05/04/2025
শিরোনাম: "চা’ওয়ালার গল্প"
বৃষ্টি পড়ছিল টিপ টিপ করে।
হাতের ছাতা উল্টে যাচ্ছিল বাতাসে,
আর মোবাইলটা বারবার ভিজে যাচ্ছিল চেষ্টার পরও।
হঠাৎ এক কোণায় একটা ছোট্ট চায়ের দোকান চোখে পড়লো।
প্লাস্টিকের চেয়ার, একটা কাঠের বেঞ্চি আর হাঁপাতে থাকা একটা কেটলি।
ভেতরে বসে এক বুড়ো মানুষ, মাথায় টুপি, গায়ে পুরনো সোয়েটার।
আমি বললাম,
"এক কাপ চা দিবেন?"
তিনি হাসলেন, বললেন,
"চা দিমু, কিন্তু এইটা হইবো একটু আলাদা।
জীবনের মতো—তেতোও আছে, মিষ্টিও আছে।”
চা খেতে খেতে বললাম,
"কতদিন ধরে করেন এই কাজটা?"
বুড়ো মানুষটা তাকালেন দূরে...
"৩০ বছর।
একদিন আমার নিজেরও একটা বড় দোকান ছিল।
কিন্তু জীবন হঠাৎ ছোট হয়ে গেলো।
তাই এখন ছোট দোকান, ছোট গল্প।
কিন্তু মন এখনো বড়—চা বানানোর মতোই।”
আমি কিছু বললাম না।
চা শেষ করে চলে আসলাম,
কিন্তু তার সেই শেষ কথাটুকু এখনো কানে বাজে—
"জীবন চা বানানোর মতোই... কড়া হলে একটু দুধ দে, তেতো হলে একটু চিনি। ঠিক হয়ে যায়।”