Tista Communications

Tista Communications Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tista Communications, Grocers, Savar, Dhaka.

অনেকগুলো খারাপ কাজের মধ্যে বিএনপি সরকার আজকে একটা ভালো কাজ করেছে।তারা আগামীকাল থেকে মেয়দের জন্যে স্পেশাল বাস সার্ভিস চাল...
18/08/2026

অনেকগুলো খারাপ কাজের মধ্যে বিএনপি সরকার আজকে একটা ভালো কাজ করেছে।

তারা আগামীকাল থেকে মেয়দের জন্যে স্পেশাল বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে।

আপাতত ঢাকায় ১০ টা, চট্টগ্রাম এবং বগুড়ায় ২ টা করে চালু করা হবে। তারপর আস্তে আস্তে সারা বাংলাদেশে এ স্পেশাল বাস সার্ভিস ছড়িয়ে দেয়া হবে।

এ বাসের সার্ভিস এতটাই প্রিমিয়াম হবে যে সিট এবং ইনডোর সার্বক্ষণিক নিট এন্ড ক্লিন থাকবে, যেকোন মেয়ে চাইলে ইচ্ছেমতো ঘুরতে পারবে, যাতায়াত করতে পারবে।

শুধু তাই না- এ বাসের ড্রাইভার থেকে শুরু করে কন্ডাকটর, হেল্পার সব মেয়ে হবে যাতে কোন ধরনের হেনস্তার শিকার না হতে হয়।

অথচ ড্রাইভার এবং হেল্পার পুরুষ হওয়ায় বহু মেয়েকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে, ধ*র্ষিত হতে হয়েছে। শুধু হেল্পারের দ্বারাই না যাত্রীদের দ্বারাও লাঞ্চিত হতে হয়েছে।

আমারই পরিচিত এক মেয়ে ফ্রেন্ড একদিন ভার্সিটতে আসার জন্যে পাবলিক বাসে উঠেছিল। স্টেশন থেকেই বাসে উঠায় ও সিট পেয়েছিল।

কিন্তু প্রচন্ড গরম আর ভিড়ের মধ্যে বয়স্ক একজন লোককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে নিজের আরামের সিটটা ছেড়ে উনাকে বসতে দিয়েছিল।

তারপর বাসের প্রচন্ড ভিড় আর গরমের মধ্যে ও দাঁড়িয়েই আসছিল। কিছুক্ষণ পরপরই একেকজন পুরুষ যাত্রী নানান বাহানায় ওর গা ছুঁয়ে দিচ্ছিল।

ও মনে প্রথমে করেছিল হয়তো ভিড়ের কারণে এমনটা হচ্ছে। কিন্তু ভিড় কিছুটা কমার পরও দেখছিল সবাই ওর পাশে কেমন যেন চেপে চেপে আছে, নানান বাহানায় চুল আর পিঠ ছুঁতে চাচ্ছে।

এমন একটা ভাব করছে যেন এটা অনিচ্ছাকৃতভাবে হচ্ছে অথচ সেসব যাত্রীরা ইচ্ছা করেই এটা করছিল।

তিন চারটা স্টেশন পার হওয়ার পর যেই বয়স্ক লোকটাকে সিট ছেড়ে বসতে দিয়েছিল তার সাথের সিটটা ফাঁকা হয়েছিল। ও খুশিমনেই সেখানে বসেছিল। ভেবেছিল এবার হয়তো রক্ষা হয়েছে।

কিন্তু আরও কিছুদূর যাওয়ার পর ক্লান্তি আর বিষণ্ণতায় ওর চোখ একটু লেগে আসায় বাসের সিটেই ঘুমিয়ে পড়েছিল।

ঘুম থেকেই টের পাচ্ছিল ওর কোমড়ে কে যেন হাত দিচ্ছে। ও ভেবেছিল হয়তো ঘুম ঘুম ভাবের কারণে ভুল হচ্ছে। কিন্তু না। আবারও একই জিনিস। ওড়নার নিচ দিয়ে ওর কোমড়ে এবং পেটে শক্ত করে হাত বুলাচ্ছে।

ও অবাক হয়ে দেখেছিল যেই বয়স্ক লোকটাকে নিজের আরামের সিটটাতে বসতে দিয়েছিল সেই লোকটাই তার সরলতার সুযোগ নিয়ে কোমড়ে হাত দিচ্ছে, যৌ*নতার অনুভব নিচ্ছে। অথচ এই লোকটাকে ও বাবার মতোই মনে করেছিল।

সেদিন চিৎকার দিয়ে পুরো ঘটনা জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। বাসের লোকেরাই ওকে ব্লেইম দিয়েছে, কটু কথা শুনিয়েছে। বাবার বয়সী একজন লোককে না-কি ও ফাঁসাতে চাচ্ছে এমনটাও বলেছিল।

রাগে, ক্ষোভে সেদিন ও বাস থেকে নেমে পড়েছিল। ক্যাম্পাসে এসে আমাদের অনেকের সাথেও শেয়ার করেছিল।

এ ঘটনাটা অনেকের কাছেই হয়তো ছোট মনে হবে কিন্তু ওকে বহুদিন তাড়া করে বেড়িয়েছিল, ট্রমাটাইজড করেছিল।

আমার মেসের আরেক বড় ভাই উনার বউকে নিয়ে ঢাকাতেই ঘুরতে বের হয়েছিল। আসার সময় কোন গাড়ি না পেয়ে বাসে উঠেছিল।

বাস কিছুটা নির্জন হওয়ায় হেল্পার টাকা তুলতে আসার সময় ব্লেড দিয়ে উনার বউয়ের পেছনের দিকের কাপড় কাটতে চেয়েছিল। কাপড় কেটে হয়তো কোমড় বা পিঠে হাত দিতো, যৌ*নতার অনুভব নিতো।

অথচ উনার বউ বোরকা পড়ে বের হয়েছিল তবুও রেহাই হয়নি।

সেদিন এ ঘটনায় উনারও হেল্পারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছিল, ধ্বস্তাধস্তি হয়েছিল কিন্তু কেউই উনার পক্ষে কথা বলেনি। উল্টো ড্রাইভার তাকে ব্লেইম দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দিয়েছিল।

বোরকার পড়ার পরও এভাবে হেনস্তা হওয়ায় উনার বউ পুরোটা রাস্তা সেদিন কাঁদতে কাঁদতে এসেছিল।

এই বড়ভাই ই পরে একদিন আমাদেরকে বলেছিলেন- উনি একটা গাড়ি কেনার মতো বড়লোক হতে চান। শুধুমাত্র নিজের পরিবারকে একটু সেইফটি আর নিরাপত্তা দেয়ার জন্যে বড়লোক হতে চান।

অথচ মেসে থাকতে উনি বলতেন- বড়লোক হতে চাই যাতে তিনবেলা মোরগ-পোলাও খেতে পারি।

সেই ঘটনার পর থেকে উনার ধারণা বদলেছিল, আমাদেরকেও পারলে বিয়ের আগে একটা গাড়ি কিনতে বলেছিল।

এদেশে সবার গাড়ি কেনার সামর্থ্য থাকে না, সব মেয়েদের হাজার টাকা খরচ করে ক্লাসে যাওয়ার সামর্থ্যও থাকে না। এজন্যে প্রতিবারই তাদেরকে বাসে লাঞ্ছিত হতে হয়, হেনস্তা পেতে হয়।

এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র বাসের হেল্পার আর ড্রাইভারদের দ্বারা ১২০০ এর উপর মেয়ে ধ*র্ষিত হয়েছে। কেউ বিচার পেয়েছে কেউ পায়নি।

ধ*র্ষিত হলে নিউজ হয়, আলোড়ন হয় তাই খোঁজ পাওয়া যায় কিন্তু কোমড়ে বা পিঠে হাত বুলিয়ে দেয়ার মতো ঘটনাগুলো মেয়েরা কাউকে জানাতে পারে না বলে সেগুলো অগোচরেই থেকে যায়।

সেই অগোচরে থাকা সংখ্যাটা এতটাই বেশি যে এখন পর্যন্ত ৭৯% মেয়ে কোন না কোনভাবে বাসে হেনস্তার শিকার হয়েছে। মানে ২-৩ কোটি মেয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছে কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারেনি।

বললে অনেকেই হয়তো বলে- এত রিয়্যাক্ট করার কি আছে হাতই তো বুলিয়েছে ধ*র্ষণ তো আর করেনি!

