FAP ফুড কর্নার

FAP ফুড  কর্নার Organic Food

মৌসুম ফুরলেই আর মজার স্বাদের টক মিষ্টি বরই পাওয়া যায় নাহ। তবে বরই শুকিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষন করা যায় , সেই সাথে শুকনো ব...
12/02/2025

মৌসুম ফুরলেই আর মজার স্বাদের টক মিষ্টি বরই পাওয়া যায় নাহ। তবে বরই শুকিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষন করা যায় , সেই সাথে শুকনো বরই দিয়ে তৈরি করা যায় মজাদার টক ঝাল মিষ্টি স্বাদের বরই আচার। বরই আচার খুবই লোভনীয় একটি খাবার। ভাত, রুটি ,পরটা, খিচুরি কিংবা বিরিয়ানির সাথে একটু বরই আচারের কম্বিনেশন টা দারুন!

তবে বাজার থেকে কিনে আনা বরই আচার কতটুকু তৃপ্তি সহকারে খেতে পারি আমরা? বাজার থেকে আপনি যতো নামি দামী আচারই কিনেন না কেন এসব আচারে ঘরোয়া স্বাদ একদম নেই বললেই চলে।তাহলে সমাধান কী? আর তৃপ্তি সহকারে খাওয়া যাবে এমন আচারই বা আমরা কোথায় পাবো? ঘরোয়া ভাবে তৈরি সকল আচারের সমারহ পাবেন আমাদের FAP FOOD এ ।..
🫵🫵🫵🫵🫵🫵🫵

বরই আচারের উপকারিতা
বরই আচার রুচি বৃদ্ধি তে সাহায্য করে।
বরই আচার খেলে এটি আপনার ভিটামিন সি এর ঘাটটি পুরনে সাহায্য করবে।
বরই আচার মৌসুমি ঠান্ডা, জ্বর এর প্রকোপ থেকে বাচতে সাহায্য করে।
বরই নিদ্রাহীনতা দূর করতে এবং স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
এছাড়াও বরই রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে কাজ করে।
বরই খেলে যকৃতের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
আচার পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। বর্তমানে খাবারের একটা বিশেষ উপাদানে পরিণত হয়েছে আচার। তরকারী স্বাদ না হলেও কিন্তু পেটে খাবার ভরতে এর জুড়ি নেই। আমাদের দেশে বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের আচার তৈরি হয়। আজকাল সব জায়গায় কিন্তু বরই পাওয়া যাচ্ছে। শুধু কাঁচা নয়, বরং শুকনো বরই দিয়েও বানিয়ে ফেলা যায় মজাদার বরই আচার।

খিচুড়ি বা ভর্তা ভাতের সাথে বরই-এর ঝাল-মিষ্টি আচার না হলে তৃপ্তি আসে না। আমাদের আচারটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি করা হয়। তাই আমাদের আচারটি স্বাদ ও মানে অনন্য।
বরই ফলের বহু গুণাগুন রয়েছে। কিন্তু ফলটি সুধু একটি নিদর্ষ্ট সময়েই পাওয়া যায়। বরইএর আচার বরই সংরক্ষণের একটি আদি উপায় বলা যায়। বরই এ যেসব গুণাগুণ পরিলক্ষিত হয়,বরই আচারেও সেসব গুণাগুন কমবেশি পাওয়া যায় । যেমনঃ

আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রজাতির বরইয়ে বিদ্যমান ভিটামিন সি গলার ইনফেকশন জনিত অসুখ যেমন-টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বাতে ঠাণ্ডাজনিত লালচে ব্রণের মতো ফুলে যাওয়া, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া রোধ করে।

যকৃতের কাজের ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয় বরই।
বরই এর রস অ্যান্টি ক্যান্সার ড্রাগ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।এই ফলে রয়েছে ক্যানসার সেল, টিউমার সেল, লিউকোমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ শক্তি।

উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ফল যথেষ্ট উপকারি।রক্ত বিশুদ্ধকারক হিসেবে এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। ডায়রিয়া, ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া,রক্তের হিমোগ্লোবিন ভেঙে রক্তশূন্যতা তৈরি হওয়া, ব্রঙ্কাইটিস-এসব অসুখ দ্রুত ভালো করে বরই। খাবারে রুচি আনার জন্যও এই ফলটি ভূমিকা পালন করে।
মৌসুমি জড়,সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে গড়ে তোলে প্রতিরোধ।

স্ট্রেস হরমোন আমাদের মনে অবসাদ আনে, দুঃখ-কষ্টের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, নিদ্রাহীনতা তৈরি করে। নিদ্রাহীনতা দূর করে এবং স্ট্রেস হরমোন নিসঃরনের মাত্রা কমায়।

তেতুলের নাম শুনতেই জিভে জল এসে যায়। আর এর তৈরি আচার তো আরো মজাদার। খিচুড়ি,পোলাও, বিরিয়ানি এমনকি চাটনি হিসেবে সিঙ্গারা ,স...
11/02/2025

তেতুলের নাম শুনতেই জিভে জল এসে যায়। আর এর তৈরি আচার তো আরো মজাদার। খিচুড়ি,পোলাও, বিরিয়ানি এমনকি চাটনি হিসেবে সিঙ্গারা ,সমুচার সাথে পরিবেশন করতে পারবেন দারুণ মজাদার এই আচার।

তেঁতুলের আচার শুধু স্বাদের জন্যই জনপ্রিয় নয়, এর পেছনে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। যেমন –
তেঁতুলের আচারে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
তেঁতুলের আচার পাকস্থলীর সমস্যা যেমন অম্বল, গ্যাস ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে।
তেঁতুলে ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে থাকে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
তেঁতুলে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
তেঁতুলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
তেঁতুলের আচার খাওয়া খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
তেঁতুলে থাকা হাইড্রোক্সি সাইট্রিক এসিড রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
তেঁতুলের আচারে ক্যালোরি কম থাকে এবং এটি খাওয়ার পরে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, ফলে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
তেঁতুলে থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পেশির ক্ষয় রোধ করে।
তেঁতুলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের জন্য উপকারী এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

তাই আর দেরি না করে আচার টি পেতে চাইলে নক করুন
আমাদের পেজ এ 👉👉👉👉👉

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি...
30/01/2025

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।

মধুর উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

মধুর উপকারিতা

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সম্প্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়, এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।

পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।

পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।

রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।

তাই আর দেরী না করে এই গুনগত মান সম্পূর্ণ পন্য গুলো পেতে চাইলে অমাদের পেইজ এ নক দিন।
ধন্যবাদ ❤️❤️❤️❤️❤️

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সীমিত পরিমাণে আমের আচার রাখলে ত্বক, স্নায়ুর কার্যকারিতা, চোখ, মাংসপেশি সব থাকে সুস্থ ও স্বাভাব...
29/01/2025

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সীমিত পরিমাণে আমের আচার রাখলে ত্বক, স্নায়ুর কার্যকারিতা, চোখ, মাংসপেশি সব থাকে সুস্থ ও স্বাভাবিক। তাই কাঁচা আমের আচার স্বাস্থ্যের জন্য কী কী উপকারে লাগে, তা অনেকের কাছে অজানা। আমের আচার হজম শক্তিকে সুস্থ রাখে। সরষে, হিং, মেথি দানার মতো মশলা, যা পেটের জন্য খুবই স্বাস্থ্যকর।

এছাড়া আচার এর কার্যকরী কিছু ভূমিকা যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে সামান্য কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসে।

