মা-বাবার দোয়া সার ও কীটনাশক

মা-বাবার দোয়া সার ও কীটনাশক সব রকমের সারও কীটনাশক বিক্রি

বতমান অবস্থা
08/01/2026

বতমান অবস্থা

আগাছানাশক
15/09/2025

আগাছানাশক

আপনাদের সবাইকে আদাব ও নমস্কার। ধানে স্প্রে দেওয়ার যে স্টেপ গুলো আছে। প্রথম স্প্রে ২০/৩০ দিনে দ্বিতীয় স্প্রে ৪৫/৫৫ দিনে...
05/09/2025

আপনাদের সবাইকে আদাব ও নমস্কার।
ধানে স্প্রে দেওয়ার যে স্টেপ গুলো আছে।
প্রথম স্প্রে ২০/৩০ দিনে
দ্বিতীয় স্প্রে ৪৫/৫৫ দিনে
তৃতীয় স্প্রে ৭০/৭৫ দিনে
এই ধাপগুলো মেনে স্প্রে করলে সকল কোম্পানির কীটনাশক মাজরা পোকা রেজাল্ট হবে।

31/08/2025
ধান চাষে ফ্লোরা ব্যবহার করে কুশি ও ফলন বৃদ্ধির সম্পূর্ণ টিপস"🔰১. ফ্লোরা কী এবং কেন ব্যবহার করবেন?ধান চাষে ফ্লোরা ব্যবহার...
23/08/2025

ধান চাষে ফ্লোরা ব্যবহার করে কুশি ও ফলন বৃদ্ধির সম্পূর্ণ টিপস"

🔰১. ফ্লোরা কী এবং কেন ব্যবহার করবেন?
ধান চাষে ফ্লোরা ব্যবহার করে কুশি বৃদ্ধির সম্পূর্ণ টিপস"
ফ্লোরা একটি উদ্ভিদ বৃদ্ধি উদ্দীপক (গ্রোথ প্রোমোটার) বা জৈব সারের মিশ্রণ, যা ধানের কুশি (টিলার) বৃদ্ধি, শিকড়ের উন্নতি এবং গাছের সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর। এতে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন, হিউমিক অ্যাসিড বা প্রোবায়োটিক উপাদান গাছের পুষ্টি শোষণ ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্ট্রেস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

🔰২. সঠিক সময়ে প্রয়োগ:

প্রথম ডোজ: ধানের চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর (প্রাথমিক কুশি গঠনের শুরুতে)।

দ্বিতীয় ডোজ: প্রথম প্রয়োগের ১৫-২০ দিন পর (কুশি বৃদ্ধির সক্রিয় পর্যায়)।

তৃতীয় ডোজ (প্রয়োজনে): শীষ বের হওয়ার আগে (যদি গাছ দুর্বল বা পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়)।

🔰৩. ব্যবহারের নিয়ম ও মাত্রা:

মাত্রা: প্রতি লিটার পানিতে ২-৩ মিলি ফ্লোরা মিশিয়ে স্প্রে করুন (প্যাকেটের লেবেলে নির্দেশিত মাত্রা যাচাই করুন)।

প্রতি একরে: ৮০-১০০ লিটার পানির সাথে ২০০-৩০০ মিলি ফ্লোরা মিশিয়ে সমানভাবে জমিতে ছিটিয়ে দিন।

প্রয়োগ পদ্ধতি: পাতার উপরিভাগ ও নিচের দিক ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করুন। শিকড়ে প্রয়োগের ক্ষেত্রে সেচের পানির সাথে মিশিয়ে দিন।

✅৪. বিশেষ নির্দেশনা:

স্প্রের সময়: ভোরে বা সন্ধ্যায় প্রয়োগ করুন (তীব্র সূর্যালোক বা বৃষ্টি এড়িয়ে)।

সেচ ব্যবস্থা: স্প্রে করার পর জমিতে হালকা সেচ দিন যাতে মাটিতে উপাদান শোষিত হয়।

অন্যান্য সারের সাথে ব্যবহার: ইউরিয়া, জৈব সার বা জিংক সারের সাথে সমন্বয় করে ব্যবহার করলে কুশি বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।

৫.⚠️ সতর্কতা:

মাত্রা নির্ধারণ: প্যাকেটের নির্দেশিকা বা কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া মাত্রা বাড়াবেন না।

সুরক্ষা: স্প্রে করার সময় হাতে গ্লাভস, মাস্ক ও চোখে গoggles ব্যবহার করুন।

মিশ্রণের совместимость: অন্য রাসায়নিকের সাথে মেশানোর আগে কম্পেটিবিলিটি টেস্ট করুন অথবা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

