Freshfoodbd

Freshfoodbd we deliver to serve your faith. we Also serve authentic products.

12/06/2023
12/06/2023

প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম কাটলে এর ভেতরের শাসটি হবে লালচে হলুদ রংয়ের কিন্তু ফরমালিন যুক্ত আমের ভেতরের অংশটি হবে হালকা অথবা গাঢ় হলুদ রঙের। এর মানে হলো বাইরে থেকে আমটি পাকা দেখালেও ভেতরটি পাকা নয়।

01/08/2022

বর্তমান সময় পাকা আম খুব সহজলভ্য একটি ফল। আম যেমন সকলের কাছে খুব পছন্দের। তেমনি আমসত্ত্ব নাম শুনলেই এনেকের জ্বিভে পানি চলে আসে। তবে রোদে আমসত্ত্ব তৈরি করতে হলে রোদে শুকাতে হয়। তবে রাজধানির অনেক বাসায় রৌদই পাওয়া যায় না। সে ক্ষেত্রে অনেকের আমসত্ত্ব তৈরির ইচ্ছা থাকা সত্যেও তা তৈরি করতে পারেন না।

তাই আজ আপনাদের জানাবো কিভাবে রোদে শুকানো, চুলার নিচে শুকানোর ঝামেলা ছাড়াই তৈরি করবেন আমসত্ত্ব। চুলায় রান্না করেই তৈরি করবেন আমসত্ত্ব যেখনে নাই কোন ওভেনের ঝামেলা।

১। আম

২। চিনি

৩। বিট লবন

৪। ধনিয়া গুড়া

৫। শুকনো মরিচ

৬। ২টা ফুট কালার

প্রস্তুত প্রণালী:

প্রথমে ভাল ভাল আম বেছে নিবেন। তার থেকে কিছু আম সিদ্ধ করে চেলে নিবেন যাতে কোন আমের কোন আশঁ না থাকে। যে পরিমান আম নিতে হবে ঠিক সে পরিমান চিনি নিতে হবে। যদি ৪ কাপ আম নেয়া হয় তবে ৪ কাপ চিনি নিতে হবে। এর সাথে এক চামচ বিট লবন নিতে হবে। তারপর এগুলো জ্বাল দিয়ে ঘন করতে হবে। কালার মিলাতে চাইলে যখন ঘন হয়ে যাবে তখন অর্ধেক পরিমান তুলে নিতে হবে। আর কালার না মিলাতে চাইলে রান্না করে একেবারে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এর সাথে এক চামচ ভাজা মসলা নিতে হবে। ভাজা মসলা হিসেবে ধনিয়া গুড়া এবং শুকনো মরিচ ভেজে নেয়া জেতে পারে। সেই সাথে নিয়ে নিতে হবে ২ টি ফুট কালার। যে অর্ধেক আপনি জ্বাল দিয়ে শুকিয়ে নিবেন। তার সাথে একটি কালার মিক্স করে জ্বাল দিতে হবে ঘন হয়ে গেলে একটি বোর্ডের ওপর তেল লাগিয়ে তার ওপর এটি নামিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে।

বাকি যে অংশ নামিয়ে রাখছিলেন সে অংশ এবার তৈরি করতে হবে। বাকি অংশ আবার চুলায় দিয়ে দিতে হবে। তার সাথে দিতে হবে ভাজা মসলা এবং আর একটি রং। তারপর এটি ভালো করে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হলে একটি বোর্ডের ওপর ঢেলে এটি ঠান্ডা করে নিতে হবে। তারপর এটি যখন ঠান্ডা হয়ে শক্ত হয়ে যাবে তখন কেটেঁ নিতে হবে। এ ভাবেই আপনি রৌদ ছাড়া খুব সহজে তৈরি করে নিতে পারেন মজাদার আমসত্ত্ব।

27/07/2022

Are You Entrepreneur Or Wantrepreneur
Entrepreneur এই শব্দটিকে একটু ব্যঙ্গাত্মক সুরে wantrepreneur হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগে উদ্যোক্তা নাম টা শুনলেই অনেকে খুব একটা দাম দিতো না আর এখন এটার ভ্যালু এড হয়েছে। পাশাপাশি অনেক সো কল্ড উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে যারা নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে দাবী করলেও সঠিক উদ্যোক্তা নন। আর তাদেরকে আমরা Wantrepreneur বলতে পারি।
এদের সমস্যা গুলো হলোঃ
মুড সুইংঃ দফায় দফায় যদি কোনো মানুষের কাজ করার ক্ষেত্রে মোটিভেশন পরিবর্তন হয় বা যখন তখন প্ল্যান পরিবর্তন হয় তাহলে সেই মানুষের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে না। সে অর্থের পেছনে ছোটে। আত্মবিশ্বাস নেই ওই ব্যক্তির। তাহলে কখনোই সে উদ্যোক্তা হতে পারবে না, সে একজন wantrepreneur.
আলসেমিঃ একজন উদ্যোক্তা কে হতে হয় কঠোর পরিশ্রমী ও দৃঢ় প্রত্যয়ী। প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ দেখে, শুনে, বুঝে নিতে হয়। সফল হবার একটা মানসিকতা কাজ করে, লোভের জন্য নয়। সুতরাং প্ল্যান অনুযায়ী পুরোদমে লেগে থাকেন যিনি তিনিই প্রকৃত উদ্যোক্তা। তানাহলে তিনি হবেন wantrepreneur.
ক্লোন প্ল্যানঃ আপনার ব্যবসা বা কোনো উদ্যোগের মধ্যে আপনার স্বকীয়তা থাকা অত্যাবশ্যক। হ্যাঁ, আপনি আইডিয়া নিয়ে মোটিভেটেড হতে পারেন, তবে পুরোপুরিভাবে অপরের পদ্ধতি কপি করতে পারেন না। এতে আপনার নিজস্বতা নষ্ট হয়। হয়তো কিছুদিন আপনি কনজিউমার এর কাছাকাছি থাকবেন কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রথমজনের কাছেই মানুষ যাবে। সুতরাং উদ্যোক্তা হবার আগে আপনি কেন ব্যতিক্রম অন্য উদ্যোক্তাদের থেকে সেইটা খুঁজে বের করুন, তানাহলে আপনি wantrepreneur হিসেবে থেকে যাবেন।

