবে। ভয়ে অনেক শিশুই মুখ খুলে না। বছরের পর বছর মুখ বুঝে সহ্য করে। আপনাকে সেই ভয় দূর করতে হবে। দুনিয়ার যত ভয়ঙ্কর কিছুই ঘটুক না কেন! আপনার সন্তান যাতে আপনাকে সব বলে দেয়। সেই বিশ্বস্ততা, সেই বন্ধুত্বতা গড়তে হবে। ঐ হাত শক্ত করে ধরতে হবে।

যে রাষ্ট্র! আপনার সন্তানকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। অপরাধীদেরকে বিচার করতে ব্যর্থ। সেই রাষ্ট্রে যদি এখনও যে আপনার সন্তান নিরাপদ। আপনি শুকরিয়া আদায় করুন। কিন্তু কতক্ষণ নিরাপদ থাকবেন। সেই গ্যারান্টি নেই।

আপনি ধরে নেন, আপনার ঘরে থাকা সন্তানটিই ফাহিমা কিংবা লামিসা। ওরা এখনও নিরাপদ রয়েছে। তাদেরকে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে রাখুন। শপথ করুন, চোখের আড়াল হতে দিবেন না। অসতর্ক হবেন না।

লামিসার মতো ফুটফুটে মিষ্টি একটা মেয়ে আজকে প্রাণ হারালো। লাশের সারি বাড়তেই আছে। এমন হাজার হাজার লাশ আমরা পেরিয়ে এসেছি। তবুও থামাতে পারিনি এই লাশের মিছিল।


মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতায় বাংলাদেশ হয়তো কুখ্যাত হওয়ার লড়াইতে প্রথম হওয়ার চেষ্টায়। নইলে একেরপর এক বর্বর ঘটনা কেন আমাদেরকে দেখতে হবে?

আমাদের মেয়েদেরকে যদি নিরাপত্তা দিতে না পারেন। সুষ্ঠু বিচার যদি করতে না পারেন। তাহলে আমাদের বলেন, আমরা এই দেশে মেয়ে জন্ম দেওয়া বন্ধ করে ফেলি। যারা জন্মেছে তাদেরকেও নিজ হাতে _______।

- অন্তর মাশঊদ

স্কুলের বাচ্চাদের জন্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল সরকার। এর জন্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেটও পাশ করেছে। অথচ এসব খাব...
18/05/2026

স্কুলের বাচ্চাদের জন্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল সরকার। এর জন্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেটও পাশ করেছে। অথচ এসব খাবারের বেশিরভাগই বাসি এবং পঁচা।

যে পাউরুটি দেয়া হয় সেটাতেও ফাঙ্গাস থাকে। এমনকি ওজন বেশি দেখাতে ভিজা পাউরুটিই দিয়ে দেয়া হয় বাচ্চাদেরকে। ফাঙ্গাস থাকায় রুটি থেকে পঁচা দুর্গন্ধ বের হয় , পোকা জমে থাকে।

রুটির সাথে যে ডিম দেয়া হয় সেগুলোও প্রায়ই নষ্ট থাকে। এমনকি ডিমের ওজনেও কম দেয়া হয়।

নিয়ম হচ্ছে ৬০ গ্রাম ওজনের ডিম দেয়া। অথচ মাত্র ৪০ গ্রাম ওজনের ছোট ডিম দেয়া হয় বাচ্চাদেরকে যাতে বাকি টাকা ঠিকাদাররা চুরি করতে পারে।

শুধুমাত্র ডিম থেকেই প্রতিদিন ওরা ৩০ লাখ টাকা মেরে দেয়। সপ্তাহে মারে আড়াই কোটি টাকা।

কলাও কম ওজনের কাঁচা দিয়ে দেয়। কলা কাঁচা হওয়ায় বাচ্চারা ঠিকমতো খেতে পারে না। বাচ্চারা আফসোস করে বলেছে- কলা কষ্টি হওয়ায় একটু মুখে দিয়েই ফেলে দিতে হয়।

এসব নষ্ট এবং কাঁচা কলা দিয়ে ২ কোটি টাকার বেশি পকেটে ঢুকাচ্ছে ওরা।

শুধু রুটি কিংবা কলা থেকেই না এভাবে বাচ্চাদের প্রায় সব খাবারই পঁচা ,বাসি দিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১৭ কোটি টাকা নিজেদের পকেটে ভরছে ওরা। আর প্রতি মাসে চুরি করছে ৬৮ কোটি টাকা।

আই রিপিট ৬৮ কোটি টাকা!

আগের সরকার চুরি করতো টেন্ডার থেকে, রাস্তাঘাটের বাজেট থেকে। আর এখনকার বিএনপি সরকারের লোকজন চুরি করছে মাসুম বাচ্চাদের খাবার থেকে। ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে না ওরা।

স্কুলের বাচ্চারা বয়সে ছোট। ওরা ফাঙ্গাস কিংবা কেমিক্যাল তেমন একটা বুঝে না। মনের আনন্দেই সেসব খাবার খেতে নেয়।

অথচ এসব খাবার খেয়েই এখন পর্যন্ত ৩০০ বাচ্চা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চাপাইনবাবঞ্জের শুধুমাত্র এক স্কুলেরই ২০ টা বাচ্চা দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিল।

ডাক্তাররাও জানিয়েছে স্কুলের এসব পঁচা বাসি খাবার খেলে বাচ্চাদের ডায়রিয়া ,আলসার, হেপাটাইটিস রোগ হতে পারে। এমনকি রেগুলার এসব খেলে লিভার পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মানে আপনার সুস্থ ,সবল বাচ্চাটাই কিছুদিন পর আক্রান্ত হয়ে পড়বে মরণব্যাধি রোগে।

এখন ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট হয়েছে। কিছুদিন পর সেটা নাকি বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি করা হবে। কারণ বাজেট যত বেশি চুরি করার সুবিধাটাও তত বেশি।

স্কুলের বাচ্চাদেরকে এসব পঁচা বাসি খাবার দিয়ে টাকা চুরি করার কথা উর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে এমপি, মন্ত্রীরাও জানে কিন্তু কিচ্ছু বলে না কারণ ভাগের টাকা তাদের পকেটেও যায়।

সেই টাকায় তারা ঠিকই তাদের বাচ্চাকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ায়, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ায় অথচ জনগণের মাসুম বাচ্চাদের কপালে পঁচা ,বাসি খাবারই জুটে।

ঠিকাদাররাও এই চুরির টাকা দিয়ে বাড়ি কিনে, গাড়ি কিনে। সাধারণ জনগণের বাচ্চারা মরলে মরুক ,ওদের নিজের বাচ্চারা ভালো থাকলেই চলে।

