AgroGram II এগ্রোগ্রাম

AgroGram II এগ্রোগ্রাম "আধুনিক কৃষি ও নিরাপদ কৃষিপণ্যের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম, কৃষির অগ্রযাত্রায় কৃষক ও ভোক্তার আস্থার সঙ্গী।"

এগ্রোভা ম্যাজিক ফাঁদ (Agrova Magic Trap) আম চাষীদের জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকর সমাধান, যা মূলত বিষমুক্ত উপায়ে ক্ষতিকারক ম...
06/03/2026

এগ্রোভা ম্যাজিক ফাঁদ (Agrova Magic Trap) আম চাষীদের জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকর সমাধান, যা মূলত বিষমুক্ত উপায়ে ক্ষতিকারক মাছি পোকা দমনে ব্যবহৃত হয়।

​এই ফাঁদটি ব্যবহারের কিছু মূল সুবিধা এবং নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:
​কেন এটি কার্যকর?
​বিষমুক্ত চাষ: এটি ব্যবহারের ফলে আমে সরাসরি কীটনাশক স্প্রে করার প্রয়োজন কমে যায়, ফলে আম থাকে স্বাস্থ্যসম্মত।

​মাছি পোকা দমন: আম যখন পাকতে শুরু করে, তখন মাছি পোকা (Fruit Fly) আমের ভেতরে ডিম পাড়ে। এই ফাঁদটি সেই পোকাদের আকৃষ্ট করে মেরে ফেলে।

​সাশ্রয়ী: বারবার কীটনাশক দেওয়ার চেয়ে এই ধরনের ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী।
​কীভাবে কাজ করে?

​১. ফেরোমন টোপ: ফাঁদের ভেতরে একটি বিশেষ লিউর বা টোপ থাকে যা স্ত্রী মাছি পোকার গন্ধ ছড়ায়।

২. পোকা আকৃষ্ট করা: পুরুষ মাছি পোকা এই গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে জারের ভেতরে ঢোকে।

৩. ফাঁদে পড়া: জারের ভেতরে ঢোকার পর পোকাগুলো আর বের হতে পারে না এবং মারা যায়।

​ব্যবহারের নিয়ম:
​ঝোলানোর স্থান: আম বাগান বা গাছের ডালপালার এমন জায়গায় ঝুলিয়ে দিন যেখানে বাতাস চলাচল করে কিন্তু সরাসরি খুব বেশি রোদ লাগে না।
​উচ্চতা: সাধারণত মাটি থেকে ৫-৬ ফুট উচ্চতায় এটি ঝোলানো সবচেয়ে ভালো।
​পরিমাণ: সাধারণত প্রতি ২-৩ শতাংশ জায়গার জন্য একটি ফাঁদ যথেষ্ট, তবে পোকার উপদ্রব বেশি হলে সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে।

30/12/2025
বাংলাদেশের কৃষকদের মরিচের লাল গালিচা...... উন্মুক্ত স্থানে শুকাতে দেওয়া লাল মরিচের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ট্রেন। উপর থেকে দেখল...
20/05/2025

বাংলাদেশের কৃষকদের মরিচের লাল গালিচা...... উন্মুক্ত স্থানে শুকাতে দেওয়া লাল মরিচের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ট্রেন। উপর থেকে দেখলে মনে হবে, যেন লাল গালিচার ভিতর দিয়ে ছুটে চলেছে যাত্রীবাহী ট্রেন।

এগ্রোভা ফেরোমন ফাঁদ—প্রাকৃতিক উপায়ে ছাদবাগান ও খামার রাখুন ১০০% বিষমুক্ত! 🌿💡 কেন এগ্রোভা?🐝 রাসায়নিক ছাড়াই পোকা নিয়ন্ত...
19/05/2025