অথচ এই হাত বুলিয়ে করাটাই তাদেরকে দিনের পর দিন কাঁদিয়েছে, ট্রমাটাইজড করে রেখেছে।

এখন এই স্পেশাল বাস সার্ভিস চালু হলে মেয়েরা হয়তো কিছুটা স্বস্তি পাবে, যাতায়াতে ভরসা পাবে।

কিন্তু যেসব মেয়েরা আগে হেনস্তা হয়েছে, বাবার বয়সী লোকের দ্বারা কোমড়ে-পিঠে ব্যাডটাচের শিকার হয়ে বাস থেকে নেমে যেতে হয়েছে সেসব অসহায় মেয়েদের ঘটনাগুলো হয়তো কেউ জানবে না, কেউ না

Ibrahim Khalil Shawon

দেশের সরকারি দল এবং বিরোধী দল মিলে একদিকে মারামারি করছে অথচ অন্যদিকে মিরপুর রোডে ৪ টা নিরিহ মানুষ মরে পড়ে আছে। আরও ৮ টা ...
30/07/2026

দেশের সরকারি দল এবং বিরোধী দল মিলে একদিকে মারামারি করছে অথচ অন্যদিকে মিরপুর রোডে ৪ টা নিরিহ মানুষ মরে পড়ে আছে।

আরও ৮ টা মানুষ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে।

এই গরিব, মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলো এসেছিল টিসিবির চাল নিতে। নাসিমাও এসেছিল তাদের সাথে।

নাসিমা অসহায় মানুষ। একটা কোম্পানিতে সামান্য বেতনে ক্লিনারের কাজ করতো। গতকাল দুপুরের খাবারের বিরতির সময় টিসিবির গাড়িটা এসেছিল।

অসহায় নাসিমা ভেবেছিল না খেয়ে আগে চালটা নিয়ে আসি। নয়তো দেরি হলে আর পাওয়া যাবে না।

তাই না খেয়ে ক্ষুধার্ত পেট নিয়েই বের হয়েছিল চাল কেনার জন্যে। লাইনেও অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু চাল আর নিতে পারেনি। তার আগেই দেয়ালটা ধসে পড়েছে।

শক্ত ইটের চাপে নাসিমা বেগমসহ আরও অনেকের চোখমুখ থেঁতলে গেছে, হাত-পা ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। র*ক্তে চারপাশের রাস্তা লাল হয়ে গেছে।

ইটের ফাঁক দিয়েই হাত বের করে বাঁচার আকুতি মিনতি করেছিল নাসিমা কিন্তু টেনে আর বের করতে পারেনি। দমবন্ধ হয়ে, থেঁতলানো শরীর নিয়েই চাপা পড়ে মারা গেছে।

যেই নাসিমা একরাশ ক্ষুধা আর আশা নিয়ে এসেছিল চাল নিতে, তার র*ক্তই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে ছিল টিসিবির চালের গাড়ির পাশে।

নাসিমার বেগমের সাথে সাথে আরও ৩ টা মানুষ মারা গেছে, ৮ টা মানুষ হাসপাতালের বেডে শুয়ে এখনো কাতরাচ্ছে।

অথচ তাদের খবর নেয়ার কেউ নাই, সরকারের পক্ষ থেকেও এই মৃত্যুর কোন তদন্ত নাই।

এই দেয়ালটা বহু আগে থেকেই নড়বড়ে ছিল কিন্তু তদারকি করার কেউ ছিল না।

আমাদের সরকারি দল আর বিরোধী দল ব্যস্ত আছে মারামারি করতে। তাদের কেউই জিজ্ঞেস করে নাই- এতগুলো মানুষের মৃত্যু কেন হলো? কোন বাড়িওয়ালার অবহেলায় দেয়াল নড়বড়ে হলো?

কিছুই জিজ্ঞেস করার সময় নাই তাদের। এমনকি বিচারটাও চায় নাই।

শুধু তাই না- দেশের টুথপেষ্টে যে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে কোন এমপি-মন্ত্রী বা রাজনৈতিক নেতা কি কোম্পানিগুলোকে জিজ্ঞেস করেছে কেন এটা পাওয়া গেল?

সয়াবিন তেলে কেন কোটি কোটি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে সেটা কি জিজ্ঞেস করেছে? বাচ্চাদের বেবি পাউডারে কেন ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে সেটা জানতে চেয়েছে?

চায় নাই। কারণ তাদের কাছে এগুলোর চেয়েও ক্ষমতা
গুরুত্বপূর্ণ ,পদ-পদবি গুরুত্বপূর্ণ।

দেশে এত এত সংকট লেগে আছে অথচ সরকারি দলের নেতারা পড়ে আছে বালুর ট্রাক দিয়ে বিরোধী দলের মিছিল আটকাতে।

আর বিরোধী দল পড়ে আছে সেগুলো প্রতিহত করতে। অথচ জনগণ কি চায়, জনগণের কি লাগবে সেদিকে কারো কিচ্ছু খেয়াল নাই।

জনগণ মরলেই কি বা বাঁচলেই কি? নাসিমার মতো এমন হাজারটা মানুষ মরলেও তাদের কিচ্ছু যায় আসে না। এসব গরিব জনগণের লা*শের দাম এলিট নেতাদের কাছে দুই পয়সাও না।

অথচ নাসিমার পরিবারের কাছে তার দাম ছিল কোটি টাকা। কারণ নাসিমার কাঁধেই পুরো পরিবারটার দায়িত্ব ছিল। সে বেতন পেলেই তার সন্তানেরা, বৃদ্ধ মা'টা দুমুঠো পারতো।

এখন তার সন্তানগুলোও এতিম হয়ে গেল!

নাসিমার মৃত্যুর পর তার অসহায় মা'টা কেঁদে কেঁদে বলছিল- আমারে এখন ক্যাডা খাওয়াইব? আমার মাইয়াডা চাপা পইরা মইরা গেল এখন আমি না খাইয়া মইরা যামু।

পরের বেলা রান্নার জন্যে না খেয়েই চাল আনতে গিয়েছিল নাসিমা। ইচ্ছে ছিল চাল নিয়ে এসে মায়ের সাথে একসাথে বসে খাবে।

কিন্তু সে ইচ্ছেটা আর পূরণ হয়নি। টেবিলেই ভাত, তরকারি সব রেডি করা ছিল অথচ নাসিমা ফিরেছে লা*শ হয়ে।

আজকে নাসিমা মরেছে। কাল হয়তো আমি, আপনি মরব। রাস্তাঘাটে বের হলেই হুটহাট এক্সিডেন্টে মরব, মেট্রোরেলের গার্ডারের চাপায় মরব, লঞ্চে ডুবে মরব।কারণ অসহায় জনগণদের জন্মটাই হয়েছে মরার জন্যে।

কিন্তু সে মৃত্যুর কোন শোকসভা হবে না, বিচার হবে না।কোন রাজনৈতিক নেতারাও কারণটা জিজ্ঞেস করবে না। তারা ব্যস্ত থাকবে তাদের ক্ষমতার চেয়ার নিয়ে, মারামারি নিয়ে।

এদেশে এক সরকারের পর আরেক সরকার আসে, ক্ষমতার চেয়ারে বসা রাজাটার পরিবর্তন হয়, আরও কতকিছুরই পরিবর্তন হয়, হতভাগা জনগণদের ভাগ্যটাই শুধু পরিবর্তন হলো না