✅৬. অতিরিক্ত টিপস:

মাটি ও পানির গুণমান: ফ্লোরা প্রয়োগের আগে মাটির আর্দ্রতা ও pH মান যাচাই করুন।

গাছের পর্যবেক্ষণ: স্প্রে করার ৫-৭ দিন পর নতুন কুশি ও পাতার রং পর্যবেক্ষণ করুন।

✅জৈব চাষ: ফ্লোরার সাথে জৈব কম্পোস্ট বা গোবর সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বাড়ান।

👉৭. সাধারণ ভুলগুলি এড়ানো:

একসাথে অত্যধিক মাত্রায় প্রয়োগ করা।

স্প্রেয়ার নজলে জৈব উপাদান জমে যাওয়া (স্প্রেয়ার নিয়মিত পরিষ্কার করুন)।

পাতায় স্প্রে করার পর গরমে বা বৃষ্টিতে ধুয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেওয়া।

🔰৮. স্টোরেজ:
ফ্লোরা ঠান্ডা, শুষ্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে সংরক্ষণ করুন। শিশু ও পশুপাখির সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখুন।

৯. সুফল:

কুশির সংখ্যা ৩০-৫০% বৃদ্ধি পায়।

গাছের রোগ ও পরিবেশগত চাপ (খরা, লবণাক্ততা) সহনশীলতা বাড়ে।

ধানের শীষে দানা পূর্ণতা ও ওজন বৃদ্ধি করে মোট ফলন বাড়ায়।

👉মনোযোগ দিন: ফ্লোরা একটি সহায়ক পুষ্টি উপাদান, যা সঠিক সারের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োগ করতে হয়। গাছের অবস্থা ও মাটির ধরন বুঝে প্রয়োগ করুন। সর্বদা স্থানীয় কৃষি বিভাগ বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে চলুন! 🌱

ধান চাষে জিপসাম সার (Gypsum বা ক্যালসিয়াম সালফেট) একটি গুরুত্বপূর্ণ সেকেন্ডারি সার, যা মূলত ক্যালসিয়াম (Ca) এবং সালফার (...
23/08/2025

ধান চাষে জিপসাম সার (Gypsum বা ক্যালসিয়াম সালফেট) একটি গুরুত্বপূর্ণ সেকেন্ডারি সার, যা মূলত ক্যালসিয়াম (Ca) এবং সালফার (S) সরবরাহ করে। এর ব্যবহার ধানের উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর।



ধান চাষে জিপসাম সারের গুরুত্ব

1. সালফারের ঘাটতি পূরণ
• সালফার ধানের প্রোটিন গঠন ও অ্যামাইনো এসিড তৈরিতে প্রয়োজন।
• সালফারের অভাবে ধানের পাতা হলুদ হয়ে যায় ও কুশি কমে যায়।
• জিপসাম সরাসরি সালফার সরবরাহ করে ঘাটতি পূরণ করে।

2. ক্যালসিয়ামের যোগান
• ক্যালসিয়াম ধানের কাণ্ড ও পাতাকে মজবুত করে।
• ধানের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
• চারার শিকড় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

3. মাটির গুণগত মান উন্নত করে
• জিপসাম সোডিয়ামযুক্ত ক্ষার-মাটির সোডিয়াম অপসারণ করে মাটির গঠন উন্নত করে।
• মাটির জল ও বায়ু চলাচল সহজ হয়, ফলে শিকড় ভালোভাবে বেড়ে ওঠে।

4. ধানের ফলন বৃদ্ধি
• সঠিক সময়ে প্রয়োগ করলে ধানের কুশি সংখ্যা ও শীষের দানা ভর্তি হওয়ার হার বৃদ্ধি পায়।
• ধান ঝরে পড়া কম হয় ও দানার মান ভালো থাকে।



প্রয়োগের সময় ও মাত্রা
• সময়: রোপনের ১০–১৫ দিন পর অথবা কুশি গঠনের সময়।
• মাত্রা: প্রতি বিঘায় ৭–৮ কেজি (প্রায় ২০–২৫ কেজি/একর)।
• প্রয়োগের আগে মাটির পরীক্ষা করিয়ে সালফার ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকলে ব্যবহার করা উত্তম।

মোঃআক্তার হোসেন
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
কোম্পানীগঞ্জ ,সিলেট।

22/08/2025

সেওলা দূর হয় তুতে দিয়া

আমন ধানে পটাশ (MOP বা Muriate of Potash) প্রয়োগের জন্য নিম্নলিখিত কৌশল অনুসরণ করা উচিত:পরিমাণ: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্...
22/08/2025