এগ্রোভা ফেরোমন ফাঁদ—প্রাকৃতিক উপায়ে ছাদবাগান ও খামার রাখুন ১০০% বিষমুক্ত! 🌿
💡 কেন এগ্রোভা?
🐝 রাসায়নিক ছাড়াই পোকা নিয়ন্ত্রণ
🌱 ১০০% প্রাকৃতিক ও নিরাপদ
🍓 ফল-সবজি টাটকা, পোকামুক্ত, বিষমুক্ত
🛡️ ফাঁদ টিকবে ৩–৪ বছর, লিউর কার্যকর ৬০ দিন
🪴 ছাদবাগান থেকে বড় খামার—সবখানে কার্যকর
🎯 যে ফসলে দারুণ কাজ করে
ফল: আম, লিচু, পেয়ারা, কমলা, মাল্টা, লেবু, স্ট্রবেরি, ড্রাগন ফল

সবজি: লাউ, শসা, করলা, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, কুমড়া, পটল, বেগুন

🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ-অন-ডেলিভারি
📞 অর্ডার: 01816-480844 (WhatsApp)
অথবা ভিজিট করুন : https://dealhaat.com
💬 ইনবক্স করুন: আমাদের পেইজে

#প্রাকৃতিকপোকাদমন #বিষমুক্তখাদ্য #ছাদবাগান

কৃষক কি তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছে!
19/05/2025

কৃষক কি তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছে!

With Dealhaat – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
17/05/2025

With Dealhaat – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

১৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করে,১৮০ টাকা কেজি দরে সয়াবিন তেল ক্রয় করা কৃষক, তোমার আজ এ পরিনতির জন্য কে দায়ী? নিজের প্রয়ো...
17/05/2025

১৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করে,
১৮০ টাকা কেজি দরে সয়াবিন তেল ক্রয় করা কৃষক, তোমার আজ এ পরিনতির জন্য কে দায়ী?

নিজের প্রয়োজন নিজে মেটাও,
৫ বিঘা জমি থাকলে ৫শতকে সরিষা চাষ করো,
ফার্মের মুরগী খাওয়া ছেড়ে দাও, মাঠের ২ শতক জমি উন্মুক্ত ভাবে ছাগল আর মুরগী চাষের জন্য রেখে দাও।
ভূগর্ভস্থ আয়রণ পানি তোলার জন্য মোটা দামের বিদ্যুৎ খরচ না করে, পাশে একটি ছোট পুকুর খনন করে নাও, সেখানে মাছ ও দেশি হাস চাষ করো। আর সেখান থেকেই পানি সেচ দাও।
তোমার কষ্ট যখন দেশের স র কা র বা শহুরে আমলারা বুঝলো না, তখন তুমি তোমার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাও।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্টকারী ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকার  পরিবেশ,বন ও জল...
17/05/2025

প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্টকারী ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে আজ ১৫ মে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেন উপসচিব তুষার কুমার পাল।
কেনো এই নিষেধাজ্ঞা❓
১. ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ অতিরিক্ত পানি শোষণ করে মাটির আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।
২. পাতায় থাকা টক্সিন মাটিতে পড়ে তা বিষাক্ত করে তোলে। ফলে মাটির উর্বরতা হ্রাস পায়।
৩. গাছগুলোর আশেপাশে অন্য গাছ বা উদ্ভিদ সহজে জন্মাতে পারে না।
৪.অনেক দেশীয় পোকামাকড়, পাখি ও প্রাণী এই গাছে বাসা বাঁধতে বা খাদ্য পায় না।ফলে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে।

বর্ষাকালে পল্লবী লাউ চাষ করতে হলে কিছু বিশেষ করণীয় অনুসরণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। নিচে বর্ষাকালে লাউ চাষের করণীয় ধা...
16/05/2025

বর্ষাকালে পল্লবী লাউ চাষ করতে হলে কিছু বিশেষ করণীয় অনুসরণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। নিচে বর্ষাকালে লাউ চাষের করণীয় ধাপে ধাপে দেওয়া হলো:

১. উপযুক্ত জমি নির্বাচন:

উঁচু ও পানি নিষ্কাশন সুবিধাযুক্ত জমি নির্বাচন করুন, যাতে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি জমে না থাকে।

দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি লাউ চাষের জন্য উপযুক্ত।

২. জমি প্রস্তুতি:

