PushtiMela পুষ্টিমেলা

  • Home
  • PushtiMela পুষ্টিমেলা

PushtiMela পুষ্টিমেলা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PushtiMela পুষ্টিমেলা, Health Food Shop, Kushtia Sadar, .

​PushtiMela (পুষ্টিমেলা) একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিভিন্ন খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে সঠিক তথ্য প্রদান করা হয় এবং স্বাস্থ্যসম্মত, হাইজেনিক ও হ্যান্ডমেইড পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হয়।

ব্যায়ামের আগে বা ক্লান্ত দুপুরে—ঝটপট শক্তির জন্য আপনার পছন্দ কোনটি? খেজুর নাকি কলা? ​উভয়ই প্রকৃতির দান এবং পুষ্টিগুণে ...
07/05/2026

ব্যায়ামের আগে বা ক্লান্ত দুপুরে—ঝটপট শক্তির জন্য আপনার পছন্দ কোনটি? খেজুর নাকি কলা?
​উভয়ই প্রকৃতির দান এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে এদের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে:
✅ খেজুর: এটি ক্যালোরি এবং প্রাকৃতিক শর্করার এক বিশাল উৎস। যারা ওজন বাড়াতে চান বা রোজা ভাঙার সময় তাতক্ষণিক শক্তি চান, তাদের জন্য সেরা।
✅ কলা: এটি সহজপাচ্য এবং এতে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি, যা পেশীর টান দূর করতে সাহায্য করে।
​আপনার প্রিয় স্ন্যাক্স কোনটি? কমেন্টে আমাদের জানান!

কামাল সাহেবের ঘরে একটা অলিখিত নিয়ম আছে।রমজান এলে খেজুর আসে। রমজান গেলে খেজুর যায়।কেউ এই নিয়ম বানায়নি। কেউ লিখে রাখেন...
07/05/2026

কামাল সাহেবের ঘরে একটা অলিখিত নিয়ম আছে।
রমজান এলে খেজুর আসে। রমজান গেলে খেজুর যায়।
কেউ এই নিয়ম বানায়নি। কেউ লিখে রাখেনি। কিন্তু বছরের পর বছর এভাবেই চলছে — যেন খেজুর আর রমজান একই প্যাকেটে আসে।
এবার রমজান শেষের দুই সপ্তাহ পর, ছেলে সাকিব ফ্রিজ খুলে থমকে গেল। তারপর ঘুরে বাবার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল —
"আব্বু, খেজুর কোথায়?"
কামাল সাহেব পত্রিকা থেকে চোখ না তুলেই বললেন, "রমজান শেষ, খেজুর শেষ।"
সাকিব একটু চুপ করে রইল। তারপর ধীরে ধীরে বলল —
"খেজুর কি রমজানের কর্মচারী, আব্বু? রমজান শেষ হলে ছুটিতে চলে যাবে?"
কামাল সাহেব এবার পত্রিকা নামালেন।
উত্তর খুঁজলেন।
পেলেন না।
পরদিন সাকিব বাজার থেকে এক প্যাকেট খেজুর নিয়ে এল। দুজন পাশাপাশি বসলেন। সাকিব একটা বাটিতে সাজিয়ে সামনে রাখল।
কামাল সাহেব একটা তুললেন। মুখে দিতে গিয়ে থামলেন।
"এত মিষ্টি। সুগার বাড়বে না আমার?"
সাকিব একটু হাসল — সেই হাসি যেটা ছেলেরা হাসে যখন বাবাকে কিছু বোঝাতে পারার সুযোগ পায়।
