শেষ ইচ্ছা :ẞêsh ïssãy;

শেষ ইচ্ছা :ẞêsh ïssãy; Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শেষ ইচ্ছা :ẞêsh ïssãy;, Grocers, Bogura, Dhaka.

ভদ্রমহিলার সাথে তার স্বামীর বিবাহ হয়েছে মাত্র কয়েক দিন আগে, যা ছিল পরিবারের পছন্দ ও ঘটকের মাধ্যমে স্থির করা একটি আনুষ্...
27/10/2025

ভদ্রমহিলার সাথে তার স্বামীর বিবাহ হয়েছে মাত্র কয়েক দিন আগে, যা ছিল পরিবারের পছন্দ ও ঘটকের মাধ্যমে স্থির করা একটি আনুষ্ঠানিক বন্ধন। বিবাহের পর থেকেই স্বামীর আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। প্রথম পনেরো দিন স্বামী স্ত্রীর সাথে এক বিছানায় ঘুমালেও, তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর স্বাভাবিক একান্ত সম্পর্ক স্থাপন করতে কোনো আগ্রহ দেখাননি। ভদ্রমহিলা inicialmente বিষয়টিকে স্বামীর মানসিক প্রস্তুতির সময় হিসেবে ধরে নিয়ে ধৈর্য ধারণ করেন।
বিয়ের পনেরো দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও যখন স্বামীর মধ্যে কোনো পরিবর্তন দেখা গেল না, তখন ভদ্রমহিলা সরাসরি বিষয়টি জিজ্ঞেস করেন। উত্তরে স্বামী বলেন, "তুমি চাইলে হবে—এতদিন হয়তো তুমি চাওনি, তাই হয়নি। এখন আমরা দুজনেই যাচ্ছি।" স্বামীর এই আপাত-সম্মতিমূলক উত্তরে ভদ্রমহিলা মনে করেন, এবার হয়তো তাদের দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক হবে।
প্রথম রাতে অমানবিক নির্যাতন
কিন্তু তাদের একান্ত সম্পর্ক স্থাপনের প্রথম দিনেই ঘটে এক ভয়াবহ ও নৃশংস ঘটনা। স্বামী কোনো স্বাভাবিক আচরণ না করে অমানবিক নির্যাতনে লিপ্ত হন। তিনি ভদ্রমহিলাকে শারীরিক আঘাত করার জন্য একটি ছোট্ট লাঠি ব্যবহার করেন। শরীরের বিভিন্ন অংশ, বিশেষ করে পিঠ ও পিঠের নিচের সমস্ত জায়গায় নির্দয়ভাবে আঘাত করা হয়।
একই সঙ্গে স্বামী বিকৃত যৌন আচরণ করেন, যা ভদ্রমহিলাকে প্রচণ্ডভাবে আতঙ্কিত ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। নির্যাতনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, তার শরীরে আঘাতের সুস্পষ্ট চিহ্ন দৃশ্যমান হয়। সেই দিনের পর ভদ্রমহিলা সারাদিন বিছানা থেকে উঠতে পারেননি এবং রুম থেকে বের হওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না। এটি কেবল শারীরিক আঘাত ছিল না, এটি ছিল এক চরম মানসিক আঘাত ও মর্যাদাহানি।
দ্বিতীয় রাতের পুনরাবৃত্তি ও গুরুতর আঘাত
প্রথম রাতের ভয়াবহতা কাটতে না কাটতেই, পরের দিন রাতে স্বামী পুনরায় ফিরে এসে আবারও নির্যাতন চালান। এইবার তিনি আবারও ছোট্ট লাঠি দিয়ে মারেন এবং আরও জঘন্যভাবে যৌনাঙ্গে আঘাত করেন।
এই দ্বিতীয়বারের নির্যাতন ছিল প্রথম বারের চেয়েও অনেক বেশি গুরুতর ও ভয়ঙ্কর। যৌনাঙ্গে আঘাতের ফলে ভদ্রমহিলার প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তার জীবন সংকটাপন্ন হয়ে উঠলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তির পরই ভুক্তভোগী নারীর পরিবার সম্পূর্ণ ঘটনাটি জানতে পারে। এই নৃশংসতা ও বিকৃত মানসিকতার শিকার হয়ে তাদের মেয়েটির এমন গুরুতর অবস্থা দেখে তারা অত্যন্ত ভয় ও ক্ষোভ পান এবং সঙ্গে সঙ্গে আইনি সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এবং তার ছোট বোন বিষয়টি আমাদেরকে অবগত করে এবং আমাদের সাহায্য চায়, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করা শুরু করেছি
ভদ্রমহিলা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়া মাত্রই পরিবার মামলা দায়েরের পরিকল্পনা করছে। ভুক্তভোগী নারী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তার স্বামীকে এই অমানবিক ও বিকৃত আচরণের জন্য অবশ্যই আইনের আওতায় দায়িত্ব নিতে হবে।
এমন গুরুতর অপরাধ এবং শারীরিক আঘাত ও যৌন নিপীড়নের জন্য অপরাধীর যথাযথ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এই ঘটনা যেন সমাজে একটি সতর্কবার্তা স্থাপন করে যে, বিবাহের পবিত্র বন্ধন কখনোই নির্যাতনের লাইসেন্স হতে পারে না।

বাপ মা ইন্টার ফেইল এক মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করছে। সেই মেয়ে রাইত আড়াইটায় মেসেজ দিয়ে বলে আপনারে বিয়ে করতে পারবো না, দীর্ঘ পা...
21/10/2025

বাপ মা ইন্টার ফেইল এক মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক করছে। সেই মেয়ে রাইত আড়াইটায় মেসেজ দিয়ে বলে আপনারে বিয়ে করতে পারবো না, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে একজন রে ভালোবাসি শুধু তারেই বিয়ে করবো। আকাশ ভেঙে বাতাস মাথায় পড়লো নিজেকে সামলে বললাম, করেন তাহলে। মেয়ে দীর্ঘশ্বাসের ইমুজি দিয়ে বললো, সম্ভব হচ্ছেনা কোনভাবেই আচ্ছা আপনি কি সাউথ কোরিয়া যাবেন।

যেখানে আছি সেখানেই তো ভালো আছি সাউথ কোরিয়া আবার কেন? মেয়ে দুঃখের ইমুজি দিয়ে বললো তাহলে আপনার সাথে কন্ট্রাক ম্যারেজ করে সাউথ কোরিয়া চলে যেতাম। একমাত্র সাউথ কোরিয়া গেলেই আমি আমার জাংকুকে পাবো। আমি শুধাইলাম জাংকফুড? মেয়ে কয় ইস্টুপিড ঐটা জাংকুক। আমি কইলাম ও আচ্ছা। একটু পরে মেয়ে কয় জানেন আমি ক্লাস নাইন থেকে আর্মি। আমি মাথা চুলকাতে চুলকাতে রিপ্লাই দিলাম শিশুদের ধরে ধরে শেখ হাসিন আর্মিতে ভর্তি করাইছে।

মেয়ে কয় শেখ হাসিনা করাবে কেন? আমি নিজেই হইছি। আমি শুনে অবাক। একটু পরে কিসের লিংক একটা দিয়ে কয়, এইখানে ঢুকে জাংকুক রে ভোট দেন। আমি কইলাম সে কোন দল থেকে খাড়া হইছে এনসিপি, জামাত নাকি বিএনপি। মেয়ে লাল ইমুজি দিয়ে কয় ব্লক খাবেন পরে দেখি সত্যি সত্যি ব্লক দিছে। বিষয়টা বুঝলাম না, আপনারা বুঝলে জানাইয়েন তো জাংকোট কোন পার্টি থেকে নির্বাচনে খাড়াইছে। আর মেয়েদের এত ছোট থাকতে আর্মি তে ভর্তি করার অনুমতি কে দিছে, ইউনুস সরকার জবাব চাই।

-ইয়ামেতে কুদাসাই

বাঙালি বিয়েবাড়িতে যে ঘটনাগুলো ঘটবেই:১. বরযাত্রা শুরু হবে, এসময় দেখা যাবে গুরুত্বপূর্ণ কেউ একজন অনুপস্থিত। খুঁজতে গেলে জা...
20/10/2025

বাঙালি বিয়েবাড়িতে যে ঘটনাগুলো ঘটবেই:

১. বরযাত্রা শুরু হবে, এসময় দেখা যাবে গুরুত্বপূর্ণ কেউ একজন অনুপস্থিত। খুঁজতে গেলে জানা যাবে তিনি শেভ করতে সেলুনে নয়তো জুতা পালিশ করতে বাজারে গেছেন।

২. যথাযথভাবে আমন্ত্রণ করা হয়নি এই অভিযোগে কিছু আত্মীয়স্বজন অনুষ্ঠান বর্জন করবে।

৩. বর বা কনের চাচা এবং মামা পক্ষের মধ্যে একটা রেষারেষি থাকবেই। বিয়েতে কোন পক্ষের কর্তৃত্ব বেশি হবে সেটা নিয়ে অঘোষিত প্রতিযোগিতা চলবে।