ভালোভাবে চাষ করে মাটি ঝুরঝুরে করুন।

জৈব সার (ট্রাইকো কম্পোস্ট) প্রয়োগ করুন – প্রতি শতকে প্রায় ৫-১০ কেজি।

বেড তৈরি করে বেডের মাঝখানে লাউ বীজ বপন করুন। বেড ও নালার মাধ্যমে পানি চলাচল নিশ্চিত করুন।

৩. বীজ বপন ও রোপণ:

বর্ষার শুরুতেই (জুন-জুলাই) বীজ বপন করুন।

প্রতি গর্তে ২–৩টি বীজ বপন করুন। পরে একটি সুস্থ চারা রেখে বাকি গুলো তুলে ফেলুন।

৪. মাচা তৈরি:

লাউ গাছের জন্য মাচা (বাঁশ বা কাঁঠাল কাঠ দিয়ে) তৈরি করুন যাতে গাছ সহজে লতিয়ে উঠতে পারে এবং ফল মাটির সংস্পর্শে না আসে।

৫. সার ব্যবস্থাপনা:

গোবর সার ছাড়াও প্রতি শতকে:

ইউরিয়া ২০০-২৫০ গ্রাম

টিএসপি ১৫০ গ্রাম

এমওপি ১৫০ গ্রাম প্রয়োগ করুন।

ইউরিয়া দুই কিস্তিতে প্রয়োগ করুন – ২০ ও ৪০ দিন পর।

৬. পানি ও আগাছা নিয়ন্ত্রণ:

অতিরিক্ত পানি জমে থাকলে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করুন।

নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করুন।

৭. রোগ ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ:

বর্ষাকালে পাতাপচা রোগ ও ছত্রাকজনিত রোগ বেশি হয়। প্রতি ৭-১০ দিনে ১ বার ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে পারেন (যেমন: ম্যানজেট ৪২ এসসি)

ফল ছিদ্রকারী পোকা বা জাব পোকা দেখা গেলে উপযুক্ত কীটনাশক ব্যবহার করুন

৮. ফল সংগ্রহ:

বীজ বপনের ৫০-৬০ দিন পর ফল সংগ্রহ শুরু হয়।

পরিণত হওয়ার পরপরই ফল সংগ্রহ করলে গাছে বেশি ফল ধরে।

 #আপনারা_পেয়ারা_কিভাবে_আবাদ_করবেন #জলবায়ুঃপেয়ারা উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর ফল। বাংলাদেশে পেয়ারা চাষের জন্য উপ #মাটিঃপ্রায় সব...
15/05/2025

#আপনারা_পেয়ারা_কিভাবে_আবাদ_করবেন
#জলবায়ুঃ
পেয়ারা উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর ফল। বাংলাদেশে পেয়ারা চাষের জন্য উপ

#মাটিঃ
প্রায় সবরকম মাটিতেই চাষ করা যায় তবে জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি থেকে ভারী এঁটেল মাটি যেখানে পানি নিষ্কাশনের বিশেষ সুবিধা আছে সেখানে ভাল জন্মে । ৪.৫ – ৮.২ অম্লক্ষারত্বের মাটিতে এটা সহজে জন্মে ।

#পেয়ারার_জাতঃ
বারি পেয়ারা-১/২/৩
বাউ পেয়ারা-১/২/৩/৪/৫
থাই পেয়ারা সহ অন্যান্য জনপ্রিয় জাত

#বংশ_বিস্তারঃ
বীজ দ্বারা বংশবিস্তার সবচেয়ে সহজ, এবং মাতৃগুণাগুণ প্রায় হুবহু বজায় থাকে। বীজ উৎপাদনের জন্য অঙ্গজ পদ্ধতিতে বংশবিস্তারই উত্তম । অঙ্গজ পদ্ধতির মধ্যে গুটি কলমই বহুল পরিচিত।

#গর্তের_আকারঃ
ফিতা দ্বারা গর্তের দৈর্ঘ্য ২ ফুট × প্রস্থ ২ ফুট × গভীরতা ১.৫ ফুট আকারের জায়গা মেপে নিয়ে গর্ত তৈরী করতে হবে।

