02/05/2025
অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জম্মু-কাশ্মীর।।।
কাশ্মীর। মন ভালো করে দেওয়ার জন্য এই নামটাই যথেষ্ট। নীল রঙা আকাশ, সাদা মেঘ, বরফে ঢাকা বিশাল পর্বত শ্রেণি, সবুজ বনভূমি, নীলচে সবুজ রঙের হ্রদ, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ- এই কয়েকটি শব্দ দিয়ে ধরাধামের স্বর্গটিকে বর্ণনা করার চেষ্টা বৃথা। আসল কাশ্মীরের সৌন্দর্য্য ভাষায় প্রকাশ করতে যাওয়া বড়ই বিড়ম্বনার কাজ। যাঁরা কাশ্মীর বেড়াতে গেছেন তাঁদের আলাদা করে বলার কিছু নেই। আর যাঁরা যাননি তাঁরা জীবনে একবার অন্তত সেখান থেকে ঘুরে আসুন। না হলে প্রকৃতির অপূর্ব এক সৃষ্টিকে নিজের চোখে দেখার অভিজ্ঞতা খুব মিস করবেন।
কাশ্মিরে লেখক
কাশ্মিরে লেখক
জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল একটি দুর্দান্ত পর্যটন গন্তব্য। মনোরম এবং মনোমুগ্ধকর, কাশ্মীর সবুজ হিমালয়ের উঁচুতে অবস্থিত এবং এর অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য সারা বিশ্বে সমাদৃত। পাহাড়ের চূড়া, সবুজ উপত্যকা, ঝকঝকে হ্রদ, মন্দির এবং দর্শনীয় মুঘল আমলের উদ্যান দ্বারা বেষ্টিত, এটি কয়েক শতাব্দী ধরে কবিদের অনুপ্রাণিত করেছে। কাশ্মীর চিনার গাছের সারিবদ্ধ রাস্তা এবং অদ্ভুত কাঠের সেতু দ্বারা অতিক্রম করা হয়েছে; এবং জমজমাট বাজার, সুফি মাজার এবং দুর্গের আবাসস্থল। এর সাথে যোগ করুন সুস্বাদু কাশ্মীরি খাবার এবং এর আশেপাশের সবুজ বাগান থেকে আপেল এবং আখরোটের আকর্ষণ।
শীতকালে, কাশ্মীর একটি সাদা আভা নেয়, নরম তুষারে আবৃত থাকে এবং স্কাইয়াররা তার বিখ্যাত ঢালগুলির জন্য একটি বেলাইন তৈরি করে। এবং গ্রীষ্মে, যেমন তুষার গলে যায় এবং তৃণভূমিতে ফুল ফোটে, এটি একটি শিল্পীর ক্যানভাসের অনুরূপ।
হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত এই কাশ্মীরের রূপে মুগ্ধ হয়েছিলেন ভারতের মোঘল সম্রাট বাদশাহ জাহাঙ্গীর। তিনি কাশ্মীরকে স্বর্গের সাথে তুলনা করেছেন।
কাশ্মীরের পুরো শহরটাই যেন স্বর্গ রাজ্য, দিগন্ত জোড়া উঁচু উঁচু পাহাড় আর সাদা বরফের মেলা। এ রাজ্যেই দেখার মতো নানা জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্থানের নাম দেয়া হলো।
শ্রীনগর:
শ্রীনগরে আছে মোঘল গার্ডেন, টিউলিপ গার্ডেন, হযরত বাল মসজিদ, ডাল লেক ও নাগিন লেক। গাড়ি ভাড়া করে সারাদিনের জন্য শ্রীনগর শহরটা দেখলে ভালো লাগবে। আরডাল লেকের ভাসমান শহরও ভালো লাগার মতো।
শ্রীনগরে আছে মোঘল গার্ডেন, টিউলিপ গার্ডেন, হযরত বাল মসজিদ, ডাল লেক ও নাগিন লেক।
শ্রীনগরে আছে মোঘল গার্ডেন, টিউলিপ গার্ডেন, হযরত বাল মসজিদ, ডাল লেক ও নাগিন লেক।
গুলমার্গ:
শ্রীনগর থেকে মাত্র ৫২ কিলো দূরে সবুজ ঘাসে বিস্তৃত গুলমার্গ, যা সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে। এখানে দেখতে পারবেন গন্ডোলা, গলফ কোর্স, বাবা ঋষির মাজার, আফারওয়াত পিক, সেন্ট ম্যারি চার্চ। ক্যাবল কার ছাড়াও প্যারাগ্লাইডিংয়ের মজা পাবেন গুলমার্গে।
বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
গুলমার্গ, যা সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে
পেহেলগাম:
শ্রীনগর থেকে ৯৭ কিলোমিটার দূরে ট্যাক্সি করে যেতে পারবেন পেহেলগামে। জুলাই থেকে অক্টোবরের মাঝে গেলে এখানে দেখা মিলবে রাস্তার দুধারের আপেল বাগান। আছে দেখার মতো অনেক কিছু যেমন- লিদার নদী, বেতাব ভ্যালি, চান্দেরওয়ারি, আরু ভ্যালি, ধাবিয়ান, কাশ্মীর ভ্যালি পয়েন্ট, কানিমার্গ, পেগেলহাম ভিউ পয়েন্ট। এখানের মিনি সুইজারল্যান্ড হিসেবে পরিচিত বাইসারানে ঘুরতে পারেন।