৪. গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বর বা কনের দুলাভাই টাইপের কেউ অভিমান করবে। তার মান ভাঙাতে অন্য মুরুব্বিরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাবে।

৫. কনের বাড়িতে গেট দিয়ে ঢোকার সময় টাকা দেয়া নিয়ে ব্যাপক দেনদরবার হবেই। কখনও কখনও এটা মারামারির পর্যায়ে চলে যাবে। মেয়েরা এক গ্লাস চিনি ছাড়া শরবত দিয়ে ৫ হাজার টাকা দাবি করে বসবে।

৬. বরযাত্রীরা কখনই যথাসময়ে কনের বাড়ি পৌঁছাতে পারবে না এবং নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বরযাত্রী বেশি হবেই। এটা নিয়ে তাদেরকে কনে পক্ষের খোঁটাও হজম করতে হবে।

৭. পাত্র পক্ষের দেয়া শাড়ি কিংবা গহনার মান নিয়ে দুই পক্ষের তর্কবিতর্ক হবে। এসব ক্ষেত্রে কনের খালা বা ফুফুরা বেশি উৎসাহী হয়।

৮. মেয়ের বাবা কর্তৃক ছেলের যোগ্যতা অনুযায়ী "খুশি করে দেয়া" (যৌতুক নয় কিন্তু) নিয়েও বাদানুবাদ হবে।

৯. খাবার নিয়ে একটা ঝামেলা হবে, অনেক সময় অতিরিক্ত মেহমানের কারণে কোনো একটা নির্দিষ্ট আইটেমের শর্ট পড়বে আর সেটা নিয়ে তুলকালাম বেধে উঠবে। অনেকেই খাসির মাংস খায় না অজুহাত দেখিয়ে মুরগির রোস্ট ডবল নেওয়ার চেষ্টা করবে। পরে আবার খাসির মাংসের আইটেমটাও নেবে!

১০. কোনো তরুণীকে বিরক্ত করাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে শোরগোল এবং উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হবে।

১১. বর বা কনে যতই সুন্দর হোক না কেন দাওয়াতে আসা কিছু মানুষ খুঁত খুঁজে বের করবেই।

১২. নতুন বউয়ের দোষ প্রথম খুঁজে পাবে বউ দেখতে আসা পাশের বাড়ির মহিলারা। এটা গ্রামে চাউর হবেও তাদের মাধ্যমে। খাবারের মান নিয়েও এরা প্রশ্ন তুলবে।

১৩. বরের জুতা চুরির ঘটনা ঘটবে, আর তা জিম্মি করে নিরীহ গোবেচারা বরের কাছ থেকে টাকাও বাগিয়ে নেওয়া হবে।

১৪. রঙ দিয়ে একে অপরকে রাঙানোর নামে হালকা মল্লযুদ্ধ তুমুল হট্টগোলে রূপ নেবে।

সব শেষে সবাই সবাইকে বলবে, কিছু মনে করবে না ভাই, বিয়েশাদীতে এরকম টুকটাক হয়েই থাকে। আমরা আমরাই তো!

২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ন্যাশানাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল ছবিটি প্রকাশ করে। দুটি সাপ যুদ্ধে লিপ্ত। একটি অজগর, অন্যটি কিং কোব...
19/10/2025

২০১৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ন্যাশানাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল ছবিটি প্রকাশ করে। দুটি সাপ যুদ্ধে লিপ্ত। একটি অজগর, অন্যটি কিং কোবরা। দুজনেই শক্তিশালী এবং নিজেকে শ্রেষ্ঠ আর ক্ষমতাবান বলে মনে করে। লড়াইয়ের এক পর্যায়ে অজগরটি কিং কোবরাকে মরণপাশে পেঁচিয়ে ধরে এবং কিং কোবরা অজগরটিকে অন্তিম ছোবল দেয়। শেষ পর্যন্ত দুটি সাপই মা*রা যায়; একটি শ্বাসরোধে, অন্যটি বিষে।

ঠিক এভাবেই মানুষ অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় বা ক্ষমতাধর প্রমাণ করতে গিয়ে ধ্বংস ডেকে আনে।
আমাদের আশেপাশে ঠিক এইরকম খেলা চলমান আছে। কেউ কাউকে ছাড় দিতেই চায়না, যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের ধংশ না হয়। সমস্যা থাকবে, সমস্যা আমাদেরকেই সমাধান করতে হবে।

পৃথিবীতে কিছু কিছু জিনিসের কোনো বিকল্প হয় না। এই যেমন ধরুন, আপনি বেকার থাকাকালীন আপনার যে বন্ধুটি নিজের পকেটের সীমিত টা...
18/10/2025

পৃথিবীতে কিছু কিছু জিনিসের কোনো বিকল্প হয় না। এই যেমন ধরুন, আপনি বেকার থাকাকালীন আপনার যে বন্ধুটি নিজের পকেটের সীমিত টাকার মধ্যে থেকেও আপনার শূন্য পকেটের অবস্থা বুঝে চায়ের বিলটি দিয়ে দিত।

আপনার যে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকাটি আপনার দারিদ্র বা অসহায়ত্ব সম্পর্কে জানার পরও আপনার সাথে থেকে গিয়েছিল, তার কোনো বিকল্প হয় না।

আপনার বিষণ্ণতার খোঁজ জানতে পেরে আপনার দুর্দিনে যে মানুষটি মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে “ভয় পেয়ো না, আমি আছি” বলেছিল, তার কোনো রিপ্লেসমেন্ট কিছুতেই হয় না।

একদিন আপনার অনেক কিছু হবে। অনেক বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন আপনার সামনে পিছে ঘুরঘুর করবে। আপনার কিছু লাগবে কিনা তার জন্য একপায়ে খাড়া হয়ে থাকবে অনেকেই। এরা আসলে আপনার আপন কেউ না, এরা আপনার সুসময়ের ঘ্রাণে কেনা কিছু মাছি কেবল।

তারাই আপনার কাছের মানুষ, যারা কোনো স্বার্থ ছাড়াই কখনো ছাদ হয়ে আপনার মাথার উপরে, কখনোবা মাটি হয়ে আপনার পায়ের নিচে থেকে আপনাকে সাপোর্ট দিয়েছিল। তারা সেইসব দিনগুলোতে আপনাকে বেঁচে থাকার সাহস জুগিয়েছিল যখন আপনার পাশে কেউ ছিল না।

যদি আপনার জীবনে এমন কোনো দিন আসে যেদিন আপনি ডুবতে বসেছেন, সেদিন কিন্তু সবগুলো বসন্তের কোকিল আপনাকে ফেলে পালাবে। তাই আপনার শূন্য পকেটের সময়ের বন্ধুদের হারিয়ে ফেলা মানে আপনার অস্তিত্ব হারিয়ে যাওয়া। কেননা ওই বন্ধুগুলোর কোনো রিপ্লেসমেন্ট হয় না।

মিথ্যাবাদী নারী: হৃদয় নয়, জীবন ভাঙেসব মিথ্যা সম্পর্ক ভাঙে না।কিছু মিথ্যা সরাসরি জীবন ধ্বংস করে।কারণ, যখন একজন নারী মিথ...
18/10/2025

মিথ্যাবাদী নারী: হৃদয় নয়, জীবন ভাঙে

সব মিথ্যা সম্পর্ক ভাঙে না।
কিছু মিথ্যা সরাসরি জীবন ধ্বংস করে।
কারণ, যখন একজন নারী মিথ্যা বলা থামাতে পারেনা সে শুধু আবেগ নিয়ে খেলে না,
সে খেলে তোমার স্বাধীনতা নিয়ে।
আর সত্য যখন সামনে আসে?
তখন অনেক দেরি হয়ে যায়।
---
১. ছোট মিথ্যা বড় বিপদের শুরু
“আমি ভালো আছি।”
“ও শুধু বন্ধু।”
“তুমি অতিরিক্ত ভাবছো।”
এই কথাগুলো নিরীহ মনে হলেও এগুলোই অনুশীলন।
আজ ছোট মিথ্যা—কাল বড় মিথ্যা।
---
২. ভিকটিম সাজে, আসল অপরাধী সে
সে যদি প্রতারণা করে, উল্টো বলে তুমি অত্যাচার করেছো।
সে যদি টাকা শেষ করে, উল্টো বলে তুমি নিয়ন্ত্রণ করছো।
অর্থাৎ, নিজের দোষকে তোমার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়।
পৃথিবী তাকে দেখে ভুক্তভোগী হিসেবে, আর তোমাকে খলনায়ক হিসেবে।
---
৩. তার মিথ্যা সত্যের চেয়ে দ্রুত ছড়ায়
সে প্রমাণ আনে না, আনে কান্না।
সে যুক্তি দেয় না, আনে সহানুভূতি।
একটি মিথ্যা অভিযোগই ধ্বংস করে দিতে পারে বহু বছরের সুনাম।
মানুষ তার অশ্রু বিশ্বাস করে, তোমার সত্য নয়।
---
৪. তোমার বিরুদ্ধে জোট গড়ে তোলে
তার মিথ্যা কেবল তোমাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।
সে বন্ধু, পরিবার এমনকি সন্তানদেরও নিজের দলে টেনে নেয়।
এখন তুমি শুধু সত্য প্রমাণ করছো না—
তুমি লড়ছো তার বানানো পুরো বাহিনীর বিরুদ্ধে।
---
৫. আদালতে নয়, জীবনেও শাস্তি
মিথ্যা পারিবারিক নির্যাতনের মামলা।
মিথ্যা হয়রানির অভিযোগ।
মিথ্যা সন্তানের দাবি।
এসব কারণে অসংখ্য পুরুষ ঘর, সুনাম, পেশা হারিয়েছে।
তারা অপরাধ করেনি—
সে অভিযোগ করেছে।
---
৬. শাস্তি সে পায় না, তুমি পাও
সে জানে—শেষে সমাজ তার পাশে দাঁড়াবে।
সে পাবে সহানুভূতি,
তুমি পাবে ক্ষতচিহ্ন।
পুরুষের সত্য প্রমাণের চেয়ে নারীর মিথ্যা সহজে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।
---
শেষ কথা
যে নারী মিথ্যা বলা থামাতে পারে না—
সে একদিন তোমাকে জেলে পাঠাতে পারে।
সব কারাগারে শিকল নেই।
কিছু কারাগার গড়ে ওঠে ভাঙা বিশ্বাস, নষ্ট সুনাম আর ধ্বংস হওয়া জীবনের ওপর।