#রোপন_দুরত্বঃ
চারা থেকে চারা ৪ মিটার বা ১৩ ফিট
সারি থেকে সারি ৪ মিটার বা ১৩ ফিট

#সারের_পরিমাণঃ
প্রতি গর্তে পচা গোবর ১০-১৫ কেজি
টিএসপি ২৫০ গ্রাম
পটাশ ২৫০ গ্রাম
জিপসাম ২০০ গ্রাম
জিংক ২০ গ্রাম (আলাদাভাবে)
বোরন ২০ গ্রাম
দানাদার ২০ গ্রাম

#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ
সমস্ত সার প্রয়োগের পর গর্ত ভরাট করে ১০-১৫ দিন রেখে দিতে হবে।

#চারা_রোপণের_সময়ঃ
মে (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) থেকে সেপ্টেম্বর (ভাদ্র-আশ্বিন) মাস উপযুক্ত সময়। তবে পানি সেচের ব্যবস্থা থাকলে সারাবছরই লাগানো যায়। গর্ত ভরাটের ১০-১৫ দিন পর চারা/কলম রোপণের পূর্বে মাটি উলটপালট করে গর্তে চারাটি সোজাভাবে স্থাপন করতে হবে। তারপর চারার গোড়ার মাটি হালকাভাবে চাপ দিয়ে শক্ত করে দিতে হবে।

#খুঁটি_দেয়াঃ
চারা লাগানোর পর একটি খুটি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। যাতে গাছ হেলে না পরে।

#সার_ব্যবস্থাপনাঃ
প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি (ফাল্গুন) , মে (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) ও সেপ্টেম্বর (ভাদ্র-আশ্বিন) মাসে তিন কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। সার একবারে গোঁড়ায় না দিয়ে যতদূর পর্যন্ত ডালপালা বিস্তার করেছে সে পর্যন্ত মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। নিচের ছকে বিভিন্ন বয়সের গাছ প্রতি সারের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো-

গাছের বয়স (১-২ বছর)
পচা গোবর ১০-১৫ কেজি
ইউরিয়া ১৫০-২০০ গ্রাম
টিএসপি ১৫০-২০০ গ্রাম
পটাশ ১৫০-২০০ গ্রাম

গাছের বয়স (৩-৫ বছর)
পচা গোবর ২০-৩০ কেজি
ইউরিয়া ২৫০-৪০০ গ্রাম
টিএসপি ২৫০-৪০০ গ্রাম
পটাশ ২৫০-৪০০ গ্রাম

গাছের বয়স (৬ বছরের উর্ধে)
পচা গোবর ৪০ কেজি
ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম
টিএসপি ৫০০ গ্রাম
পটাশ ৫০০ গ্রাম

#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ
গাছে সার প্রয়োগের পর এবং খরার সময় বিশেষ করে ফলের গুটি আসার সময় পানি সেচ দিতে হবে। তাছাড়া গোড়ার আগাছা পরিষ্কার ও মাটি ঢেলা ভেঙ্গে দিতে হবে ।

#সেচ_ব্যবস্থাপনাঃ
চারা রোপণের সময় মাটি শুকনো থাকলে মাঝে মাঝে কিছু পানি দিতে হবে। বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে বছরে ৮-১০ বার পানি সেচের প্রয়োজন হয়। ফলন্ত গাছে শুষ্ক মৌসুমে (ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) ১০-১৫ দিন পর পর পানি সেচের ব্যবস্থা করলে ফল ঝরা হ্রাস পাবে। ফল বড় হবে ও ফলন বাড়বে। তবে গোড়ায় পানি জমলে গাছ মারা যেতে পারে। তাই দ্রুত পানি নিষ্কাশন জরুরী।

