Sheikh Saheb

Sheikh Saheb সবাই সাপোর্ট করবেন আমি ও সাপোর্ট করবো ইনশাআল্লাহ

13/09/2024

অনু_গল্প: #সুন্দর_ভালোবাসা

--উফফ ব‍্য'থা লাগে।

--ব‍্য'থা লাগার জন‍্যেই তো ধরছি। বল আরো মেসেঞ্জারে অন‍্য ছেলের সঙ্গে কথা বলবি তুই...?

--হ‍্যা বলবো একশবার বলবো তাতে তোর কি শুনি।

--তুই কেনো বুজিসনা আমি তোকে ভালোবাসি। তোর সঙ্গে ঘর বাধতে চাই।

--হাত ছার বলতেছি হাসিব। আমি তোকে ভালোবাসিনা। আমার boyfriend আছে। ওকেই আমি বিয়ে করবো।

হাসিব : আচল তুই শুধুমাত্র আমার।

আচল : তুই হস আমার মামাতো ভাই, কেউ মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্কে যায়।

হাসিব : কেউ যায় কিনা আমি জানিনা। কিন্তু আমরা যবো?

আচল : এটা কখনোই সম্ভব না।

হাসিব : সম্ভব সম্ভব সম্ভব?

"হাসিবের এমন পাগলামি দেখে আচল কশে একটি থাপ্পড় মেরে বলতে থাকে।

আচল : ঠাসসসস! ঠাসসস! তোকে বলছিনা আমি ভালোবাসিনা। তোর চেহারা কখনো আয়নায় দেখেছিস। যতোসব ফাউল ছেলে কোথাকার একটুও শান্তিতে থাকতে দিচ্ছেনা।

"এই থাপ্পড় খেয়ে হাসিব গালে হাত দিয়ে সেইদিন আচলদের বাড়ি থেকে সোজা নিজের বাসায় চলে যায়। আর ভাবতে থাকে আসলেই তো এখানে আচলের কোন দোশ নেই সব দোশ আমার। আমি জোর করে ভালোবাসা চেষ্টা করতেছি "

"এর পরে ৫টি বছর কেটে গিয়েছে হাসিব আর কখনো আচলের সামনে যায়নি,
আজ অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখে একটি মেয়ে বোরকা পরে সোপায় বসে আছে। তো হাসিব পাত্তা না দিয়ে সোজা রুমে চলে আসে।

--রুমে আসা মাত্রই দেখতে পায় অগোছালো রুমটা কে জানি সুন্দর করে গুছিয়ে রেখেছে। যা দেখতে বেশ সুন্দর লাগতেছে।

___এর পরে সিন চলে রাতে___

"হাসিব খাওয়া দাওয়ার পরে বাসার সাদে গিয়ে একটি সিগারেট ধরিয়ে খাইচ্ছিলো এমন মুহূর্তে পিছন থেকে কেউ একজন বলে উঠে"

--তুমি সিগারেট ও খাও নাকি।

"পিছনে তাকিয় দেখে সেই বোরকা পরা মেয়েটি"

হাসিব : হুমমম সিগারেট খাই। না খাইলে ঘুমেই আসেনা।

--আজ থেকে আর খাবেনা।

হাসিব : হাহহাহাহ কেনো খাবোনা শুনি একটু।

--কারন সিগারেট খাইলে মানুষের ক‍্যান্সার হয়। আমি চাইনা আপনার এমন হোক।

হাসিব : আচ্ছা আপনি কে চিনলাম না। আগে পরিচয় দিনতো আপনার দয়া করে।

--আমাকে চিনোনাই আমি হলাম আচল।

হাসিব : ওহহহ তুমি। কি অবস্থা তোমার।

আচল : আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো তোমার কি অবস্থা।

হাসিব : আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো। হঠাৎ কি মনে করে আমাদের বাসায়।

আচল : কেনো আসতে পারিনা আমি।

হাসিব : হুমমম পারো। আচ্ছা ভালো থেকো আমি ঘুমাতে যাবো এখন?

