06/04/2025
ইতিহাস একদিন বলবে গাজা একাই লড়েছিলো।
প্রায় ২০০ কোটি মুসলিম তাকিয়ে দেখেছিলো। কয়েক ঘন্টা বাদেই পৃথিবী থেকেই গা'জাবাসি মুছে যাবে! রা*ফাহ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, সেখানে আর কেউ নেই। গা*জা ও প্রায় শেষ ফি*লি*স্তি-নে আর উল্লেখযোগ্য কিছু হয়তো থাকবেনা। এখন পৃথিবীর বৃহত্তম কবরস্থান ফি*লি*স্তি*ন।
সেখানে জায়গায় জায়গায় ফ্লো'রিন বো*মা ব্যবহার করা হচ্ছে এবং প্রতি ২০ সেকেন্ডে একটি করে মি*সা*ইল লঞ্চ করা হচ্ছে। পুরো গা*জা বসবাসের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে!
আলজাজেরা, CNN ,NBC সব সংবাদকর্মীদের গা*জা ছাড়ার জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছে IDF (isr*ael Defence force )
সেখানে মানুষ ও মানবতাকে দা*ফন করা হয়েছে।
মুসলিম বিশ্ব কি জবাব দিবে আল্লাহর দরবারে!
ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।
মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।
সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু, গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।
সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..
গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু, গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।
সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।'