সবুজ গালিচা

সবুজ গালিচা জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত

13/08/2025

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
ইয়ন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লি:
পদের নামঃ S.P.O(Sales Promotion Officer)
পদের সংখ্যাঃ ১
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এস এস সি /এইস এস সি
অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন প্রার্থীকে অগ্রাধীকার দেয়া হবে।
কর্মস্থানঃবগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলার (আটমুল,আলিয়ারহাট,কিচক,গুজিয়া,দারিদাহ, আমতলী এবং মোকামতলা)
আকর্ষণীয় বেতন এবং সাথে মাসিক বাজেট এচিভমেন্ট করতে পারলে আকর্ষণীয় ইনসেন্টিভ
বি: দ্রুপঃ প্রার্থীর মোটরসাইকেল থাকা বাধ্যতামুলক এবং প্রার্থীকে অবশ্যই বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা হতে হবে।
আগ্রহী প্রার্থীদের অতিদ্রুত নিম্নে দেয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
যোগাযোগঃ ০১৭১৩-১৬৪০৫৬

10/05/2025
কৃষিতে ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক।ইয়ন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি এর -মুক্তি ২০এসএলচাষাবাদ করেন অথচ “ইমিডাক্লোপ্রিড” গ্রুপের ক...
13/01/2025

কৃষিতে ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক।
ইয়ন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি এর -মুক্তি ২০এসএল

চাষাবাদ করেন অথচ “ইমিডাক্লোপ্রিড” গ্রুপের কীটনাষক ব্যবহার করেন নাই, এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে। তাই আজ “ইমিডাক্লোপ্রিড” বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য সহজভাবে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। আশা করি এই তথ্যগুলো আপনাদের ব্যবহারিক ক্ষেত্রে খুবই কাজে লাগবে। আমাদের কৃষিক্ষেত্রে যতগুলো ক্ষতিকর পোকা-মাকড় আছে, সেগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়।

১. শোষক পোকা – যারা গাছের রস খেয়ে বেচে থাকে।
২. কুরে খাওয়া পোকা- যারা গাছ, পাতা, ফল, ফুল ছিদ্র করে বা চিবিয়ে খায়। ইমিডাক্লোপ্রিড সকল প্রকার শোষক পোকা দমনে খুব কার্যকরী। তাই এই একটি মাত্র কীটনাষক দিয়ে আপনি কৃষিক্ষেত্রের প্রায় অর্ধেক পোকার ট্রিটমেন্ট করতে পারবেন। তাই এর বিষয়ে একটু জেনে রাখা খুব জরুরী। ১৯৯৯ সালের হিসাবে ইমিডাক্লোপ্রিড ছিলো বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত কীটনাশক।
বর্তমানে আলুর জমিতে ইয়নের মুক্তি-২০এসএল ব্যাবহার করে আলু গাছকে এইসকল পোকা থেকে মুক্ত করে অধিক ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব।
ইমিডাক্লোপ্রিড যেভাবে কাজ করেঃ
(Mode of action) এর অনেক কয়টি গুন আছে। এটি বিভিন্নভাবে কাজ করে থাকে। যেমন:-

১. প্রবাহমানঃ
ইমিডাক্লোপ্রিড একটি প্রবাহমান বা অন্তর্বাহী ক্রিয়া সম্পন্ন কীটনাশক তাই স্প্রে করার অল্প সময়ের মধ্যেই ইহা গাছের ভিতরে প্রবেশ করে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং গাছের রসের সাথে মিশে সম্পূর্ণ গাছটি বিষাক্ত করে তোলে।

২. স্পর্শকঃ
স্পর্শ ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় কীট-পতঙ্গের শরীরে সরাসরি স্পর্শ করলে বিষক্রিয়া ঘটে।

৩. পাকস্থলীয়ঃ
ইহা পাকস্থলীয় ক্রিয়া সম্পন্ন কীটনাশক। তাই স্প্রে করা পাতা, ডগা ইত্যাদি থেকে রস খেলে পোকার শরীরে বিষক্রিয়া ঘটে৷ ৪. ট্রান্সলেমিনারঃ- এটি ট্রান্সলেমিনার গুনসম্পন্ন কীটনাশক তাই পাতার উপরের স্তরে পড়লে তা পাতার এপিডার্মিস ভেদ করে পাতার নিচের স্তরে পৌঁছাতে সক্ষম। তাই যে সকল পোকা পাতার নিচে লুকিয়ে থেকে রস চুষে খায়, তাদের শরীরেও বিষক্রিয়া ঘটে।