আচল : একটু কথা বলি না।

হাসিব : সময় নেই।

"ঠিক এমন মুহূর্তে আচল বলে উঠে "

আচল : বিয়ে করবা হাসিব তুমি আমাকে।

হাসিব : হাহহা হাহাহা তুমি দেখি খুব সুন্দর নাটক করতে পারো আচল।

আচল : নাটক না সত্যি বলতেছি।

হাসিব : আমি দেখতে কালো, তোমার তো সুন্দর চেহারার ছেলে পছন্দ? তা ছারা আমরা মামাতো ভাই বোন সম্পর্কে।

আচল : কথা কি ফিরিয়ে দিচ্ছো নাকি।

হাসিব : যেটা মনে হয় তোমার। আচ্ছা boyfriend ছেরে গেছে নাকি তোমাকে।

আচল : আমার কোন boyfriend নেই।

হাসিব : সেই দিনতো বললে। তোমার boyfriend আছে তাকেই বিয়ে করবা।

আচল : আসলে আমি তখন সব কিছু মিথ্যা বলছিলাম হাসিব তোমাকে।

হাসিব : কেনো কেনো।

আচল : আমি চাইতাম তুমি আগে প্রতিষ্টিত হয়েনাও। তার পরে আমরা বিয়ে করবো। কারন এখন বিয়ে বা সম্পর্কে গেলে তোমার পরাশুনা হতোনা।

হাসিব : ওহহ ভালো।

আচল : হুমমম. আজ আমি তোমাকে প্রপোজ করতেছি হাসিব I love you 💘

হাসিব : I heat you আচল? আমি তোমাকে আর ভালোবাসিনা। কারন আমি এখন অন‍্য একটি মেয়েকে ভালোবাসি। আর ওকেই বিয়ে করবো।

আচল : কে সেই মেয়ে।

হাসিব : সে হচ্ছে আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড অধরা। তুমি যখন আমাকে রিজেক্ট করছো তখন আমি ওকে সব কিছু খুলে বলি। ঠিক সেই মুহূর্তে সে আমাকে প‍্রপোজ করে পরবর্তীতে আমি অনেক ভাবার পরে রাজি হই। এর পরে থেকে আমাদের সম্পর্ক। আর কি বললে সম্পর্কে থাকলে পরাশুনা বা প্রতিষ্টিত হওয়া যায়না। অবশ্যই যায়, এর জন্যে চেষ্টা থাকতে হয়।

আচল : তার মানে তুমি ওকেই বিয়ে করবা।

হাসিব : শূন‍্য পকেটে যে নারী পাশে থাকে প্রতিষ্টিত হওয়ার পরেও সেই নারীই পাশে থাকার অধিকার রাখে। হুমম অবশ্যই তাকে আমি বিয়ে করবো। ভালো থাকিও আল্লাহ্ হাফেজ।

"কথাটি বলেই হাসিব সাদ থেকে নেমে যায়"

"সময় থাকতে মুল‍্য দিতে হয়। হারিয়ে গেলে আর ফিরে পাওয়া যায়না "

