10/06/2025
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এবার —ব্রিটেনের মাটিতে আওয়ামী লীগের দুর্নীতির কঙ্কাল প্রকাশ্যে আনতে। তার সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক, অর্থ উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। তাঁরা ব্রিটিশ সরকারের এন্টি মানি লন্ডারিং ইউনিটের হাতে তুলে দেবেন এমন সব অকাট্য প্রমাণ ও নথি, যা শুধু এক রাজনৈতিক পরিবারের নয়—সমগ্র আওয়ামী নেতৃত্বের ভিত কাঁপিয়ে দেবে।
এই উদ্যোগে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত টিউলিপ সিদ্দিক। কারণ, তার মা শেখ রেহানা এবং খালা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির তদন্ত শুধু পারিবারিক সম্পর্কেই নয়, তার ব্রিটিশ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ওপরও ভয়ঙ্কর ছায়া ফেলেছে। টিউলিপ বুঝে গেছেন—‘আম ছালা’ দুটোই হারাতে বসেছেন। ব্রিটেন আইনের দেশ, এখানে পারিবারিক প্রভাব নয়, প্রমাণই শেষ কথা।
চিকন বুদ্ধিজীবি ড. ইউনুস জানেন, এখানে আবেগ নয়, বিচার চলে যুক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে। তাই টিউলিপের অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি কোনো গোপন সাক্ষাৎ দেবেন না। আইনের বাইরে এক পা-ও নয়—এই অবস্থানে অনড় তিনি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—টিউলিপের সঙ্গে তার দেখা হবে কেবলমাত্র আদালতের করিডোরে, যেখানে ‘পাওয়ার পলিটিক্স’ নয়, জবাবদিহিতা মুখ্য।
এই ঘটনা হতে যাচ্ছে ব্রিটেনের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত—যেখানে দুর্নীতির ছায়া থেকে কেউ রেহাই পাবে না। ড. ইউনুস যেন আওয়ামী লীগের বহুদিনের জমে থাকা অপকর্মের গাঢ় অন্ধকারে জ্বেলে দিচ্ছেন এক ঝলক নির্ভীক আলোর মশাল। বৃটেনের মাটিতে সম্ভবত এটাই হবে আওয়ামী পরিবারের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পতনের সূচনা। ইতিহাস হয়তো এ মুহূর্তকে মনে রাখবে—যেদিন একটি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, দেশের শুদ্ধি অভিযানের প্রতীক হয়ে, দুর্নীতিকে কেবল প্রশ্নবিদ্ধ করেননি, বরং আন্তর্জাতিক মঞ্চে এনে দাঁড় করিয়েছেন বিবেকের কাঠগড়ায়।
দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কতদূর গরায়......
সংগৃহীত।