Lateefah-লাতীফা

Lateefah-লাতীফা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lateefah-লাতীফা, Supermarket, Shirajdikhan, Munshiganj.
(2)

দুই দিনের দুনিয়ায় এতো চিন্তা করিয়েন না মেসেজ দেন অর্ডার কনর্ফাম করি।কি লাগবে বলুন? হাসি মুখে লাতীফার সাথে চলুন।🛍️

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

> “সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিনে নবী, সত্যবাদী এবং শহীদদের সাথে থাকবে।”
(তিরমিজি, হাদিস: 1209)

10/08/2026

বাংলাদেশের কিছু মানুষ আছে বলবে জমজমের পানি নিয়েও ব্যবসা?? সৌদিতে সুপার শপে,এয়ারপোর্টেও জমজম সেল করে। হাজিরা তো জমজমের পানি কিনেই আনে। একটা নর্মাল জিনিস বুঝেন। কেউ সৌদি থেকে জমজমের পানি এনে সৌদির দামে সেল করবে? কেন করবে? সে যে ৫ লিটার পানি ক্যারি করে আনলো সেটা তো এভাবে দিবে না। লাতীফাতে জমজমের পানি কালেক্ট করা হয় মুয়াল্লিমদের থেকে। কয়েক টা মাধ্যম পার করে জমজমের পানি আসে। এগুলো নিয়ে একটু স্টাডি করেন, জানেন।

বীরে শিফার পানি, রওহার পানি এগুলো আনতে যেতে হয় বদরে। এয়ারপোর্টে চেক করলে অনেক সময় আনতেও দেয় না। তাই এগুলো চাইলেই পাওয়া যায় না। বীরে গারসের পানি আমাদের স্টকে নেই, এই পানি যারা নিজেরা সরাসরি গিয়ে কিনে সেটাই ব্যয়বহুল। আর মুয়াল্লিমদের মাধ্যমে আনালে তো আরো বেশি। সৌদিতে জমজমের পানি সহ এগুলো সেল করা জায়েজ এবং করতেছেও। কিন্তু বাংলাদেশে আসলেই দেখি সবাই ফতোয়া দেওয়া শুরু করে। জানার পরিধি টা বাড়ান,কাজে লাগবে। দ্বীনের বেসিক বুঝ টা তো অন্তত আমাদের আছে আলহামদুলিল্লাহ। কোনটা জায়েজ কোনটা না জায়েজ কোন পন্যতে কতো খরচ সেটা আমরা জানি। কুরিয়ার খরচ,বাবল পলি,box প্যাকেজিং, স্কচটেপ। আবার যারা ৫ লিটার থেকে ভেঙে ২৫০ মিলি,৫০০ মিলি করে নেয় তাঁদেরকে ফুড গ্রেডের বোতলকে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে তারপর প্যাকেজিং করতে হয়। আর জমজমের পানি মানে ওরিজিনাল জমজমের পানি ব্যাস। কারো ভালো লাগলে নিবে নাহলে সালাম। আমার হালাল ব্যবসায় কেউ ট্রিগার করলে সেটা আমি মেনে নেই না৷ মনে চাইলে অর্ডার করবেন নাহলে না। আমি আমার জায়গা থেকে সৎ আলহামদুলিল্লাহ।

ভিডিও ফ্রম- মদিনার ধূলিকণা


10/08/2026

আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল,সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে।সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন,নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ)
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস,মদিনার রাস্তা,সব কিছু কেমন আরামদায়ক।আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন।রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন।কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে,কোলে উঠবে,মুরগি খাবে।আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন,সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন।মনে হবে,আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,কত দিনের চেনা।
আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।

সিম্পল কিছু কাজ।৷ কিন্ত এই কাজের যে শান্তি,দুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়,একবার হলেও মদিনায় যাবেন,বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন।
সংগৃহীত ____

হে কাবার মালিক!
কবুল করে নেন আমাদের

-সংগৃহীত


#দোয়া

10/08/2026

আল্লাহ বলেন—

“আমিই আমার বান্দাদের রিজিক দিই, আর আমিই তাদের রিজিক সংকুচিত করি—তাদের কৃতকর্মের কারণে।”

