09/10/2025
এই তো এ রবিবার সন্ধ্যা রাতের ঘটনা। বলি! শুনেন—
আমাদের কালীগঞ্জের (ভাদার্থীর) দুই টিনেজ প্রেমে মজে গিয়েছিলো।ছেলেমেয়ে উভয়েরই বয়স ১৫/১৬ বছর হবে।এ প্রেম তো যে-সে প্রেম নহে! এ প্রেমে ডুবে গিয়ে তাহারা বাচ্চার বাপ-মা হয়ে গেলো।অথচ কারো পরিবারই কিছু জানে না।বিয়েও হয়নি কিন্তু! এইতো রোববারে মেয়েটা অন্য অসুস্থতার কারণে ( পরবর্তীতে জানা যায় বাচ্চা নষ্ট করার জন্য) আমাদের কালীগঞ্জ বাজারের পাশের বিসিমল্লাহ ক্লিনিকে আসছিলো।সেখানেই প্রসব বেদনা উঠে।মেয়ে ভয়ে আর ব্যথায় সহ্য না করতে পেরে দ্রুত ক্লিনিকের এক ওয়াশরুমে গিয়ে ঢুকে।এবং সেখানে নিজে নিজেই ( ডাক্তার/ কাউকে ছাড়াই) ফুটফুটে একটা বাচ্চা জন্ম দেয়।কিন্তু সমস্যা হইলো, বাচ্চা পেট থেকে বের হওয়ার পরও সে দ্রুত ডাক্তারের কাছে না গিয়ে নিজেই টেনে টুনে নাড়ি কাটে।এবং বাচ্চার পেটের গোঁড়া থেকে টেনে হিঁচড়ে নাড়িটা ছিঁড়ে ফেলে।কেবল তাই নয়, ভূমিষ্ঠ হওয়া বাচ্চাটা শব্দ করতেছেনা বিধায় মুখের ভেতর একগাদা টিস্যু ঢুকিয়ে দেয় এবং টিস্যুতে পেঁচিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দ্রুত হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।কল্পনা করুন কতো ভয়ঙ্কর একটা মুহুর্ত!!
খেলা এখানেই শেষ নয়! কথায় আছে না, পাপ বাপকেও ছাড়ে না! ক্লিনিকের সিসি ফুটেজ ঘেটে ঠিকই তদন্তকর্মীগণ মেয়েকে বের করে ফেলে।এবং ছেলে/ মেয়ে দুইটারেই পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। আপাদত ঘটনা এখানেই খতম! হয়তো কালীগঞ্জের পেপারগুলোতে ঘাটলে এই লোমহর্ষক ঘটনার খু/নি তরুণ-তরুনীদের পাওয়া যাবে।অনেকে দেখলে ছেলে/ মেয়ে দুইটাকে চিনলে চিনতেও পারেন।
এখন মূল কথায় আসি!
পয়েন্ট-১ :আজ যদি ১৮/২০ বছর কে বিয়ের জন্য ফিক্সড করে না দেওয়া হতো, তাহলে হয়তো আরো আগেই এই উঠতি বয়সী ফাজিল পোলা মেয়ে গুলোকে বাপ-মা ধরে বিয়ে করাইয়া দিতো।এতে হয়তো সমাজে এমন জঘন্য বাচ্চা মারার ঘটনাগুলো হইতো না। কিন্তু, সমাজে প্রচলন হয়ে গেছে ১৮বছরের নিচে সবাই শিশু! তাহলে ১৫বছরের মেয়ের পেটে বাচ্চা হলো কেমনে?? আবার নিজেই বাচ্চা হওয়ানের মতো দক্ষতা রাখে কেমনে? এ যুগের মেয়ে গুলোও?? আসলেই কী ১৮বয়সটা নাবালক বয়স??
পয়েন্ট দুই: ক্লাস করার নামে যদি মোবাইল গুলো এসব চ্যাংড়া পোলাপানগুলোর হাতে তুলে না দেওয়া হইতো, তাহলেও এই ঘটনাগুলো ঘটতো না! যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজকরণ করে দেওয়া কী এর জন্য ন্যূনতম দায়ী নয়??
পয়েন্ট তিন: পরিবার কেমন?? একটি উঠতি বয়সী মেয়ে মা হতে চলেছে। লক্ষ্মণ গুলো কী পরিবারের কেউইই আঁচ করতে পারলো না?? পরিবার গুলো এতো পরিমাণ অসচেতন না হলে আদৌ কী এ ঘটনাগুলো ঘটতো?? প্রেম করলো তারপরও কেউ কিছু জানলো না, শারীরিক সম্পের্কে জড়ালো তাও জানলো না, বাচ্চাও মাসের পর মাস পেটে ধরলো তাওও বুঝলো না!! কেমন পরিবার!?? বর্তমানের ৯৫% তরুণ তরুনীরা বিপথে যায় কেবল পরিবারের অঘ্রাহ্যের জন্য!
আফসোস লাগতেছে! ভার্সিটির আবিত্তা বুইড়া দাম্রা গুলা তো নোংরামি করে বাচ্চা নষ্ট করেই ( সবাই নয়!)। জারজ সন্তান খু/ন করা শহরে তো ট্রেন্ড হইয়া গেছে বলা চলে, কিন্তু আজ গত দুইদিন যাবত আমি নির্বাক।সত্য বলতাছি! আমার কালীগঞ্জের মতো শান্তিপ্রিয় উপশহরে ঘটা লোমহর্ষক ঘটনা শুইন্না শরীর কাঁপাকাঁপি শুরু করছে! আমার কোলাহলহীন নির্মল বাসস্থান,কালীগঞ্জে আজ পাপিষ্ঠদের উৎপাত!