Fish bangla

Fish bangla 01734494983/এখানে উন্নত মানের দেশী-বিদেশী প্?

Fish Bangla একটি মাছ প্রকল্প খামার আমরা বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে সরাসরি হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি যে কোন মাছ এবং কি আপনারা নিজে এসে মাছ নিয়ে যেতে পারেন আমাদের ঠিকানা এসে আমাদের ঠিকানা হল ময়মনসিং জেলা থানা ত্রিশাল গ্রাম ধলা

11/05/2026

চাষের জন্য সকল ধরনের মাছের পোনা এখানে পাওয়া যাবে।।01734494983(whatsapp ইমো)।।
#মাছেরপোনা #ভাইরাল #তারাবাইম

26/04/2026

চাষের জন্য দেশি টেংরা মাছের পোনা।। #মাছেরপোনা #ভাইরাল

18/04/2026

পুকুরে তারা বাইম চাষ করে লাখোপতি হন।। #তারাবাইম

01/04/2026

২০ হাজার তেলাপিয়া মাছ চাষ করে লাভ তিন লক্ষ ৪০ হাজার টাকা।। #মাছেরপোনা

31/03/2026

দ্বিগুণ লাভে চাষ করুন তারা বাইন মাছ।। #তারাবাইম #মাছেরপোনা #ভাইরাল

29/03/2026

পাবদা মাছের নতুন পোনা।।।

12/03/2026

#ভাইরাল #মাছেরপোনা
ভিয়েতনামী কই মাছ চাষ পদ্ধতি:
ভিয়েতনামী কৈ মাছ চাষ বর্তমানে আমাদের দেশে বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা। সাধারণ কৈ মাছের তুলনায় এটি দ্রুত বাড়ে এবং অল্প জায়গায় বেশি মাছ চাষ করা যায়। নিচে ভিয়েতনামী কৈ মাছ চাষের আধুনিক ও সহজ পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. পুকুর প্রস্তুতি
মাছ ছাড়ার আগে পুকুরটিকে ভালোভাবে প্রস্তুত করা জরুরি।
পুকুরের আয়তন: ১০ থেকে ৩০ শতাংশের পুকুর চাষের জন্য আদর্শ। পানির গভীরতা ৩-৪ ফুট হওয়া ভালো।
শুকানো ও চুন প্রয়োগ: পুকুরের তলার মাটি শুকিয়ে শতাংশ প্রতি ১ কেজি চুন প্রয়োগ করতে হবে। এতে তলার গ্যাস ও জীবাণু মারা যায়।
পানি ও সার: চুন দেওয়ার ২-৩ দিন পর পানি দিতে হবে। প্রাকৃতিক খাবারের জন্য শতাংশ প্রতি ৫-৭ কেজি গোবর বা অল্প পরিমাণ ইউরিয়া ও টিএসপি সার দেওয়া যেতে পারে।
২. পোনা নির্বাচন ও মজুদ
ভিয়েতনামী কৈ চাষে সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো ভালো মানের পোনা।
পোনা নির্বাচন: বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে পোনা সংগ্রহ করুন। পোনা যেন সমজাতীয় বা একই সাইজের হয়।
মজুদ ঘনত্ব: শতাংশ প্রতি ৪০০-৬০০টি পোনা ছাড়া যায়। তবে পোনা ছাড়ার আগে অবশ্যই পানির তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে (Acclimatization) নিতে হবে।
৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
এই মাছ প্রচুর খাবার খায় এবং এদের গ্রোথ মূলত ফিডের ওপর নির্ভর করে।
খাবারের ধরণ: ভাসমান উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ (৩০-৩৫%) বাণিজ্যিক ফিড দিতে হবে।
নিয়ম: মাছের ওজনের ৩-৫% হারে খাবার প্রতিদিন দুইবার (সকালে ও সন্ধ্যায়) দিতে হবে। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে খাবারের দানার সাইজ পরিবর্তন করতে হবে।
৪. রোগ বালাই ও প্রতিকার
ভিয়েতনামী কৈ মাছে সাধারণত লেজ পচা বা ফুলকা পচা রোগ দেখা দিতে পারে।
পানি পরিবর্তন: পুকুরের পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতি মাসে একবার অন্তত ৩০% পানি পরিবর্তন করে নতুন পানি দিলে মাছ দ্রুত বাড়ে।
প্রতিরোধ: পানির গুণাগুণ বজায় রাখতে নিয়মিত জীবাণুনাশক বা লবণ (শতাংশ প্রতি ১০০ গ্রাম) ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে চাষ করলে মাত্র ১০০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যেই ভিয়েতনামী কৈ মাছ বিক্রির উপযোগী হয়। সাধারণত এক একটি মাছের ওজন ১০০-১৫০ গ্রাম হয়ে থাকে।
বিশেষ টিপস: পুকুরের চারপাশে ২ ফুট উচ্চতার জাল বা নেটিং দিয়ে বেড়া দেওয়া জরুরি। কারণ বর্ষাকালে বা বৃষ্টির সময় এই মাছ পুকুর থেকে লাফিয়ে বাইরে চলে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়।