প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
সাধারণত স্প্রে করার মাধ্যমে এটি গাছে প্রয়োগ করা হয়, তবে এটি মাটিতেও প্রয়োগ করা যায়। এর ফলে মাটিতে অবস্থানরত পোকা মারা যায় এবং শেকড়ের মাধ্যমে এটি গাছে প্রবেশ করে গাছও বিষাক্ত হয়ে যায়। এছাড়াও এটি বীজ ড্রেসিং এর কাজেও ব্যবহার হয়ে থাকে।

ইমিডাক্লোপ্রিড কীটনাশক পোকার শরীরে যেভাবে কাজ করেঃ
ইমিডাক্লোপ্রিড হচ্ছে নিওনিকোটিনয়েড গ্রুপের কীটনাষক যা কীট-পতঙ্গের Nerve বা স্নায়ুতন্ত্রের উপর কাজ করে। এটি কীট-পতঙ্গের শরীরে স্পর্শ করলে বা তারা চুষে বা কুরে খেলে তাদের শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হয়। ইমিডাক্লোপ্রিড স্নায়ুর স্বাভাবিক সংকেত পাঠানোর ক্ষমতাকে ব্যাহত করে এবং স্নায়ুতন্ত্র যেভাবে কাজ করা উচিত সেভাবে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলে কীট-পতঙ্গের প্রতিটি অঙ্গের কাজ করার ক্ষমতা লোপ পায় এবং অসাড় হয়ে মারা যায়।

যে সকল পেকা দমন করা সম্ভবঃ
ইমিডাক্লোপ্রিড অসংখ্য অগুনিত পোকা দমন করে, যার আলোচনা সম্ভব নয়, তবে অল্প কিছু গোত্র ও পরিচিত পোকা সম্পর্কে আলোচনা না করলেই নয়।

এফিড (Aphid)ঃ
এরা ক্ষুদ্র প্রকৃতির শোষক পোকা, গাছের রস খেয়ে বেচে থাকে তাই এদের গাছের উকুনও বলা যেতে পারে। সাদা মাছি, সবুজ মাছি, কালো মাছি নামেও পরিচিত। এদের ৪,৪০০ টি প্রজাতি রয়েছে, তার মধ্যে ২৫০ টি প্রজাতি কৃষি ক্ষেত্রের জন্য খুব ভয়ানক বালাই। নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ায় এদের আক্রমন বেশি হয়।

থ্রিপস পোকাঃ
উকুনের মতো ক্ষুদ্র পোকা, সকল ধরনের সবজি, মাঠ ফসল ও মশলা জাতীয় ফসলে আক্রমন করে।

জ্যাসিডঃ
জ্যাসিড বা শ্যামা পোকা দমনেও এটি ভালো কাজ করে।

কারেন্ট পোকাঃ
এটি প্রবাহমান গুনসম্পন্ন হওয়ায় কারেন্ট পোকাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

ফলের মাছি পোকাঃ
কুমড়াজাতীয় সবজি এবং অন্যান্য ফলের মাছি পোকা যেহেতু গাছের রস খেয়ে বেচে থাকে, তাই তাদের দমনের জন্যও এটি কাজ করে।

জাব পোকাঃ
জাব পোকা হচ্ছে আমাদের সকলের একটি পরিচিত পোকা। এটি দমনে ইমিডাক্লোপ্রিড এর তুলনা নাই৷