"আব্বু, সাদা চিনির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ১০০। খেজুরের মাত্র ৪২। মানে একই মিষ্টি স্বাদের জন্য খেজুর রক্তে সুগার অনেক ধীরে ছাড়ে। বরং গবেষণা বলছে নিয়মিত খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।"
কামাল সাহেব মুখে দিলেন। চিবালেন।
তারপর দ্বিতীয়টা তুললেন।
"কিন্তু মোটা হয়ে যাব না?"
সাকিব এবার একটু সোজা হয়ে বসল, যেন ক্লাসে লেকচার দিচ্ছে।
"প্রতিটা খেজুরে মাত্র ২০ ক্যালোরি। আর ফাইবার থাকায় পেট ভরা থাকে, বারবার খাওয়ার ইচ্ছাটাই কমে যায়। মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটা খেজুর দিয়ে বদলে ফেলুন — ওজন বাড়বে না, বরং নিয়ন্ত্রণে থাকবে।"
কামাল সাহেব তৃতীয়টা তুলতে গিয়ে হঠাৎ থামলেন।
"শুনেছি খেজুর খাওয়ার পর পানি খাওয়া ঠিক না।"
সাকিব একটু চোখ বড় করল। তারপর ধীরে বলল —
"আব্বু, এটা কোথায় শুনলে?"
"পাড়ায় বলে।"
সাকিব দীর্ঘশ্বাস ফেলল — সেই দীর্ঘশ্বাস যেটা তরুণরা ফেলে যখন বোঝে পাড়ার গুজব কতদূর পৌঁছায়।
"আব্বু, খেজুরের পর পানি খেলে বরং হজম ভালো হয়। এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন কথা।"
কামাল সাহেব পানি ঢাললেন। খেলেন।
কিছুই হলো না।
সেদিন থেকে ঘরের সেই অলিখিত নিয়মটা চিরতরে বাতিল হয়ে গেল।
কিছুদিন পর প্রতিবেশী মতিন সাহেব বেড়াতে এসে ফলের বাটিতে খেজুর দেখে অবাক হয়ে বললেন, "রমজান ছাড়াও খেজুর রাখেন নাকি?"
কামাল সাহেব শান্তভাবে বললেন —
"খেজুর কি রমজানের কর্মচারী নাকি, মতিন ভাই?"
মতিন সাহেব চুপ করে বাড়ি ফিরলেন।
সেই রাতেই ছেলেকে বললেন, "কাল বাজারে গেলে এক প্যাকেট খেজুর আনিস।"
খেজুরে আরো যা লুকিয়ে আছে —
আয়রন — রক্তশূন্যতা দূর করে, মেয়েদের জন্য বিশেষভাবে জরুরি। ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম — হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে। পটাশিয়াম — হার্ট সুস্থ রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ভিটামিন B6 — মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট — ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
এই গরমে ক্লান্তি লাগছে? দুটো খেজুর খান — শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি আসবে।
কতটুকু খাবেন?
প্রতিদিন ২-৩টি যথেষ্ট। ডায়াবেটিস রোগীরা ১-২টি খেতে পারবেন, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে। কিডনি রোগীরা সতর্কতার সাথে খাবেন।
খেজুর — বারো মাসই আপনার পাশে থাকতে পারত, আপনিই তাকে বছরে একমাসের কর্মচারী বানিয়ে রেখেছিলেন।
PushtiMela পুষ্টিমেলা

