25/03/2026
GPS Trackinn মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং: অ্যাপ বা এসএমএস-এর মাধ্যমে ২৪/৭ যানবাহনের সঠিক অবস্থান এবং গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা যায় [১.২.৫, ১.৩.১৫]।
ইঞ্জিন কাট-অফ (Remote Engine Immobilizer): চুরির ক্ষেত্রে মোবাইল অ্যাপ বা এসএমএস কমান্ড পাঠিয়ে দূর থেকেই যানবাহনের ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব [১.৩.১, ১.৩.৩]।
জিও-ফেন্সিং (Geo-fencing): নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ করে রাখা যায়। যানবাহন সেই এলাকা অতিক্রম করলে সাথে সাথে ফোনে সতর্কবার্তা (Alert) চলে আসে [১.২.১, ১.৩.৫]।
ইগনিশন অ্যালার্ট (Ignition Alert): গাড়ির ইঞ্জিন চালু বা বন্ধ (ACC detection) হওয়ার সাথে সাথে ব্যবহারকারীকে নোটিফিকেশন পাঠায় [১.২.৫, ১.৩.১]।
ভয়েস মনিটরিং: এই ডিভাইসে সাধারণত একটি মাইক্রোফোন থাকে, যার মাধ্যমে গাড়ির ভেতরের কথোপকথন গোপনে শোনা যায় (ছবিতে 'voice' লেখাটি এটিই নির্দেশ করছে) [১.৩.১১, ১.৩.১৯]।
অ্যালার্ট সিস্টেম: ওভার স্পিড অ্যালার্ট, ভাইব্রেশন অ্যালার্ট এবং ডিভাইস ডিসকানেক্ট বা পাওয়ার কাটার অ্যালার্ট প্রদান করে [১.৩.৩, ১.৩.১৫]।
প্রযুক্তিগত স্পেসিফিকেশন:
ভোল্টেজ: এটি ৯-৯০ ভোল্ট (Working Voltage 9-90V) পরিসরে কাজ করে, তাই মোটরসাইকেল, কার বা ট্রাক সব ধরণের যানবাহনেই এটি ব্যবহার উপযোগী [১.৩.১, ১.৩.৩]।
ব্যাটারি: এতে একটি ছোট বিল্ট-ইন রিচার্জেবল ব্যাটারি থাকে, যা এক্সটার্নাল পাওয়ার লাইন কেটে দিলেও ডিভাইসটিকে সচল রাখতে সাহায্য করে [১.৩.৩, ১.৩.১৫]।
পজিশনিং সিস্টেম: এটি শুধু GPS নয়, বরং GNSS, BDS এবং LBS প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত এবং নির্ভুল অবস্থান নিশ্চিত করে [১.৩.৩]।
এই ট্র্যাকারটি ব্যবহারের জন্য সাধারণত একটি সক্রিয় সিম কার্ড এবং ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয় [১.৩.১৮, ১.৩.১৯]।