19/08/2024

***বাসর রাত***
ঘরে ঢুকে পাশে বসতেই
বৌ আমাকে বলল....
----ঘড়িতে তাকিয়ে দেখুন তো কয়টা বাজে??
বাসর রাতে বৌয়ের এমন সাহসী প্রশ্নে কিছুটা বিচলিত
হলাম।তখন ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি রাত ১২.৩০মিঃ।আমি
বৌয়ের পাশে বসে আস্তে করে বললাম.....
----শোনো, আমার এখন বিয়ে করার কোন ইচ্ছেই ছিলো
না। আমার বাবা-মায়ের পছন্দেই তোমাকে বিয়ে করেছি।
তবে আমার কারো সাথে কোন সম্পর্ক ও নেই।কিন্তু আমি
বিয়ের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।তাই আমি
এখন চাইলেও এত সহজে তোমাকে বউ হিসেবে মানতে বা
বৌয়ের অধিকার দিতে পারবোনা।
কথা গুলো বলে শেষ করা মাত্র ই
নতুন বউ আমার পাঞ্জাবির কলারটা চেপে ধরে বলল.....
----আমাকে কি খেলার পুতুল মনে হয় নাকি??পছন্দ হয়নি,
বিয়ে করতে চাননি এইটা আগে বলতে পারলেন না??
নিজের মায়ের মন রক্ষা করতে আমার সব আশা-স্বপ্ন কে
কেন বলিদান দিতে হবে?
বিয়ে করার ইচ্ছে নেই,এইটা আমাকে আগে বললেই
পারতেন।তবেই আমি আমার পক্ষ থেকে বিয়ে ভেঙে
দিতাম।মায়ের প্রতি ভন্ড ভক্তি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে
আমার জীবনটা কেন এইভাবে ন'ষ্ট করে দিলেন হুম?
আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করিনি।এখন আমি
যেভাবে বলব সেভাবেই সব হবে। ঠিক আছে????
বলেই কলার টা ছেড়ে দিলো।পরে আবার বলল....
----আচ্ছা যা হবার তা তো হয়েই গেছে।
দিতে হবে না আপনাকে বউয়ের অধিকার।
যান নিচে গিয়ে ঘুমান।একদম খাটে ঘুমাতে পারবেন না।
বলেই আমার বালিশ পা ফ্লোরে ছুড়ে মা'রলো।আমি ও
বাধ্য ছেলের মতো ফ্লোরেই শুয়ে পড়লাম।আর মনে
মনে
ভাবতে লাগলাম,কেমন গুন্ডি মেয়ে রে বাবা।জীবনেও
এমন মেয়ে দেখিনী।
মনে তো হচ্ছে জীবন পুরাই তেজপাতা করে ছাড়বে।
ফ্লোরে ঘুমই আসছেনা।কখনই ফ্লোরে ঘুমাই নি।কিন্তু
আজকে নিজের অমতে বিয়ে করার কারনেই ফ্লোরে
ঘুমাতে হচ্ছে।
এর মধ্যে মশার আন্দোলন। ইসসসসসস,,,,,,সহ্য হচ্ছেনা।চোখ
বন্ধ শুয়ে করে আছি।কখন জানি ঘুমটা লেগে গেছে
বুঝতেই পারিনি।হঠাৎই সজাগ হয়ে দেখি আমার শরীরে
কম্বল আর পাশে ও মশার কয়েল লাগানো।মনটাতে একটু
স্বস্তি পেলাম,চোর হলেও মানুষ ভালো।
মনে মায়া-দয়া আছে।
পরের দিন ঘুম থেকে উঠেই দেখি টেবিলে চা রাখা।চা
খেয়ে,ফ্রেশ হয়ে রুমে বসে ফোন টিপছিলাম তখন ই
তানিয়া (আমার বৌ)এসে বললো.....
----এইযে সেই কতক্ষন যাবত খাবার নিয়ে সবাই অপেক্ষা করছে
আর আপনি ঘরে বসে আছেন কেন?এখনি নিচে চলুন
আগে......??বলেই আমার কানের কাছে এসে আস্তে করে
বললো...
-----নাকি খাবার টা রুমে নিয়ে আসবো?
আমি তো হার্ট এ্যাটাক হতে হতে বে'চেঁ গেছি।আমি তো
ভাবছিলাম,বউ বুঝি এইবার ও কলার ধরেই আমাকে খাবার
টেবিলে নিবে।কিন্তু না,বউয়ের স্বর পাল্টে গেছে,তবে
কি বউ আমার প্রেমে পড়ে গেল নাকি??কথাটা ভাবতে
ভাবতেই বউয়ের দিকে তাকালাম।হা হয়ে তাকিঁয়ে
আছি,বউ তো আমার হেব্বি সুন্দরী।রাতে তো ভাবছিলাম
হিটলারনি।এখন দেখি না মায়াময়ী।এইবার যে আমি