কেন খাবেন আমের আচার এবং এর উপকারিতা:-

👉👉খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে।

👉👉হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহয়তা করে।

👉👉 রুচি বৃদ্ধি করে।

👉👉শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

👉👉অম্লতা দূর করে।

👉👉বমি ভাব কমায়।

👉👉 ওজন কমায়।

👉👉ডায়বেটস নিয়ন্ত্রণ করে।

👉👉স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করে।

👉👉 শরীর ঠান্ডা রাখে।

👉👉 যকৃতির সমস্যা দূর করে।

👉👉ঠান্ডার সমস্যা দূরী করনে আচারের গুনাবলি অপরিহার্য।
তাই আমরা নিয়ে আসলাম স্বাস্থ সম্মত উপায়ে ঘরোয়া পরিবেশে তৈরী আমের আচার।

তাই আর দেরি না করে চলে আসুন আমাদের শপে।
বিকে বাড়ি, গাজিপুর।

অথবা অর্ডার করতে ভিজিট করুন আমাদের পেইজ।

ধন্যবাদ

শতভাগ পিওর,, ভেজালমুক্ত,, স্বাস্থ্যসম্মত ভালোমানের গুড় আপনার প্রত্যাশা,, আর আমরা আপনার সেই প্রত্যাশা পুরন করতে সর্বদা প্...
28/01/2025

শতভাগ পিওর,, ভেজালমুক্ত,, স্বাস্থ্যসম্মত ভালোমানের গুড় আপনার প্রত্যাশা,, আর আমরা আপনার সেই প্রত্যাশা পুরন করতে সর্বদা প্রস্তুত আছি। তাই এই শীত / গরমেও গুড়ের পুষ্টিমান বজায় রেখে স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ন এবং সতেজ রাখতে আমরা নিয়ে এসেছি মাটির হাঁড়িতে জিরান কাঠের খেজুরের দানা গুড় । যা আপনি ফ্রিজিং ছাড়া সারা বছর রেখে খেতে পারবেন

আমাদের কাছে পাচ্ছেন মাটির হাঁড়িতে জিরান কাঠের খেজুরের দানা গুড় যা খাবারকে স্বাস্হ্যকর করে তোলে মাটির হাঁড়ি যার ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং এর পুষ্টি অক্ষত থাকে। শুধু কি তাই শরিরের মেটাবলিজম সঠিক রাখতে কাজ করে মাটির হাঁড়ি /পাত্র কারণ মাটির হাঁড়িতে একধরনের ইলেকট্রন থাকে যা শরিরের জন্য উপকারী। এছাড়াও অনেক গুণাগুন রয়েছে মাটির পাত্রে খাবারের।

তাই আর দেরি না করে এখনি অর্ডার করুন :-
এছাড়াও আমাদের কাছে পাচ্ছেন
১. বগুড়ার দই + খিরসা
২. খেজুর
৩.হানি নাটস
৪. ড্রাই ফ্রুটস
৫. যবের ছাতু
৬. মিক্সিং ছাতু
৭. প্রাকৃতিক চাকের মধু
৮.গাওয়া ঘি
৯. খাঁটি সরিষার তেল
এছাড়া আরো অথেনটিক ফুড।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
Fap ফুড কর্নার
ঠিকানা :- গাজীপুর, বিকে বাড়ি ।
ফোনঃ 01603557227 অথবা পেইজে মেসেজ করুন।

ডেলিভারি সিস্টেম,,,
# ১ টাকাও অগ্রিম লাগবেনা গুড় হাতে পাওয়ার পর টেস্ট করে টাকা দেবেন ওখানেই।
# আমরা কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে ক্যাশ-অন ডেলিভারিতে দিয়ে থাকি।
# কুরিয়ার খরচ কাস্টমারের।
# যদি ভেজাল মনে হয় তবে পাচ্ছেন ক্যাশ ব্যাক গ্যারান্টি।

বিঃদ্র :- আমরা খুচরা এবং পাইকারী বিক্রি করে থাকি।
⭐ সবার কাছে বিনীত আরজী আমাদের পেজটি লাইক এবং শেয়ার করে আমাদের ছোট ব্যবসা কে সহযোগিতা করুন⭐ ধন্যবাদ ⭐⭐

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FAP ফুড কর্নার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share