- Ibrahim Khalil Shawon

ফ্ল্যাটের সামনে আপনার মেয়ের একটি জুতো পড়ে আছে। অপরটি নেই। আপনার কলিজায় কামড় দিলো অশুভ এক চিন্তায়। আপনি পাগলের মতো ছুটোছু...
19/05/2026

ফ্ল্যাটের সামনে আপনার মেয়ের একটি জুতো পড়ে আছে। অপরটি নেই। আপনার কলিজায় কামড় দিলো অশুভ এক চিন্তায়। আপনি পাগলের মতো ছুটোছুটি করতে লাগলেন। বিল্ডিংয়ের প্রতিটি ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে লাগলেন মেয়ের খোঁজে।

সব ফ্ল্যাটের দরজা খুললেও, আপনার ফ্লোরের পাশের ফ্ল্যাটটির দরজা বন্ধ। কেউ খুলছে না। ততক্ষণে সবাই জড়ো হয়ে গিয়েছে। ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেওয়া হলো। পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে ফেললো।

আপনার মেয়ের নিথর দেহ পড়ে আছে সেই ফ্ল্যাটের নোংরা একটি ঘরে। মেঝে লালিমায় ভেসে গিয়েছে।

আর বাথরুমের বালতি থেকে পাওয়া গেলো আপনার সেই প্রিয় মুখটি, যে মুখটিতে জন্মের পর থেকে আজ অবধি এঁকেছিলেন অজস্র চুমু। চুলে ময়লা হলে যে চুলে যত্ন নিতেন, তেল দিতেন, শখ করে ঝুঁটি কিংবা বেণী করে দিতেন। সে চুল খামচে ধরেই খুনি এখানে এনে রেখে দিয়েছে।

মেয়েকে শিক্ষিত করে মাথা উঁচু করে বাঁচার যে স্বপ্ন দেখতেন। সেই মাথা ঠিকই আছে। শুধু দেহের সাথে আর নেই।

আপনি মা। আপনি বাবা। এই নৃশংস দৃশ্য সহ্য করবেন কীভাবে?

দরজা ভাঙ্গার পর লাশের পাশ থেকে ঘাতক সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু ঘাতক সোহেল রানা তিনতলার জানালার গ্রীল কেটে পালিয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। পরবর্তীতে তাকে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শিশু লামিসা। বয়স ৭-৮ বছর বয়স। আজ সকালে মিরপুরের এই ঘটনায় আবারও নারকীয় বর্বরতার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। হত্যার মোটিভ এখনও জানা যায়নি।

শিশুর প্রতি - বিশেষ করে মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতায় বাংলাদেশ হয়তো বিশ্বরেকর্ড করে, কুখ্যাত হওয়ার লড়াইয়ে প্রথম হওয়ার চেষ্টায়। নইলে একেরপর এক বর্বর ঘটনা কেন আমাদেরকে দেখতে হবে?

আমাদের মেয়েদেরকে যদি নিরাপত্তা দিতে না পারেন। সুষ্ঠু বিচার যদি করতে না পারেন। তাহলে আমাদের বলেন, আমরা এই দেশে মেয়ে জন্ম দেওয়া বন্ধ করে ফেলি। যারা জন্মেছে তাদেরকেও নিজ হাতে _______।

(২) সেদিন একটি ভিডিও দেখে বেশ আঁতকে উঠেছিলাম। ৫টি ছোট্ট ছেলে। ৯-১০ বয়স হবে। গলির মোড়ে। একজন সিগারেট ধরিয়েছে। বাকী ৪ জন পাহারা দিচ্ছে। ততক্ষণ পর্যন্ত অনেকের কাছে হাস্যরসের মতো লাগলেও হঠাৎ সিগারেট খাওয়া ছেলেটি নিজের প্যান্টের চেইন খুলে ফেললো। মাটিতে শুয়ে পড়লো। অন্ধকার এই গলিতে ছেলেটির নিচে আরেকজনের ছোট্ট দুটো পা দেখা যাচ্ছে। এত ভয়ঙ্কর দৃশ্য!

এই যে মেয়ে শিশুটি। সে বাইরে কী করছে? ওর মা-বাবা কোথায়? ওরা নিশ্চয়ই মেয়েকে এই হালেই ছেড়ে দিয়েছে। কিংবা হয়তো জানেও না যে, তাদের মেয়েটি কোন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে পড়ে গিয়েছে। কাদের সাথে খেলছে বা মিশছে। সেই খেয়ালটুকু রাখার প্রয়োজনীয়তাবোধটুকু নেই।

এই বয়সের শিশুরা এমন আচরণ কোথা থেকে শিখছে? তারা কীভাবে এমন কিছু অনুকরণ করছে, যার গভীরতা বা পরিণতি সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই থাকার কথা নয়?

আরেকটি ভিডিও দেখলাম। এমনই ৯-১০ বছরের দুটো ছেলে মেয়ে বাসা থেকে কাপড়চোপড় ও মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে গিয়েছে। তাঁরা নাকি একজন আরেকজনকে ভালোবাসে। সংসার গড়বে। এদেরকে বাসস্ট্যান্ড থেকে জনতা ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছিলো।

কল্পনা করেন। এতটুকু বাচ্চারা বিয়ে, সংসারের কী বুঝে? তাঁরা এসব কোথা থেকে শিখেছে?

এই শিশুগুলোরই ভবিষ্যৎ কী?
এরাই হয়তো পরিণত বয়সের আগেই ভয়ঙ্কর কোন ঘটনার ভিক্টিম বা ক্রিমিনাল হয়ে যাবে। তখন বাবা মায়ের নিজের কপালে থাপ্পড় মারা ছাড়া উপায় থাকবে না। যা সর্বনাশ ঘটার ঘটে গিয়েছে।

(৩)
বাবা মায়েদেরকে বুঝতে হবে সন্তান কোন রাস্তার প্রাণী নয়। যে জন্ম দিলাম আর এর দুয়ারে, ওর দুয়ারে ঘুরে ঘুরে নিজে নিজেই বড় হয়ে যাবে।

সন্তান হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার দেওয়া আপনার জীবনের পাওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ দান। সেই যুগ আর নেই যে হেলতে দুলতে সন্তান বড় করে ফেলবেন।

সপ্তাহ খানেক আগের ঘটনা। ফুটফুটে শিশু ফাহিমা। প্রতিবেশী চাচা তাকে সিগারেট আনতে পাঠায়। সিগারেট আনার পর শিশুটিকে ঘরে একা পেয়ে ধ__ন চেষ্টা করতে গেলে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে যায়। তখন ভয় পেয়ে তাকে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর ব্রিফকেসের ভেতরে দুদিন খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। গন্ধ বের হলে রাতের আঁধারে খালে ফেলতে গিয়ে ধরা খেয়ে যায়।

ফাহিমার বাবা মায়ের নিশ্চয়ই আফসোস হয়। বলে, 'আল্লাহ তুমি যদি একবার মেয়েটিকে ফেরত দিতে। তাহলে চোখে চোখে রাখতাম। চোখের আড়াল হতে দিতাম না।' কিন্তু তা তো আর সম্ভব নয়।

আপনার সন্তানকে এক সেকেন্ডের জন্যও চোখের আড়াল হতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে মেয়ে সন্তান। আপনার সন্তান কার সাথে মিশছে। কার সাথে খেলছে। কোন কনটেন্ট দেখছে। আপনাকে প্রতিটি বিষয়েই নজর রাখতে হবে।

মেয়েকে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে নিশ্চিন্তে খেলাধুলা করতে দিবেন? কোন রকমের নজরদারী ছাড়াই? ভাবছেন! ওরা তো শিশু। সেই সুযোগও আর নেই।

আপনি এমন এক দেশে বাস করছেন যেখানে না পরিবার-স্বজন, বয়সে মাইনর কিংবা বৃদ্ধ, বাড়িওয়ালা, কাজের বুয়া, দারোয়ান, স্কুল শিক্ষক, মাদ্রাসা শিক্ষক, প্রতিবেশী, দোকানদার এমন কোন প্রাণী নাই যার কাছে আপনার সন্তান নিরাপদ।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে: এত বড় অপরাধ করার পরেও রাষ্ট্র বিচার করতে না পারা। বিচার যদি না হয়, মানুষ অপরাধ করতে ভয় পাবে কেন?