বউয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম।নিজেই নিজেকে বললাম...
----পিন্টু মনে হয় তুই তোর হিটলারনি বউয়ের প্রেমে পড়ে
গেছিস।
হঠাৎ একটা বিকট শব্দে বাস্তবে ফিরলাম।
সামনে তাকিঁয়ে বউ আমার ফ্লোরে পরে চোখ বন্ধ করে
আছে।বুঝতে পারলাম,পা'গলীটা খুবই ব্য'থা পাইছে।
দৌড়ে গিয়ে টেনে তুলে বসাতে গেলাম আর অমনি
আস্তে করে বলল.....
----কেমন স্বামী গো আপনি??
আমি তো একটু ভ্যাবাচ্যকা খেয়ে গেলাম।
বললাম...
----আমি আবার কি করলাম।
বৌ বলল....
----আমি মাটিতে পরে আছি কই কোলে করে নিয়ে
বিছানায় শোয়াবেন,তা না করে আমার হাত ধরে
টানছেন।
সাথে সাথেই আমি কোলে করে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে
দিলাম।
আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল....
----ইচ্ছে করে এইভাবে ই ধরে রাখি সারাটা জীবন।কিন্তু
আপনি তো আমাকে পছন্দই করেন না।
কথা শেষ করেই তানিয়া দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লো।
আমারও বুকের ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেল।আমারো খুব
বলতে ইচ্ছা হচ্ছিল *
কপালে একটা চু'মো একেঁ দিয়ে বলি ...
----পা'গলী আমি যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি
গো।
কিন্তু পারলাম না।কোথায় জানি একটা বাধাঁ
পাচ্ছিলাম।এই সুযোগে তানিয়া আমাকে ঠেলে
বিছানায় ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালালো।আমি শুধু ওর
চলে যাওয়ার পানে তাকিঁয়ে রইলাম।পরক্ষনেই খেয়াল
হলো,ও তো ব্যথা পাইছে।যার কারনে কোলে করে
উঠাতে হলো।বুঝতে আর বাকি রইলো না,এইবার ও
আমাকে বোকা বানানো হয়েছে।
পা'গলিটার সাথে খুনসুটি প্রেম করতে করতেই কেটে গেল
২টা বছর।এখন কেউ কাউকে ছাড়া কিছু ভাবতেই পারিনা।
আমার পা'গলীটা এখন গর্ভবতী।
তাই খুব যত্ন নেই তার।আজকেই বাচ্চা হবার তারিখ
দিয়েছে ডাক্তার।
আমি অফিসে ছিলাম,হঠাৎই বাবার ফোন পেয়ে ছুটে
গেলাম হসপিটাল।গিয়েই শুনলাম আমার ঘর আলো করে
এসেছে এক ছোট্ট রাজকন্যা।
কিন্তু....
আমার পা'গলিটার কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিনা কেন??ভয়ে
আৎকে উঠলাম।অনেকের মুখেই শুনেছি,বাচ্চা জন্ম দিতে
গিয়ে মা'রা গেছে অনেক মা।সে ভয়েই বাচ্চা নিতে
চাইনি।কিন্তু ওর নাকি বাচ্চা লাগবেই।
ওর ইচ্ছে পূরন করতে গিয়েই কি তবে......???
আর ভাবতেই পারছিনা।
আর একটা মিনিট ও ন'ষ্ট না করে,দৌড়ে গেলাম কেবিনে।
গিয়ে দেখি বাচ্চা টা হাত পা নাড়িয়ে খেলছে।
কিন্তু তানিয়া চোখ বন্ধ করে রাখছে।
ওর নিঃশ্বাস আছে কি নাই তা দেখার মতো ধৈর্য আমার
ছিলোনা।তাই তানিয়াকে জড়িয়ে চিৎকার দিয়ে
ফেললাম।
সাথে সাথেই কানের কাছে একটু ব্যথা অনুভব করলাম।
পরে দেখি তানিয়া আমার আস্তে করে কানে কামড়
দিয়ে বলল....
-----কি ভাবছিলা তোমাকে একা রেখে চলে যাবো??
আরে না গো,আমি চলে গেলে,তোমাকে জ্বালাবে
কে??
আমিও বু'কে শক্ত করে জ'ড়িয়ে ধরে রাখলাম।আর
বললাম,বড্ড ভালোবাসি রে পা'গলি তোকে।ছাড়বোনা
কখনই।