09/03/2026

ভিয়েতনামি শোল মাছের চাষ বর্তমানে আমাদের দেশে বেশ লাভজনক হয়ে উঠেছে। দেশি শোলের তুলনায় এগুলো দ্রুত বাড়ে এবং ঘনত্বের সাথে চাষ করা যায়। নিচে ভিয়েতনামি শোল চাষের আধুনিক ও সহজ পদ্ধতিগুলো আলোচনা করা হলো:
১. পুকুর বা ট্যাংকের প্রস্তুতি
ভিয়েতনামি শোল পুকুরে বা সিমেন্টের ট্যাংকে—উভয় পদ্ধতিতেই চাষ করা যায়।
পুকুরের আয়তন: পুকুর ছোট (৫-১০ শতাংশ) হওয়াই ভালো। গভীরতা ৩ থেকে ৪ ফুট হওয়া প্রয়োজন।
বেড়া দেওয়া: শোল মাছ লাফিয়ে বাইরে চলে যায়, তাই পুকুরের চারদিকে অন্তত ২-৩ ফুট উঁচু জাল (Net) দিয়ে ভালো করে বেড়া দিতে হবে।
জলজ উদ্ভিদ: মাছের লুকানোর জন্য পুকুরের এক কোণায় অল্প কিছু কচুরিপানা দেওয়া যেতে পারে।
২. পোনা নির্বাচন ও মজুদ
চাষের সাফল্য নির্ভর করে সঠিক পোনার ওপর।
পোনা সংগ্রহ: বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে ২-৩ ইঞ্চি সাইজের সুস্থ পোনা সংগ্রহ করুন।
মজুদ ঘনত্ব: শতাংশে ৪০০-৫০০টি পোনা মজুদ করা যায়। তবে কৃত্রিম অক্সিজেন বা ভালো পানির ব্যবস্থা থাকলে ঘনত্ব আরও বাড়ানো সম্ভব।
৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
ভিয়েতনামি শোল মূলত সম্পূরক খাবারে অভ্যস্ত।
খাবারের ধরন: বাজারে কিনতে পাওয়া যায় এমন হাই-প্রোটিন (৩৫%-৪০% প্রোটিন) যুক্ত ভাসমান ফিড এদের প্রধান খাবার।
সময়: মাছকে দিনে ২ বার (সকাল ও সন্ধ্যায়) নির্দিষ্ট স্থানে খাবার দিতে হবে।
পরিমাণ: মাছের ওজনের ৩% থেকে ৫% হারে খাবার দিতে হয়। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে হার কমিয়ে আনতে হয়।
৪. পানি ও রোগ ব্যবস্থাপনা
পানি পরিবর্তন: শোল মাছ প্রচুর বর্জ্য ত্যাগ করে, তাই নিয়মিত পানি পরিবর্তন করা জরুরি। বিশেষ করে ট্যাংকে চাষ করলে সপ্তাহে অন্তত একবার আংশিক পানি পরিবর্তন করতে হবে।
জীবাণুনাশক: প্রতি ১৫ দিন অন্তর লবণ বা পটাশ মিশ্রিত পানি দিলে মাছ চর্মরোগ থেকে মুক্ত থাকে।
সতর্কতা: মাছের গায়ে লাল ক্ষত বা আঁশ উঠে যাচ্ছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৫. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে যত্ন নিলে ৫-৬ মাসের মধ্যেই একটি মাছের ওজন ৬০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই সময়ে মাছগুলো বিক্রির উপযোগী হয়।
চাষিদের জন্য কিছু টিপস:
একই সাইজের পোনা ছাড়ুন: শোল মাছ স্বজাতিভোজী (Cannibalistic)। যদি বড়-ছোট পোনা একসাথে থাকে, তবে বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলতে পারে। তাই সবসময় সমান সাইজের মাছ এক পুকুরে রাখার চেষ্টা করবেন। #শোলমাছ #ভাইরাল #মাছেরপোনা