তাই ভয় নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকার আর সতর্কতা ছাড়া বিকল্প কোন অপশন নেই আপনার হাতে।

সন্তানের নিরাপত্তার জন্যই আশেপাশের প্রত্যেককেই সন্দেহজনক ও অনিরাপদ ভাবতে হবে। সতর্ক থাকতেই হবে। আপনার ছেলে মেয়েকে সেফটি স্কিল (গুড টাচ/ব্যাড টাচ) শেখাতে হবে। ভয়ে অনেক শিশুই মুখ খুলে না। বছরের পর বছর মুখ বুঝে সহ্য করে। আপনাকে সেই ভয় দূর করতে হবে। দুনিয়ার যত ভয়ঙ্কর কিছুই ঘটুক না কেন! আপনার সন্তান যাতে আপনাকে সব বলে দেয়। সেই বিশ্বস্ততা, সেই বন্ধুত্বতা গড়তে হবে। ঐ হাত শক্ত করে ধরতে হবে।

যে রাষ্ট্র! আপনার সন্তানকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। অপরাধীদেরকে বিচার করতে ব্যর্থ। সেই রাষ্ট্রে যদি এখনও যে আপনার সন্তান নিরাপদ। আপনি শুকরিয়া আদায় করুন। কিন্তু কতক্ষণ নিরাপদ থাকবেন। সেই গ্যারান্টি নেই।

আপনি ধরে নেন, আপনার ঘরে থাকা সন্তানটিই ফাহিমা কিংবা লামিসা। ওরা এখনও নিরাপদ রয়েছে। তাদেরকে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে রাখুন। শপথ করুন, চোখের আড়াল হতে দিবেন না। অসতর্ক হবেন না।

লামিসার মতো ফুটফুটে মিষ্টি একটা মেয়ে আজকে প্রাণ হারালো। লাশের সারি বাড়তেই আছে। এমন হাজার হাজার লাশ আমরা পেরিয়ে এসেছি। তবুও থামাতে পারিনি এই লাশের মিছিল।


মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতায় বাংলাদেশ হয়তো কুখ্যাত হওয়ার লড়াইতে প্রথম হওয়ার চেষ্টায়। নইলে একেরপর এক বর্বর ঘটনা কেন আমাদেরকে দেখতে হবে?

আমাদের মেয়েদেরকে যদি নিরাপত্তা দিতে না পারেন। সুষ্ঠু বিচার যদি করতে না পারেন। তাহলে আমাদের বলেন, আমরা এই দেশে মেয়ে জন্ম দেওয়া বন্ধ করে ফেলি। যারা জন্মেছে তাদেরকেও নিজ হাতে _______।

- অন্তর মাশঊদ

স্কুলের বাচ্চাদের জন্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল সরকার। এর জন্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেটও পাশ করেছে। অথচ এসব খাব...
18/05/2026

স্কুলের বাচ্চাদের জন্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল সরকার। এর জন্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেটও পাশ করেছে। অথচ এসব খাবারের বেশিরভাগই বাসি এবং পঁচা।

যে পাউরুটি দেয়া হয় সেটাতেও ফাঙ্গাস থাকে। এমনকি ওজন বেশি দেখাতে ভিজা পাউরুটিই দিয়ে দেয়া হয় বাচ্চাদেরকে। ফাঙ্গাস থাকায় রুটি থেকে পঁচা দুর্গন্ধ বের হয় , পোকা জমে থাকে।

রুটির সাথে যে ডিম দেয়া হয় সেগুলোও প্রায়ই নষ্ট থাকে। এমনকি ডিমের ওজনেও কম দেয়া হয়।

নিয়ম হচ্ছে ৬০ গ্রাম ওজনের ডিম দেয়া। অথচ মাত্র ৪০ গ্রাম ওজনের ছোট ডিম দেয়া হয় বাচ্চাদেরকে যাতে বাকি টাকা ঠিকাদাররা চুরি করতে পারে।

শুধুমাত্র ডিম থেকেই প্রতিদিন ওরা ৩০ লাখ টাকা মেরে দেয়। সপ্তাহে মারে আড়াই কোটি টাকা।

কলাও কম ওজনের কাঁচা দিয়ে দেয়। কলা কাঁচা হওয়ায় বাচ্চারা ঠিকমতো খেতে পারে না। বাচ্চারা আফসোস করে বলেছে- কলা কষ্টি হওয়ায় একটু মুখে দিয়েই ফেলে দিতে হয়।

এসব নষ্ট এবং কাঁচা কলা দিয়ে ২ কোটি টাকার বেশি পকেটে ঢুকাচ্ছে ওরা।

শুধু রুটি কিংবা কলা থেকেই না এভাবে বাচ্চাদের প্রায় সব খাবারই পঁচা ,বাসি দিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১৭ কোটি টাকা নিজেদের পকেটে ভরছে ওরা। আর প্রতি মাসে চুরি করছে ৬৮ কোটি টাকা।

আই রিপিট ৬৮ কোটি টাকা!

আগের সরকার চুরি করতো টেন্ডার থেকে, রাস্তাঘাটের বাজেট থেকে। আর এখনকার বিএনপি সরকারের লোকজন চুরি করছে মাসুম বাচ্চাদের খাবার থেকে। ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে না ওরা।

স্কুলের বাচ্চারা বয়সে ছোট। ওরা ফাঙ্গাস কিংবা কেমিক্যাল তেমন একটা বুঝে না। মনের আনন্দেই সেসব খাবার খেতে নেয়।

অথচ এসব খাবার খেয়েই এখন পর্যন্ত ৩০০ বাচ্চা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চাপাইনবাবঞ্জের শুধুমাত্র এক স্কুলেরই ২০ টা বাচ্চা দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিল।

ডাক্তাররাও জানিয়েছে স্কুলের এসব পঁচা বাসি খাবার খেলে বাচ্চাদের ডায়রিয়া ,আলসার, হেপাটাইটিস রোগ হতে পারে। এমনকি রেগুলার এসব খেলে লিভার পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মানে আপনার সুস্থ ,সবল বাচ্চাটাই কিছুদিন পর আক্রান্ত হয়ে পড়বে মরণব্যাধি রোগে।

এখন ৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট হয়েছে। কিছুদিন পর সেটা নাকি বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি করা হবে। কারণ বাজেট যত বেশি চুরি করার সুবিধাটাও তত বেশি।

স্কুলের বাচ্চাদেরকে এসব পঁচা বাসি খাবার দিয়ে টাকা চুরি করার কথা উর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে এমপি, মন্ত্রীরাও জানে কিন্তু কিচ্ছু বলে না কারণ ভাগের টাকা তাদের পকেটেও যায়।

সেই টাকায় তারা ঠিকই তাদের বাচ্চাকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ায়, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ায় অথচ জনগণের মাসুম বাচ্চাদের কপালে পঁচা ,বাসি খাবারই জুটে।

ঠিকাদাররাও এই চুরির টাকা দিয়ে বাড়ি কিনে, গাড়ি কিনে। সাধারণ জনগণের বাচ্চারা মরলে মরুক ,ওদের নিজের বাচ্চারা ভালো থাকলেই চলে।

আপনার বাচ্চাকে যত বেশি পঁচা খাবার খাওয়ানো যাবে তত বেশি চুরির টাকা ওদের পকেটে ঢুকবে।

স্কুলে বাচ্চাকে দুপুরের খাবার দেয়ায় আপনি হয়তো খুশি হচ্ছেন, একটু আনন্দিত হচ্ছেন অথচ এসব পঁচা-বাসি খাবার খেয়ে আপনার সুস্থ-সবল বাচ্চাটাই কিছুদিন পর অসুস্থ হয়ে পড়বে, লিভার নষ্ট হয়ে যাবে।