আপনার মতামত কমেন্টে জানাবেন।

03/08/2024

প্রচন্ড গরমে আন্দোলন করতে করতে কেউ যেন হাঁপিয়ে না উঠে, তৃষ্ণার্ত হয়ে না পড়ে সেজন্যে মীর মুগ্ধ বলেছিল - পানি লাগবে কারো, পানি.?

আজ মুগ্ধ বেঁচে থাকলে দেখতে পেত- তার হাতে থাকা যে পানি সে খাওয়াতে পারনি, যে পানি খাওয়ানোর আগেই তার মাথায় গুলি লেগেছিল সে অবশিষ্ট পানি সৃর্ষ্টিকর্তা বৃষ্টি আকারে ঝড়াচ্ছেন।

মুগ্ধ বেঁচে থাকলে দেখতে পেত- এখন আর কেউ গরমে হাঁপিয়ে উঠে না, কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়ে না। তার ভাই-বোনেরা তার হাতে থাকা অবশিষ্ট পানি বৃষ্টি আকারে পেয়ে নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, প্রতিবাদ গড়ে তুলেছে।

মুগ্ধরা মরে না। তারা ফিনিক্স পাখি হয়ে ফিরে আসে বারবার। তাদের হাতে থাকা অবশিষ্ট পানিও ফুরায় না, বৃষ্টি হয়ে ফিরে আসে বারবার।

03/08/2024

ফোন টিপতে টিপতে কলেজ যাচ্ছিলাম!
এমন সময় একটা সুন্দরী আপু এসে বললেন,
আমার ফোনে চার্জ নেই আপনার ফোনটা দেন তো-
একটু বাসায় কথা বলে দিয়ে দিচ্ছি ।
আমি হাসি মুখে ফোনখানা এগিয়ে দিলাম,
ডাটা অফ না করা-টাই আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াইছে।
সুন্দরী আপুটা সবে মাত্র নাম্বারের দুইটা সংখ্যা তুলছে তখনি মেসেঞ্জারে তাসনিম মেসেজ আসছে একদম ফোনের স্ক্রিনের সামনে,
বাবু তুমি খেয়ে নিও। তুমি না খেলে আমার পেটে ভাত হজম হয় না।

সুন্দরী আপুটা মেসেজ দেখে মুচকি হেসে বললেন, প্রেমিকা খুব ভালোবাসে দেখা যাচ্ছে।
একটু পরে আরেকটা আইডি থেকে সানজিদা'র মেসেজ,
জান তুমি তাড়াতাড়ি অনলাইনে আসো আমি তোমাকে মিস করতেছি।
এবার আপুটা চোখ ত্যাড়া করে বললেন,
বাহ দুইজন প্রেমিকা।

৬টা সংখ্যা লিখা শেষ হতেই জান্নাত মেসেজ দিলো,
বাবু আমার দম বন্ধ লাগছে তাড়াতাড়ি এসে চুমু দিয়ে অক্সিজেন দাও।
এই মেসেজ দেখে মন চাইছিল জান্নাতকে ধরে পিডাই,
এত ভালোবাসা দিতে কে বলছে?
ক্যান যে ডাটা অফ করলাম না।
আপুটা এবার রাগি রাগি চেহারা বানিয়ে বললেন, প্রেমিকাদের গোডাউন খুলে বসেছেন।

নাম্বার তুলে কথা বলা শেষ করে ফোনটা হাতে ধরিয়ে বললো, আপনার ফেসবুক আইডিটা দিয়ে যান।
দেখতে হবে কিভাবে এতো মেয়ে পটাইছেন!
আপুটাকে আমার পেজ+আইডি দিয়ে চলে আসছি,
রাতে দেখি আইডিতে নক দিছে। প্রায় ১০০ টার মতো মেসেজ করার পর,
আপুটা বলতে শুরু করলেন তোমার পেজের গল্প গুলো কিন্তু অনেক ফানি ও মজার.!
আমিও যে বড্ড ভালোবেসে ফেলেছি তোমাকে।
তোমারে ছাড়া নিঃশ্বাস বন্ধ বন্ধ লাগছে..!

সব মুসিবত কেনো যে আমার উপর এসে পরে,
এর কারণ খুঁজে পাই না..!!😷😑🙃🤦‍♂️

#অনুগল্প

16/07/2024

সামান্য ঝগড়ায় স্বামী রেগে বললো " কি পারো তুমি?কোন কাজটা হয় তোমার দারা? "

স্ত্রী চুপচাপ,মুখে একটা কথা নেই,শান্ত দৃষ্টি।স্বামী আরো কিছুক্ষণ কথা শোনালো।

স্ত্রীর মুখ এখনো বিষণ্ণ।স্বামীর বিকৃত চিৎকার " কিছু বললে চুপ করে থাকো কেন? কথার জবাব দাও? "

স্ত্রী মুচকি হেসে বললো " এখন রেগে আছো।কথা বললে ঝগড়া আরো বাড়বে।একটু পর রাগ কমলে নিজেই এসে ভাব জমাবে "

স্ত্রীর কথায় স্বামীর মুখ প্যাচার মতো বিকৃত হয়ে গেলো।খানিক্ষন যেতেই স্বামীর রাগ গলে জল হয়ে গেলো।স্ত্রীর আঁচলে নখ প্যাঁচাতে প্যাঁচাতে বললো

" তুমি আমার সাথে তর্ক কেন করো না? "

" মাকে দেখেছি,বাবা রেগে গেলে মা চুপ থাকতো "