এছাড়াও হপার, মিলিবাগ, রাইস বোরার্স, প্ল্যান্টপার্পারস, বিটল সহ চেনা-অচেনা বহু পোকা দমনে ইমিডাক্লোরপ্রিড মাহের। সাধারণত এ সকল শোষক পোকা দৈনিক তাদের শরীরের ওজনের ৩ থেকে ২০ গুণ রস শোষণ করে। কেনটা আবার ৮০ গুন পর্যন্তও রস শোষন করতে পারে। গাছের শরীর থেকে সমস্ত খাদ্য ও রস চুষে নেয়াতে গাছ একেবারে দুর্বল হয়ে যায়। তাই এদের ক্ষুদ্র ভেবে হালকাভাবে নেয়া মোটেও উচিৎ নয়। এদের বাচ্চা বা ডিমও (নিম্ফ) ক্ষতিকর। ভাইরাস এবং রোগ ছড়ানোর জন্য মূলত এই সকল শোষক পোকাই দায়ী। আর এদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ইমিডাক্লোপ্রিড হচ্ছে খুবই সস্তা এবং কার্যকরী একটি অষুধ। এটি ল্যাদা জাতীয় পোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকা সহ অন্যান্য কুরে খাওয়া পোকা দমনে সফলভাবে কাজ করে না। তাই এগুলো দমনে ইমিডাক্লোপ্রিড উপযুক্ত নয়।

ক্রস প্রতিক্রিয়াঃ
ইমিডাক্লোপ্রিড খুবই শান্ত প্রকৃতির একটি অষুধ। পানিতে মিক্স করলে তা ঘোলাটে করে না। এমন কি অন্যান্য কীটনাষকের সাথে মিক্স করলেও এটি কোন খারাপ বিক্রিয়া করে না। তাই অর্গানোফসফেট (টাফগরজাতীয়), পাইরিথ্রয়েড (সাইপারমেথ্রিনজাতীয়), কার্বামেট (কার্বোসালফানজাতীয়) কীটনাষকের সাথে মিক্স করে স্প্রে করলে বিপরীত কোন ক্রিয়া করে না। তাই এটা এ জাতীয় সকল কীটনাষকের সাথে মিক্স করে স্প্রে করা যায়।]

বিষাক্ততাঃ
ইমিডাক্লোপ্রিড খুব দ্রুত কাজ করলেও এটি মাটি এবং পানি খুব কম দূষিত করে। মানুষ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের জন্য এর বিষাক্ততা খুব কম। কীট-পতঙ্গ ও অন্যান্য অমেরুদন্ডী প্রাণীদের জন্য এটি খুব বিষাক্ত। মৌমাছির জন্য এটি খুব ক্ষতিকর।

বানিজ্যিক নামঃ
যেহেতু এটি বহুল ব্যবহৃত একটি কীটনাষক, তাই বহু কোম্পানি থেকে বিভিন্ন নামে এটি মার্কেটে পাওয়া যায়। নিচে ব্যপক ব্যবহৃত এবং বাজারের সেরা মানসম্পন্ন বানিজ্যিক নাম দেয়া হলো।
মুক্তি২০ এসএল – ইয়ন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি লিঃ

প্রয়োগ মাত্রাঃ
ইমিডাক্লোরপ্রিড 20 SL লিকুইড সাধারণত সবজি ও মাঠ ফসলে প্রতি লিটার পানিতে 0.5 ml অনুপাতে ব্যবহার করার জন্য সাজেস্ট করা হয়ে থাকে। তবে অবস্থাভেদে বিভিন্ন ফল গাছ অথবা অন্যান্য ট্রিটমেন্টে বিভিন্ন মাত্রায় সুপারিশ করা হয়ে থাকে। ইমিডাক্লোরপ্রিড 70wdg এর ২ গ্রাম = ৭ মিলি লিকুইড ইমিডাক্লোরপ্রিড 20sl এর সমপরিমান। তাই এটি ১৪ লিটার পানিতে ব্যবহার করা যায়।

বিঃদ্রঃ
পোস্টটি কিছুটা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এবং কিছুটা (গবেষণামূলক তথ্যগুলো) নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নেয়া এবং বাকিটা বিভিন্ন অথেনটিক পেইজ থেকে নেয়া হয়েছে। কোথাও যদি ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকে, তাহলে জ্ঞাত করানোর জন্য অনুরোধ রইলো৷ মনযোগ দিয়ে পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।

কৃষকের বন্ধু ইয়ন এগ্রো
💚💚💚💚💚💚💚
#কৃষি
#কৃষক

 #আলু_গাছের ঢলে পড়া রোগের কারণ ও চাষি ভাইয়ের করণীয়!আলু লাগানোর পর গাছের প্রথম দিকে বড় সমস্যা  #ঢলে_পড়া। সঠিক কারণ না জান...
29/11/2024