আপনি আপনার সুস্থ বাচ্চাটাকে স্কুলে পাঠাচ্ছেন পড়াশোনা করতে অথচ দিনশেষে ওরা আপনার বাচ্চাকে ফেরত পাঠাচ্ছে আলসার, লিভার নষ্টের মতো মরণব্যাধি রোগী বানিয়ে

- Ibrahim Khalil Shawon

আপনাকে যদি একবাটি বি*ষ খেতে বলা হয়, খেতে পারবেন? পারবেন না। কিন্তু যদি একবাটি ফুচকা খেতে বলা হয় তাহলে হয়তো অনায়াসেই খেয়ে...
11/05/2026

আপনাকে যদি একবাটি বি*ষ খেতে বলা হয়, খেতে পারবেন? পারবেন না। কিন্তু যদি একবাটি ফুচকা খেতে বলা হয় তাহলে হয়তো অনায়াসেই খেয়ে ফেলতে পারবেন।

অথচ একবাটি ফুচকাতেই ৭ কোটিরও বেশি ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে। যেটা সাধারণত মানুষের মলমূত্র থেকে ছড়ায়। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন- মলমূত্র থেকেই।

ফুচকার এই ব্যাকটেরিয়ার কারণেই হ্যাপাটাইটিস রোগ কিংবা লিভার নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারও মাসখানেক আগে একটা পার্টিতে প্রচুর পরিমাণে ফুচকা এবং বেলপুরি খেয়েছিল। আজকে সে মরণঘাতী হ্যাপাটাইটিস A এবং E তে আক্রান্ত।

এমনকি তার লিভার পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছে। এখন লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। মানে আরেকজনের কাছ থেকে লিভার এনে লাগাতে হবে। সেই ডোনার পাওয়া আবার প্রায় অসম্ভব। পেলেও নানান কিছু ম্যাচ করতে হয়, বিশাল অঙ্কের টাকা খরচ করতে হয়।

মাসখানেক আগেও কারিনা সুস্থ ছিল ,ফুচকা কিংবা অন্যান্য খাবার খেতো অথচ আজ সে মৃত্যুশয্যায়!

কারিনার মতো যে ফুচকা কিংবা রাস্তার পাশের খাবার খেয়ে আপনি তৃপ্তি পান সে ফুচকা বানানো হয় মেয়াদ ছাড়া ময়দা এবং নষ্ট তেল দিয়ে ভেজে ভেজে।

সেই ফুচকা বানানোর সময় কর্মীদের সারা শরীরের ঘাম এবং পায়ের নোংরা ময়লা লেগে থাকে ফুচকাতে। তাছাড়া টক বানানোতেও ব্যবহার করা হয় ড্রেনের নোংরা পানি।

কিছুদিন আগে ভোক্তা অধিদপ্তরের লোকজন আশুলিয়ার গিয়ে দেখে সেখানেও ড্রেনের নোংরা পানি দিয়ে ফুচকা বানাচ্ছে। পরে কিছু টাকা জরিমানাও করেছে।

কিন্তু তাদের কার্যক্রম থামানো যায়নি। তারা এখনো সেই নোংরা পানির ফুচকা বানিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন টক খাব না শুধু ফুচকাটাই খাব। কিন্তু কোন লাভ হবে না কারণ সব জীবাণু থাকে ফুচকাতেই।

ফুচকা কিংবা বাইরের এসব নোংরা খাবারের কারণে শুধু যে হ্যাপাটাইটিস রোগই হয় তা না। তাছাড়া ডায়েবিটিস ,পিসিওডি, এন্ডোমেট্রিওসিস, অবেসিটি এসব জটিল জটিল রোগও হয়।

একবার এসব রোগ হয়ে গেলে সেখান বেঁচে ফেরা খুবই দুঃসাধ্য। বিপুল টাকার সাথে সাথে জীবনটাও যাবে।

কারিনার অবস্থা এখন শোচনীয়। ডাক্তারদের মতে- এ অবস্থা থেকে বেঁচে ফেরাটা খুবই দুঃসাধ্য। তাকে এখন রাখা হয়েছে লাইফ সাপোর্টে।

দেশের চিকিৎসা দিয়ে হয়তো হবে না তাই তার বাবা নিয়ে যেতে চান বিদেশে চিকিৎসা করাতে। গতকাল তার বাবা কেঁদে কেঁদে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে চেয়েছে, আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছে।

কারিনার পরিবার মোটামুটি বড়লোকই কিন্তু এ জটিল রোগের চিকিৎসা করানোর মতো টাকা তাদের কাছেও নেই। কারণ শুধুমাত্র চিকিৎসা করাতেই ১-২ কোটি টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে। তাই শখের জমিটা পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছে। তাতেও কুলাতে পারবে কিনা জানে না।

আজকে আপনিও হয়তো আয়েস করে ফুচকা কিংবা বাইরের খাবার খাচ্ছেন। হয়তো ভাবছেন আমার শরীর আমি যা ইচ্ছে খাব, সমস্যা কি?

কিন্তু যেদিন কারিনার মতো আপনারও লিভার নষ্ট হয়ে লাইফ সাপোর্টে যেতে হবে, শখের জমিটা বিক্রি করে দিতে হবে সেদিন কিন্তু আফসোস করার সুযোগটাও পাবেন না

- Ibrahim Khalil Shawon

30/04/2026

"ফ্লোরে খালি পায়ে হাঁটলেই তো বাচ্চার নিউমোনিয়া হবে!"—'ঠান্ডা বাতাস'-এর মিথ এবং নিউমোনিয়ার আসল ঘাতককে অবজ্ঞা করা। .....

ঋতু পরিবর্তনের সময় বা শীতের শুরুতে বাচ্চার একটু সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্ট শুরু হলেই অবধারিতভাবে পরিবারের কেউ একজন বলে ওঠেন, "বলেছিলাম না ফ্লোরে খালি পায়ে হাঁটতে দিও না! ফ্যানের বাতাসে বাচ্চার বুকে ঠান্ডা বসে এখন নিউমোনিয়া হয়ে গেল তো!"

বাবা-মা হিসেবে আমরাও হয়তো আতঙ্কিত হয়ে বাচ্চাকে ৩-৪ স্তরের ভারী কাপড় পরিয়ে দিই, বুকে সরিষার তেল মালিশ করি এবং ঠান্ডা বাতাস থেকে বাঁচাতে ঘরের সব জানালা-দরজা বন্ধ করে দিই। আমরা যুগ যুগ ধরে বিশ্বাস করে আসছি যে, 'ঠান্ডা লাগা' থেকেই নিউমোনিয়া হয়। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে—ঠান্ডা বাতাস বা ফ্লোরের ঠান্ডা কখনো নিউমোনিয়া তৈরি করতে পারে না।

কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো, 'ঠান্ডা লাগার' এই অবৈজ্ঞানিক মিথের ওপর বিশ্বাস করে কীভাবে আমরা নিউমোনিয়ার আসল কারণকে অবজ্ঞা করছি এবং বাচ্চার জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছি।

১. মিথ বনাম বিজ্ঞান: নিউমোনিয়ার আসল কালপ্রিট 'জীবাণু'
নিউমোনিয়া কোনো আবহাওয়াজনিত রোগ নয়; এটি ফুসফুসের একটি অত্যন্ত মারাত্মক ইনফেকশন বা সংক্রমণ। যখন ফুসফুসের ছোট ছোট বায়ুথলি বা 'অ্যালভিওলাই' (Alveoli) পুঁজ বা তরলে ভরে যায়, তখন তাকে নিউমোনিয়া বলে।