আমন ধানে পটাশ (MOP বা Muriate of Potash) প্রয়োগের জন্য নিম্নলিখিত কৌশল অনুসরণ করা উচিত:
পরিমাণ: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সুপারিশ অনুযায়ী, উফশী জাতের আমন ধানের জন্য বিঘা প্রতি (৩৩ শতক) ৩.৫-১৩.৫ কেজি পটাশ প্রয়োগ করতে হবে। আলোক-সংবেদনশীল জাতের ক্ষেত্রে বিঘা প্রতি ১৩ কেজি এবং স্বল্প আলোক-সংবেদনশীল জাতের জন্য ৮ কেজি হতে পারে।
🔴প্রয়োগ সময়: পটাশ জমি তৈরির শেষ চাষে সমস্ত পরিমাণ প্রয়োগ করা উচিত। উফশী জাতের ক্ষেতে চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১ম কিস্তি এবং কাইচ থোড় আসার ৫-৭ দিন পূর্বে ২য় কিস্তিতে ভাগ করে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
🔴পদ্ধতি: জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় পটাশ সার ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর ২-৩ দিন পর আবার পানি দিলে সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
🔻ধ্যান রাখতে হবে: পটাশের সাথে জিংক সালফেট একসঙ্গে প্রয়োগ করা যায় না। জৈবসার (বিঘা প্রতি ৩০০ কেজি) ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের পরিমাণ কমানো সম্ভব।

💠সঠিক পরিমাণ এবং সময়মত প্রয়োগে ফলন বৃদ্ধি পাওয়া যায়।

আমন ধানে প্রয়োগের প্রভাব বিস্তারিতভাবে নিম্নরূপ:
বৃদ্ধি ও উন্নতি: পটাশ মূল বৃদ্ধি, তনা ও পাতার উন্নতি সরবরাহ করে। এটি কোষের বিভাজন ও বিস্তারে সাহায্য করে, ফলে গাছের সুঠাম ও সুস্থ গঠন তৈরি হয়।
জ্বালাপোড়া সহনশীলতা: পটাশ গাছকে শুষ্কতা, রোগ, পোকামাকড় এবং উচ্চ তাপমাত্রার জ্বালাপোড়া সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ায়। এটি কোষের দেয়ালকে শক্ত করে, যা পরিবেশের চাপ সামলাতে সাহায্য করে।
ফলন বৃদ্ধি: পটাশ ফুল ফোটার, পরাগায়ন ও শীষের উন্নতি সরবরাহ করে। এটি শীষের ওজন ও সংখ্যা বাড়ায়, যা ফলনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়ক।
🔹পুষ্টি পরিবহন: এটি নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের মতো পুষ্টির পরিবহন ও ব্যবহার উন্নত করে। পটাশ কার্বোহাইড্রেট সংশ্লেষণে সাহায্য করে, যা শীষের গুণগত মান বাড়ায়।
🔹রোগ প্রতিরোধ: পটাশ কমতির কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। যথাযথ পটাশ সরবরাহ রোগজীবাণু ও ছত্রাকের আক্রমণ কমিয়ে ফসলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
🔹জল ব্যবস্থাপনা: পটাশ গাছের জল শোষণ ও ব্যবহারের ক্ষমতা বাড়ায়, যা জল সংকটে গাছের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
🔻কমতির লক্ষণ: পটাশ কমতি হলে পাতার ধারে হলুদ বা বাদামী দাগ, দুর্বল তনা এবং শীষে অসম্পূর্ণ গঠন দেখা যায়। এটি ফলনে হ্রাস ডেকে আনে।
সঠিক পরিমাণে ও সময়মত প্রয়োগে পটাশ ধানের উৎপাদনশীলতা ও মান উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত প্রয়োগ মাটির সালিনিটি বাড়িয়ে ফসলের ক্ষতি করতে পারে, তাই সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবহার করা জরুরি।

The natural beauty Enjoy the Entertainment

22/08/2025

★ধানের জমিতে আমন সিজনের জন্য ১৮-২৫ দিনের ৷৷৷।।মধ্যে
★ম্যানসার+লিটোসেন+অল্প ইউরিয়া
২০০gm+১০০ml+১০-১২kg
প্রতি ৩৩ শতকের জন্য ছিটিয়ে দিন
দেকবেন ধানে সমআকৃতির অতিরিক্ত কুশি হবে ব্যাপক আকারে সাদা ও পরিষ্কার শিকড় হবে।

Address

হোগamakkskska
Jessore
7400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মা-বাবার দোয়া সার ও কীটনাশক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category