19/07/2022

পানি আমাদের শরীরের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। শরীরকে হাইড্রেট রাখতে ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে পানি। সকালে খালি পেটে পানি পান করলে তা বিপাকীয় হারকে প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে। আর এটি করলে তা খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

18/07/2022

এই তীব্র গরমে নিজেকে সুস্থ রাখা জরুরি। গরমে সুস্থ থাকতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, তীব্র গরমে স্বাস্থ্যের ওপরে যে প্রভাব পড়ে, এতে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ গরমে কী করতে পারেন, সে পরামর্শগুলো দেখে নিতে পারেন।
১. সরাসরি রোদে যাওয়া থেকে বা অধিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে বেলা ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত সরাসরি রোদে যাবেন না। এই সময়টা দিনের সবচেয়ে বেশি গরম থাকে।
২. সূর্যের আলো থেকে চোখ সুরক্ষার জন্য রোদচশমা ব্যবহার করুন। এ ছাড়া সূর্যের আলোয় সরাসরি যাওয়ার পরিবর্তে মাথায় ছাতা, টুপি, পায়ে জুতা-স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
৩. তৃষ্ণা না পেলেও প্রচুর পানি পান করুন। পানি ছাড়াও ডাব, জুস, লাচ্ছি, লেবুপানি, দই প্রভৃতি খেতে পারেন। এতে শরীর আর্দ্র থাকবে।
৪. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে অল্প অল্প খান।

৫. কোথাও যাওয়ার আগে সঙ্গে পানি অবশ্যই নেবেন।
৬. সুযোগ থাকলে একাধিকবার গোসল করতে পারেন। বিশেষ করে, ঘুমানোর আগে গোসল করে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকবে।
৭. হালকা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরবেন।
৮. ঘর যাতে ঠান্ডা থাকে এবং ঘরে যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সে সুযোগ রাখবেন।
৯. কারও যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও মাথা ঝিমঝিম করে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
১০. গরমের দিনে খাবার সামান্য এদিক-ওদিক হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়। বাইরের খাবার খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।
১১. গরমে আর ক্লান্তিতে বাইরের খোলা খাবার ও পানীয় গ্রহণের হার বেড়ে যায়। তার ওপর গরমে সহজেই খাদ্যদ্রব্য দূষিত হয়। বাড়ে মাছি ও পোকামাকড়ের বিস্তার, যা রোগবালাই ছড়াতে সাহায্য করে। এসবের ফলে বাড়ে পানি ও খাবারবাহিত রোগের প্রকোপ। এর মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো জন্ডিস। জন্ডিস থেকে বাঁচতে, বিশেষ করে রাস্তার খোলা খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
১২. গ্রীষ্মের অতিরিক্ত গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অতিরিক্ত গরমে প্রচুর পানি পান করা উচিত। প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার গোসল করা প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত একবার গোসলের সময় সাবান মাখতে হবে। ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
১৩. গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম হিটস্ট্রোক। চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে তাকে হিটস্ট্রোক বলে। হিটস্ট্রোক এড়াতে যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন। পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয়, যেমন: খাবার স্যালাইন, ফলের রস, লাচ্ছি ইত্যাদিও পান করতে হবে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয়, যেমন: চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।
১৪. গরমে প্রচুর সবজি খেতে পারেন। শসা, টমেটো, ক্যাপসিকাম, লাউ, শাক-পাতা আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন। তথ্যসূত্র: জিনিউজ, বারডেম

আমসত্ব হলো আম থেকে তৈরি একটি মিষ্টিজাতীয় খাবার যা বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের কাছে জনপ্রিয়। আমসত্ব আমের...
22/06/2022

আমসত্ব হলো আম থেকে তৈরি একটি মিষ্টিজাতীয় খাবার যা বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের কাছে জনপ্রিয়। আমসত্ব আমের মৌসুমে পাঁকা আমের রসালো অংশ থেকে প্রস্তুত করা হয়। আমসত্বের উল্লেখ বাংলা সাহিত্যে বহুবার পাওয়া গিয়েছে।