এর আসল কালপ্রিট হলো বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া (যেমন- Streptococcus pneumoniae) অথবা ভাইরাস (যেমন- RSV)। আপনার বাচ্চা খালি পায়ে হাঁটলে বা আইসক্রিম খেলে এই ব্যাকটেরিয়া জন্মায় না। বরং, আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির হাঁচি-কাশির ড্রপলেট থেকে, অপরিষ্কার হাত মুখে দিলে, অথবা ঘরের ভেতরের দূষিত বাতাস (যেমন- মশার কয়েল বা সিগারেটের ধোঁয়া) থেকে এই জীবাণু বাচ্চার ফুসফুসে প্রবেশ করে। ঠান্ডার দোহাই দিয়ে আমরা আসল ঘাতক অর্থাৎ জীবাণু এবং দূষণকে পুরোপুরি এড়িয়ে যাই।

২. ভুল চিকিৎসা এবং 'চেস্ট ইনড্রয়িং' (Chest Indrawing)-এর নীরব বিপদ
যেহেতু আমরা নিউমোনিয়াকে সাধারণ 'ঠান্ডা লাগা' মনে করি, তাই এর চিকিৎসাও আমরা ঘরোয়া টোটকা দিয়ে করার চেষ্টা করি।

বাচ্চাকে কাশির সিরাপ খাওয়ানো বা অতিরিক্ত গরম কাপড় পরিয়ে ঘামিয়ে ফেলার কারণে বাচ্চার আসল কষ্টটা ঢাকা পড়ে যায়। ফুসফুসে ইনফেকশন বাড়ার কারণে বাচ্চার রক্তে অক্সিজেনের লেভেল মারাত্মকভাবে কমতে থাকে। বাচ্চা দ্রুত শ্বাস নেয় এবং শ্বাস নেওয়ার সময় তার পাঁজরের নিচের অংশ ভেতরের দিকে দেবে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে অত্যন্ত মারাত্মক একটি রেড ফ্ল্যাগ বা 'চেস্ট ইনড্রয়িং' (Chest Indrawing) বলা হয়। অবৈজ্ঞানিক টোটকায় সময় নষ্ট করার কারণে যখন বাচ্চাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, তখন অনেক ক্ষেত্রেই আইসিইউ (ICU) বা অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া বাচ্চাকে বাঁচানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

৩. স্মার্ট প্যারেন্টিং সল্যুশন: বিজ্ঞান দিয়ে শিশুর ফুসফুস রক্ষা করুন
সুইটার বা মোজা দিয়ে নিউমোনিয়া ঠেকানো যায় না, এর জন্য প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক সতর্কতা:

ভ্যাকসিনেশন (Vaccination) নিশ্চিত করুন:
নিউমোনিয়া প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় ব্রহ্মাস্ত্র হলো টিকা। বাচ্চার রুটিন টিকাদানের তালিকায় থাকা 'পিসিভি' (PCV - Pneumococcal Conjugate Vaccine) টিকাটি সঠিক সময়ে দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

বিপদের সংকেত (Red Flags) জানুন:
বাচ্চার সর্দি-জ্বর হলে তার শ্বাস-প্রশ্বাসের গতির দিকে খেয়াল রাখুন। ২ মাস থেকে ১ বছর বয়সী বাচ্চা যদি মিনিটে ৫০ বারের বেশি এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সী বাচ্চা যদি মিনিটে ৪০ বারের বেশি শ্বাস নেয়, অথবা 'চেস্ট ইনড্রয়িং' দেখা যায়—তবে এক মুহূর্তও দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিন।

পরিচ্ছন্নতা এবং দূষণমুক্ত পরিবেশ:
বাচ্চাকে ঠান্ডা থেকে বাঁচানোর চেয়ে জীবাণু থেকে বাঁচানো বেশি জরুরি। বাইরে থেকে এসে হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন। বাচ্চার সামনে ধূমপান করা এবং ঘরে মশার কয়েল জ্বালানো আজই চিরতরে বন্ধ করুন।

উপসংহার
পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হলো এই নিউমোনিয়া। এটি কোনো শীতের ভূত বা ফ্যানের বাতাসের অভিশাপ নয়; এটি একটি জীবাণুঘটিত রোগ। ঠান্ডা ফ্লোর বা আইসক্রিমকে ভিলেন বানিয়ে বাচ্চার আসল রোগকে কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রাখবেন না। সঠিক সময়ে একটি ভ্যাকসিন এবং আপনার একটুখানি সচেতনতাই পারে আপনার সন্তানের ফুসফুসকে এই নীরব ঘাতকের হাত থেকে রক্ষা করতে।

আসুন, একসাথে সচেতনতা গড়ি:
_collected

আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আমাদের বাসায় কখনও চা বানানো হয় নি॥ চায়ের হাড়ি আম্মাকে হার্ট করত। সকাল বিকাল দুইবার করে চা লাগ...
29/04/2026

আমার আব্বা মারা যাওয়ার পর আমাদের বাসায় কখনও চা বানানো হয় নি॥ চায়ের হাড়ি আম্মাকে হার্ট করত। সকাল বিকাল দুইবার করে চা লাগতো আমার আব্বার। বিকালের চা দিয়ে পাউরুটি খাওয়া আমার সাথে আমার আব্বার শেষ স্মৃতি। আর আমার আব্বার শেষ রিজিক।

আব্বা আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার সাথে সাথে ঝাঁকে ঝাঁকে স্ট্রাগল শুরু হয়। সেই সব বললে একটা বই লেখা হয়ে যাবে।

বুলেট বৈরাগীর বউএর কান্না আর বৈরাগীকে জড়িয়ে ধরার মুহূর্ত দেশকে নাড়া দিয়েছে। আমার মনটা পড়ে আছে তাদের বাচ্চাটার কাছে। বাচ্চাটার হাহাকার যে শুরু হইলো তার আর শেষ নেই। খুউব ই রিলেটেবল। আমার দশবছর বয়সি আমির যে হাহাকার ছিল সেই কষ্টটা খুউব রিলেটেবল।

জানি মৃত্যুতে মানুষের হাত নেই। তবুও বৈরাগীর উপর আমার একটা অভিমান হচ্ছে। কেন আপনার ছিনতাইকারীদের সাথে ধ্বস্তাধস্তি করতে হলো? কেন আপনি সব কিছু দিয়ে বললেন না টাকা পয়সা প্যান্ট শার্ট যা আছে সব নিয়ে আমার জীবনটা দিন? বললে….

আমরা যারা সন্তানের মা-বাবা প্লিজ চলেন জীবনটাকে ভালবাসি ছোট্ট জীবনগুলোর প্রতিদিনের জীবনযাপনের জন্য।

-স্বামিরা স্ত্রীকে ট্রিট করুন আপনার বাচ্চাদের মা হিসেবে।

-স্র্রীরা স্বামীকে ট্রিট করুন বাচ্চাদের বাবা হিসেবে।

-আর নিজেদের ট্রিট করুন আপনার বাচ্চাদের পুরো দুনিয়া হিসেবে।

সুতরাং, ছিনতাইকারীরা আসলে সব দিয়ে দিন। নিজের জীবন নিয়ে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে যান। ছিনতাইকারীদের হয়তো আমরা নির্মূল করতে পারছিনা আপাতত। কিন্তু সবকিছুর ঊর্ধ্বে নিজের জীবনটাকে প্রাইরিটাইজ তো করতেই পারি।

Maksud Aktar

06/04/2026

বাবার সাথে ঝগড়া লেগে মা কিছুদিনের জন্যে বাড়ি থেকে অন্য জায়গায় গিয়েছিল। মেয়ে তখন মায়ের সাথে যায়নি ,বাড়িতেই ছিল। মেয়েটা ভেবেছিল বাবা তো বাড়িতে আছে তার সাথেই থাকি কোন সমস্যা হবে না।

কিন্তু রাতের দিকে মেয়েটা লক্ষ্য করে তার বাবা তার রুমে এসে অনেকক্ষণ যাবত বসে আছে। মেয়েটা ভেবেছিল হয়তো কোন দরকারে এসেছে। কোন দরকার আছে কিনা মেয়েটা জিজ্ঞেস করেছিল বাবাকে।

কিন্তু কোন উত্তর না দিয়েই বসে ছিল বাবা। তার কিছুক্ষণ পরই বাবা ইউসূফ মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। মেয়েটা কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে পাষবিকভাবে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা।