আর নিষ্ঠুর সত্য হলো—
যখন তার মিথ্যা ফাঁস হবে,
তখন হয়তো তোমার জীবনই শেষ হয়ে যাবে।

👉 তাই সম্পর্ক বেছে নিতে সতর্ক হও।
কারণ ভুল নারী শুধু হৃদয় ভাঙে না—
সে ভেঙে দেয় তোমার পুরো জীবন।

🌸 লুচ্চি নারী চিনবেন কীভাবে (সহজ ভাষায়)সব মেয়েই খারাপ নয় — কিন্তু কিছু নারী আছে, যারা আবেগ আর অভিনয় দিয়ে মানুষকে ব্যবহার...
17/10/2025

🌸 লুচ্চি নারী চিনবেন কীভাবে (সহজ ভাষায়)
সব মেয়েই খারাপ নয় — কিন্তু কিছু নারী আছে, যারা আবেগ আর অভিনয় দিয়ে মানুষকে ব্যবহার করতে জানে।
তারা ভালোবাসে না, শুধু নিজের স্বার্থে কাছে আসে।
শুরুতেই তারা এমনভাবে কথা বলবে যেন আপনি তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।
প্রতিদিন খোঁজ নেবে, “খেয়েছেন?” “আমাকে মিস করেন?” —
আপনি ভাববেন, সত্যিই কেউ এত খেয়াল রাখে!
আসলে ওগুলো হচ্ছে মানসিক ফাঁদ।
এরপর শুরু হয় নাটক —
বলবে, “আমি খুব কষ্টে আছি, কেউ আমাকে বোঝে না।”
“আমার পরিবার আমাকে ভালোবাসে না, সবাই আমাকে ভুল বোঝে।”
এইসব বলে আপনার ভিতরে দায়বোধ তৈরি করবে — যেন আপনি তাকে বাঁচাতে বাধ্য।
একটু সময় গেলে বুঝবেন, সবকিছু ঘুরে ফিরে টাকা, উপহার, সুবিধাতে এসে ঠেকে।
তার জন্মদিনে দামি গিফট না দিলে মন খারাপ,
রাগ দেখাবে, যোগাযোগ বন্ধ রাখবে —
যতক্ষণ না আপনি “ভালোবাসার প্রমাণ” দেন।
সে কখনোই চায় না আপনি অন্য মেয়েদের সঙ্গে কথা বলুন।
কিন্তু নিজে একাধিক ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে —
সবাইকে “বিশেষ বন্ধু” বলে চালাবে।
এই ধরনের নারী ভালোবাসে না —
তারা ভালোবাসার নাম ব্যবহার করে নিজের লাভ তোলে।
কখনো মনোযোগের জন্য, কখনো অর্থের জন্য, কখনো নিজের ইগো পূরণের জন্য।
একজন বুদ্ধিমান পুরুষ এসব বোঝে —
সে দূরত্ব রাখে, তর্কে না গিয়ে চুপচাপ সরে আসে।
কারণ, যে মেয়ে সত্যিকারের হয়, তাকে প্রমাণ দিতে হয় না।
ভালো মেয়েরা আপনাকে ব্যবহার করবে না,
তারা আপনার সময়কে সম্মান করবে, আপনাকে বদলাতে নয় — বুঝতে চাইবে।
আর লুচ্চি মেয়েরা?
তারা প্রতিবার চরিত্র বদলায়, শুধু অভিনয় একই থাকে।

{Picture For Attention}

ঢাকায় দিনে ৩৯ টা  ডিভোর্স হচ্ছে।ঘন্টাতে একটিরও বেশী। এটা শুনে সবাই সেই পুরাতন কাসুন্দি নিয়ে বসে পড়েছে। সব দোষ ঐ মেয়েদের।...
16/10/2025

ঢাকায় দিনে ৩৯ টা ডিভোর্স হচ্ছে।
ঘন্টাতে একটিরও বেশী। এটা শুনে সবাই সেই পুরাতন কাসুন্দি নিয়ে বসে পড়েছে। সব দোষ ঐ মেয়েদের।

কারনঃ
*মেয়েরা এখন বেশী শিক্ষিত হচ্ছে,
*মেয়েরা চাকুরী করেছে,
*মেয়েরা বিজনেস করছে!
*আবার একদল হাসছে আর বলছে দেখো বেপর্দা মেয়ে বিয়ে করলে তো ডিভোর্স হবেই!

একদিন তো রিপন ভাই বলেই বসলো এজন্যই আমি বেশী শিক্ষিত মেয়ে বিয়ে করিনি,আর বউকে চাকুরী করানো আমার পছন্দ না। সেদিন সাধুবাদ জানিয়েছিলাম তাকে আর
আমি শুধু বলেছিলাম আপনার মায়ের জরায়ুর অপারেশনটাতো ডা. ফাতিমার কাছেই করিয়েছিলেন তাইনা? আর ডা. ফাতিমাও কারো স্ত্রী। সবাই আপনার স্ত্রীর মতো গৃহীনি হলে বাচ্চা প্রসব করাবেন কার আছে?

রিপন ভাইরে মতো পছন্দ হলে কোন কথা নেই। সুখী হন।
কিন্তু আপনি শিক্ষিত, সুন্দরী, স্মার্ট, ধার্মিক, আধুনিক, গালে টোল পড়া, ভুবন ভোলানো হাসির রানী, ধনী শ্বশুরের আদরের দুলালী, বংশীয় ঘরের চাকুরীজীবি নারী বিয়ে করবেন আর সার্ভিস চাইবেন গ্রামের কপালপোড়া সখিনাবিবির মেয়ে সাগিরার মতো। সকাল সন্ধ্যা সে গরম খাবার নিয়ে বসে থাকবে আর বাতাস করবে, কিংবা নায়ক রেড ওয়াইন খেয়ে বাড়িতে ফিরবেন তবুও শাবানার মতো লাথি খেয়েও আপনার জুতা খুলে দিবে, মসজিদে গিয়ে টাকা দান করে আপনার মঙ্গল কামনা করবে এসব ভাবাটা এই একবিংশ শতকে অবান্তর।

আপনার সব অন্যায় সে মুখ বুজে সহ্য করবেনা। আপনি পর্ণ এডিক্টেড হোন কিংবা ইয়াবা তারপরও আপনার পায়ের নিচে জান্নাত বলে তাকে বোকা বানাতে পারবেন না।

একজন উচ্চ শিক্ষিত মেয়ে ধার্মিক হলেও সে অন্যায়কে আঙ্গুল তুলে অন্যায় বলার সাহস রাখে। প্রতিবাদ করতে পারে। বরং সে একটু বেশীই সাহসী কারন তার হৃদয়ে রাসুল সা. কে ধারন করে আর আল্লাহ্ ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করে না।

সময় পাল্টে গেছে ব্রো! নিজের মানসিকতা পরিবর্তন করুন।
বিয়ের আগে ডিসিশন নিন। কোন মেয়েকে বিয়ে করতে চান?
সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করুন ।

আপনার শিক্ষিত সুন্দরী বউটাও সাতঘাট ঘুরে, লেখাপড়া করে, জবযুদ্ধে জয়ী হয়ে নিজেকে আপনার জন্য স্মার্ট হিসাবে প্রস্তুত করলেও আপনি কিন্তু আপনার দাদা তার দাদার আমলের মতো ক্ষ্যাত মানসিকতা নিয়েই অফিস থেকে বাড়িতে ফিরে লুঙ্গি পরে এসি ছেড়ে দিয়ে মোবাইলে এ্যানি, ব্যানি, এঞ্জেলার সাথে সেক্সচ্যাট শুরু করেন।
বউ তখন বাহিরের পোশাক খুলে এ্যাপ্রণ পরে কিচেনে ঢুকে রান্না করে আর বাচ্চাকে ডাইনিং টেবিলে পড়াতে বসায়।
যিনি ঘর এবং বাহির দুটো সামাল দিচ্ছে এমন দুরন্ত আর ভুবনজয়ী নারীকে পাশে রাখবেন, তার সম্মানে বুক ফুলিয়ে রাস্তাতে হাঁটবেন অথচ শতবছরের পুরানো, বাসি, পঁচা, দূর্গন্ধযুক্ত প্রভুত্ববাদ মগজে পুষে রেখে শান্তি কামনা করবেন!