তাই রিজিকের ব্যাপারে হতাশ হবেন না; বরং নিজের আমল ও গুনাহের দিকে ফিরে তাকান। বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন, তাওবা করুন এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন।

কারণ রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ।
তিনি চাইলে অল্পে বরকত দেন, বন্ধ দরজা খুলে দেন এবং অসম্ভব জায়গা থেকেও রিজিকের ব্যবস্থা করে দেন।

আল্লাহুম্মাগফিরলি
হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমার রিজিকে বরকত দিন। আমিন।


#দোয়া

রিজিক বৃদ্ধির ৫ আমল!রিজিক নিয়ে সবাই দুশ্চিন্তায় থাকেন! যতো উপার্জন হোক না কেনো, মনে হয়, আরেকটু যদি হতো!তারওপর বিপদ লেগেই...
10/08/2026

রিজিক বৃদ্ধির ৫ আমল!


রিজিক নিয়ে সবাই দুশ্চিন্তায় থাকেন! যতো উপার্জন হোক না কেনো, মনে হয়, আরেকটু যদি হতো!

তারওপর বিপদ লেগেই থাকে। প্রত্যেক মাসে চিন্তা থাকে, এই মাসে কিছু একটা করবো। কিন্তু বিপদ, অসুস্থতা কিংবা হঠাৎ কোনো প্রয়োজনের কারণে টাকা যে কীভাবে ব্যয় হয়ে যায়, হিসেব পাওয়া যায় না।

এই যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেশিরভাগ সময় রিজিক নিয়ে পেরেশানি, সেটা দূর করার উপায় কী?

উপায় হলো, যিনি রিজিকের মালিক, তিনি রিজিক নিয়ে কী বলছেন সেটা ফলো করা। রিজিক শুধুমাত্র অনেক চেষ্টা করে যাওয়ার নাম না; রিজিক হলো মালিকের কাছ থেকে চেয়ে নেওয়ারও নাম।

আমাদেরকে যেমন চেষ্টা করতে হবে, তেমনি আল্লাহর কথামতো রিজিক তাঁর কাছে চাইতে হবে, আমল করতে হবে।

আল্লাহ কুরআনে এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর হাদিসে রিজিকের বরকতের কিছু পথ আমাদের দেখিয়েছেন।

১. তাকওয়া অবলম্বন করা

রিজিকের সঙ্গে তাকওয়ার সম্পর্কটা আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। আমরা মনে করি, বেশি রিজিক মানেই বেশি পরিশ্রম, বেশি ব্যবসা, বেশি সুযোগ। অথচ আল্লাহ বলছেন, তাঁর ওপর তাকওয়া অবলম্বন করাও রিজিকের একটি দরজা।

আল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন এবং তাকে রিজিক দেন এমন উৎস থেকে, যা সে কল্পনাও করে না।”
সূরা আত-তালাক, ৬৫:২-৩।

অর্থাৎ, এমন জায়গা থেকেও রিজিক আসতে পারে, যার কথা মানুষ আগে কখনো চিন্তাই করেনি।

আর রিজিকের ব্যাপারে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথাযথভাবে তাওয়াক্কুল করতে, তাহলে তিনি তোমাদেরকে পাখির মতো রিজিক দিতেন। তারা সকালে খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।” (জামে আত-তিরমিযি, ২৩৪৪; সুনান ইবনে মাজাহ, ৪১৬৪)

পাখি কিন্তু বাসায় বসে থেকে রিজিকের অপেক্ষা করে না। সকালে বের হয়, চেষ্টা করে, তারপর আল্লাহ তার রিজিকের ব্যবস্থা করেন।

অর্থাৎ, তাওয়াক্কুল মানে চেষ্টা ছেড়ে দেওয়া নয়। চেষ্টা করতে হবে, কিন্তু ভরসা রাখতে হবে রিজিকের মালিকের ওপর।

২. বেশি বেশি ইস্তিগফার ও তাওবা করা

কখনো কখনো আমরা রিজিকের সমস্যা সমাধানের জন্য চারদিকে তাকাই, কিন্তু নিজের আমলনামার দিকে তাকাই না।