#আলু_গাছের ঢলে পড়া রোগের কারণ ও চাষি ভাইয়ের করণীয়!
আলু লাগানোর পর গাছের প্রথম দিকে বড় সমস্যা #ঢলে_পড়া। সঠিক কারণ না জানার কারণে, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে চাষী ভাইরা আলু চাষে এ রোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হন।

🔷চাষী ভাইরা মনে করেন মাটি ভেজা, পানির কারণে আলু পচে যাচ্ছে এবং ঢলে পড়েছে। তবে আসল কারণ হচ্ছে #ব্যাকটেরিয়া। এবং এই দুই ধরনের ব্যাকটেরিয়া এজন্য দায়ী।
এছাড়া ফিউজারিয়াম নামক ছত্রাকের জন্যও আলু গাছ ঢলে পড়তে পারে।

✅পানির সাথে ঢলে পড়ার সম্পর্ক কোথায়?
ভেজা মাটি, স্যাঁতস্যাতে অবস্থায় ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে।

✔️ যে কারণে পানি দিলে ঐ জমিতে জীবাণু থাকলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া পানির মাধ্যমে ভেসে বেড়ায়।
✔️তাই ঢলে পড়া রোগ দেখা দেওয়ার পর সেচ দিলে পুরো জমিতে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে।।
✔️ এছাড়া ২৮-৩০° তাপমাত্রা এ রোগ হওয়ার জন্য বেশি উপযুক্ত।

⛔তাই আক্রান্ত জমিতে #পানি দিলে কৃষকের সর্বনাশ।

🔰তাহলে এ রোগ থেকে #মুক্তির_উপায় কী?

❌প্রথমত, জমিতে এ রোগ দেখা দিলে কোনো অবস্থাতেই সেচ/ পানি দেওয়া যাবে না।

🔷আক্রান্ত হওয়ার #প্রাথমিক অবস্থায়-
✔️ #টিমসেন- স্প্রে করবেন।
টিমসেন ১৬ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম হারে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় ভালো করে স্প্রে করতে হবে যাতে করে মাটির ভিতরের গাছের গোড়াও যেন ভিজে যায়।
✔️৪ দিন পর পর দুইবার টিমসেন স্প্রে করবেন।

🔺১০ দিনের মধ্যে এ রোগ দমন করার ব্যবস্থা করতে হবে।

🕵️‍♂️রোগের জীবাণু #শনাক্ত করবেন কীভাবে?
✔️ঢলে পড়া গাছের গোড়ার দিকে #কালো দাগ থাকলে কিংবা কান্ড #কালচে হলে Erwinia ব্যাকটেরিয়া। দাগ না থাকলে Ralstonia হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

✅এছাড়া আক্রান্ত গাছের কান্ড কেটে গ্লাসে পরিস্কার পানিতে ১৫-২০ মিনিট চুবিয়ে রাখলে পানি ঘোলা হলে
ব্যাকটেরিয়া, না হলে ছত্রাক।

তাই সঠিক কারণ জেনে সঠিক ব্যবস্থা নিন, আগে থেকেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা মেনে চলুন।।

#বাণিজ্যিক কৃষি শুরু করার আগে ভালো পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।

👍সঠিক পরামর্শ পেতে পেইজটি ফলোও করে রাখুন।

কৃষকের বন্ধু ইয়ন এগ্রো
💚💚💚💚💚💚💚

#আলু #কৃষি

 #আলু_চাষের _কৃষক_ভাইদের_জন্য_স্প্রে_সিডিউল:রোগহীন আলু গাছের বয়স ৪ সপ্তাহ হলেই লেট ব্লাইট রোগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থা...
29/11/2024

#আলু_চাষের _কৃষক_ভাইদের_জন্য_স্প্রে_সিডিউল:

রোগহীন আলু গাছের বয়স ৪ সপ্তাহ হলেই লেট ব্লাইট রোগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই আগাম প্রতিষেধক হিসেবে করণীয়:

#প্রথম_স্প্রে
বীজ রোপনের ১৫-২০ দিন বয়স হতে স্প্রে শুরু করতে পারেন।
#নিস্তার ৭৬ ডাব্লিউপি ছত্রাকনাশক
১৬ লিটার পানিতে ৩২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

#ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক
যেমন:-
#ইজেব ৮০ ডাব্লিউপি ছত্রাকনাশক
১৬ লিটার পানিতে ৩২ গ্রাম হারে মিশিয়ে সকালে অথবা বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।

#দ্বিতীয়_স্প্রেঃ
#নিস্তার ৭৬ ডাব্লিউপি ছত্রাকনাশক
১৬ লিটার পানিতে ৩২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
এবং জাপ/কারেন্ট পোকা দমনের জন্য ব্যবহার করুন
#কমরেড ৮০ ডাব্লিউডিজি
১৬ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#তৃতীয়_স্প্রেঃ
#মেক্সিল ৭২ ডাব্লিউপি ছত্রাকনাশক
১৬ লিটার পানিতে৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
এবং আলুর দাঁদ রোগ প্রতিরোধে ব্যবহার করুন
#ভাইটাল ১৬ লিটার পানিতে ১৬ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#চর্তুথ_স্প্রেঃ
#মেক্সিল ৭২ ডাব্লিউপি ছত্রাকনাশক
১৬ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
এবং জাপ/কারেন্ট পোকা দমনের জন্য ব্যবহার করুন
#কমরেড ৮০ ডাব্লিউডিজি
১৬ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#আলুর লেট ব্লাইট আক্রান্ত হলে তারপরে করণীয়:

#কিভাবে বুঝবেন আলুর নাবী ধস্সা/লেট ব্লাইটঃ

পাতার উপর ফ্যাকাসে বা ফিকে সবুজ রংয়ের পানি ভেজা গোলাকার দাগ। কুয়াশাচ্ছন্ন ও মেঘলা আবহাওয়ায় দাগ সংখ্যা ও আকার দ্রুত বাড়তে থাকে । বাদামী থেকে কালচে রং ধারণ করে। রোগের আক্রমণ বেশী হলে গাছের কান্ডেও রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার ৩-৪ দিনের মধ্যে গাছ ঝলসে যায় ও দ্রুত মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে।

#অনুকূল আবহাওয়াঃ
তাপমাত্রা ১৬-২০° সেন্ট্রিগ্রেড। ঠান্ডা ও ভেজা আবহাওয়া এ রোগ বিস্তারের জন্য উপযুক্ত। যদি রাতের নিম্ন তাপমাত্রা ও উচ্চ জলীয় বাষ্প এবং তার সাথে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও কুয়াশা এবং পাতায় শিশির জমে থাকে তাহলে এরোগ কয়েক দিনের মধ্যে মহামরী রুপ ধারণ করে।

#পঞ্চম_স্প্রেঃ
#নিস্তার ৭৬ ডাব্লিউপি ছত্রাকনাশক
১৬ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#ষষ্ঠ_স্প্রেঃ যদি প্রয়জন হয়
#মেক্সিল ৭২ ডাব্লিউপি ছত্রাকনাশক
১৬ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#বিশেষ প্রয়োজনে: আবহাওয়া খারাপ এবং রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দিলে ব্যবহার করতে হবে
#কারিশমা ২৮ এস সি
১৬ লিটার পানিতে ১৬ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#স্প্রে পদ্ধতিঃ
স্প্রেয়ারের নজেল নিচের দিকে ধরে এমন ভাবে স্প্রে করতে হবে যাতে গাছের কান্ড ও পাতা পুরোপুরি ভিজে যায়।

#প্রতি শতক জমিতে কমপক্ষে ২ লিটার করে বালাইনাশক মিশ্রিত পানি স্প্রে করতে হবে।
#একই ছত্রাকনাশক বারবার স্প্রে না করে পর্যায়ে ক্রমে অন্যান্য ছত্রাকনাশক ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরিবর্তন করে স্প্রে করা উচিত।
#সকালে অথবা বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।

#সর্তকতাঃ
#আলু বীজ রোপনের চর্তুথ সপ্তাহে থেকে স্প্রে করতে হবে।
সাত দিন পরপর স্প্রে করে দিবেন পর্যায়ে ক্রমে। আলুর #লেট ব্লাইট/মড়ক আক্রান্ত হলে ৪-৫ দিন পরপর স্প্রে করে দিবেন
নিজের জমিতে নিয়মিত সকালবেলা নিজেই পরিদর্শন করে গাছের পাতা ও কান্ড পর্যবেক্ষণ করে দেখবেন।