কি অদ্ভুত না!

রাত জেগে আপনার বউটা অসুস্থ বাচ্চা কোলে সারারাত কাটিয়ে দিবে আর আপনি নাকে সর্ষের তৈল দিয়ে তৈলাক্ত ঘুম দিবেন তা নিয়ে সংসারে অশান্তি হতেও পারে। কারন সকাল নটাতে তারও অফিস আছে। সকালের নাস্তাটাও তাকেই বানাতে হবে ভেবে আপনি উঠবেন সকাল ৮টা ১০ এ।

একসময় জরিনাবানুর স্বামী মরেছে আর কপাল খুলেছে পাশে বাড়ির কুদ্দুস চকিদারের। নিয়মিত জরিনাবানুর সাথে লটরপটরে ইতিহাস গ্রামের সবার মুখের মজাদার টপিক হলেও কুদ্দুসের বউটা কিন্তু নিরবে নিভৃতে চোখের পানি ফেলেছে, স্বামীকে বলতে গেলে রক্তাক্ত হয়েছে, সংসার ছেড়ে চলে যেতে বলেছে, কিংবা ভাত কাপড়ের খোটা তাকে রাতদিন শুনে আধমরা হয়ে অসুখে বিসুখে অবহেলা আর অযত্নে মরার মতো করে বেঁচে থাকতে হয়েছে।

কিন্তু ধরেন আপনি যদি আজ আপনার সুন্দরী ফেসবুক ফ্রেন্ড, স্বামী বিদেশ থাকে মারাও যাইনি এমন একজনেরর বাড়িতে গিয়ে দু ঘন্টা কাটিয়ে আসেন তখন আপনার বউ তর্জনি উঁচু করে বলতেই পারে আর যদি কোনদিন এমন করো তবে কিন্তু খবর আছে। সে এটা সহ্য করবেনা। না শুনলে আপনাকে মুখের উপরই বলে দিবে একদিন আমিও আমার কলিগ কে নিয়ে রাস্তাতে দাঁড়িয়ে ফুচকা খাবো আর সেলফি তুলবো। সে কিন্তু মুখ বুজে কাঁদবে না।
মাইন্ড ইট।

নারীর অন্যায় মেনে না নেবার প্রবনতাকেই আজকাল অহংকার বলে চালানো হচ্ছে। সেটাই মুল সমস্যা।
আপনি ঘন্টার পর ঘন্টা বদনবুকে নাক ডুবিয়ে শুয়ে থাকবেন, সুন্দরী বান্ধবীর সাথে রাতবিরাতে কথা বলবেন, নিজের অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসা না করিয়ে ল্যাপটপ কাধে ঝুলিয়ে বড়লোকি দেখাবেন! ইউটিউবের অন্ধকার গলিতে ঢুকে নোংরামীতে স্নান করবেন,
দুনিয়ার সকল বন্ধুবান্ধবের বাড়ির কুক্তা বিড়িলের খবর রাখবেন আর স্ত্রীর খোঁজ রাখবেন না! আর প্রতিবাদ করতে গেলে বলবেন উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা উগ্র হয়, বদমেজাজি হয়, অসহিষ্ণু হয়, অধৈর্য্য হয়, বেয়াদব হয়, মুখে মুখে তর্ক করে!
ব্যাপারটা কেমন অলিক হয়ে গেল না?

বিশ্বাস করেন এমন একদিন খুব নিকটে যেদিন চাকুরীজীবী মা এবং বিজনেসম্যান বাবা তার কর্মজীবি মেয়েকে বিয়ে দেবার আগে ছেলেকে প্রশ্ন করবে তুমি কি কি রান্না করতে পারো? আমার মেয়ে যখন তোমার সন্তান কে গর্ভে ধারন করতে গিয়ে বমি করতে করতে বিছানা থেকে উঠতে পারবে না তখন কি তুমি তাকে এক বাটি স্যুপ বানিয়ে খাওয়াতে পারবে?

ছেলে উত্তর না হলে মুখের উপর তার অভিভাবকদের বলে আসবে পুত্রকে রাজপুত্র না বানিয়ে মানুষ বানান। কারন রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়েছে।
নিজের মা ও তো অসুস্থ হতে পারে তাকে দেখার জন্য ছেলেরবউ আছে কিন্তু বউটার অফিস আওয়ারে তো নিজের ছেলেটার কাছে একটু সেবা কি মা আশা করতে পারেনা!

মেয়ের অভিভাবকেরা বুঝে, শুনে, দেখে নিজের সমস্যাগুলোকে অভারকাম করে জামাতা নির্বাচন করবে। কেবলই বর্তমানের ছেলেপক্ষের মতো কেবল চেহারা আর দিঘলকালো চুল দেখে নয়।

সেই সাহসও অর্জন করতে শিখতে হবে।

ডিভোর্সের মুল কারন পুরুষদের অনুন্নত মানসিকতা, প্রভুত্ত্বের প্রবনতা,নারীকে তার সঠিক সম্মান আর মর্যাদা না দেওয়া দায়ী। এমনকি নারীকে মানুষই মনে না করা!

নারীও দুধে ধোয়া না। তবে সব দোষ তার একার না না না।

ডিভোর্সি মেয়ের পিতার সাথে একদিন সময় নিয়ে কথা বলবেন প্লিজ। বাকীটা বুছতে পারবেন!
কিংবা ঐ যে মেয়েটার গায়ে কেরোসিন ঢেলে জ্বালিয়ে দিয়েছিল তার স্বামী তার ভাইটার সাথে একদিন কথা বলবেন!

নিজেকে কেবল পুরুষ নয় পিতা, ভাই, পুত্রের স্থানে দাঁড় করিয়ে নিজেদের দিকে আঙ্গুল তুলতে শিখুন। সমস্যা কমে শুন্যে নেমে যাবে।

সম্পর্কের অবনতির কারণ হচ্ছে, পরস্পর পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাওয়া যাওয়া। আর এই দূরত্ব তৈরিই হয় মূলত সময় না দেয়ার কারণে। স...
15/10/2025

সম্পর্কের অবনতির কারণ হচ্ছে, পরস্পর পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাওয়া যাওয়া। আর এই দূরত্ব তৈরিই হয় মূলত সময় না দেয়ার কারণে।

সম্পর্কে পরস্পরকে পর্যাপ্ত সময় দিলে, উভয়ের কেউ কখনো নিজেকে একা মনে করে না। আপনি যখন সম্পর্কে থাকা মানুষটাকে সময় দিবেন, কথা বলবেন, তবে তার বিষন্নতা, মন খারাপ আর একাকিত্ব এমনিতেই দূর হয়ে যাবে।

মানুষ তখনই নিজেকে একা মনে করে, যখন সম্পর্কে থাকা মানুষটা তাকে সময় দেয় না। মানুষ সম্পর্কে জড়ায় নিজেকে ভালো রাখতে। আর সেই সম্পর্কই যখন তার খারাপ থাকার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন সে হতাশায় ভুগতে থাকে!

সম্পর্কের মানুষটাকে সময় দিলে আপনার সময় নষ্ট হয় না। বরং সম্পর্ক আরও গভীর হয়। আপনি নিজেই যদি উদাসীন থাকেন, সম্পর্কের মানুষটার অসহায়ত্ব বোঝার চেষ্টা না করেন, তবে সে আপনার সাথে কেন সম্পর্ক রাখতে চাইবে? স্রেফ ভালোবাসে বলে? অবহেলায় অনুভূতি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ আর তখন ভালোবাসা বোঝে না, মুক্তি খোঁজে।

কাউকে বুঝতে হলে, তাকে সময় দিতে হয়। তার সাথে কথা বলতে হয়, তাকে কখনো একা লাগতে দিতে হয় না। সম্পর্কে আপনি যতই যত্নবান হোন না কেন, যদি সামান্য সময়টুকু সম্পর্কের মানুষটাকে দিতে না পারেন, তবে আপনার সমস্ত প্রচেষ্টাই একটা সময় পর বৃথা যাবে। মানুষ যত্ন চায়, সম্পর্কের মানুষটার কাছ থেকে সময় চায়।

আর যদি সম্পর্কে থেকেও সে দুটোর একটাও না পায়, ঠিক তখনই সে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সেখানে যতই ভালোবাসা, মায়া কিংবা পিছুটান থাকুক না কেন, মানুষ সেই সম্পর্ক থেকে মুক্তি চাইবেই।

(AmeSabuz)