" তাই বলে এতোটা চুপ থাকবে? একটু তর্ক তো করতেই পারো! "

" হৃদয়জয়ী আমি,তর্কজয়ী হয়ে কি করবো?তাছাড়া একটু আধটু শাসনে থাকতে ভালোই লাগে।তখন মনে হয় আমার খেয়াল রাখার জন্য,ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য একজন তো আছেই।নিজেকে সুরক্ষিত মনে হয়।

সংগৃহীত

15/07/2024

'বিয়ের ২দিন আগে ঠিক ফজরের আগে হবু বউ আমাকে ফোন দিলো।হঠাৎ এমন মুহূর্তে
ফোনটি দেখে বেশ আশ্চর্য হলাম।

'কিছু না ভেবে ফোনটি রিসিভ করে বললাম।
হ‍্যা নীলিমা বলো কোন সমস্যা।

'সমস‍্যা তো অনেক।

'কি বলো?
এতো রাতে আবার কিসের সমস্যা হ‍্যাঁ।
দুইদিন পরে আমাদের বিয়ে।

'আচ্ছা তুমি কি করো এখন।

'এইতো ঘুমাচ্ছিলাম।
তোমার ফোন পেয়ে ঘুমটি ভেঙ্গে গেলো।
এখন তোমার লগে কথা বলতেছি।

'তাই।
আচ্ছা আমি ফোন দেয়াতে তুমি বিরক্ত হওনি।

'কি আশ্চর্যের কথা।
আমার হবু বউ ফোন দিয়েছে এতে আরো খুশি হওয়ার কথা বিরক্ত হবো কেনো।

'তাই বুজি।
তুমি আমাকে বিয়ের পরে ভালোবাসা তো।
নাকি কষ্ট দিবা।

'কখনোই কষ্ট দিবোনা।
সব সময় ভালোবাসা দিবো যতোদিন আমার শরীরের এক বিন্ধু রক্ত আছে।

'সত‍্যি।

'হ‍্যা সত্যি।

'তুমি কি চাও আমরা মৃত্যুর পরেও এক সঙ্গে থাকি।

'অবশ্যই চাই।
হাজার জনম তোমার সঙ্গে থাকতে চাই।

'তাহলে নামাজ পরোনা কেনো সেইটা বলো।
মৃত্যুর পরে আমি যখন জান্নাতে যাবো তুমি যদি জাহন্নামে যাও তখন কি আমাদের এই ভালোবাসা থাকবে।
আমরা কি এক থাকতে পারবো।

'না।

'তাহলে এই মুহূর্তে উঠে গোসল করবা
এবং ফজরের নামাজ আদায় করবা। এবং আল্লাহ্ কাছে দোয়া করবা আমরা যেনো মৃত্যুর পরেও এক সঙ্গে থাকতে পারি জান্নাতে।

'ঠিক আছে হবু বউ আমার।

'এতো লক্ষি হবু স্বামী।
যাও গোসল করে নামজ শেষ করবা তার পরে আমাকে ফোন দিবা।

'হুম।

'এর পরে ছেলেটি তার হবু বউয়ের কথা মতো
গোসল করে নামাজ আদায় করে।

'সত‍্যি একটা নারী চাইলে অসম্ভব কেও সম্ভব করতে পারে শুধুমাত্র তার ভালোবাসা দিয়ে।

অনুগল্প: #হবু_বউ
কাহিনী ও লেখনীতে: #মি_হাসিব

14/07/2024

পরিবারে শান্তি না পেলে মানুষ তার প্রিয় মানুষের নিকট শান্তি খোজে, কিন্তু আফসোস আমার এমন কোনো জায়গা নেইই যেখানে গেলে শান্তি পাবো।🖤🥹