আপনার বাচ্চাকে যত বেশি পঁচা খাবার খাওয়ানো যাবে তত বেশি চুরির টাকা ওদের পকেটে ঢুকবে।

স্কুলে বাচ্চাকে দুপুরের খাবার দেয়ায় আপনি হয়তো খুশি হচ্ছেন, একটু আনন্দিত হচ্ছেন অথচ এসব পঁচা-বাসি খাবার খেয়ে আপনার সুস্থ-সবল বাচ্চাটাই কিছুদিন পর অসুস্থ হয়ে পড়বে, লিভার নষ্ট হয়ে যাবে।

আপনি আপনার সুস্থ বাচ্চাটাকে স্কুলে পাঠাচ্ছেন পড়াশোনা করতে অথচ দিনশেষে ওরা আপনার বাচ্চাকে ফেরত পাঠাচ্ছে আলসার, লিভার নষ্টের মতো মরণব্যাধি রোগী বানিয়ে

- Ibrahim Khalil Shawon

আপনাকে যদি একবাটি বি*ষ খেতে বলা হয়, খেতে পারবেন? পারবেন না। কিন্তু যদি একবাটি ফুচকা খেতে বলা হয় তাহলে হয়তো অনায়াসেই খেয়ে...
11/05/2026

আপনাকে যদি একবাটি বি*ষ খেতে বলা হয়, খেতে পারবেন? পারবেন না। কিন্তু যদি একবাটি ফুচকা খেতে বলা হয় তাহলে হয়তো অনায়াসেই খেয়ে ফেলতে পারবেন।

অথচ একবাটি ফুচকাতেই ৭ কোটিরও বেশি ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে। যেটা সাধারণত মানুষের মলমূত্র থেকে ছড়ায়। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন- মলমূত্র থেকেই।

ফুচকার এই ব্যাকটেরিয়ার কারণেই হ্যাপাটাইটিস রোগ কিংবা লিভার নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারও মাসখানেক আগে একটা পার্টিতে প্রচুর পরিমাণে ফুচকা এবং বেলপুরি খেয়েছিল। আজকে সে মরণঘাতী হ্যাপাটাইটিস A এবং E তে আক্রান্ত।

এমনকি তার লিভার পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছে। এখন লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। মানে আরেকজনের কাছ থেকে লিভার এনে লাগাতে হবে। সেই ডোনার পাওয়া আবার প্রায় অসম্ভব। পেলেও নানান কিছু ম্যাচ করতে হয়, বিশাল অঙ্কের টাকা খরচ করতে হয়।

মাসখানেক আগেও কারিনা সুস্থ ছিল ,ফুচকা কিংবা অন্যান্য খাবার খেতো অথচ আজ সে মৃত্যুশয্যায়!

কারিনার মতো যে ফুচকা কিংবা রাস্তার পাশের খাবার খেয়ে আপনি তৃপ্তি পান সে ফুচকা বানানো হয় মেয়াদ ছাড়া ময়দা এবং নষ্ট তেল দিয়ে ভেজে ভেজে।

সেই ফুচকা বানানোর সময় কর্মীদের সারা শরীরের ঘাম এবং পায়ের নোংরা ময়লা লেগে থাকে ফুচকাতে। তাছাড়া টক বানানোতেও ব্যবহার করা হয় ড্রেনের নোংরা পানি।

কিছুদিন আগে ভোক্তা অধিদপ্তরের লোকজন আশুলিয়ার গিয়ে দেখে সেখানেও ড্রেনের নোংরা পানি দিয়ে ফুচকা বানাচ্ছে। পরে কিছু টাকা জরিমানাও করেছে।

কিন্তু তাদের কার্যক্রম থামানো যায়নি। তারা এখনো সেই নোংরা পানির ফুচকা বানিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন টক খাব না শুধু ফুচকাটাই খাব। কিন্তু কোন লাভ হবে না কারণ সব জীবাণু থাকে ফুচকাতেই।

ফুচকা কিংবা বাইরের এসব নোংরা খাবারের কারণে শুধু যে হ্যাপাটাইটিস রোগই হয় তা না। তাছাড়া ডায়েবিটিস ,পিসিওডি, এন্ডোমেট্রিওসিস, অবেসিটি এসব জটিল জটিল রোগও হয়।

একবার এসব রোগ হয়ে গেলে সেখান বেঁচে ফেরা খুবই দুঃসাধ্য। বিপুল টাকার সাথে সাথে জীবনটাও যাবে।

কারিনার অবস্থা এখন শোচনীয়। ডাক্তারদের মতে- এ অবস্থা থেকে বেঁচে ফেরাটা খুবই দুঃসাধ্য। তাকে এখন রাখা হয়েছে লাইফ সাপোর্টে।

দেশের চিকিৎসা দিয়ে হয়তো হবে না তাই তার বাবা নিয়ে যেতে চান বিদেশে চিকিৎসা করাতে। গতকাল তার বাবা কেঁদে কেঁদে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে চেয়েছে, আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছে।

কারিনার পরিবার মোটামুটি বড়লোকই কিন্তু এ জটিল রোগের চিকিৎসা করানোর মতো টাকা তাদের কাছেও নেই। কারণ শুধুমাত্র চিকিৎসা করাতেই ১-২ কোটি টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে। তাই শখের জমিটা পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছে। তাতেও কুলাতে পারবে কিনা জানে না।

আজকে আপনিও হয়তো আয়েস করে ফুচকা কিংবা বাইরের খাবার খাচ্ছেন। হয়তো ভাবছেন আমার শরীর আমি যা ইচ্ছে খাব, সমস্যা কি?

কিন্তু যেদিন কারিনার মতো আপনারও লিভার নষ্ট হয়ে লাইফ সাপোর্টে যেতে হবে, শখের জমিটা বিক্রি করে দিতে হবে সেদিন কিন্তু আফসোস করার সুযোগটাও পাবেন না

- Ibrahim Khalil Shawon

30/04/2026

"ফ্লোরে খালি পায়ে হাঁটলেই তো বাচ্চার নিউমোনিয়া হবে!"—'ঠান্ডা বাতাস'-এর মিথ এবং নিউমোনিয়ার আসল ঘাতককে অবজ্ঞা করা। .....

ঋতু পরিবর্তনের সময় বা শীতের শুরুতে বাচ্চার একটু সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্ট শুরু হলেই অবধারিতভাবে পরিবারের কেউ একজন বলে ওঠেন, "বলেছিলাম না ফ্লোরে খালি পায়ে হাঁটতে দিও না! ফ্যানের বাতাসে বাচ্চার বুকে ঠান্ডা বসে এখন নিউমোনিয়া হয়ে গেল তো!"

