27/05/2026
১। সামর্থ্যবানদের জন্য কোরবানী করা ওয়াজিব।
(সূরা আল কাওসার: ২)
২। অন্যান্য দিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।
(বায়হাকী - ৬১২৬)
৩। মিসওয়াক করা, গোসল করা, পবিত্রতা অবলম্বন করা, সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করা।
(তিরমিযী হাদীস ১/৫০৮, ইবনে মাজাহ ১৩১৫, বুখারী ৯৪৮)
৪। সুগন্ধি ব্যবহার করা।
(মুস্তাদরাকে হাকেম ৭৫৬০)
৫। ঈদুল আযহায় ঈদগাহে যাওয়ার আগে (সাধ্য হলে) কিছু না খেয়ে ঈদের নামাজের পর নিজের কোরবানীর গোশত খাওয়া।
(বুখারী ৯৫৩)
৬। সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।
৭। ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করা, বিনা ওজরে মসজিদে আদায় না করা। অতিরিক্ত ৬ তাকবীরসহ ২ রাকআত নামাজ আদায় করা (ওয়াজিব)।
(আবু দাউদ ১১৫৭, ইবনে আবি শাইবা ৫৬২৯, বুখারী ৯৫৬, আবু দাউদ ১১৫৮)
৮। যে রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে আসা।
(বুখারী ৯৮৬)
৯। (যথাসাধ্য) হেঁটে যাওয়া।
(আবু দাউদ ১১৪৮)
১০। ঈদগাহে যাওয়ার সময় উচ্চ আওয়াজে তাকবীর পড়তে থাকা—
“আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।”
(মুস্তাদরাকে হাকেম ১১০৬)
১১। আরাফার দিন (৯ জিলহজ) রোযা রাখা মুস্তাহাব এবং ৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাকবীরে তাশরীক একবার পড়া ওয়াজিব।
(দারাকুতনী ১৭২৯)
— মুফতী রফিকুল ইসলাম আল মাদানী