“মেয়েদের গ্যাসলাইটিংয়ের মিথ্যা গল্পগুলো”আজকের অনেক মেয়ে শুধু মিথ্যা বলতে শেখেনি,তারা সেটাকে একধরনের আর্ট বানিয়ে ফেলে...
14/10/2025

“মেয়েদের গ্যাসলাইটিংয়ের মিথ্যা গল্পগুলো”
আজকের অনেক মেয়ে শুধু মিথ্যা বলতে শেখেনি,
তারা সেটাকে একধরনের আর্ট বানিয়ে ফেলেছে।
নাম দিয়েছে “সেলফ-লাভ”, “হিলিং”, “মেন্টাল হেলথ”
কিন্তু আসলে সবই একটাই জিনিস: পুরুষকে দোষী বানানোর কৌশল।
আর খারাপ দিকটা কী জানো?
এখন অনেক পুরুষ সত্য বুঝলেও মেয়েদের সামনে অপরাধী বোধ করে।

চলো দেখি, তারা কীভাবে মগজ ধোলাই করে—

১️⃣ “মেয়ে তার পুরুষের প্রতিফলন”
এই কথাটা শুনে ভালো লাগে, কিন্তু মিথ্যা।
যদি মেয়ে ভালো হয় — সবাই বলে পুরুষটা ভালো।
যদি মেয়ে খারাপ হয় — বলে পুরুষটা খারাপ ছিল।
মানে, দোষ কখনো তার নয়, সব সময় ছেলেটার।

কিন্তু সত্যি হলো —
একটা সাপ মাটির জন্য নয়, নিজের স্বভাবের জন্য হেঁটে চলে।
একজন খারাপ মেয়ে তার চরিত্রের জন্য খারাপ, তোমার জন্য নয়।

২️⃣ “আমার আগের এক্স আমাকে নষ্ট করেছে”
এই ডায়লগ প্রায়ই শোনা যায়।
প্রথম প্রেমিক নাকি তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে,
দ্বিতীয়টা ছেড়ে গেছে,
তৃতীয়টা বিয়ের প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে,
চতুর্থটা নাকি অন্যরকম ছিল, কিন্তু সেটাও ভেঙে গেছে।
সবাই খারাপ, শুধু সে-ই ভালো!

তারপর আসো তুমি—
ভাবো তুমি তাকে “বাঁচাবে”, ভালোবাসা শেখাবে।
কিন্তু না ভাই, তুমি উদ্ধারকারী নও।
তুমি যদি সাবধান না থাকো, তুমিও তার গল্পের “দোষী পুরুষ” হয়ে যাবে।

৩️⃣ “আমার প্রাইভেসি আর বাউন্ডারি দরকার”
মানে কী জানো?
তার ইনবক্সে থাকবে পুরুষ বন্ধু, আগের প্রেমিক, ব্যাকআপ ছেলেরা—
আর তুমি কিছু বললেই সেটা “তুমি কন্ট্রোলিং” বা “ইনসিকিউর” বলবে।

কিন্তু আসল ভালোবাসা লুকানো নয়,
যেখানে ভালোবাসা আছে, সেখানে স্বচ্ছতা থাকে।
“প্রাইভেসি” নাম দিয়ে প্রতারণা ঢেকে রাখা মানে কেবল কষ্টের শুরু।

৪️⃣ “তুমি ইনসিকিউর হচ্ছ”
তুমি যদি প্রশ্ন করো—
রাত ১২টার পরও কেন সহকর্মী মেসেজ করে,
বা কেন সে অন্য পুরুষের পোস্টে লাইক দেয়,
তাহলে বলবে, “তুমি ইনসিকিউর!”
কিন্তু ভাই, এটা ইনসিকিউরিটি নয়, এটা সচেতনতা।
নৌকায় ছিদ্র দেখলে সেটা বলা মানে ভয় নয় — বুদ্ধি।

৫️⃣ “আমি নির্যাতনের শিকার”
অনেক সত্যিকারের নির্যাতিত নারী আছে — সম্মান করি।
কিন্তু কিছু মেয়ে এখন এটা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
তুমি যদি কথা বলো, স্ট্যাটাস দাও, বা প্রশ্ন করো —
তবুও সেটা “অ্যাবিউজ” বলে চিৎকার করবে।
তুমি মনে করবে ওর ব্যথা বোঝা দরকার,
কিন্তু শেষমেশ তোমাকেই ওর গল্পের “ভিলেন” বানিয়ে দেবে।

৬️⃣ “মেয়েরা আবেগপ্রবণ, যুক্তিশীল নয়”
যখন টাকা খরচ করতে হবে, তখন আবেগী;
কিন্তু যখন ধনী ছেলেকে বেছে নেবে, তখন একদম যুক্তিশীল।
যখন ভুল করবে, তখন বলবে “আমি ইমোশনাল”,
কিন্তু যখন তোমার সাথে হিসাব করবে, তখন পুরো লজিক্যাল!
মানে, যখন সুবিধা পায় তখন লজিক,
আর যখন দায় এড়াতে চায় তখন ইমোশন।

৭️⃣ “আমি এখন কমিটমেন্টের জন্য রেডি নই”
সত্যি বলি —
যদি তুমি সত্যিই তার পছন্দের হও,
তাহলে সে কালই কমিট করবে।
“আমি হিলিং করছি”, “আমি নিজেকে খুঁজছি” —
সবই অজুহাত, যতক্ষণ না সে ভালো অপশন পায়।
তুমি ভাবছো তুমি সম্পর্ক গড়ছো,
আসলে তুমি তাকে অন্য কারো জন্য তৈরি করছো।

শেষ কথা:
আজকাল সম্পর্ক মানেই একধরনের খেলা —
যেখানে অনেক নারী দায় এড়াতে পুরুষকে দোষী বানায়।
তাই ভাই, এখন সময় এসেছে বুদ্ধি দিয়ে ভালোবাসার।
প্রেমে চোখ বন্ধ করলে সেটা বিশ্বস্ততা নয় — সেটা আত্মধ্বংস।

ভালোবাসো, কিন্তু চোখ খোলা রেখে।
কারণ এখনকার সময়ে, ভালোবাসা নয় — সচেতনতাই বাঁচায়।

[ বিশেষ দ্রষ্টব্য :-আগের পর্বের জ্যাক ও এলিজাবেথ  নামের ওই ক্যারেক্টারগুলো প্রনয় শক্তি এমন কোন একটি গল্পে সেম ক্যারেক্টা...
13/10/2025

[ বিশেষ দ্রষ্টব্য :-আগের পর্বের জ্যাক ও এলিজাবেথ নামের ওই ক্যারেক্টারগুলো প্রনয় শক্তি এমন কোন একটি গল্পে সেম ক্যারেক্টার আছে । আমি গল্পটি পড়িনি তাই জানিনা সঠিক। তবুও কেউ যেন কপি না বলতে পারে তাই আমি নাম চেঞ্জ করছি। এলিজাবেথ :- অ্যামিলিয়া , জ্যাক :- জোসেফ ]

"মায়া চল এখন "

"আর ১ মিনিট "

মায়া নিজের ফোন বের করে ম্যাপল বাগানের একটি ছবি তুলে।এর পর উঠি দাড়ায় আরিফের বরাবর। তাদের ঠিক উপরে একটি ম্যাপল পাতা পরছিলো। মায়া সেটা ধরার আগেই আরিফ সেটা ধরে ফেলে । মায়া আরিফের দিকে তাকিয়ে আবার ম্যাপল পাতাটির দিকে তাকায়। মায়া.."আপনি কি জানেন? দুজন মানুষ যখন এভাবে থাকে।তাদের ভিতর যদি কেউ ম্যাপল পাতা পড়ন্ত অবস্থায় ধরে তাবে তাদের প্রেম হয়ে যায়। এবং সেটা তাদের প্রথম প্রেম থাকে।"

আরিফ মায়ার এমন কথায় মেকি হাসে। ম্যাপল পাতাটি নিজের মুখশ্রীর সামনে ধরে উল্টে পাল্টে দেখতে থাকে। এরপর মায়ার দিকে তাকিয়ে বলে..
"এই লজিকহীন কথা তোকে কে বলছে? "

মায়া উপর থেকে পরতে থাকা আরোএকটি ম্যাপল পাতা ধরে। ম্যাপল পাতাটি নিজের কাছে সযত্নে গুছিয়ে রেখে আরিফের প্রত্যুত্তরে বলে.."আমি গবলিন মুভিতে দেখছি এটা "

কি পাগল?মুভিতে দেখা একটি কথা কেও বিশ্বাস করে?আরিফ নিজের কন্ঠ শিতল করে বলে.. "উমম..তাহলে তুই পাতা ধরতে চেয়েছিলিস এর কারন তুই আমার সাথে প্রেম করতে চাস রাইট? "

আরিফের কথায় মায়া বোকা বনে যায়।সে কথা বললো কোন কারনে? আর কথায় মানে মোড় নিলে কোন দিকে? মায়া থতমত খেয়ে বলে.. "এমনটা না "

"তাহলে কেমন? "

"আ..আপনার সাথে আমার প্রেম করার কোন শখ নেয়।আপনার সাথে আমি কেন প্রেম করতে যাবো? বিবাহিত কাপলরা কখনো প্রেম করে? এটুকু জানেন না? "