বাবা-মা হিসেবে আমরাও হয়তো আতঙ্কিত হয়ে বাচ্চাকে ৩-৪ স্তরের ভারী কাপড় পরিয়ে দিই, বুকে সরিষার তেল মালিশ করি এবং ঠান্ডা বাতাস থেকে বাঁচাতে ঘরের সব জানালা-দরজা বন্ধ করে দিই। আমরা যুগ যুগ ধরে বিশ্বাস করে আসছি যে, 'ঠান্ডা লাগা' থেকেই নিউমোনিয়া হয়। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে—ঠান্ডা বাতাস বা ফ্লোরের ঠান্ডা কখনো নিউমোনিয়া তৈরি করতে পারে না।

কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো, 'ঠান্ডা লাগার' এই অবৈজ্ঞানিক মিথের ওপর বিশ্বাস করে কীভাবে আমরা নিউমোনিয়ার আসল কারণকে অবজ্ঞা করছি এবং বাচ্চার জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছি।

১. মিথ বনাম বিজ্ঞান: নিউমোনিয়ার আসল কালপ্রিট 'জীবাণু'
নিউমোনিয়া কোনো আবহাওয়াজনিত রোগ নয়; এটি ফুসফুসের একটি অত্যন্ত মারাত্মক ইনফেকশন বা সংক্রমণ। যখন ফুসফুসের ছোট ছোট বায়ুথলি বা 'অ্যালভিওলাই' (Alveoli) পুঁজ বা তরলে ভরে যায়, তখন তাকে নিউমোনিয়া বলে।

এর আসল কালপ্রিট হলো বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া (যেমন- Streptococcus pneumoniae) অথবা ভাইরাস (যেমন- RSV)। আপনার বাচ্চা খালি পায়ে হাঁটলে বা আইসক্রিম খেলে এই ব্যাকটেরিয়া জন্মায় না। বরং, আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির হাঁচি-কাশির ড্রপলেট থেকে, অপরিষ্কার হাত মুখে দিলে, অথবা ঘরের ভেতরের দূষিত বাতাস (যেমন- মশার কয়েল বা সিগারেটের ধোঁয়া) থেকে এই জীবাণু বাচ্চার ফুসফুসে প্রবেশ করে। ঠান্ডার দোহাই দিয়ে আমরা আসল ঘাতক অর্থাৎ জীবাণু এবং দূষণকে পুরোপুরি এড়িয়ে যাই।

২. ভুল চিকিৎসা এবং 'চেস্ট ইনড্রয়িং' (Chest Indrawing)-এর নীরব বিপদ
যেহেতু আমরা নিউমোনিয়াকে সাধারণ 'ঠান্ডা লাগা' মনে করি, তাই এর চিকিৎসাও আমরা ঘরোয়া টোটকা দিয়ে করার চেষ্টা করি।

বাচ্চাকে কাশির সিরাপ খাওয়ানো বা অতিরিক্ত গরম কাপড় পরিয়ে ঘামিয়ে ফেলার কারণে বাচ্চার আসল কষ্টটা ঢাকা পড়ে যায়। ফুসফুসে ইনফেকশন বাড়ার কারণে বাচ্চার রক্তে অক্সিজেনের লেভেল মারাত্মকভাবে কমতে থাকে। বাচ্চা দ্রুত শ্বাস নেয় এবং শ্বাস নেওয়ার সময় তার পাঁজরের নিচের অংশ ভেতরের দিকে দেবে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে অত্যন্ত মারাত্মক একটি রেড ফ্ল্যাগ বা 'চেস্ট ইনড্রয়িং' (Chest Indrawing) বলা হয়। অবৈজ্ঞানিক টোটকায় সময় নষ্ট করার কারণে যখন বাচ্চাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, তখন অনেক ক্ষেত্রেই আইসিইউ (ICU) বা অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া বাচ্চাকে বাঁচানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

৩. স্মার্ট প্যারেন্টিং সল্যুশন: বিজ্ঞান দিয়ে শিশুর ফুসফুস রক্ষা করুন
সুইটার বা মোজা দিয়ে নিউমোনিয়া ঠেকানো যায় না, এর জন্য প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক সতর্কতা:

ভ্যাকসিনেশন (Vaccination) নিশ্চিত করুন:
নিউমোনিয়া প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় ব্রহ্মাস্ত্র হলো টিকা। বাচ্চার রুটিন টিকাদানের তালিকায় থাকা 'পিসিভি' (PCV - Pneumococcal Conjugate Vaccine) টিকাটি সঠিক সময়ে দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

বিপদের সংকেত (Red Flags) জানুন:
বাচ্চার সর্দি-জ্বর হলে তার শ্বাস-প্রশ্বাসের গতির দিকে খেয়াল রাখুন। ২ মাস থেকে ১ বছর বয়সী বাচ্চা যদি মিনিটে ৫০ বারের বেশি এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সী বাচ্চা যদি মিনিটে ৪০ বারের বেশি শ্বাস নেয়, অথবা 'চেস্ট ইনড্রয়িং' দেখা যায়—তবে এক মুহূর্তও দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিন।

পরিচ্ছন্নতা এবং দূষণমুক্ত পরিবেশ:
বাচ্চাকে ঠান্ডা থেকে বাঁচানোর চেয়ে জীবাণু থেকে বাঁচানো বেশি জরুরি। বাইরে থেকে এসে হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন। বাচ্চার সামনে ধূমপান করা এবং ঘরে মশার কয়েল জ্বালানো আজই চিরতরে বন্ধ করুন।

উপসংহার
পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হলো এই নিউমোনিয়া। এটি কোনো শীতের ভূত বা ফ্যানের বাতাসের অভিশাপ নয়; এটি একটি জীবাণুঘটিত রোগ। ঠান্ডা ফ্লোর বা আইসক্রিমকে ভিলেন বানিয়ে বাচ্চার আসল রোগকে কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রাখবেন না। সঠিক সময়ে একটি ভ্যাকসিন এবং আপনার একটুখানি সচেতনতাই পারে আপনার সন্তানের ফুসফুসকে এই নীরব ঘাতকের হাত থেকে রক্ষা করতে।

আসুন, একসাথে সচেতনতা গড়ি:
_collected

আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আমাদের বাসায় কখনও চা বানানো হয় নি॥ চায়ের হাড়ি আম্মাকে হার্ট করত। সকাল বিকাল দুইবার করে চা লাগ...
29/04/2026

আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আমাদের বাসায় কখনও চা বানানো হয় নি॥ চায়ের হাড়ি আম্মাকে হার্ট করত। সকাল বিকাল দুইবার করে চা লাগতো আমার আব্বার। বিকালের চা দিয়ে পাউরুটি খাওয়া আমার সাথে আমার আব্বার শেষ স্মৃতি। আর আমার আব্বার শেষ রিজিক।

আব্বা আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার সাথে সাথে ঝাঁকে ঝাঁকে স্ট্রাগল শুরু হয়। সেই সব বললে একটা বই লেখা হয়ে যাবে।

বুলেট বৈরাগীর বউএর কান্না আর বৈরাগীকে জড়িয়ে ধরার মুহূর্ত দেশকে নাড়া দিয়েছে। আমার মনটা পড়ে আছে তাদের বাচ্চাটার কাছে। বাচ্চাটার হাহাকার যে শুরু হইলো তার আর শেষ নেই। খুউব ই রিলেটেবল। আমার দশবছর বয়সি আমির যে হাহাকার ছিল সেই কষ্টটা খুউব রিলেটেবল।

জানি মৃত্যুতে মানুষের হাত নেই। তবুও বৈরাগীর উপর আমার একটা অভিমান হচ্ছে। কেন আপনার ছিনতাইকারীদের সাথে ধ্বস্তাধস্তি করতে হলো? কেন আপনি সব কিছু দিয়ে বললেন না টাকা পয়সা প্যান্ট শার্ট যা আছে সব নিয়ে আমার জীবনটা দিন? বললে….

আমরা যারা সন্তানের মা-বাবা প্লিজ চলেন জীবনটাকে ভালবাসি ছোট্ট জীবনগুলোর প্রতিদিনের জীবনযাপনের জন্য।

-স্বামিরা স্ত্রীকে ট্রিট করুন আপনার বাচ্চাদের মা হিসেবে।

-স্র্রীরা স্বামীকে ট্রিট করুন বাচ্চাদের বাবা হিসেবে।

-আর নিজেদের ট্রিট করুন আপনার বাচ্চাদের পুরো দুনিয়া হিসেবে।

সুতরাং, ছিনতাইকারীরা আসলে সব দিয়ে দিন। নিজের জীবন নিয়ে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে যান। ছিনতাইকারীদের হয়তো আমরা নির্মূল করতে পারছিনা আপাতত। কিন্তু সবকিছুর ঊর্ধ্বে নিজের জীবনটাকে প্রাইরিটাইজ তো করতেই পারি।

Maksud Aktar

06/04/2026

বাবার সাথে ঝগড়া লেগে মা কিছুদিনের জন্যে বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় গিয়েছিল। মেয়ে তখন মায়ের সাথে যায়নি ,বাড়িতেই ছিল। মেয়েটা ভেবেছিল বাবা তো বাড়িতে আছে তার সাথেই থাকি কোন সমস্যা হবে না।

কিন্তু রাতের দিকে মেয়েটা লক্ষ্য করে তার বাবা তার রুমে এসে অনেকক্ষণ যাবত বসে আছে। মেয়েটা ভেবেছিল হয়তো কোন দরকারে এসেছে। কোন দরকার আছে কিনা মেয়েটা জিজ্ঞেস করেছিল বাবাকে।

কিন্তু কোন উত্তর না দিয়েই বসে ছিল বাবা। তার কিছুক্ষণ পরই বাবা ইউসূফ মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। মেয়েটা কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে পাষবিকভাবে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা।

মেয়েটা প্রথমে বাঁধা দিতে চেয়েছিল কিন্তু বয়সে ছোট হওয়ায় বাবার সাথে আর পেরে উঠেনি। তাছাড়া চিৎকার করতেও চেয়েছিল কিন্তু বাবা তখন মেয়েটার মুখে কাপড় পেচিয়ে মুখটা বন্ধ করে রেখেছিল।

ওইদিন রাতে বাবাটা প্রথম ধ*র্ষণ করে মেয়েটাকে। প্রথমবার ধ*র্ষণের ঘটনাটা ঘটেছিল ২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। মেয়েটা ভেবেছিল মা আসলে মাকে সবকিছু বলে দিবে।

কিন্তু কয়েকদিন কেটে যাওয়ার পরও মা আসেনি। এজন্যে মেয়েটা ভেবেছিল পাশের বাসার চাচীকে সবকিছু বলবে কিন্তু নিজের বাবার সাথে এমন ঘটনা লজ্জায় বলতে পারেনি। তাছাড়া বাবা তাকে হুমকিও দিয়েছিল।

এভাবে মা যতদিন আসেনি ততদিন রাতে অমানুষিকভাবে নিজের মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতে থাকে বাবা ইউসূফ।

এর কিছুদিন পর মা বাড়িতে আসে। বাবা ইউসূফ বুঝে যায় মেয়ে এবারে মাকে সবকিছু বলে দিবে তাই সে দিনেরবেলা মেয়েকে নিজের রুমে ডেকে বলে- তোর মাকে যদি কিছু বলিস তাইলে তোরে কাইট্টা টুকরা টুকরা কইরা নদীতে ভাসাইয়া দিমু, তোরে মারেও ভাসাইয়া দিমু।

মেয়েটা লজ্জায় এবং ভয়ে মাকেও কিচ্ছু জানাতে পারে না।

মা বাড়িতে আসার পরও মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতো বাবা ইউসূফ। ঘর খালি পেলেই অমানুষিক নির্যাতন করতো মেয়েটাকে। লাগাতার ধ*র্ষণের কারণে মেয়েটা যাতে গর্ভবতী না হয় সেজন্যে জোর করে ঔষধও খাওয়াতো মেয়েটাকে।

এভাবে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা। টানা ধ*র্ষণের কারণে ঔষধেও কাজ না হওয়ায় মেয়েটা গর্ভবতী হয়ে পড়ে।

এভাবে আরও কিছুদিন চলার পর মেয়েটার পেট বাড়তে থাকে এবং গর্ভধারণের লক্ষ্যণ মা তাসলিমা বুঝতে পারে। মা তখন জানতে চায় এবং মেয়েটা নিজ থেকেই পুরো ঘটনাটা মাকে বলে দেয়।

সাথে মেয়েটা এটাও বলে- সে যে মাকে এটা জানিয়েছে সেটা যাতে বাবাকে না জানায়। মেয়েটার মনে তখনও ভয় ছিল বাবা জানতে পারলে তাদের মা মেয়ে দুজনকেই কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিবে।