অথচ নূহ (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন, “তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন।” (সূরা নূহ, ৭১:১০-১২)

খেয়াল করুন, এখানে ইস্তিগফারের পরই এসেছে বৃষ্টি, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির কথা।

তাই রিজিকের জন্য শুধু নতুন নতুন রাস্তা খোঁজার পাশাপাশি পুরোনো গুনাহগুলো থেকেও ফিরে আসতে হবে। মুখে শুধু “রিজিক চাই” বললেই হবে না, আল্লাহর কাছে ক্ষমাও চাইতে হবে।

ইস্তিগফার শুধু গুনাহ মাফের আমল নয়, বরং আল্লাহর রহমত ও বরকত পাওয়ারও একটি দরজা।

৩. নামাজকে জীবনের অগ্রাধিকার দেওয়া

আমরা রিজিকের জন্য সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছুটতে পারি। ব্যবসা, চাকরি, অফিস, মার্কেট, মিটিং, পরিকল্পনা, পরিশ্রম, সবকিছু করতে পারি। কিন্তু নামাজের সময় এলে যদি মনে হয়, “এখন সময় নেই”, তাহলে আমাদের অগ্রাধিকারটা কোথায়, সেটাও একবার ভাবা দরকার।

আল্লাহ বলেন, “তোমার পরিবারকে নামাজের নির্দেশ দাও এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকো। আমি তোমার কাছে কোনো রিজিক চাই না; আমিই তোমাকে রিজিক দিই।” (সূরা ত্ব-হা, ২০:১৩২)

কী অসাধারণ কথা!

নামাজের জন্য সময় দিলে রিজিকের সময় কমে যাবে, এমন নয়। বরং আল্লাহ নিজেই জানিয়ে দিচ্ছেন, রিজিক দেওয়ার দায়িত্ব তাঁর।

তাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি বানাতে হবে। তাহাজ্জুদও আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদত। তবে তাহাজ্জুদকে “রিজিক বৃদ্ধির নিশ্চিত আমল” হিসেবে নির্দিষ্ট করে কোনো সহিহ হাদিসের বক্তব্য না থাকায়, এখানে মূল দলিল হিসেবে নামাজের ব্যাপারে কুরআনের এই নির্দেশনাই যথেষ্ট।

৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক রাখা

রিজিকের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু আল্লাহর সঙ্গে নয়, মানুষের সঙ্গেও জড়িত।

বিশেষ করে আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। কারও সঙ্গে মনোমালিন্য হয়েছে, কথা বন্ধ, ফোন আসে না, খোঁজ নেওয়া হয় না, অথচ মনে হয় রিজিকে কেন বরকত নেই!

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি কামনা করে যে, তার রিজিক প্রশস্ত করা হোক এবং তার আয়ু বৃদ্ধি করা হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” (সহিহ আল-বুখারি, ৫৯৮৬; সহিহ মুসলিম, ২৫৫৭)

অর্থাৎ, রিজিকের বরকতের একটি রাস্তা হলো সিলাতুর রাহিম, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা।

তাই আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করুন। অভিমান থাকলে কমান। ফোন করে খোঁজ নিন। প্রয়োজন হলে পাশে দাঁড়ান।

হয়তো সেই ফোনকলের বিনিময়ে কোনো টাকা পাওয়া যাবে না। কিন্তু আল্লাহর কাছে সেই সম্পর্ক রক্ষা করাটাই আপনার রিজিকের বরকতের কারণ হয়ে যেতে পারে।

৫. সাদাকাহ করা

রিজিকের ব্যাপারে আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলোর একটি হলো, “আমার কাছে টাকা কম, তাই এখন দান করার সময় নয়।”

অথচ ইসলাম আমাদের উল্টো একটা শিক্ষা দেয়।

আল্লাহ বলেন, “তোমরা যা কিছু আল্লাহর পথে ব্যয় করো, তিনি তার পরিবর্তে তা দিয়ে দেন।”
(সূরা সাবা, ৩৪:৩৯)