হাসান সাহেব জীবনে অনেক নিয়ম মেনে চলেন।ফজরের নামাজ পড়েন। অফিসে সময়মতো যান। মিথ্যা বলেন না।আর পেয়ারা খাওয়ার সময় — বি...
05/05/2026

হাসান সাহেব জীবনে অনেক নিয়ম মেনে চলেন।
ফজরের নামাজ পড়েন। অফিসে সময়মতো যান। মিথ্যা বলেন না।
আর পেয়ারা খাওয়ার সময় — বিচি কখনো গিলেন না।
এটা তার মায়ের শেখানো নিয়ম। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছেন — "বিচি খাস না, অ্যাপেন্ডিক্স হবে।"
৩৫ বছর ধরে প্রতিটি বিচি যত্ন করে বের করেন। বউকেও শিখিয়েছেন। বাচ্চাদেরও।
পুরো পরিবার বিচিমুক্ত পেয়ারা খায়।
একদিন বড় ছেলে জীববিজ্ঞান বই থেকে মুখ তুলে বলল —
"আব্বু, পেয়ারার বিচিতে অ্যাপেন্ডিক্স হয় না।"
হাসান সাহেব পেয়ারা থেকে চোখ তুললেন।
"কী বললি?"
"বইয়ে পড়লাম। অ্যাপেন্ডিক্সের কারণ ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন বা ব্লকেজ। বিচির সাথে এর কোনো প্রমাণিত সম্পর্ক নেই।"
হাসান সাহেব বললেন, "তোর বই ভুল।"
ছেলে চুপ করে গেল।
কিন্তু হাসান সাহেব সেদিন রাতে ঘুমাতে পারলেন না।
পরদিন অফিস থেকে ফেরার পথে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকলেন।
"ডাক্তার সাহেব, পেয়ারার বিচি খেলে কি অ্যাপেন্ডিক্স হয়?"
ডাক্তার সরাসরি বললেন —
"না। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। পেয়ারার বিচি এতটাই ছোট যে সহজেই হজম হয় বা বেরিয়ে যায়। বরং বিচিতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড। বিচি ফেলে দিলে এই পুষ্টি নষ্ট হয়।"
হাসান সাহেব একটু থামলেন। তারপর বললেন —
"আচ্ছা, আরেকটা কথা। আমার স্ত্রী বলেন রাতে পেয়ারা খেলে ঠান্ডা লাগে। এটা কি সত্যি?"
ডাক্তার একটু হাসলেন।
"পেয়ারা ঠান্ডা বা গরম কোনো খাবার না। রাতে খেলে ঠান্ডা লাগার কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ নেই। অনেকে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ঠান্ডা পেয়ারা খান, তখন গলায় একটু অস্বস্তি হয় — সেটাকেই মানুষ ঠান্ডা লাগা বলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিশ্বাস করে আসছে। পেয়ারার কোনো দোষ নেই।"
হাসান সাহেব মাথা নাড়লেন। তারপর আরেকটা প্রশ্ন করলেন —
"আমার শাশুড়ি বলেন ডায়াবেটিস রোগীরা পেয়ারা খেতে পারবে না, সুগার বেড়ে যাবে।"
এবার ডাক্তার একটু সোজা হয়ে বসলেন।
"একদম উল্টো। পেয়ারার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্র ১২ — যা প্রায় সব ফলের মধ্যে সবচেয়ে কম। এত কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের কারণে রক্তে সুগার ধীরে ধীরে যায়, হুট করে বাড়ে না। বরং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেয়ারা একটি আদর্শ ফল।"
হাসান সাহেব চেয়ারে হেলান দিলেন।
মাথায় হিসাব করছেন — বিচির অপরাধ নেই, রাতে খাওয়ার অপরাধ নেই, সুগার বাড়ানোর অপরাধ নেই।
তাহলে ৩৫ বছর ধরে পেয়ারাকে দোষ দিয়ে আসছেন কেন?
বাসায় ফিরলেন।
ডাইনিং টেবিলে বউ, শাশুড়ি, তিন বাচ্চা — সবাই বসে।
হাসান সাহেব ফ্রিজ থেকে পেয়ারা বের করলেন। কাটলেন।
বিচি বের করলেন না।
সবার দিকে তাকালেন।
"আজ থেকে নতুন নিয়ম। বিচিসহ খাবে।"
বউ বললেন, "অ্যাপেন্ডিক্স হবে না?"
"হবে না।"
শাশুড়ি বললেন, "রাতে খাচ্ছ কেন, ঠান্ডা লাগবে।"
"লাগবে না।"
ছেলে বলল, "আব্বু, আমি বলেছিলাম না?"
হাসান সাহেব তার দিকে তাকালেন।
"হ্যাঁ। তোর বই ঠিকই আছে।"
পেয়ারায় যা আছে তা জানলে আরো চমকে যাবেন —
একটা মাঝারি পেয়ারায় ২২৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন C — চারটা কমলালেবুর সমান। এই গরমে রোদে পোড়া ত্বক সারায়, শরীরের ক্লান্তি কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
পেয়ারার ৮০ ভাগ পানি — গরমে শরীর হাইড্রেটেড রাখে।
ফাইবার হজম ঠিক রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
লাইকোপেন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্তন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
পেয়ারার পাতার রস মাসিকের ব্যথা কমায় — ওষুধের বিকল্প হিসেবে।
কতটুকু খাবেন?
প্রতিদিন ১-২টি পেয়ারা, বিচিসহ। খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিন।
যাদের পেটের সমস্যা বা IBS আছে — একসাথে বেশি খাবেন না। কিডনি রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
পেয়ারা — যার বিরুদ্ধে এত মামলা, সব মামলাই মিথ্যা।
PushtiMela পুষ্টিমেলা

আনোয়ার সাহেবের সকালটা শুরু হতো একটা হলুদ কলা দিয়ে।সেটা ছিল তার ছোট্ট একটা সুখ।কিন্তু সুখ বেশিদিন টেকে না।একদিন চায়ের ...
04/05/2026