কপি পেস্ট 💔🥀

14/07/2024

একজন পুরুষ তখনই ভাগ্যবান, যখন তার পাশে ভরসা করার মতো একজন সৎ নারী থাকে.!!'🖤🥹😅🥀💔

কপি পেস্ট 😔

14/07/2024

তুমি- আমাকে attitude শিখাও.?
- বড় বড় সিম কোম্পানি আমাকে অনুরোধ করে,

Please recharge your account.!
- But আমি পাত্তা দেই না.আর তুমি কি !😎

🤣🤣🤣🤣??🤣🤣🤣

সবাই সাপোর্ট করবেন আমি ও সাপোর্ট করবো ইনশাআল্লাহ

13/07/2024

হাতি যাচ্ছে নদীতে গোসল করতে। 💐🌷 তিন পিঁপড়া বন্ধু গাছের ওপর থেকে হাতিকে দেখে বলল, 😁 ‘চল আমরা হাতিটাকে ধোলাই দেই! 🤭😆 ব্যাটা আমাদের অনেক বন্ধুকে পায়ে পিষে মেরেছে। 🧡⚡️’
এরপর তিনজন গাছ থেকে লাফ দিয়ে হাতির পিঠে চড়ে কামড়াতে শুরু করল। 🌈😀 হাতি গা ঝাড়া দিয়ে একটা পিঁপড়াকে নিচে ফেলে দিল। 😆💥 শুঁড় দিয়ে আঘাত করে আরেকটাকে ফেলল। 🔥🌈 কিন্তু তৃতীয়টা কিছুতেই পড়ে না। 🌷☀️ হাতি ভাবল, 😇 ‘যাই পানিতে ডুব দেই। 🌼🤗 গোসলও হয়ে যাবে, ⚡️ পিঁপড়াও চলে যাবে। 💐😎’
যেই ভাবা, 💐 সেই কাজ। 😅🥳 হাতি তাড়াতাড়ি পানিতে নেমে ডুব দিতে লাগলো। 🤩😂 এদিকে হাতির পিঠ থেকে পড়ে যাওয়া দুই পিঁপড়াও হাতির পিছন পিছেন নদীর পাড়ে এসে উপস্থিত হলো। 😃🌻 তারা দেখলো, 💥 হাতিটা ডুবছে আর ভাসছে আর তাদের বন্ধু হাতির পিঠ কামড়ে ধরে বসে আছে। 🤩😝
তাই দেখে তারা উল্লাসে চিৎকার করে বলল, 🤭 ‘শাবাশ দোস্ত, 😎 চুবা- হাতিটারে ভালো করে পানিতে চুবা! 🤗😅 চুবাইতে চুবাইতে মেরে ফেল! ✨🌼’

13/07/2024

বল্টু একদিন একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখলেন তিনটা দরজা...🥹🫰🏻

১ম দরজায় লেখা: বাঙালি খাবার!🙂🙂

২য় দরজায় লেখা : ইংরেজি খাবার.!

৩য় দরজায় লেখা: চায়নিজ খাবার।

#বল্টু তাঁর পছন্দ অনুযায়ী চায়নিজ খাবারের দরজায় ঢুকলেন।

সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন...

১ম দরজায় লেখা: বাড়ি নিয়ে গিয়ে খাবেন

২য় দরজায় লেখা: এখানেই খাবেন🤗🤗

#বল্টু রেস্টুরেন্টেই খেতে চেয়েছিলেন তাই এখানেই খাবেন দরজায় ঢুকলেন...

সেখানে আরও দুটি দরজা দেখতে পেলেন তিনি..

১ম দরজায় লেখা: এসি!🫣🫣

২য় দরজায় লেখা: নন এসি।??🙂

#বল্টু এসি রুমে খেতে চেয়েছিলেন, তাই এসি লেখা দরজায় ঢুকলো!😒😒

সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।

১ম দরজায় লেখা: নগদ টাকায় খাবেন! 🫣🫣

২য় দরজায় লেখা: বাকিতে খাবেন!🥲🥲

#বল্টু ভাবলেন বাকি খেলেই ভালো হয় তাই তিনি বাকিতে খাবেন। বাকি লেখা দরজাটা খুললেন।🤧🤧

খুলতেই নিজেকে দেখতে পেলেন তিনি রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন..

আর বাইরে একটা দেয়ালে লেখা যা পাগলা হাওয়া খা🥹🥹

13/07/2024

বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হবে 🙃
চলতি মাস অথবা সামনের মাস থেকে
বাড়ি ভাড়া হবে।
দুই রুম এক ডাইনিং এক কবরস্থান🧛‍♀️🧟‍♂️🧟‍♂️
রাতে ছাদের উপর থেকে এক্সট্রা গান পায়ের নূপুরের শব্দ শোনা যাবে... 🙂
বাড়ির পাশে একটি বট গাছ আছে চাইলে পিকনিক করতে পারেন একা বা ফ্যামিলি নিয়ে

ভাড়া : বেঁচে থাকলে দেবেন🙂

Address

Dhaka
Khulna
NA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheikh Saheb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sheikh Saheb:

Share