#অঙ্গ_ছাঁটাইঃ
মরা, রোগাক্রান্ত ও অপ্রয়োজনীয় ডালপাল ছাঁটাই করতে হবে। রোপণকৃত চারা বা কলমের সুন্দর কাঠামো দেওয়ার নিমিত্তে মাটি থেকে ১-১.৫ মিটার উপরে বিভিন্ন দিকে ছড়ানো ৪-৫ টি ডাল রেখে নিচের দিকের বাকী সকল ডালপালা কেটে দিতে হবে। বয়স্ক গাছে ফল সংগ্রহের পর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে অঙ্গ ছাঁটাই করতে হবে। এতে করে নতুন ডালপালা গজাবে ও বেশী ফল ধরবে ।

#ডাল_নুয়ে_দেয়াঃ
পেয়ারার খাড়া ডালে নতুন শাখা ও ফল কম হয়। এজন্য পেয়ারা গাছে ডালপালা সুতলী দ্বারা বেঁধে নুয়ে দিলে প্রচুর নতুন শাখা গজায়। এতে ফলন ও গুনগতমান বৃদ্ধি পায়।

াঁটাইকরণঃ
কাজী পেয়ারা ও বারি পেয়ারা-২ এর গাছে প্রচুর পরিমাণে ফল আসে। ফল আকারে বড় হওয়ায় গাছের পক্ষে ভার বহন করা সম্ভব হয়ে উঠে না। তখন ফলের ভারে ডালপালা ভেঙ্গে যায়, ফল ছোট হয় ও গুনগত মান কমে যায়। এজন্য গাছকে দীর্ঘদিন ফলবান রাখতে ও গুনগতমাণ বজায় রাখতে ফলের মার্বেল অবস্থায় ৫০-৬০% ফল ছাঁটাইকরণ দরকার । কলমের গাছে প্রথম বছর থেকে ফল আসতে থাকে । কিন্তু ১ম বছরে ফল না রাখাই ভাল । দ্বিতীয় বছরে অল্প সংখ্যক ফল রাখা যেতে পারে। এভাবে পর্যায়ক্রমে গাছের অবস্থা বিবেচনা করে ফল রাখা যেতে পারে। পরিকল্পিতভাবে ফুল-ফল ছাঁটাই করে কাজী পেয়ারা ও বারি পেয়ারা ২ হতে সারাবছর ফল পাওয়া যেতে পারে।

্যাগিং
পেয়ারা ছোট অবস্থায় ব্যাগিং করলে রোগ, পোকা, পাখি, বাদুর ও কাঠবিড়ালী থেকে রেহাই পাওয়া যায় । ব্যাগিং করা ফলে সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি লাগে না বিধায় কোষ বিভাজন বেশী হয়, অপেক্ষাকৃত বড় ও আকর্ষণীয় হয়। ছোট ছিদ্রযুক্ত পলিথিন অথবা বাদামী কাগজ দিয়ে ব্যাগিং করা যেতে পারে। ব্যাগিং করার পূর্বে প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে টিল্ট ২৫০ ইসি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#পেয়ারা_সংগ্রহঃ

গ্রীষ্মের শেষ থেকে বর্ষার শেষ পর্যন্ত এবং শীতকালে পেয়ারা পাওয়া যায়। পুষ্ট বা ডাসা ফল সাবধানে পাড়তে হবে। পাকা পেয়ারার রং হালকা সবুজ বা হালকা হলুদ হয়। পেয়ারা কোন অবস্থাতেই বেশী পাকতে দেয়া উচিৎ নয়, এতে স্বাদ কমে যায়। উঁচু ডাল থেকে বাশেঁর মাথায় ও তলে আকশি লাগিয়ে পেয়ারা পাড়তে হয়। পরিপক্ব পেয়ারা বোঁটা বা দু-একটি পাতাসহ কাটলে বেশীদিন সতেজ থাকে এবং বাজারে দাম বেশী পাওয়া যায়। প্রখর রোদ ও বৃষ্টির সময় পেয়ারা পাড়া উচিৎ নয়। প্রতিটি পেয়ারা গাছ প্রথম দিকে ৪০০ থেকে ৫০০ টি ফল উৎপন্ন করে। তারপর ৮-১০ বছর পর ৯০০-১০০০ টি ফল উৎপন্ন করে । পেয়ারা ফল ৮-১৪ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায় ।

Address

Nikunja-2, Khilkhet
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AgroGram II এগ্রোগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share