#অযথা সেচ বা বেশি করে সেচ দিবেন না।
#জমিতে যেন পানি জমে না থাকে
#রোগাক্রান্ত জমিতে রাসায়নিক সার পিজিআর ও অহেতুক সেচ প্রয়োগ না করা।

কৃষকের বন্ধু ইয়ন এগ্রো
💚💚💚💚💚💚💚

#আলু #কৃষি

 #আলুর_কাটুই_পোকা  #কাটুই_পোকা চারা গাছ কেটে দেয় এবং আলুতে ছিদ্র করে আলু ফসলের ব্যাপকহারে ক্ষতি করে থাকে।  #পোকা দিনের ব...
24/11/2024

#আলুর_কাটুই_পোকা

#কাটুই_পোকা চারা গাছ কেটে দেয় এবং আলুতে ছিদ্র করে আলু ফসলের ব্যাপকহারে ক্ষতি করে থাকে।

#পোকা দিনের বেলায় মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে।এবং সন্ধার দিকে বের হয়ে আলুর গাছ কেটে দেয় এমনকি অনেক সময় কাটা গাছের গোড়ার পাশেই এই পোকা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

#ডিম ফুটে বের হয়ে কীড়া পাতার বাইরের ত্বক অংশ খেয়ে বেচে থাকে।

#আলু গাছ লাগানোর ১৫-২০ দিন বয়সে চারা অবস্থাতেই কাটুই পোকা আক্রমণ শুরু করে।
এমনকি ঠিক মতো নিধন না করতে পারলে আলু তোলার আগ পর্যন্ত এই পোকার আক্রমণ চলতেই থাকে।

#ব্যবস্থাপনা:কীটনাশকের মাধ্যমে এই পোকা সম্পুর্ন ভাবে নিধন করা যায়।

#অ্যালকো ৫৫ ইসি
প্রতি লিটার পানির সাথে ২ মি.লি হারে মিশিয়ে আছরের পর অর্থাৎ সন্ধার আগমুহূর্তে গাছের গোড়া ও মাটিতে স্প্রে করে ভিজিয়ে দিতে হবে।প্রতি ১০ দিন পরপর ৩/৪ বার স্প্রে করতে হবে।

কাটুই পোকার উপদ্রব খুব বেশী না হলে কাটা আলু গাছ দেখে তার কাছাকাছি মাটি উল্টে পাল্টে পোকা খুঁজে সংগ্রহ করে মেরে ফেলা উচিত।

কৃষকের বন্ধু ইয়ন এগ্রো
💚💚💚💚💚💚💚

#কৃষি

বেগুনের ডগা ঢলে পড়া ও বেগুনের ফলের ভিতর পোকা হয়, তা হয় আসলে ছবির এই সুন্দর পোকাটির আক্রমনের কারনে।এই পোকাটি নিজে বেগুন খ...
23/11/2024

বেগুনের ডগা ঢলে পড়া ও বেগুনের ফলের ভিতর পোকা হয়, তা হয় আসলে ছবির এই সুন্দর পোকাটির আক্রমনের কারনে।

এই পোকাটি নিজে বেগুন খায় না, ছিদ্র ও করেনা, আবার এটা দিনের বেলায় বেগুনের জমিতেও আসেনা, শুধু রাতে বেগুনের জমিতে আসে।

রাতে এসে কচি ডগা,পাতা, কচি ফুল ও ফলে ডিম পাড়ে।এবং পরে সেই ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্র করে খায়।

এর ফলে ডগা ঢলে পড়ে ও ফল ছিদ্র হয়।
তাই পোকাটিকে বাংলায় ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা বলা হয়।

কৃষকের বন্ধু ইয়ন এগ্রো
💚💚💚💚💚💚💚💚
#কৃষি

22/11/2024

ইয়নের দাপট মরিচ চাষ করে চাষির বাজিমাত।
🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️🌶️

12/11/2024

মো: সামছুল ভাই যেভাবে কপির পচন রোদ করলেন।

#কৃষি #ফারটিলাইজার #ফুলকপি

Address

Street
Puran Bogra

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সবুজ গালিচা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share