আনোয়ার সাহেবের সকালটা শুরু হতো একটা হলুদ কলা দিয়ে।
সেটা ছিল তার ছোট্ট একটা সুখ।
কিন্তু সুখ বেশিদিন টেকে না।
একদিন চায়ের দোকানে বসে আছেন — পাশ থেকে পাড়ার "ডাক্তার" মফিজ ভাই বললেন, বললেন মানে একটু জোরেই বললেন যাতে সবাই শুনতে পায়, "আরে আনোয়ার ভাই! কলা খান?! সর্বনাশ! সুগার যাবে বেড়ে, ভুঁড়ি যাবে বেড়ে — শেষে বিছানায় পড়বেন!"
চায়ের দোকানের সবাই তাকাল।
আনোয়ার সাহেব কলাটা পকেটে ঢুকিয়ে ফেললেন।
লজ্জায়।
(আপনিও কি কখনো এভাবে কারো কথায় থমকে গেছেন?)
সেদিন থেকে কলার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন।
তিন মাস কাটল। আনোয়ার সাহেব টের পাচ্ছেন রাতে ঘুম হচ্ছে না, সকালে উঠতে ইচ্ছে করে না, মেজাজ খিটখিটে।
বউ বললেন, "ডাক্তার দেখান।"
ডাক্তার রিপোর্ট দেখে ভ্রু কুঁচকালেন।
"পটাশিয়াম কম। ম্যাগনেশিয়াম কম। ঘুম খারাপ কেন? মেজাজ খারাপ কেন? কী বাদ দিয়েছেন খাবার থেকে বলুন তো?"
আনোয়ার সাহেব আস্তে করে বললেন, "কলা।"
ডাক্তার কলম রাখলেন। সোজা চোখে তাকালেন।
"কে বলেছে?"
"মফিজ ভাই — মানে পাড়ার—"
"তার ডিগ্রি কী?"
নীরবতা।
(এই নীরবতাটা চেনা লাগছে? আমরা সবাই কোনো না কোনো 'মফিজ ভাইয়ের' কথায় কিছু না কিছু ছেড়ে দিয়েছি।)
সেদিন আনোয়ার সাহেব অনেক কিছু জানলেন।
জানলেন একটা মাঝারি কলায় থাকে ৪২২ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম — যা হার্টের স্পন্দন ঠিক রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
জানলেন ভিটামিন B6 মস্তিষ্কে সেরোটোনিন তৈরি করে — সেরোটোনিন হলো সেই রাসায়নিক যেটা মানুষকে খুশি রাখে। যার কলা নেই, তার সেরোটোনিন নেই — তার মেজাজ খিটখিটে!
জানলেন ম্যাগনেশিয়াম স্নায়ু শান্ত করে, রাতে ভালো ঘুম আনে।
তারপর জিজ্ঞেস করলেন, "ডাক্তার সাহেব, শুনেছি খালি পেটে কলা খাওয়া নাকি খুব ক্ষতিকর?"
ডাক্তার একটু হাসলেন।
"সুস্থ মানুষের জন্য খালি পেটে কলায় কোনো সমস্যা নেই। তবে যাদের পেট একটু সংবেদনশীল, তারা সকালে অন্য কিছুর সাথে খেতে পারেন — যেমন একটু চিড়া বা রুটির সাথে। এটুকুই।"
"আর সুগার বাড়ে?"
ডাক্তার এবার হাসি থামাতে পারলেন না।
"কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্র ৫১। আপনি প্রতিদিন যে ভাত খান, সেটা ৭২। অর্থাৎ ভাত কলার চেয়ে অনেক দ্রুত সুগার বাড়ায়। মফিজ ভাইকে জিজ্ঞেস করুন — ভাত খান কিনা।"
আনোয়ার সাহেব বাড়ি ফিরলেন।
মনে একটাই প্রশ্ন — এতদিন দোষটা কলাকে দিলাম, অথচ আসল অপরাধী ছিল অজ্ঞতা।
পরদিন ভোরে উঠে প্রথম কাজ করলেন।
ফ্রিজ খুললেন। একটা পাকা হলুদ কলা বের করলেন।
খেলেন।
আর মনে মনে বললেন, "ভাই, তোমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি। মাফ করে দিও।"
🍌 কতটুকু খাবেন?
প্রতিদিন ১-২টি কলা যথেষ্ট। বেশি খেলে অতিরিক্ত পটাশিয়াম কিডনিতে চাপ দিতে পারে, ক্যালোরি বাড়তে পারে।
⚠️ কিডনি রোগী এবং যাদের পটাশিয়াম সমস্যা আছে — অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
💛 কলা — যাকে দোষ দিলেন বছরের পর বছর, সে আসলে ছিল আপনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু।
আনোয়ার সাহেবের মতো আপনিও কি কোনো একটা ভালো অভ্যাস ছেড়ে দিয়েছেন কারো কথায়? মনে পড়ছে? নিচে কমেন্ট করুন।
PushtiMela পুষ্টিমেলা