আর রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “সাদাকাহ সম্পদ কমিয়ে দেয় না।” (সহিহ মুসলিম, ২৫৮৮)

অর্থাৎ, দান করলে হাতে থাকা টাকার অঙ্ক কমে যেতে পারে, কিন্তু আল্লাহর কাছে সেটাই সম্পদ কমে যাওয়া নয়।

তাই সামর্থ্য অনুযায়ী সাদাকাহ করুন। কাউকে খাবার খাওয়ানো, কোনো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, গোপনে সাহায্য করা, কিংবা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সম্পদ ব্যয় করা, সবই সাদাকাহর অংশ হতে পারে।


রিজিকের চিন্তায় আমরা অনেক সময় শুধু হিসেব করি, কীভাবে আয় বাড়াবো?
কিন্তু এর সঙ্গে আরেকটি প্রশ্নও করা দরকার, কীভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবো?

কারণ রিজিক শুধু ব্যাংক ব্যালেন্সের নাম নয়। রিজিক হলো এমন অর্থ, যা হালাল পথে আসে এবং তাতে বরকত থাকে।

রিজিক হলো এমন উপার্জন, যা দিয়ে পরিবারের প্রয়োজন মেটে, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়, আল্লাহর পথে খরচ করা যায়।

তাই চেষ্টা করুন। হালাল পথে উপার্জনের চেষ্টা করুন।
সঙ্গে তাকওয়া অবলম্বন করুন, ইস্তিগফার করুন, নামাজ ঠিক করুন, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখুন এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সাদাকাহ করুন।

তারপর ফলাফলের চিন্তাটা ছেড়ে দিন সেই সত্তার ওপর, যিনি বলেছেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহই রিজিকদাতা, শক্তির অধিকারী, পরাক্রমশালী।” (সূরা আয-যারিয়াত, ৫১:৫৮)
-আরিফুল ইসলাম।

✨ লাতীফাতে ওরিজিনাল জমজমের পানি পাওয়া যায়। আপনারা জমজমের পানি নিয়ত করে খেয়ে দোয়া করতে পারেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«مَاءُ زَمْزَمَ لِمَا شُرِبَ لَهُ»
“জমজমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, সে উদ্দেশ্যেই তা (উপকারী)।”
— ইবন মাজাহ, ৩০৬২

যদি চান আপনার দুয়া কবুল হোক, জীবনটা আল্লাহর রহমত দ্বারা ভরপুর হোক  এবং রিজিকে অনেক অনেক বারাকাহ আসুক তাহলে প্রচুর পরিমাণ...
10/08/2026

যদি চান আপনার দুয়া কবুল হোক, জীবনটা আল্লাহর রহমত দ্বারা ভরপুর হোক এবং রিজিকে অনেক অনেক বারাকাহ আসুক তাহলে প্রচুর পরিমাণে দুরুদ পড়ুন।

কারণ আপনি যখন পড়বেন আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ অর্থাৎ আল্লাহ আপনি আমাদের নবীজি (সাঃ) এর রহমত বর্ষন করুন তখন এই রহমতের দুয়া ফেরেশতারাও আমাদের জন্য করবেন। আর রাসূলুল্লাহ (সা:) এর উপর দুরুদ যেহেতু সবসময় কবুল হয় সেই বরকতে আশা করা যায় যে, আল্লাহ আমাদের উপরও রহমত বর্ষন করবেন এবং আমাদের দুয়াগুলোও কবুল করে নিবেন ইনশাআল্লাহ।
-sadia samha

✨ লাতীফার এই তাসবিহ কাউন্টার গুলো স্টক করা হয়েছে। যারা চাচ্ছিলেন অর্ডার করতে ইনবক্স করবেন।

আতরের কড়া ঘ্রাণ জ্বীনদের জন্য অনেক কষ্টদায়ক... একবার এক মাদ্রাসা মসজিদে এক কড়া ঘ্রাণের আতর মেরে এশা নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম...
10/08/2026

আতরের কড়া ঘ্রাণ জ্বীনদের জন্য অনেক কষ্টদায়ক...