মেয়েটা তখন ৭ মাসের প্রেগন্যান্ট। বাবা ইউসূফ যখন বুঝতে পারে মেয়েটা মাকে সবকিছু বলে দিয়েছে তখন সে তার স্ত্রীকে জোরাজোরি করতে থাকে মেয়েটার পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্যে।

মা তখন রাগারাগি করে বাবাটার সাথে। তখন বাবাটা চুপ থাকার জন্যে তার স্ত্রীকেও হুমকি দেয়। তাকে নিয়ে সংসার করবে না, তালাক দিবে এসবও বলে। তাছাড়া কেউ যাতে কিচ্ছু জানতে না পারে সে ব্যবস্থাও করে বাবাটা।

পরিচিত এক মহিলার মাধ্যমে নিজের মেয়ের এবরশন করায়। তারপর গর্ভের ৭ মাসের বাচ্চাটাকে ফেলে দিয়ে আসে নর্দমার ড্রেনে।

এতকিছুর করার পর কয়েকদিন কেটে যায়। বাবাটা ভেবেছিল সবকিছু ধামাচাপা দিতে পেরেছে সে। কিন্তু এত ছোট্ট মেয়ের এবরশন করানোয় মেয়েটার পেটে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়। তাই বাধ্য হয়েই মেয়েটাকে নিয়ে আসতে হয় উপজেলা হাসপাতালে।

বাবাটা ডাক্তারের কাছেও সবকিছু লুকিয়েছে, পেট ব্যথার সঠিক কারণটা জানায়নি। পরে ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর বুঝতে পারে মেয়েটার এবরশন হয়েছে ,সেকারণেই পেটে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।

পরে ডাক্তারদের ভরসায় মেয়েটাও পুরো ঘটনা তাদের সাথে শেয়ার করে। ডাক্তাররা তখন মেয়ের মাকে থানায় গিয়ে মামলা করতে বলে। ডাক্তারদের ভরসায় মা গতকাল ভোলার চরফ্যাশন থানায় মামলা করে।

বাবা টা টের পেয়ে আগেভাগেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। আজকে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ বাবাটাকে গ্রেফতার করেছে।

মেয়ের মা আজকে কেঁদে কেঁদে বলছিল - আমার এত ছোট মেয়েটারে ওর বাপের কাছে রাইখা গেছিলাম কিন্তু ওরা বাবাই ওর এত বড় সর্বনাশটা করল।

মেয়েটাও বলছিল- আমার বাবা আমার সাথে এত জঘন্য কাজ করবে আমি ভাবতেও পারি নাই। বলেই ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছিল মেয়েটা। এরপর আরও অনেক কিছু বলতে চেয়েছিল মেয়েটা কিন্তু কান্নার কারণে দম বন্ধ হয়ে আসছিল, বাকি কথাগুলো বলতে পারেনি।

আজকে বাবাটা ধরা পড়েছে কিন্তু কাল কিংবা পরশু ঠিকই টাকা দিয়ে জামিন নিয়ে বের হয়ে যাবে। কারণ এদেশের আইন, আদালত টাকার কাছে নিয়মতি বিক্রি হয়।

অন্যান্য মেয়েরা ধ*র্ষিত হলে তাদের বাবা-মা ভরসা দেয়, মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেয় অথচ এই মেয়েটাকে সান্ত্বনা দেয়ার মতো মানুষটাই তাকে ধ*র্ষণ করেছে।

এই মেয়েটা এখন পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, বন্ধু-বান্ধবীদের কাছেও লাঞ্চিত হবে, লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে না।

ধ*র্ষক বাবাটা হয়তো ঠিকই মুক্তি পেয়ে যাবে কিন্তু এই ছোট্ট মেয়েটাকে আজীবন ধ*র্ষিতার কলঙ্ক বয়ে বেড়াতে হবে

- Ibrahim Khalil Shawon

02/04/2026

আপনি যদি মুসলমান হন, তাহলে মুহাম্মদ সা: এর সহিহ হাদিস অনুসারে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি।

ধরেন হাসরের ময়দানে পৃথিবীর আর সকলের সাথে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন।

বিচার শুরু হলো।

বলেনতো সবার আগে কোন মানুষটাকে জাহান্নামে ছুড়ে দেয়া হবে?

ভয়ংকর রেপিস্ট, পিডোফাইল কাউকে?
হাসতে হাসতে মানুষ খুন করেছে কেউ, এমন কাউকে?

ফেরাউনকে? নমরুদ কে?
এপ্সটেন আইল্যান্ডের স্যাটানিক বুড়ো বুড়ি গুলোকে?
নাস্তিক, ফ্যাসাদ সৃষ্টি কারী, সোডম দেশের বাসিন্দাদের?

নবী কি বলে শুনেন
“আওয়ালুন্নাসি ইউকদা ইয়াওমাল কিয়ামাহ আলাইহি রাজুলুন ইস্তুশহিদ…” (সহীহ মুসলিম ১৯০৫ )

মানে সবার আগে আপনি দেখবেন, ধর্ম যুদ্ধে, শহীদ হওয়া মানুষটাকে জাহান্নামে দেয়া হচ্ছে।

দ্বিতীয় শ্রেনী?
আলেম/ ইসলামের দাওয়াত দেয়া, কোরান পড়া মানু্‌ষ!

তারপর?
আপনার পছন্দের 'জাহান্নামি' মানুষদের এখনো দেখবেন না। দেখবেন আজীবন যাদেরকে দান করতে দেখেছেন,
মানুষের প্রতি দয়াশীল হতে দেখেছেন, তাদেরকে জাহান্নামে যেতে দেখবেন!

মুসলিম হিসেবে আপনি চমকে উঠছেন না?

চমকানোর কিছু নেই!

ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনার নিয়ত।

সৃষ্টিকর্তা আপনার গহীন গোপন বাসনা, আপনার সূক্ষ্ণতম ভান সবই দেখতে পান!