"একটি হলুদ ফল ও আমার বদলে যাওয়া বিকেলের গল্প"​সেদিন অফিস থেকে ফেরার পথে লিফটের আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখে নিজেই আঁতকে উঠল...
04/05/2026

"একটি হলুদ ফল ও আমার বদলে যাওয়া বিকেলের গল্প"
​সেদিন অফিস থেকে ফেরার পথে লিফটের আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখে নিজেই আঁতকে উঠলাম। চোখের নিচে কালি, চোয়াল ভেঙে গেছে, আর শরীরের ভেতর যেন কোনো প্রাণ নেই। বয়স মাত্র পঁয়ত্রিশ, কিন্তু সিঁড়ি দিয়ে দুই তলা উঠলেই বুক ধড়ফড় করে। মাসের অর্ধেক দিন কাটে অ্যাসিডিটির ওষুধ খেয়ে, আর বিকেলের পর শরীর এতটাই ছেড়ে দেয় যে মনে হয় বিছানা থেকে আর উঠতে পারব না।
​ভাবতাম, দামী সব মাল্টিভিটামিন বা এনার্জি ড্রিংক হয়তো আমার সমাধান। কিন্তু সমাধানটা লুকিয়ে ছিল রাস্তার ধারের একটা ছোট ঝুড়িতে।
​আমার পাশের ফ্ল্যাটের এক অবসরপ্রাপ্ত ডাক্তার চাচার সাথে সেদিন পার্কে দেখা। তিনি লক্ষ্য করলেন আমি একটু হাঁটতেই বেঞ্চে বসে হাঁপাচ্ছি। তিনি পকেট থেকে কোনো দামী ওষুধ নয়, একটা সাধারণ সাগর কলা বের করে দিলেন। আমি একটু ইতস্তত করে বললাম, "চাচা, খালি পেটে কলা খেলে তো গ্যাস হয় শুনেছি!"
​তিনি হাসলেন। বললেন, "ভুল ধারণা। শোনো, এই যে তুমি সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করো, এর একটা বড় কারণ তোমার শরীরে পটাশিয়ামের অভাব। আমাদের শরীরের কোষগুলোতে জলীয় ভারসাম্য রক্ষা করতে আর স্নায়ু সচল রাখতে পটাশিয়াম অপরিহার্য। আর কলার চেয়ে সহজলভ্য পটাশিয়ামের উৎস আর কী আছে?"
​তিনি আমাকে কলার ভেতরকার বিজ্ঞানটা বুঝিয়ে বললেন। একটি মাঝারি মাপের কলায় প্রায় ৪৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। তিনি আরও বললেন, "তুমি যে অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগো, তার কারণ তোমার পাকস্থলীর পিএইচ (pH) ব্যালেন্স ঠিক নেই। কলা একটি ন্যাচারাল অ্যান্টাসিড হিসেবে কাজ করে যা পাকস্থলীর দেয়ালে প্রলেপ তৈরি করে।"
​চাচা আমাকে একটা অদ্ভুত তথ্য দিলেন। কলায় থাকে ট্রিপটোফ্যান (Tryptophan) নামক এক ধরণের প্রোটিন, যা শরীরে গিয়ে সেরোটোনিন হরমোনে রূপান্তরিত হয়। এই হরমোনটাকেই বলা হয় 'হ্যাপি হরমোন'। অর্থাৎ, অবসাদ কাটাতে এর জুড়ি নেই।
​আমি সেদিন থেকে ট্রায়াল হিসেবে টানা ১০ দিন প্রতিদিন বিকেলে একটি করে কলা খাওয়া শুরু করলাম। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, ৩-৪ দিন পর থেকেই আমার বিকেলের সেই তীব্র ক্লান্তিটা গায়েব হয়ে গেল। আমার হজম প্রক্রিয়া এতটাই উন্নত হলো যে গ্যাসের ওষুধ খাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা হলো আমার মেজাজে; খিটখিটে ভাবটা কমে শরীর অনেক হালকা মনে হতে লাগল।
​এখন আমি অফিসের ব্যাগে সবসময় একটা কলা রাখি। এটি শুধু একটি ফল নয়, এটি আমার জন্য একটি প্রাকৃতিক পাওয়ার হাউজ। দাম দিয়ে কেনা এনার্জি ড্রিংকের চেয়েও এটি অনেক বেশি কার্যকর এবং নিরাপদ।
©pushtimela

Address

Kushtia Sadar

7000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PushtiMela পুষ্টিমেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Grocery Store?

Share