একবার এক মাদ্রাসা মসজিদে এক কড়া ঘ্রাণের আতর মেরে এশা নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম...মাদ্রাসার ছোট ছোট বাচ্চা যারা হিফয করতেছে তাদের পাশে দাঁড়ানোর পর...৪-৫ জন বাচ্চার জ্বীন উঠে যায় তাদের কেউ কেউ বমি করা শুরু করে।

এরপর থেকে আমি সেই মসজিদে গেলে ঐ ছেলে গুলো আমার পাশে ভয়ে দাঁড়াতো না।
-Ruqayyah Zone

✨ লাতীফাতে ওরিজিনাল এবং সিনথেটিক কস্তরি আতর পাওয়া যায়। সেনথেটিক টাও ভালোই কড়া, অনেকে বাজেটের জন্য ওরিজিনাল টা নিতে পারেন না। তারা সেনথেটিক টা ট্রাই করতে পারেন।তবে বাজেট থাকলে ওরিজিনাল কস্তরির আতর ব্যবহার করাই ভালো। জ্বী*ন যাদু*র রোগীদের জন্য অনেক কার্যকরী

আল্লাহ তার বান্দার প্রতি কতোটা দয়ালু..⁉️বেশ কিছু দিন আগে এক আপু লাতীফা থেকে জমজমের পানি অর্ডার করেন। পরে দেখি রাইডার নোট...
10/08/2026

আল্লাহ তার বান্দার প্রতি কতোটা দয়ালু..⁉️

বেশ কিছু দিন আগে এক আপু লাতীফা থেকে জমজমের পানি অর্ডার করেন। পরে দেখি রাইডার নোট দিয়েছেন লোকেশন পরিবর্তন হবে। কাস্টমার আগে হসপিটালের লোকেশন দিয়েছিলো পরে বাসার টা। আপুকে কল দিলাম, উনার কন্ঠ শুনেই মনে হলো অসুস্থ তাই জমজমের পানি লাগবে। আমি অনেক কষ্টে লোকেশন টা পরিবর্তন করে জমজমের পানি পাঠালাম। উনার সেই ভাঙ্গা ভাঙ্গা কাঁদো কাঁদো কন্ঠ আমার এখনো মনে আছে। মেইনলি উনার পায়ে অপারেশন হয় বয়স একদম ই কম। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সুস্থতা দান করুন। ( আমিন)
গত পরশু দিন উনি লাতীফাতে জমজমের পানি অর্ডার করে যেহেতু আজকে এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট দিবে তখনই দোয়া চায় এবং গত কালকে পার্সেল পেয়েও গিয়েছে। আমি সকাল থেকে উনাকে আর নক দেই নি যেহেতু এবার পাশের হার ই কম। বার বার উনাকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছিলো আবার অসুস্থ মানুষ কিভাবে পরীক্ষা দিয়েছে। একটু আগে আপু নক করে বললো উনি গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছেন। মাশা-আল্লাহ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। বিশ্বাস করেন, উনার সাথে কলে আমার একবার ই কথা হয়েছে। কালকেও মেসেজ দিয়েছেন, দোয়া চেয়েছেন। আমার খুশিতে কান্না আসছে...
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনাদের দুনিয়া এবং আখিরাতকে সুন্দর করুন,আপনাদের সব নেক চাওয়া পাওয়া পূরন করুন।( আমিন, সুম্মা আমিন)
আপনি বিশ্বাস রাখেন আপনার আল্লাহ সব পারে,উনার সম্পদের ভান্ডার অসীম,আল্লাহ আপনাকেও দিবে, আপনি যা চাচ্ছেন তার থেকেও অনেক অনেক বেশি আল্লাহ দিবেন। আপনি শুধু চাওয়ার মতো চান..

فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
“অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?”
— সূরা আর-রহমান, ৫৫:১৩


#দোয়া

10/08/2026

এসএসসিতে রেজাল্টের কি অবস্থা?? আপনাদের আপডেট জানান??