সে ঠিক জানে আপনি কেন ইবাদত করেন
কেন যুদ্ধ করেন
কেন দান করতে যান।

আল্লাহর কাছে , হিপোক্রেসি এক ভয়ংকর অপরাধ।

লোক দেখানো ভালো মানুষ সাজা,
ইবাদত করা
আল্লাহর সবচেয়ে অপছন্দের কাজ।

ফিরাউন খারাপ, ভয়ংকর নিষ্ঠুর মানু্‌ষ, তবে সে কিন্তু হিপোক্রেইট না।

সে অরিজিনাল, অথেন্টিক, সত্য খারাপ।

সে ভান ধরেনা।

অহেতুক ভান ধরে ইবাদত করতে বসেনা।

বিচার দিনে আল্লাহ আপনার নফস দেখবে, আপনার নিয়ত খেয়াল করবে, নিজেরে কিভাবে যত্ন নিছেন, নিজেকে কিভাবে পিউরিফাই করছেন খেয়াল করবে।
আপনার সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য একেবারে আনবিক লেভেলে পোস্ট মর্টেম করে দেখা হবে।

নত হন।
মাফ চান।

সত্য হন দয়া করে।
দয়া করে নিজেকে একেবারে ভিতর থেকে জানুন,
ভাবুন, যা করছেন, যা বলছেন

তা কোথাও কোন লোক দেখানোর জন্য নাতো?

Collected

বাংলাদেশে মেয়ে হয়ে জন্মগ্রহণ করাটা যেন একটা দুর্ভাগ্যের বিষয়!!!!! একটি মানুষ একটি হাত একটি আঙ্গুল রাজনৈতিক কোন মঞ্চে ...
09/03/2026

বাংলাদেশে মেয়ে হয়ে জন্মগ্রহণ করাটা যেন একটা দুর্ভাগ্যের বিষয়!!!!!
একটি মানুষ একটি হাত একটি আঙ্গুল রাজনৈতিক কোন মঞ্চে দাঁড়িয়ে মেয়েটি চিৎকার করে বলছে আমি বাংলাদেশ শাসন করতে এসেছি...
ছবিটি সেই ভাইরাল ভিডিও রাবেয়া ইসলামের ,যিনি একটি গুরুতর মানসিক রোগ বাই পোলার মুড ডিসঅডারে (BMD) আক্রান্ত ছিলেন।

তার সব থেকে বড় অপরাধ ছিল তিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন!!!!
এর থেকেও বড় অপরাধ হলো তিনি একজন মেয়ে মানুষ!!!! ""
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এই মানুষটিকে নিয়ে গত এক মাস আগে সবাই ট্রল করেছিল, টিক টক বানিয়েছিল, হাসি ঠাট্টা করেছিল। রাবেয়া ইসলামের গায়ে এপ্রোন ছিল দেখে ডাক্তার আপু ডাক্তার আপু বলে কত বিশ্রী কথা ব্যবহার করা হয়েছিল!!!!!!
আমরা মানসিকভাবে এতটা বিকৃত হয়ে গেছি যার জন্য একজন মানসিক রুগী আমাদের হাত থেকে ছাড় পায় না!!!! ৬ বছরের শিশু থেকে বৃদ্ধ বনিতা!!! বিকৃত মানসিকতা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে!!!!এর শেষ কোথায় বলতে পারেন?

অথচ ঐ একই রাজনৈতিক মঞ্চে আরেকজন পুরুষ মানুষ ঠিক একই কাজ করেছিল। কিন্তু তাকে নিয়ে কোনো ট্রল হয়নি।

কারণ সে পুরুষ মানুষ ছিল !!!!!!!!

রাবেয়া ইসলামকে আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগে গত এক মাস আগে ভর্তি করাই।
আমাদের জুনিয়র ডাক্তাররা গত একটা মাস রাত দিন তার পিছনে পরিশ্রম করেন।
কখনো আমাদেরকে থুতু দিত, কখনো বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ, কখনো আবার গায়ে হাত তোলা, কখনো পেটে লাথি মারা সবই করেছে সে আমাদের সাথে।
কিন্তু আমাদের ডাক্তাররা দমে যায়নি। সকল কিছু সহ্য করে এই ভাইরাল ভিডিওর কেসটাকে আমরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম।

আমরা সম্পূর্ণ সত্যটা বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলাম।

আজ সেই দিন যেইদিন রাবেয়া ইসলামকে আমরা সম্পূর্ণ সুস্থ করে তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছি। রাবেয়া ইসলামের স্বামী ও তার শাশুড়ি গত একটা মাস একইভাবে হাসপাতালে পড়েছিল।
আজ একজন মা রাবেয়া ইসলাম সে ফিরে যাবে তার তিন সন্তানের কাছে। সে বারবার বলছিল আমার সন্তানেরা কেমন আছে!!!!!
আজ হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার আগে তার পরিবারের চোখে থেকে ঝর ঝর করে গড়িয়ে পড়া পানি গুলো গত এক মাসের আমাদের কষ্টকে সার্থক করেছে । চিকিৎসক হিসেবে এটাই ছিল আমাদের প্রাপ্তি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মানসিক রোগ বিভাগের জুনিয়র চিকিৎসকগণ রাবেয়া ইসলামের কেস টি সলভ করার মধ্য দিয়ে যে অপূর্ব উদাহরণ সৃষ্টি করল তা তাদের মানবিকতা ও ভালো চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠার অনেক বড় পরিচয়।
তোমরা অনেক বড় ডাক্তার হবে, দেশ ও দেশের মানুষ তোমাদের অপেক্ষায় থাকবে।তোমাদের মত ডাক্তারদের কাছে আমরা নির্ভাবনায় দেশ ও দেশের মানুষকে রেখে যেতে পারবো অদূর ভবিষ্যতে।

আমি এর আগের ভিডিওতে কথা দিয়েছিলাম আমি বাংলাদেশের মানুষের সামনে রাবেয়া ইসলামের কেস এর সত্যতা তুলে আনবই।
এতে আমার কপালে যা হয় তাই হবে।
আমি কতটুকু তা করতে পেরেছি তা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন!!!

মানসিক রোগের বিষয়ে সচেতন হোন, মনের যত নিতে শিখুন।
আর যারা মানসিক রোগীদের নিয়ে ট্রল করেন, হাসি ঠাট্টা করেন তাদের বলছি!! মানসিক রোগীদের জীবন যে কত কষ্টের তা যদি আপনারা জানতেন!!!!
আমি দোয়া করি, সেই মানসিক রোগীদের মতন জীবন যাতে আপনাদের আল্লাহ না দেয়, তাহলে সেই দিন বুঝবেন তারা ও তাদের পরিবার কত কষ্টে জীবন যাপন করে!!!

আবারো দেখা হবে!!!!
নতুন কোন কেস নিয়ে আবারও আসব আপনাদের সামনে ইনশাআল্লাহ।
@

গ্রাম্য পায়খানার স্ল্যাবের ভেতরে ৪মাসের শিশুর লাশ দেখে মায়ের আহাজারি, 'আমি কার এমন ক্ষতি করেছি? আমার ছেলের এই অবস্থা কেন...
05/03/2026

গ্রাম্য পায়খানার স্ল্যাবের ভেতরে ৪মাসের শিশুর লাশ দেখে মায়ের আহাজারি, 'আমি কার এমন ক্ষতি করেছি? আমার ছেলের এই অবস্থা কেন করলো?'