"তাহলে চল বিবাহিত যা করো তাই করি "

মায়া চোখ বড় বড় করে তাকায় আরিফের দিকে। লোকটার মুখে কি কিছুই আটকায় না? কি রকম লগামহীন কথা বলে। আরিফের এই কথাটি মায়াকে বাকরূদ্ধ করে দিয়েছে। মায়া কি বলবে এর উত্তরে?যা বলবে সব দিক থেকেই তে ফেসে যাবে। মায়া বিড়বিড় করে গাল দিতে থাকে আরিফকে। 'অসভ্য লোক একটা। শুধু কিছু বলতে পারিনি দেখে নহলে দেখতেন.. "
আরিফ মায়াকে এমন বিড়বিড় করতে দেখে বলে.. "আই লাভ ইউ বললে সরাসরি বল বিড়বিড় করার কি আছে? "
এএ মায়া আরিফকে আই লাভ ইউ কখন বলল? মায়া অবাক কণ্ঠে বলে...
"আমি আপনাকে আই লাভ ইউ বলছি কে বললো আপনাকে? "

"কেন আমি কি কানে কম শুনি? তুই নিজেই তো একটু আগে বললি আই লাভ ইউ আরিফ জানটুস! "

আল্লাহ কি বড় মিথ্যা কথা।এ কথা মায়া কখন বললো? কেউ এভাবে কনফিডেন্টলি মিথ্যা বলতে পারে?এগুলো ভাবলো মায়া। মায়া আরিফের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। আরিফ দাঁড়িয়ে আছে পকেটে হাত গুজে।মায়া.. "আপনি কি মিথ্যা বলার উপর পিএইচডি করছেন"

আরিফ মায়ার প্রত্যুত্তরে নাটকীয় ভঙ্গিমায় বলে.. " আই লাভ ইউ ময়না পাখি "

মায়া আরিফের এমন এহেন উত্তর আশা করেনি। আরিফের আই লাভ ইউ কথাটি ঘুরতে থাকে মায়ার মস্তিষ্কে। কথাটির ভিতর কি যেন একটা ছিলে। মায়া.."নট ইন্টারেস্টেড "

বলেই আরিফের হাতে থাকা ম্যাপল পাতাটি কেড়ে নিয়ে মায়া চলে যায় সেখান থেকে।পিছনে আরিফ নিজের বুকের বা পাশে চেপে ধরে গেয়ে উঠলো..

"ও মেয়ে কাছে আসো না, আমার
ভালোবাসা না.. এই মনটাকে এভাবে নিয়ে
উড়াল দিয়ো না।.. ও মেয়ে কাছে আসো না
আমায় ভালো বাসো না!"

---
নিজের ক্লাসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছে মায়া। এখন নিজের ক্লাস রুমে করিডরে আসে সে। মনে মনে প্রার্থনা করছে পিছন থেকে যেন একজনের ডাক না আসে। কিন্তু তার প্রার্থনা কবুল হলো পিছন থেকে সেই ডাকটি এলো.. "Maya "

মায়া ডাকটি শুনেও এড়িয়ে গিয়ে দ্রুত নিজের ক্লাস রুমের দিকে হাটা ধরলো মায়া । মায়া দ্রত হাটছে দেখে পিছন থেকে ইথানও দ্রুত হেটে আসে মায়ার কাছে। ইথান মায়াকে অনেক রকম প্রশ্ন করছে কিন্তু মায়া কোন কিছুর উত্তর দিচ্ছে না। ইথান.."Maya, why aren't you answering my questions?"

মায়া ইথানের এই প্রশ্নেরও জবাব দেয় না। মায়া জানে ইথান কেন তার পিছনে পরে আছে। ইথান মায়াকে প্রথম দিন থেকে পছন্দ করে এটা মায়া জানে। ইথানের মতে মায়া নাকি অনেক সহজ সরল একটি মেয়ে। তাই সে মায়াকে পছন্দ করে। সারা দিন মায়ার পিছনেই পরে থাকে। একা একায় মায়ার সাথে কথা বলবে।ইথান একায় বকবক করে যাচ্ছে। মায়া এক সময় বিরক্ত হয়ে.. "Ethan Why You are একা একা Meর সাথে কথা বলিং? Are you পাগল হয়ে গেয়িং? "

ইথান মায়ার এমন বাংলিশ কথার আগা মাথা কিছু বুঝলো না.. "Maya speak in English "

মায়া.. " Now I speak English but you my Engling not বুঝিং তো I What করিং? Wil you বুঝতে চায়িং my English তো English good করে শিখিং "

মায়ার এসব বাংলিশ কথাবার্তা ইথানের মাথার উপর দিয়ে বুলেট ট্রেন এর গতিতে যাচ্ছে। কোন বাঙালিও বোধ হয় মায়ার এমন বাংলিশ কথা বুঝবেনা। সেখানে ইথান তো ভেজালহীন আমেরিকাম। ইথান অনেক কষ্ট করেও মায়ার ইংলিশের মানে বুঝলো না। ইথান মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলে.. "Maya please speak in English"

মায়া.. "Fu** you "

বলেই মায়া তেজ দেখিয়ে ধাপ ধাপ করে এগিয়ে গেলে ক্লাস রুমের দিকে।মায়ার কথায় 'থ'হয়ে গিয়েছে ইথান।মায়া এটা কি বললে? সে কি বুঝে বললে না না বুঝে। ইথান অবাক চোখে চেয়ে রইলে মায়ার যাওয়ার দিকে। মায়া ক্লাস রুমে প্রবেশ করলে ইথানও দৌড় লাগালো ক্লাসের দিকে।

---
আরিফ নিজের আফিস রুমে চেয়ারে বসে টেবিলের উপর দু পা দিয়ে বসে আছে। এখন করার মতো কিছু নেই তাই ফোন টিপছে। এমন সময় তার অফিস রুমের দরজায় কেউ নক করে.. "May I come in sir? "

আরিফ কে আসলো তা দেখেই বলে.. "come "

লুনা রুমের ভিতর প্রবেশ করে।আরিফের পারমিশন না নিয়ে গিয়ে বসে টেবিলের সামনের চেয়ারে। আরিফ তাকিয়ে দেখে লুনা। এতে বিরক্ত হলো সে। মনে মনে লুনাকে একটি গালি দিলো "w***e!"

লুনা এসেই আরিফের দিকে অশ্লীলভাবে তাকিয়ে থাকে। তা লক্ষ করে আরিফ। কিছুক্ষণ পর নিজের ফোন নামিয়ে লুনার উদ্দেশ্য বলে..." What's you problem Luna?"

লুনা আরিফকে নিজের প্রতি আকর্ষন করার জন্য বাংলা শিখেছে। লুনা টেবিল উপর হাত রেখে এগিয়ে এসে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে ফিসফিস করে বলে.. "I need you Arif sir,Do you need me?"

আরিফ টেবিল থেকে পা নামিয়ে পায়ের উপর পা রেখে বসে বলে.."লুনা তুমি আসলেই একটা W***e"

লুনা অশ্লীল ভঙ্গিমায় ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় বলে.. "আপনাকে পাওয়ার জন এমি সেঠাই আরিফ স্যার"

"লুনা তোমাকে কত বার বলেছি আমার থেকে দূরে থাকতে?আমার তোমার মতো টাকা দিয়ে কিনা যায় এমন মেয়ে একদম পছন্দ না লুনা। তুমি চেয়ারম্যান এর মেয়ে দেখে আমি তোমাকে এখনো কিছু বলেনি লুনা।আমার থেকে দূরে থাকবে তুমি৷ । আরার মেজাজ বিগড়ালে আমি কিন্তু চিনবো না তুমি কার মেয়ে। "

দাতে দাত পিষে কথা গুলো বললো আরিফ। লুনা আরিফকে বিভিন্ন ভাবে সিডিউস করার চেষ্টা করে।লুনাকে ইংলিশে বলা যায় w***e আর খাশ বাংলায় বে*শ্যা। মেয়েটা এটতা নির্লজ্জ যে তাকে বে*শ্যা বলাও কম হয়ে যাবে।লুনা সৌন্দর্য বর্ণনা করার মতো না। নিঃসন্দেহে লুনা সুন্দর নারীদের তালিকায় হাজারে একজন।কিন্তু আরিফ তো এক নারীতে আসক্ত। এসব সস্তা সৌন্দর্য তাকে মুগ্ধ করতে পারবে না।সে শুধু তার ময়না পাখির সৌন্দর্যের মুগ্ধ। তার এত সুন্দর বউ রেখে সে কেনো এসব সস্তা জিনিসে মুখ দিতে যাবে? লুনা নিজের নির্লজ্জতার প্রমান দিতে আরিফের কলার টেনে ধরে নিজের দিকে টেনে ধরে বলে.."I want you. Even if it's just for one night.Because you are so hot. I cant control myself "