মেয়েটা প্রথমে বাঁধা দিতে চেয়েছিল কিন্তু বয়সে ছোট হওয়ায় বাবার সাথে আর পেরে উঠেনি। তাছাড়া চিৎকার করতেও চেয়েছিল কিন্তু বাবা তখন মেয়েটার মুখে কাপড় পেচিয়ে মুখটা বন্ধ করে রেখেছিল।

ওইদিন রাতে বাবাটা প্রথম ধ*র্ষণ করে মেয়েটাকে। প্রথমবার ধ*র্ষণের ঘটনাটা ঘটেছিল ২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। মেয়েটা ভেবেছিল মা আসলে মাকে সবকিছু বলে দিবে।

কিন্তু কয়েকদিন কেটে যাওয়ার পরও মা আসেনি। এজন্যে মেয়েটা ভেবেছিল পাশের বাসার চাচীকে সবকিছু বলবে কিন্তু নিজের বাবার সাথে এমন ঘটনা লজ্জায় বলতে পারেনি। তাছাড়া বাবা তাকে হুমকিও দিয়েছিল।

এভাবে মা যতদিন আসেনি ততদিন রাতে অমানুষিকভাবে নিজের মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতে থাকে বাবা ইউসূফ।

এর কিছুদিন পর মা বাড়িতে আসে। বাবা ইউসূফ বুঝে যায় মেয়ে এবারে মাকে সবকিছু বলে দিবে তাই সে দিনেরবেলা মেয়েকে নিজের রুমে ডেকে বলে- তোর মাকে যদি কিছু বলিস তাইলে তোরে কাইট্টা টুকরা টুকরা কইরা নদীতে ভাসাইয়া দিমু, তোরে মারেও ভাসাইয়া দিমু।

মেয়েটা লজ্জায় এবং ভয়ে মাকেও কিচ্ছু জানাতে পারে না।

মা বাড়িতে আসার পরও মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করতো বাবা ইউসূফ। ঘর খালি পেলেই অমানুষিক নির্যাতন করতো মেয়েটাকে। লাগাতার ধ*র্ষণের কারণে মেয়েটা যাতে গর্ভবতী না হয় সেজন্যে জোর করে ঔষধও খাওয়াতো মেয়েটাকে।

এভাবে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে তার আপন বাবা। টানা ধ*র্ষণের কারণে ঔষধেও কাজ না হওয়ায় মেয়েটা গর্ভবতী হয়ে পড়ে।

এভাবে আরও কিছুদিন চলার পর মেয়েটার পেট বাড়তে থাকে এবং গর্ভধারণের লক্ষ্যণ মা তাসলিমা বুঝতে পারে। মা তখন জানতে চায় এবং মেয়েটা নিজ থেকেই পুরো ঘটনাটা মাকে বলে দেয়।

সাথে মেয়েটা এটাও বলে- সে যে মাকে এটা জানিয়েছে সেটা যাতে বাবাকে না জানায়। মেয়েটার মনে তখনও ভয় ছিল বাবা জানতে পারলে তাদের মা মেয়ে দুজনকেই কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিবে।

মেয়েটা তখন ৭ মাসের প্রেগন্যান্ট। বাবা ইউসূফ যখন বুঝতে পারে মেয়েটা মাকে সবকিছু বলে দিয়েছে তখন সে তার স্ত্রীকে জোরাজোরি করতে থাকে মেয়েটার পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্যে।

মা তখন রাগারাগি করে বাবাটার সাথে। তখন বাবাটা চুপ থাকার জন্যে তার স্ত্রীকেও হুমকি দেয়। তাকে নিয়ে সংসার করবে না, তালাক দিবে এসবও বলে। তাছাড়া কেউ যাতে কিচ্ছু জানতে না পারে সে ব্যবস্থাও করে বাবাটা।

পরিচিত এক মহিলার মাধ্যমে নিজের মেয়ের এবরশন করায়। তারপর গর্ভের ৭ মাসের বাচ্চাটাকে ফেলে দিয়ে আসে নর্দমার ড্রেনে।

এতকিছুর করার পর কয়েকদিন কেটে যায়। বাবাটা ভেবেছিল সবকিছু ধামাচাপা দিতে পেরেছে সে। কিন্তু এত ছোট্ট মেয়ের এবরশন করানোয় মেয়েটার পেটে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়। তাই বাধ্য হয়েই মেয়েটাকে নিয়ে আসতে হয় উপজেলা হাসপাতালে।

বাবাটা ডাক্তারের কাছেও সবকিছু লুকিয়েছে, পেট ব্যথার সঠিক কারণটা জানায়নি। পরে ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পর বুঝতে পারে মেয়েটার এবরশন হয়েছে ,সেকারণেই পেটে প্রচন্ড ব্যথা হচ্ছে।

পরে ডাক্তারদের ভরসায় মেয়েটাও পুরো ঘটনা তাদের সাথে শেয়ার করে। ডাক্তাররা তখন মেয়ের মাকে থানায় গিয়ে মামলা করতে বলে। ডাক্তারদের ভরসায় মা গতকাল ভোলার চরফ্যাশন থানায় মামলা করে।

বাবা টা টের পেয়ে আগেভাগেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। আজকে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ বাবাটাকে গ্রেফতার করেছে।

মেয়ের মা আজকে কেঁদে কেঁদে বলছিল - আমার এত ছোট মেয়েটারে ওর বাপের কাছে রাইখা গেছিলাম কিন্তু ওরা বাবাই ওর এত বড় সর্বনাশটা করল।

মেয়েটাও বলছিল- আমার বাবা আমার সাথে এত জঘন্য কাজ করবে আমি ভাবতেও পারি নাই। বলেই ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছিল মেয়েটা। এরপর আরও অনেক কিছু বলতে চেয়েছিল মেয়েটা কিন্তু কান্নার কারণে দম বন্ধ হয়ে আসছিল, বাকি কথাগুলো বলতে পারেনি।

আজকে বাবাটা ধরা পড়েছে কিন্তু কাল কিংবা পরশু ঠিকই টাকা দিয়ে জামিন নিয়ে বের হয়ে যাবে। কারণ এদেশের আইন, আদালত টাকার কাছে নিয়মতি বিক্রি হয়।

অন্যান্য মেয়েরা ধ*র্ষিত হলে তাদের বাবা-মা ভরসা দেয়, মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেয় অথচ এই মেয়েটাকে সান্ত্বনা দেয়ার মতো মানুষটাই তাকে ধ*র্ষণ করেছে।

এই মেয়েটা এখন পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, বন্ধু-বান্ধবীদের কাছেও লাঞ্চিত হবে, লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে না।

ধ*র্ষক বাবাটা হয়তো ঠিকই মুক্তি পেয়ে যাবে কিন্তু এই ছোট্ট মেয়েটাকে আজীবন ধ*র্ষিতার কলঙ্ক বয়ে বেড়াতে হবে

- Ibrahim Khalil Shawon

02/04/2026

আপনি যদি মুসলমান হন, তাহলে মুহাম্মদ সা: এর সহিহ হাদিস অনুসারে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি।

ধরেন হাসরের ময়দানে পৃথিবীর আর সকলের সাথে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন।

বিচার শুরু হলো।

বলেনতো সবার আগে কোন মানুষটাকে জাহান্নামে ছুড়ে দেয়া হবে?

ভয়ংকর রেপিস্ট, পিডোফাইল কাউকে?
হাসতে হাসতে মানুষ খুন করেছে কেউ, এমন কাউকে?

ফেরাউনকে? নমরুদ কে?
এপ্সটেন আইল্যান্ডের স্যাটানিক বুড়ো বুড়ি গুলোকে?
নাস্তিক, ফ্যাসাদ সৃষ্টি কারী, সোডম দেশের বাসিন্দাদের?