গতকাল আরেকটি নারকীয় ঘটনার সাক্ষী হলো সোনার বাংলাদেশ। কিশোরগঞ্জ কুলিয়ারচরে
২৬দিন পর নিখোঁজ ৪ মাসের শিশুর গলিত লাশ টয়লেটের স্ল্যাবের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়। খুনি শিশুর আপন চাচী।

এই ২৬টি দিন চারিদিকে শিশুর সন্ধানে মা-বাবার আহাজারিতেও ঘাতক চাচীর মন গলেনি। ঘুমন্ত শিশুকে মায়ের অবর্তমানে দোলনা থেকে তুলে নিয়ে, টয়লেটের ঢাকনা খুলে ফেলে দিয়ে, ঢাকনা লাগিয়ে দেয় নরপিশাচিনী।

আকারে ছোট্ট হওয়ায় টয়লেটের দূর্গন্ধের সাথে মিলিয়েই গিয়েছিলো এই ছোট্ট দেহ। হয়তো লাশটির সন্ধান কখনও পাওয়া যেত না। কিন্তু পরিত্যক্ত এই টয়লেটের বেড়া ভেঙ্গে যাওয়ায়, সেটি ঠিক করতে গিয়ে মনে হলো, কেন না টয়লেট ওয়াশ করি, পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করার জন্য।

আর ঠিক তখনই ঢাকনা খুলতে শিশুটির গলিত দেহ ভেসে উঠে।

পুলিশ এসে চাচীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করলে সে অপরাধ স্বীকার করে। ছোট্ট এই দেহটির গলিত হাড়গোড় দেহাবশেষকে সাদা কাফনে মুড়িয়েছে। এই দৃশ্য সহ্য করার মতো নয়। কোন সমাজে বাস করছি আমরা? চার মাসের শিশুর উপর প্রতিশোধ? কীভাবে আমরা নিজ সন্তানদেরকে এই সমাজে নিরাপদে রাখবো?

যে কথাটা প্রায়ই বলি, সন্তানকে কখনও চোখের আড়াল করা যাবেনা। যত আপনজনই হোক। কাউকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস করা যাবে না।

এটা মানব সন্তান। হাঁস মুরগী নয়। এভাবে হাঁস মুরগীর মতো ছেড়ে দিয়ে কাজ করতে গিয়ে, কত শত শিশু পানিতে পুকুরে ডুবে, গর্তে পড়ে, বালতির পানিতে ডুবে, সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে।

অন্যদিকে শিক্ষিত-অশিক্ষিত অনেককেই দেখি কনফিডেন্সের সাথে ছোট্ট ছোট্ট মেয়ে সন্তানকে মুদির দোকানসহ বিভিন্ন কাজে বাড়ির বাইরে, অন্য ফ্ল্যাটে পাঠায়। এভাবেও যে কত অপহরণ-ধর্ষণের মতো লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এসব দেখেও মানুষ শিক্ষা নিতে পারেনা।

পূর্ব শত্রুতার ক্ষোভ ভয়ঙ্কর জিনিস। বিশেষ করে নারীদের মনে পুষে রাখা ক্ষোভ। এই নিয়ে সম্ভবত ৫ নাম্বার শিশু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে লিখছি। যেগুলো নারী স্বজনেরা ঘটিয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে। দেখলেনই তো, আপন চাচীর কাছেও ৪ মাসের শিশু নিরাপদ নয়।

আপনি কোন আমলে, কখন কাকে বাজেভাবে গালমন্দ করেছেন, তর্ক করেছেন, ঝগড়া করেছেন। আপনি হয়তো ভুলেই গিয়েছেন। কিংবা ভেবেছেন স্বাভাবিক কোন ঘটনা! সেই ক্ষোভের বলি হতে পারে আপনার সন্তান।

আপনার সন্তানকে চোখে চোখে রাখুন। সন্তান জন্ম দেওয়ার চেয়ে এখন সন্তানকে নিরাপদে এই জাহেলিয়াত যুগে বাঁচিয়ে রাখাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

- অন্তর মাশঊদ

মৃত্যুর আগে ইরা 'পানি' খাওয়ার জন্য অনেক ছটফট করেছিলো, বারবার পানির জন্য আকুতি জানিয়েছিলো। কিন্তু শ্বাসনালী কাটার সার্জার...
04/03/2026

মৃত্যুর আগে ইরা 'পানি' খাওয়ার জন্য অনেক ছটফট করেছিলো, বারবার পানির জন্য আকুতি জানিয়েছিলো। কিন্তু শ্বাসনালী কাটার সার্জারির জন্য পানি দেওয়া নিষেধ ছিলো - সাংবাদিককে আফসোস করে জানাচ্ছিলো ইরার চাচা। ওর পরিবারের এই আফসোসে বুকটা ফেটে যাচ্ছে যে, শেষ মূহুর্তে মেয়েটিকে পানি খাওয়াতে পারেনি।

ওর চাচা দাবী করে , যে পাষণ্ড শিশুটিকে এত কষ্ট দিয়ে ইরাকে মেরেছে। পানি পর্যন্ত খেতে পারেনি। তাঁর ফাঁসি চাই।

রবিবার যা ঘটেছিলো ইরার ভাগ্যেঃ
কুমিরায় দাদার বাড়িতেই ইরার জন্ম। কিন্তু এই ভিটেতে জায়গা স্বল্পতার কারণে ভাড়া বাড়িতে থাকতো ইরারা। বেশী দূরে নয়। কাছাকাছিই। হেঁটেই আসা যায়। পেশায় ইরার বাবা একজন রিক্সাচালক।

জন্ম ভিটা হওয়ায় দাদুর বাড়ির প্রতি টান থেকেই প্রায়ই সে দাদুর বাসায় ছুটে আসতো। রবিবার সকাল ৯টায় সে দাদুর বাসায় যাওয়ার বায়না ধরলে, ওর মা নিষেধ করে। ছোট আরেকটি বোন ছিলো। তাকে কোলে নিয়ে খেলতে বলে। কিন্তু ইরা দাদু বাড়ি থেকে ফিরে এসে বোনকে কোলে নিয়ে খেলবে বলে, বের হয়ে যায়।