09/08/2026

যদি আল্লাহ আপনার জন্য কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে নির্ধারণ করে রাখেন, তাহলে নিশ্চিন্ত থাকুন—সঠিক সময়ে, সঠিক উপায়ে আল্লাহ তার হৃদয়ে আপনার জন্য ভালোবাসা, মায়া ও গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করে দেবেন।

তাই কারও ভালোবাসা পাওয়ার জন্য নিজেকে ছোট করবেন না।
কারও মন জয়ের জন্য নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেবেন না।
যে সম্পর্কের জন্য আপনাকে নিজের মর্যাদা হারাতে হয়, সেটার জন্য নিজেকে ভেঙে ফেলবেন না।

মনে রাখবেন—

আল্লাহ আপনার জন্য যা লিখে রেখেছেন, তা পৃথিবীর কেউ আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে পারবে না। আর যা আপনার জন্য নির্ধারিত নয়, তা পুরো পৃথিবী চাইলেও আপনার হবে না।

নির্ধারিত সময়ে, আল্লাহর নির্ধারিত উপায়ে, আপনার জন্য যা কল্যাণকর—তা আপনার কাছেই পৌঁছাবে ইনশাআল্লাহ।

তাই অপেক্ষার সময়টুকু হতাশায় নয়,
দোয়া, সবর ও তাওয়াক্কুলে কাটান।

নিজেকে কারও জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুন্দর করে গড়ে তুলুন।

আপনার রবের ওপর ভরসা রাখুন।
তিনি জানেন—আপনার হৃদয় কী চায়, আর আপনার জন্য আসলে কী কল্যাণকর।


দুঃখ-কষ্টে থাকলেই বরং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা হয়। দীর্ঘ সময় নিয়ে সালাত আদায় করা হয়। অশ্রু ফেলে দুআ করা হয়।পেরেশানির...
09/08/2026

দুঃখ-কষ্টে থাকলেই বরং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করা হয়। দীর্ঘ সময় নিয়ে সালাত আদায় করা হয়। অশ্রু ফেলে দুআ করা হয়।

পেরেশানির সময়টুকুতে দুরুদ, ইস্তেগফার ও দুআ ইউনুস যেন জবান থেকে সরতেই চায় না। সদকাহ্ করা হয়। অন্য সময়ে ইচ্ছাকৃত পাপ হয়ে গেলেও বিপদের মুহূর্তে পাপের ইচ্ছা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে আসে। বরং তখন নফস নেকি অর্জনের পথ খুঁজে বেড়ায়।

নিজের জীবন থেকে দেখেছি,মুসিবতের সময়গুলোতে কেন জানি আমলের টার্গেট নিয়ে কয়েক হাজার দুরুদ ও ইস্তেগফার করা হয়। অন্য সময় আমলে গাফিলতি চলে এলেও কষ্টের সময়গুলোতে আমল বেড়ে যায়!

যদি আপনার জীবনটা এই মুহূর্তে কণ্টকাকীর্ণ মনে হয়, তবে আশা রাখুন, এই কষ্টগুলোই হয়তো আপনার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ নিয়ামাহ্! তাই কষ্টের সময়গুলোকে কাজে লাগিয়ে আমলে মনোযোগ দিন। ১ হাজার, ৫ হাজার,১০ হাজার যত পারেন ইস্তেগফারের টার্গেট নিন। বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করুন। সাধ্য অনুযায়ী সদকাহ্ বাড়ান।

বিপদের উসিলায় আমল হবে। আর সেই আমলের উসিলায় আল্লাহ অন্তরে প্রশান্তি দান করবেন। বিপদ দূর করবেন এবং নেকির পাল্লা ভারী করবেন ইনশাআল্লাহ। একজন মুমিনের জীবনে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে!
-Tahia_Islam

✨ লাতীফার এই প্রিমিয়াম তাসবিহ কাউন্টার দিয়ে ৯৯৯৯৯ পর্যন্ত কাউন্ট করতে পারবেন। ১০০ হলে veep করবে। যারা জিকির করতে করতে ভুলে যান তাদের জন্য ভালো একটা রিমাইন্ডার এই তাসবিহ কাউন্টার গুলো।


Address

Shirajdikhan
Munshiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lateefah-লাতীফা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category