আরিফের নিজেকে আর কন্ট্রোল করতে পারে না । নিজের বাম হতের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চেপে ধরে লুনার গলা। লুনা কাতরে উঠে। আরিফের হাত থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে।পুরুষালী শক্তির কাছে নিহাত তুচ্ছ লুনার মেয়েলি শক্তি।আরিফ লুনার গলা আরেকটু শক্ত করে ধরে হালকা হেসে বলে..
"তোর দেহের বেশি খায়েশ থাকলে বল আমার লোকদের বলি তোর খায়েশ চির জীবনের জন্য মিটিয়ে দেবে শালি।তোরে গালি দিলে গালিরে অপমান করা হয়ে যায়। তুই একটু আগে কি বললি You need me? হাহ!কথা আমাকে বললি দেখে বেঁচে গেলি। তোর কপাল ভালে আমার বউ এর কাছে বলিসনি সোজা গুলি মেরে দিতো।ওর আবার কথার আগে বন্দুকের গুলি চলে।যা শা*লা Mother f****"

বলেই লুনকে ছেড়ে দেয় আরিফ। আরিফের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে কাশতে থাকে লুনা নিজের গলায় হাত দিয়ে । লুনা ভেবেছিলো আজই হয়তো তার শেষ দিন।কাশতে কাশতে লুনার গলার রগ ছিঁড়ে যাওয়ার উপক্রম। সে সবে পাত্তা না দিয়ে আরিফ শিশ বাজিয়ে সেখান থেকে চলে গেল।
লুনা আরিফের চলে যাওয়ার পানে ঝলসানো দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে। লুনার এমন ঝলসানো দৃষ্টিতে তেলাপোকা ভয় পাবে না সেখানে আরিফ খান কিভাবে পাবেন। তার একটা প্রেস্টিজ আছেনা?

---
আরিফ ক্লাসে প্রবেশ করতেই সকল স্টুডেন্ট দাড়িয়ে সকালের শুভেচ্ছা জানালো.. "Good Morning sir "

"Good Morning students. sit down "

আরিফের এখন ক্লাস টাইমন না তবুও তাকে এখন ক্লাসে দেখে প্রতিটা স্টুডেন্টই অবাক হলো।আরিফ এখন ম্যাথমেটিক্স ক্লাস নিবে।প্রতিটা স্টুডেন্ট একটি কথাই ভাবছে 'আরিফকে কেন এই ইউনিভার্সিটিতে প্রফেসর হিসেবে রাখা হয়েছে? তিনি তো কোন ক্লাসে ঠিকমতো নেন না। নিজের যেদিন ক্লাস নিতে মন চায় সেদিন ক্লাস নাই। আবার নিজের যে সাবজেক্টের উপর ক্লাস নিতে মন চায় সেই সাবজেক্টের উপর ক্লাস নাই। কখনো ম্যাথ / ইংলিশ মাঝে মাঝে তো বাংলা ক্লাস ও নেন। তাকে কেন শুধু শুধু টাকা দিয়ে রাখা হয়েছে?' তবুও আরিফ তাদের প্রিয় টিচারদের তালিকায় একজন। কারন আরিফ ক্লাসে আসলে সেদিন ক্লাস করতে হয় না। এছাড়াও আরিফ বাস্কেটবল প্লেয়ার। এমনটি আরিফ মাঝে মাঝে স্টুডেন্টদের ট্রিট দেয়। এমনকি সে একবার স্টুডেন্টদের নিয়ে সাত দিনের ট্যুরে নিয়ে গিয়েছিলো। এসব কারনেই আরিফ তাদের প্রিয় টিচারদের তালিকায় একজন।

আরিফ ম্যাথ করাচ্ছে ১+২=৪, ৫+৫=১২, ১০+১০=২৩
আরিফের এই গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসের সবাই মনোযোগী থাকলেও একজন অমনোযোগী। নিজের ব্রেঞ্চে থুতনি ঠেকিয়ে সে কলম দিয়ে কিছু আকছে। আরিফ নিজের গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসে কাউকে অমনোযোগী দেখতে চাচ্ছে না। তাই নিজের হাতে থাকা চকটি ছুড়ে দেয় সেই অমনোযোগী স্টুডেন্টর দিকে।ও চেচিয়ে উঠিয়ে বলে.. "Mrs Arif stand up "

আরিফের এমন কথায় সকল স্টুডেন্ট ভুত দেখার মতো চমকে উঠে। সকালো চোখ বড় বড় করে তাকায় মায়ার দিকে। মায়া ধুপ করে উঠে দাড়ায়।সকলে সন্দেহ করেছিলো আরিফ ও মায়ার ভিতর কিছু আছে। আজ আরিফ নিজেই তাদের সন্দেহ দূর করে দিলো।সকল মায়ার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছে এতে মায়া লজ্জায় মাথা নিচু করে আছে। আরিফ.. "আমি ক্লাসে অমনোযোগী স্টুডেন্ট পছন্দ করি না। বলো ১২৬৩৮৫৯০+১৭৩৯৪০৫৭৫+২৯৩৭৪৭-১৯৩৭৯ কত হয়?

এই এই অংকের সমাধান হয়তো মায়াকে ক্যালকুলেটরে করতে দিলেও পারত না । সেখানে তো মায়া কে মুখে মুখে হিসাব করতে হবে। মায়া বাচ্চাদের মতো করে বলে.. "আপনি বোর্ডে শিখাচ্ছেন এত ছোট অংক আর আমাকে ধরছেন ইয়া বিশাল অংক।এটা কেমন হলো?"

"speak in English. we don't understand Bengali "

"আপনি তো বাংলায় কথা বলছেন। তাহলে আমি বাংলা বললে বুঝতে পারছেন না কিভাবে? "

আরিফ রেগে গিয়ে বলে.. "speak English "

এতগুলো স্টুডেন্টের সামনে আর ঝাড়ি খেতে চাইলো না মায়া। নিজের ভাঙাচোরা ইংলিশ বলতে আরম্ভ করল.. "I am told you, your Bnagla I understand. But my Bangla you don't understand Why?.it's not fair to you to me.! "[এখানে কেও ভুল ধরতে এসো না যে ইংলিশ ভুল হয়েছে।এখানে ভুল ভালই লেখা হয়েছে ]

মায়া এমন ভাঙাচোরা ইংলিশে পুরো ক্লাস অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে। আরিফ তাদের ধমকায়.. "Be quiet!"
এরপর মায়ার উদ্দেশ্যে বলে.. "Tell me, who invented mathematics?"[বল কে গণিত আবিষ্কার করেছেন? "

"গণিত যখন আবিষ্কার হইছিল, আমি তখন পৃথিবীতে তো দূরের কথা, মহাবিশ্বের আশেপাশের এলাকা ও ছিলাম না ! জন্ম নেয়ার টোকেনও কাটিনি তখনো, ভিসা প্রসেসিং এও চলছিল না তখন।পৃথিবীর সাথে আমার কোন কানেকশন ছিল না তাই গণিত কে আবিষ্কার করেছে আমি বলতে পারবো না" বলে মায়া।

আরিফ টিচার টেবিলের উপর থেকে চেকুন লাঠিটা নিজের হাতে নিয়ে বলে.. "speak English "

মায়া কিছুক্ষন মাথা চুলকে বলে.."When math আবিষ্কার হয়েছিলিং. me not in পৃথিবী , even me not in মহাবিশ্বের পাশের গলি. My জন্ম token not কাটা হয়ে সিলিং , my পৃথিবীর visa processing also in রাস্তা.Me with পৃথিবী connection was fully ছিলনা , so who math আবিষ্কার I no বলতে পারিং"
মায়ার ইংলিশে আবারো সবাই হাসাহাসি শুরু হয়ে গেলো ক্লাস রুমে। আরিফ মায়ার দিকে রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলেও বেচারা মনে মনে হাসি পাচ্ছে খুব। কিন্তু স্টুডেন্টদের সামনে তা প্রকাশ করতে পারছে না। আরিফ.."ক্লাসের বাইরে কান ধরে এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকো যাও "

মায়া ইনিয়ে বিনিয়ে বলে.."Sorry sir "

"get out "

"sir please! "
আকুতির স্বরে বলে মায়া।

"I said get out "

মায়ার কথায় আর কিছু হচ্ছে তাই মায়া চুপচাপ বের হয়ে আসলো ক্লাস রুম থেকে। ক্লাস রুমের দরজার সামনে কান ধরে এক পা উঁচু করে গোমড়া মুখে দাঁড়িয়ে থাকল। পুরো ক্লাস তার দিকে তাকিয়ে মিট মিট করে হাসছে সাথে করিডরে যেসব স্টুডেন্ট যাচ্ছে তারাও মায়াকে দেখে হাসছে। মায়া মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে এতে মায়ার খোলাচুল গুলো মায়া মুখ ঢেকে রেখে। চুলের আড়ালে তার চেহারা দেখা যাচ্ছে না। আরিফ তা লক্ষ করে সামনের বেঞ্চে বসে থাকা একটি মেয়ে স্টুডেন্টের মাথার কাঁকড়া খুলে নিয়ে যায় মায়ার কাছে। মায়ার সামনে দাড়িয়ে বলে.. "Rise your head " [তোমার মাথা উঠাও]