উপকরণ
১) আম চটকে নেয়া ( মিষ্টি আমসত্ত্ব খেতে চাইলে পাকা আম আঁটি ফেলে চটকে নেবেন। আর টক মিষ্টি খেতে চাইলে কাঁচা ও পাকা আম মিলিয়ে নেবেন। সেক্ষেত্রে কাঁচা আম সিদ্ধ করে আঁটি ফেলে চটকে নিতে হবে)

২) চিনি (যতখানি আম তার সম পরিমাণ চিনি। এক কাপ আম হলে ১ কাপ চিনি। তবে নিজের স্বাদ অনুযায়ী দেয়া যাবে)

৩) সরিষার তেল প্রয়োজনমত

প্রস্তুত প্রণালি
পাকা আম চটকে নিতে হয় ভালো মত। তারপর ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করে ফেলতে হবে কোন জল যোগ ছাড়া। আমে আঁশ থাকলে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে। এবার একটি ভারি তলার কড়াইতে এই আম ও চিনি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ঘন ঘন নাড়তে হবে। আম থকথকে জেলির মত হয়ে গেলে নামিয়ে নিতে হয়। এবার একটি বাঁশের কুলা বা ডালায় সরিষার তেল মাখিয়ে তার ওপরে এই জ্বাল দেয়া থকথকে আম হাত দিয়ে লেপে দিতে হয়। তারপর এই কুলা বা ডালাকে রেখে দিতে হয় উনানের নিচে বা রোদে দেওয়া হয়, তবে রোদের দেয়া সমস্যা থাকলে উনানের নিচে রেখে দিলেও চমৎকার আমসত্ত্ব হবে। চাইলে ওভেনেও বেক করা যেতে পাড়ে। ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বেক করতে পারেন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। একটি লেয়ার শুকিয়ে গেলে ওপরে আরও একটি লেয়ার দেয়া হয়। প্রত্যেকটি লেয়ার দেয়ার পরই ভালো করে শুকিয়ে নিতে হয়। শুকিয়ে গেলে তুলে এয়ার টাইট কৌটায় ভরে সংরক্ষণ করা হয়।

অর্গানিক মানে জৈব। অর্থাৎ রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক ছাড়া ফসলকে অর্গানিক ফসল বলা হয়। চাষাবাদের ক্ষেত্রে যদি সবজি, ফল, ফ...
18/06/2022

অর্গানিক মানে জৈব। অর্থাৎ রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক ছাড়া ফসলকে অর্গানিক ফসল বলা হয়। চাষাবাদের ক্ষেত্রে যদি সবজি, ফল, ফসল ইত্যাদিতে রাসায়নিক সার এবং বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার না করে শুধুমাত্র জৈব সার ব্যবহার করা হয়, তাহলে সেই সবজি, ফল, ফসল ইত্যাদি কে অর্গানিক সবজি, ফল, ফসল বলা হয়।

18/06/2022

মানুষ কীভাবে সুস্থ থাকতে পারে এবং কোন উপায়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, সেটি নিয়ে নানামুখী গবেষণা হয়েছে বিশ্বজুড়ে।

চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়।

এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা।

মানুষ সচরাচর যে ধরণের খাবার খায়, সেগুলো হচ্ছে - শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার।

এ ধরণের খাবার শরীরের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নির্ভর করে ভিটামিন এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট-এর উপর।

দুগ্ধজাত খাবার
দুগ্ধজাত খাবারগুলো বিজ্ঞানের ভাষায় প্রোবায়েটিকস হিসেবে পরিচিত। যেমন- দই, ঘোল, ছানা ইত্যাদি।

মানুষের পাকস্থলিতে যে আবরণ আছে, সেটার ভেতরে বেশ কিছু উপকারী জীবাণু কার্যকরী হয়।

বাংলাদেশের একজন চিকিৎসক হাসান শাহরিয়ার কল্লোল বলেন, পাকস্থলীতে যদি উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে যায় তখন সেখানে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে।

দুগ্ধজাত খাবারগুলোর পাকস্থলীতে উপকারী জীবাণুকে বাঁচিয়ে রাখে। ভিটামিন ডি এর জন্য দিনের কিছুটা সময় শরীরে রোদ লাগাতে হবে। এটা খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনাচরণের সাথে সম্পৃক্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক নাজমা শাহীন বলেন, যার শরীরের গঠন ভালো এবং সেখানে কোন ঘাটতি থাকবে না, তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হবে।

তিনি বলেন, যেমন শিশু জন্মের পর থেকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

13/06/2022

জৈব খাদ্য বা অর্গানিক ফুড হল সেই সব খাবার যা উৎপাদনে কোনো ধরনের রাসায়নিক সার, এন্টিবায়োটিক, হরমোন বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। জৈব সার ব্যবহার করে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত খাদ্য হল জৈব খাদ্য।

Address

Sadi Place, West Shewrapara, Mirpur Dhaka
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Freshfoodbd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Freshfoodbd:

Share