নবী কি বলে শুনেন
“আওয়ালুন্নাসি ইউকদা ইয়াওমাল কিয়ামাহ আলাইহি রাজুলুন ইস্তুশহিদ…” (সহীহ মুসলিম ১৯০৫ )

মানে সবার আগে আপনি দেখবেন, ধর্ম যুদ্ধে, শহীদ হওয়া মানুষটাকে জাহান্নামে দেয়া হচ্ছে।

দ্বিতীয় শ্রেনী?
আলেম/ ইসলামের দাওয়াত দেয়া, কোরান পড়া মানু্‌ষ!

তারপর?
আপনার পছন্দের 'জাহান্নামি' মানুষদের এখনো দেখবেন না। দেখবেন আজীবন যাদেরকে দান করতে দেখেছেন,
মানুষের প্রতি দয়াশীল হতে দেখেছেন, তাদেরকে জাহান্নামে যেতে দেখবেন!

মুসলিম হিসেবে আপনি চমকে উঠছেন না?

চমকানোর কিছু নেই!

ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনার নিয়ত।

সৃষ্টিকর্তা আপনার গহীন গোপন বাসনা, আপনার সূক্ষ্ণতম ভান সবই দেখতে পান!

সে ঠিক জানে আপনি কেন ইবাদত করেন
কেন যুদ্ধ করেন
কেন দান করতে যান।

আল্লাহর কাছে , হিপোক্রেসি এক ভয়ংকর অপরাধ।

লোক দেখানো ভালো মানুষ সাজা,
ইবাদত করা
আল্লাহর সবচেয়ে অপছন্দের কাজ।

ফিরাউন খারাপ, ভয়ংকর নিষ্ঠুর মানু্‌ষ, তবে সে কিন্তু হিপোক্রেইট না।

সে অরিজিনাল, অথেন্টিক, সত্য খারাপ।

সে ভান ধরেনা।

অহেতুক ভান ধরে ইবাদত করতে বসেনা।

বিচার দিনে আল্লাহ আপনার নফস দেখবে, আপনার নিয়ত খেয়াল করবে, নিজেরে কিভাবে যত্ন নিছেন, নিজেকে কিভাবে পিউরিফাই করছেন খেয়াল করবে।
আপনার সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য একেবারে আনবিক লেভেলে পোস্ট মর্টেম করে দেখা হবে।

নত হন।
মাফ চান।

সত্য হন দয়া করে।
দয়া করে নিজেকে একেবারে ভিতর থেকে জানুন,
ভাবুন, যা করছেন, যা বলছেন

তা কোথাও কোন লোক দেখানোর জন্য নাতো?

Collected

বাংলাদেশে মেয়ে হয়ে জন্মগ্রহণ করাটা যেন একটা দুর্ভাগ্যের বিষয়!!!!! একটি মানুষ একটি হাত একটি আঙ্গুল রাজনৈতিক কোন মঞ্চে ...
09/03/2026

বাংলাদেশে মেয়ে হয়ে জন্মগ্রহণ করাটা যেন একটা দুর্ভাগ্যের বিষয়!!!!!
একটি মানুষ একটি হাত একটি আঙ্গুল রাজনৈতিক কোন মঞ্চে দাঁড়িয়ে মেয়েটি চিৎকার করে বলছে আমি বাংলাদেশ শাসন করতে এসেছি...
ছবিটি সেই ভাইরাল ভিডিও রাবেয়া ইসলামের ,যিনি একটি গুরুতর মানসিক রোগ বাই পোলার মুড ডিসঅডারে (BMD) আক্রান্ত ছিলেন।

তার সব থেকে বড় অপরাধ ছিল তিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন!!!!
এর থেকেও বড় অপরাধ হলো তিনি একজন মেয়ে মানুষ!!!! ""
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এই মানুষটিকে নিয়ে গত এক মাস আগে সবাই ট্রল করেছিল, টিক টক বানিয়েছিল, হাসি ঠাট্টা করেছিল। রাবেয়া ইসলামের গায়ে এপ্রোন ছিল দেখে ডাক্তার আপু ডাক্তার আপু বলে কত বিশ্রী কথা ব্যবহার করা হয়েছিল!!!!!!
আমরা মানসিকভাবে এতটা বিকৃত হয়ে গেছি যার জন্য একজন মানসিক রুগী আমাদের হাত থেকে ছাড় পায় না!!!! ৬ বছরের শিশু থেকে বৃদ্ধ বনিতা!!! বিকৃত মানসিকতা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে!!!!এর শেষ কোথায় বলতে পারেন?

অথচ ঐ একই রাজনৈতিক মঞ্চে আরেকজন পুরুষ মানুষ ঠিক একই কাজ করেছিল। কিন্তু তাকে নিয়ে কোনো ট্রল হয়নি।

কারণ সে পুরুষ মানুষ ছিল !!!!!!!!

রাবেয়া ইসলামকে আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগে গত এক মাস আগে ভর্তি করাই।
আমাদের জুনিয়র ডাক্তাররা গত একটা মাস রাত দিন তার পিছনে পরিশ্রম করেন।
কখনো আমাদেরকে থুতু দিত, কখনো বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ, কখনো আবার গায়ে হাত তোলা, কখনো পেটে লাথি মারা সবই করেছে সে আমাদের সাথে।
কিন্তু আমাদের ডাক্তাররা দমে যায়নি। সকল কিছু সহ্য করে এই ভাইরাল ভিডিওর কেসটাকে আমরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম।

আমরা সম্পূর্ণ সত্যটা বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলাম।

আজ সেই দিন যেইদিন রাবেয়া ইসলামকে আমরা সম্পূর্ণ সুস্থ করে তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছি। রাবেয়া ইসলামের স্বামী ও তার শাশুড়ি গত একটা মাস একইভাবে হাসপাতালে পড়েছিল।
আজ একজন মা রাবেয়া ইসলাম সে ফিরে যাবে তার তিন সন্তানের কাছে। সে বারবার বলছিল আমার সন্তানেরা কেমন আছে!!!!!
আজ হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার আগে তার পরিবারের চোখে থেকে ঝর ঝর করে গড়িয়ে পড়া পানি গুলো গত এক মাসের আমাদের কষ্টকে সার্থক করেছে । চিকিৎসক হিসেবে এটাই ছিল আমাদের প্রাপ্তি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মানসিক রোগ বিভাগের জুনিয়র চিকিৎসকগণ রাবেয়া ইসলামের কেস টি সলভ করার মধ্য দিয়ে যে অপূর্ব উদাহরণ সৃষ্টি করল তা তাদের মানবিকতা ও ভালো চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠার অনেক বড় পরিচয়।
তোমরা অনেক বড় ডাক্তার হবে, দেশ ও দেশের মানুষ তোমাদের অপেক্ষায় থাকবে।তোমাদের মত ডাক্তারদের কাছে আমরা নির্ভাবনায় দেশ ও দেশের মানুষকে রেখে যেতে পারবো অদূর ভবিষ্যতে।

আমি এর আগের ভিডিওতে কথা দিয়েছিলাম আমি বাংলাদেশের মানুষের সামনে রাবেয়া ইসলামের কেস এর সত্যতা তুলে আনবই।
এতে আমার কপালে যা হয় তাই হবে।
আমি কতটুকু তা করতে পেরেছি তা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন!!!

মানসিক রোগের বিষয়ে সচেতন হোন, মনের যত নিতে শিখুন।
আর যারা মানসিক রোগীদের নিয়ে ট্রল করেন, হাসি ঠাট্টা করেন তাদের বলছি!! মানসিক রোগীদের জীবন যে কত কষ্টের তা যদি আপনারা জানতেন!!!!
আমি দোয়া করি, সেই মানসিক রোগীদের মতন জীবন যাতে আপনাদের আল্লাহ না দেয়, তাহলে সেই দিন বুঝবেন তারা ও তাদের পরিবার কত কষ্টে জীবন যাপন করে!!!

আবারো দেখা হবে!!!!
নতুন কোন কেস নিয়ে আবারও আসব আপনাদের সামনে ইনশাআল্লাহ।
@

Address

Savar
Dhaka
1342

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tista Communications posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category