মায়া মাথা উঠিয়ে আরিফের দিকে তাকালে মায়ার চুল গুলো দু পাশে ভাগ হয়ে মুখের সামনে থেকে সরে যায়। আরিফ মায়ার চুলগুলো গুছিয়ে খোপা করে তার হাতে থাকা ক্লিপটি লাগিয়ে দে মায়ার খোপায়।এই মুহূর্ত টুকু মায়া তাকিয়ে থাকে আরিফের দিকে । ক্লাসের স্টুডেন্টরা একে অপরের সাথে গছিব করতে থাকে। কিছু মেয়ে কিউট করে বলে.."owwhh pooke couple "

---
পড়ন্ত বিকেল। আমেরিকার হাওয়াই আজকে ঠান্ডা টা বেশি।শীত তার সম্পূর্ণ রূপে ফিরছে আমেরিকায় আবার। স্টুডেন্টদের শরীরে ভারী পোশাক দেখা যাচ্ছে। আজকের স্নোফল হতে পারে। মায়া ভার্সিটি গেটে দাঁড়িয়ে আছে সাথে ইথান।আরিফ গাড়ি আনতে গিয়েছে। ইথান মায়াকে সেই তখন থেকে একই প্রশ্ন করে যাচ্ছে। সত্যি কি মায়া আর আরিফ হাসবেন্ড ওয়াইফ নাকি? মায়া উত্তরে হ্যাঁ বলেও ইথান তা বিশ্বাস করছে না। মায়াকে বারবার একই প্রশ্ন করছে।বেচারার লাভ স্টোরি শুরু হওয়ার আগেই শেষ হয়ে গেল।
ইথানের এই একই প্রশ্ন শুনতে শুনতে মায়ার কানে পোকা ধরে গেছে। মায়া ব্যাগ থেকে নিজের হেডফোন বের করে বাংলা গান লাগিয়ে কানে হেডফোন গুজলো।গান.."গরম লাগে আমার দুপুরে, শিহরিত আমি তোমার নুপুরে, ঝাঁপ দিব আমি প্রেমের পুকুরে কিন্তু ঢুকবো না "

মায়া চোখ বন্ধ করে শীতের ভিতর গরমের ভাইব নিচ্ছে। এর মাঝে কেউ তার হেডফোন খুলে ফেললো কান থেকে। মায়া মনে করেছিল ইথান। কিন্তু চোখ খুলে দেখে লুনা।আজকে লুনাকে ক্লাসে না দেখে মায়া ভেবেছিল এই তার ছিড়া পাগল হয়তো আজকে আসেনি। কিন্তু এসেছে। এখন মায়ার পায়ে পারা দিয়ে ঝগরা করবে। লুনার সাথে আবার তার চেলা-পেলাও আছে।লুনা মায়ার বরাবর দাঁড়িয়ে দুহাত ভাঁজ করে গুজে মায়াকে প্রশ্ন করে.. "থুই থাহলে আরিফ স্যারের ওয়াইফ? "

লুনার মুখে বাংলা শুনে অবাক হয় মায়া । লুনার প্রত্যুত্তরে মায়া নির্ধারায় বলে.. "হ্যা"

এখন যত সবাই জেনে গিয়েছে সেখানে লুনারর কাছে লুকানোর কিছু নেই। তাই মায়া আর লুকানোর চেষ্টা করলো না। মায়া হ্যা বলতেই ক্ষিপ্ত হলো লুনা। সকলের সামনেই মায়ার চুলের মুঠি ধরলো লুনা। মায়া ব্যথায় কাতরে উঠলো। কোনো স্টুডেন্ট লুনার ভয়ে মায়াকে ছাড়াতে আসলো না। ইথান লুনার কাছ থেকে মায়াকে ছাড়াতে যাবে তার আগেই মায়া লুনার চুলের মুঠি ধরে ঘোরান দেয়।এতে লুনার চুলগুলো পেঁচিয়ে যায় মায়ার হাতের সাথে। লুনা চুলের টানের ব্যাধা সামলাতে না পেরে মায়ার চুল ছেড়ে দেয়।লুনা মায়ার চুল ছেড়ে দিতেই মায়া চুল ঝারা দিয়ে দাড়ায়। লুনার চুল তখনো মায়ার হাতের মুঠোয়। মায়া লুনার চুল আরো শক্তু করে চেপে ধরে লুনা ব্যথায় চিৎকার দিয়ে উঠে."আঅঅঅঅঅ"
মায়া এক হাত দিয়ে নিজের মুখ থেকে চুল সরাতে সরাতে বলে. "বাংলা যেহুতু পারিস কষ্ট করে আর ইংলিশ বলবো না। তুই বাঁচতে চায়লে আমার থেকে দূরে থাক। আমাকে কোন সরল-সোজা বলদ মেয়ে ভাবেসি না। তাই ভালো মতো বলছি আমার থেকে দূরে থাক "

বলেই লুনার চুল ছেড়ে দেয় মায়া। এতগুলো মানুষের সামনে এভাবে অপমান হয়ে লুনা আরো ক্ষিপ্ত হয়।

"you b****"

লুনা মায়াকে গালি দিয়ে এগিয়ে আসে মায়াকে মারতে। লুনা মায়াকে থপ্পর দিতে উদ্যোগ নিলে মায়া চোখের পলকে লুনার হাত ধরে লুনার হাতে মোচড় দেয়। লুনার হাত বাকা করে ধরে রেখে মায়া ঠাস ঠাস করে বেশ কয়েকটা থপ্পর বসিয়ে দেয় লুনার গালে । লুনার ফর্সা গাল লাল বর্ণ ধারণ করেছে। লুনাকে বাঁচতে মিয়া মায়াকে আক্রমণ করতে চাইলে মায়া ইথানের কাছে থাকা একটি হার্ডকভার নোবেল বুক ছুড়ে মারে মিয়ার দিকে। যেটি ঠিক মিয়ার মুখে গিয়ে লাগে। মায়া ইথানের কাছ থেকে অন্য নোবেল বুক নিয়ে লুনার মাথায় মারতে থাকে। তবে বেশি শক্তি প্রয়োগ করে না। হালকা ব্যথা পাবে এতটুকু জোর দিয়েই মারছে তাকে মায়া। মায়া অনবরত বুক দিয়ে লুনার মাথায় আঘাত করছে আর বলছে.. "তুই কুত্তা। তোর চৌদ্দগুষ্টি কুত্তা। আবার আমাকে কুত্তা বলিস?ল্যাংচাউলা কোথাকার।"

মায়া দেখতে পায় আরিফ গাড়ি নিয়ে আসছে। লুনাকে ছেড়ে দেয় মায়া। লুনার নাক ফেটে রক্ত বের হয়ে মুখে মাখামাখি অবস্থা। লুনাকে ছেড়ে দিতেই লুনার চামচা গুলো লুনাকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।মায়ার এসব কর্মকাণ্ড অনেক স্টুডেন্ট তাদের নিজের ফোনে ধারণ করেছে। ইথান মায়ার দিকে হা করে তাকিয়ে রয়েছে। মায়ার এই রূপ দেখে তার বিশাল ঝটকা লেগেছে। মায়া ইথানক এক আবলা, শান্ত শিষ্ট, ভদ্র মেয়ে মনে করেছিলো। কিন্তু আজকে মায়ার এই রুপ থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় ইথান।ইথান মায়ার দিকে তখনও হা করে তাকিয়ে আছে। মায়া নিজের ব্যাগটা ইথানের কাছে দিয়ে নিজের চুল ঠিক করতে থাকে।মায়ার চুল বাঁধতে বাধতে বলে...
"বুঝলি ইথান, মনুষকে একটু নিজের নরম রুপ দেখালে সে তার গরম রুপ দেখাতে চাই আমাকে। আমার আবার ধৈর্য শক্তি কম তাই, বেচারীকে আজকে আমার একটু গরম রুপ দেখিয়ে দিলাম।ছাতা বেশি লাফ পারতেছিল। "

ইথান মায়ার মুখে আপনি কি বের হওয়া বাণীর ভেতর নিজের নাম টুকুই বুঝতে পেরেছে শুধু। এছাড়া মায়াটা কি কি বলল এর আগাগোড়া কিছুই বুঝেনি সে । মায়া বুঝলো ইথান কিছু বুঝেনি। মায়া.."you don't understand my language? "[ভুল]

ইথান মাথা উপর নিচ করে। অর্থাৎ উত্তর হ্যাঁ। মায়া.."now you don't understand, পরে you understand ok?"

ইথান কিছু বুঝলো না। তবু মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জাবালো।ততক্ষণে আরিফ তার গাড়ি নিয়ে সেখানে চলে এসেছে। মায়া ইথানের কাছ থেকে তার ব্যাগ নিয়ে টুস করে উঠে পরলো গাড়ির ব্যাক সিটে।

চলবে.......

গল্পঃ "দূর আকাশে"
পর্বঃ ১৪
লেখিকাঃ তেজরিন মালিহা

✅ ফলো করে পাশে থাকুন পরবর্তী পর্বগুলো পাবার জন্য।

Address

Bogura
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শেষ ইচ্ছা :ẞêsh ïssãy; posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category