ইরার আরেকজন বড় বোন আছে। সম্ভবত ওরা মোট ৩ বোন।

ইরার মা জানে, মেয়ে তো দাদুর বাড়িতেই আছে। কিন্তু দুপুর ২টার দিকে ইরার স্বজনেরা ফেসবুকের মাধ্যমে ইকোপার্কে ইরার গলাকাটা ছবি দেখে চিনতে পারে, এটাই তাদের মেয়ে। স্থানীয় সড়ক নির্মান শ্রমিকরা ইরাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে ওর পরিবার পৌঁছালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানেই পরবর্তীতে ইরার মৃত্যু ঘটে।

খুনি কে? খুনি ইরাদের মতোই পাশের ঘরের ভাড়াটিয়া। যার সাথে ইরাদের পরিবারের প্রায়শই তর্ক-বিতর্ক, ঝগড়াঝাঁটি হয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই ইরার বাবাকে শায়েস্তা করার জন্য খুনি - ইরাকে বেছে নেয়।

দাদুর বাসায় যাওয়ার পথে ইরাকে খুনি একা পেয়ে চকলেট খাওয়ার লোভ দেখায় এবং কুমিরা বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে করে নিয়ে আসে সীতাকুণ্ড ইকো পার্কের গহিন জঙ্গলে। সেখানে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আদৌ করেছে কীনা সেটা ফরেনসিক রিপোর্টে জানা যাবে।

এক পর্যায়ে ইরা ওর বাবাকে বলে দিবে বলে হুমকি দিলে, কোমরে থাকা ছুরি দিয়ে ইরাকে জবাই দেয় এবং মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। কিন্তু মেয়েটি তখনও জীবিত এবং বেঁচে থাকার আকুল ইচ্ছেশক্তি নিয়ে সে রক্তাক্ত গলাকাটা শরীর নিয়ে জঙ্গল থেকে সড়কের দিকে এগিয়ে আসে।

সড়ক নির্মান কাজে থাকা লোকগুলো শিশুটিকে দেখতে পেয়ে দ্রুত গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং প্রায় দুইদিন মৃত্যু যন্ত্রনা সহ্য করে ইরা ইন্তেকাল করে। শুধু গলার ক্ষতই শিশুটিকে কাবু করেনি। ডাক্তার জানায়, অভ্যন্তণীন অংশে আঘাতের মাত্রা ছিলো বেশী। শরীরের বিভিন্ন অংশে কাঁটাছেঁড়া, আঘাতের চিহ্ন ছিলো।

প্রিয় ভাই-বোনেরা -
আসামী গ্রেফতার হয়েছে। আসামী অপরাধ স্বীকার করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ফুটেজ রয়েছে। তাহলে কেন প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় এই বিচারকে বছরের পর বছর আদালতে ঝুলিয়ে রাখবে? এরপর হয়তো যাবজ্জীবন কিংবা মৃত্যুদণ্ড রায় দিবে। কিন্তু কনডেম সেলে এই আসামী যুগের পর যুগ এই রাষ্ট্রের দেওয়া টাকায় তিনবেলা খাবে। অতঃপর কোন একদিন ছাড়াও পেতে পারে।

কেন এই আসামীকে আজকেই কিংবা এক সপ্তাহের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলানো হবে না? কেন একজন আসামীকে কঠিন শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে ২০ কোটি মানুষ তথা অপরাধীদেরকে সতর্ক করা হবে না?

কেন ভিক্টিমের পরিবারের মনকে অন্তত এই শান্তিটুকু দেওয়া হবে না? যে এই দেশ তোমার মেয়ের খুনিকে ক্ষমা করেনি।

তোমার মেয়ের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হয়েছে। ইরার খুনিকে জাহান্নামে পাঠানো হয়েছে? আমাদের বিচার ব্যবস্থা কবে বদলাবে?

যেই পুলিশ ভাইয়েরা এত কষ্ট করে আসামীকে ধরে, তাদের দায়িত্ব তো এখানেই শেষ। কিন্তু যেই শুয়োর, চাড়াল বিচারকেরা বছরের পর বছর আসামীকে পাপ্য সাজাটুকু দেয় না। যে উকিল এসব অপরাধীর পক্ষে জেনে শুনে লড়াই করে, যেই বিচারক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কম সাজা কিংবা তাদেরকে ছেড়ে দেয়। যেই চেয়ারম্যান-মেম্বার-প্রভাবশালীরা ধর্ষককে বাঁচাতে লবিং করে, মীমাংসা, সমঝোতা করানোর চেষ্টা করে, এদের কী পরিবারে মা-বোন-কন্যা নেই? কোন পরিবারটা পৃথিবীতে রয়েছে নারী ছাড়া? এই সমস্ত মানুষগুলোর বুক কাঁপে না? এই বিচার ব্যবস্থা বদলানোর ইচ্ছে হয় না?

একটি গ্রামে যখন আপনি একটি অপরাধ চোখের সামনে হতে দেখেও চুপ থাকবেন। প্রাপ্য বিচার করবেন না। তখন ঐ গ্রামে আরেকটি অপরাধ ঘটবে। তারপর আরেকটা...আর একদিন ঐ বিচারকের পরিবারের সাথেই ঘটে যাবে ভয়াবহ কোন অবিচার। আর ঠিক এভাবেই - গ্রাম থেকে জেলা, জেলা থেকে শহর। শহর থেকে বিভাগ। বিভাগ থেকে পুরো রাষ্ট্রই আজ অপরাধীদের অভয়ারাণ্য। শুধুমাত্র ভঙ্গুর বিচার ব্যবস্থার জন্য।

এই প্রকৃতি কিংবা পৃথিবী এক অদৃশ্য শৃঙ্খলার মধ্যে চলে। এই শৃঙ্খলা একটু এদিক সেদিক হলেই নেমে আসে প্রাকৃতিক দূর্যোগ। যার ভয়াবহতা কখনও দেখে না, আপনি কে? আপনার সামাজিক পরিচয় কী? আপনি কত অর্থের মালিক। সামাজিক শৃঙ্খলাও ঠিক তেমনই। এর ভয়াবহতা থেকে কেউই রক্ষা পাবে না। কেউ না।

নারী-শিশুর নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সরকারকে কঠোর হতে হবে। ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। অপরাধী যদি কনফেস করে/ ভিডিও প্রমাণ থাকলে ৭দিনের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলাতে হবে। যদি প্রমাণের ইস্যু থাকে তাহলে ৯০দিনের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন ও রায় কার্যকর করতে হবে।

আল্লাহ্‌ আমাদের সন্তানদেরকে হেফাজত করুন। ইরার হত্যার বিচার চাই। ইরার খুনির ফাঁ///সি চাই।

- অন্তর মাশঊদ

Address

Savar
Dhaka
1342

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tista Communications posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category