08/03/2026

#মাছেরপোনা
ব্ল্যাক কার্প (Black Carp) মূলত শামুকখেকো মাছ হিসেবে পরিচিত। পুকুরে শামুক ও ঝিনুকের উপদ্রব কমাতে এবং অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনে এই মাছ চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। নিচে ব্ল্যাক কার্প চাষের বিস্তারিত পদ্ধতি আলোচনা করা হলো:
১. পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি
ব্ল্যাক কার্পের জন্য মাঝারি থেকে বড় সাইজের পুকুর ভালো।
পুকুরের আয়তন: ৩০-৫০ শতাংশ বা তার বেশি হলে ভালো হয়। পানির গভীরতা ৫-৬ ফুট থাকা প্রয়োজন।
পুকুর শুকানো: প্রথমে পুকুর শুকিয়ে রাক্ষুসে মাছ ও অপ্রয়োজনীয় জলজ আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
চুন প্রয়োগ: প্রতি শতাংশে ১-২ কেজি চুন প্রয়োগ করে তলদেশের বিষাক্ত গ্যাস দূর করতে হবে।
শামুকের উপস্থিতি: যেহেতু এই মাছ শামুক খায়, তাই পুকুরে প্রাকৃতিক শামুক থাকলে তা মাছের বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।
২. পোনা মজুদ ও মিশ্র চাষ
ব্ল্যাক কার্প সাধারণত একক চাষের চেয়ে মিশ্র চাষে বেশি লাভজনক।
মজুদ ঘনত্ব: শতাংশে ৫-১০টি ব্ল্যাক কার্পের পোনা ছাড়া যেতে পারে (যদি সাথে রুই, কাতলা থাকে)। একক চাষ করলে শতাংশে ৩০-৪০টি পোনা ছাড়া যায়।
পোনা নির্বাচন: ৫-৬ ইঞ্চি সাইজের সুস্থ-সবল পোনা মজুদ করা উত্তম।
৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
ব্ল্যাক কার্প মূলত আমিষভোজী। এদের খাদ্যের দুটি উৎস রয়েছে:
প্রাকৃতিক খাদ্য: পুকুরের তলদেশের শামুক, ঝিনুক এবং জলজ পোকা। যদি পুকুরে শামুক শেষ হয়ে যায়, তবে বাইরে থেকে শামুক সংগ্রহ করে পুকুরে দিতে হবে।
সম্পূরক খাদ্য: শামুকের পাশাপাশি ৩০-৩৫% আমিষ সমৃদ্ধ ডুবন্ত পিলেট খাবার দেওয়া যেতে পারে। মাছের ওজনের ৩-৫% হারে প্রতিদিন দুইবার খাবার প্রয়োগ করুন।
৪. মাছের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য সচেতনতা
ব্ল্যাক কার্প খুব দ্রুত বাড়ে। সঠিক খাবার পেলে এক বছরে ২-৩ কেজি পর্যন্ত ওজন হতে পারে।
পানির মান ঠিক রাখতে প্রতি মাসে একবার শতাংশে ১০০-১৫০ গ্রাম চুন বা জিওলাইট ব্যবহার করা যেতে পারে।
পানির রং অতিরিক্ত সবুজ হয়ে গেলে পানি পরিবর্তন বা পরিমিত খাবার দিতে হবে।
৫. বাজারজাতকরণ
সাধারণত ১.৫ থেকে ২ কেজি ওজন হলেই ব্ল্যাক কার্প বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়। তবে এই মাছ যত বড় হয় (৫-১০ কেজি), এর বাজারমূল্য তত বেশি পাওয়া যায়।
ব্ল্যাক কার্প চাষের বিশেষ সুবিধা
পরিবেশ রক্ষক: পুকুরে শামুকের আধিক্য নিয়ন্ত্রণ করে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে।
অল্প পরিশ্রমে লাভ: অন্যান্য কার্প জাতীয় মাছের সাথেই এটি বড় হয়, তাই আলাদা করে খুব বেশি যত্ন নিতে হয় না।

06/03/2026

শোল মাছের পোনা পাওয়া যায় ।। #মাছেরপোনা #শোলমাছ #ভাইরাল ভিডিও 01734-494983

05/03/2026

মাছের রেনু উৎপাদন #মাছচাষর #

Address

ময়মনসিংহ জেলা থানা ত্রিশাল পোস্ট ধলা পোস্ট কোড ২২২৩
Mymensingh
2223

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fish bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fish bangla:

Share